জাসিন্ডা আরডার্ন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মাননীয়
জাসিন্ডা আরডার্ন
নিউজিল্যান্ডের ৪০তম প্রধানমন্ত্রী
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
২৬ অক্টোবর ২০১৭
সার্বভৌম শাসকদ্বিতীয় এলিজাবেথ
গভর্নর-জেনারেলপ্যাটসি রেডি
ডেপুটিউইন্সটন পিটার্স
পূর্বসূরীবিল ইংলিশ
নিউজিল্যান্ডের ৩৬তম বিরোধীদলীয় নেত্রী
কাজের মেয়াদ
১লা আগস্ট ২০১৭ – ২৬ অক্টোবর ২০১৭
ডেপুটিকেলভিন ডেভিস
পূর্বসূরীঅ্যান্ড্রু লিটল
উত্তরসূরীবিল ইংলিশ
নিউজিল্যান্ড লেভার পার্টির ১৭তম সভাপতি
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
১লা আগস্ট ২০১৭
ডেপুটিক্যালভিন ডেভিস
পূর্বসূরীঅ্যান্ড্রু লিটল
বিরোধী দলের সহ-সভাপতি
কাজের মেয়াদ
৭ মার্চ ২০১৭ – ১লা আগস্ট ২০১৭
নেতাঅ্যান্ড্রু লিটল
পূর্বসূরীঅ্যানেট কিং
উত্তরসূরীক্যালভিন ডেভিস
নিউজিল্যান্ড লেভার পার্টির ১৭তম সহ-সভাপতি
কাজের মেয়াদ
১লা মার্চ ২০১৭ – ১লা আগস্ট ২০১৭
নেতাঅ্যান্ড্রু লিটল
পূর্বসূরীঅ্যানেট কিং
উত্তরসূরীক্যালভিন ডেভিস
মাউন্ট আলবার্টের নিউজিল্যান্ড সংসদ সদস্য
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
৮ মার্চ ২০১৭
পূর্বসূরীডেভিড শিয়েরার
সংখ্যাগরিষ্ঠ১৫,২৬৪
তালিকাভুক্তের নিউজিল্যান্ড সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
৮ নভেম্বর ২০০৮ – ৮ মার্চ ২০১৭
উত্তরসূরীরেমন্ড হুয়ো
ব্যক্তিগত বিবরণ
উচ্চারণ/əˈsɪndə ˈɑːrdɜːrn/
জন্মজাসিন্ডা কেট লরেল আরডার্ন
(1980-07-26) ২৬ জুলাই ১৯৮০ (বয়স ৩৯)
হ্যামিল্টন, নিউজিল্যান্ড
রাজনৈতিক দললেবার পার্টি
ঘরোয়া সঙ্গীক্লার্ক গেফোর্ড
সন্তান
পিতামাতারস আরডার্ন
লরেল আরডার্ন
বাসস্থানপ্রিমিয়ার হাউস, ওয়েলিংটন
প্রাক্তন শিক্ষার্থীইউনিভার্সিটি অব ওয়াইকাটো

জাসিন্ডা কেট লরেল আরডার্ন[১] (/əˈsɪndə ˈɑːrdɜːrn/;[২] জন্ম ২৬ জুলাই ১৯৮০) হলেন একজন নিউজিল্যান্ডীয় রাজনীতিক, যিনি ২০১৭ সালের ২৬শে অক্টোবর থেকে নিউজিল্যান্ডের ৪০তম এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি ২০১৭ সালের ১লা আগস্ট থেকে নিউজিল্যান্ড লেবার পার্টির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। আরডার্ন ২০১৭ সালের ৮ই মার্চ থেকে মাউন্ট অ্যালবার্ট ইলেক্টোরেটের সংসদ সদস্য; তিনি ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে তালিকাভুক্ত সংসদ সদস্য হিসেবে প্রথম হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের জন্য নির্বাচিত হন।

২০০১ সালে ওয়াইকাটো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে আরডার্ন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হেলেন ক্লার্কের দপ্তরে গবেষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি পরবর্তী কালে যুক্তরাজ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের নীতি-নির্ধারণী উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন।[৩] ২০০৮ সালে তিনি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব সোশ্যালিস্ট ইয়ুথের সভাপতি নির্বাচিত হন।[৪]

প্রারম্ভিক জীবন ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

জাসিন্ডা আরডার্ন ১৯৮০ সালের ২৬শে জুলাই নিউজিল্যান্ডের হ্যামিলটনে জন্মগ্রহণ করেন।[৫] তার পিতা রস আরডার্ন একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন এবং মাতা লরেল (বটমলি) আরডার্ন স্কুলের সহকারী ছিলেন।[৬][৭] আরডার্ন তার পিতার কর্মস্থল মরিন্সভিল ও মুরুপারায় বেড়ে ওঠেন।[৮] তিনি মরিন্সভিল কলেজে পড়াশোনা করেন,[৯] যেখানে তিনি স্কুলের বোর্ড অব ট্রাস্টির শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি ছিলেন।[১০] তিনি ২০০১ সালে ওয়াইকাটো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনীতি ও গণসম্পর্ক বিষয়ে ব্যাচেলর অব কমিউনিকেশন স্টাডিজ (বিসিএস) ডিগ্রি অর্জন করেন।[১১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "New Zealand Hansard – Members Sworn"Parliament of New Zealand। পৃষ্ঠা 2, volume 651। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  2. "Australian journalist surprised by Jacinda Ardern's accessibility"Stuff। সংগ্রহের তারিখ ২১ অক্টোবর ২০১৭ 
  3. "People – New Zealand Labour Party"। ২৩ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  4. কার্ক, স্টেসি (১ আগস্ট ২০১৭)। "Jacinda Ardern says she can handle it and her path to the top would suggest she's right"দ্য ডমিনিয়ন পোস্ট। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০১৯ 
  5. "Candidate profile: Jacinda Ardern"। থ্রি নিউজ। ১৯ অক্টোবর ২০১১। ১১ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৯ 
  6. কেলি, বারট্রান্ড (৩০ জুন ২০১৪)। "Jacinda Ardern's country childhood"। নাউ টু লাভ। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৯ 
  7. "Labour MP Jacinda Ardern warms to Hairy and friends"নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড। ১২ জুন ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৯ 
  8. কামিং, জিওফ (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Battle for Beehive hot seat"নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৯ 
  9. "Jacinda Ardern visits Morrinsville College"নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড। ১০ আগস্ট ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৯ 
  10. "Ardern, Jacinda: Maiden Statement"নিউজিল্যান্ড সংসদ। ১৬ ডিসেম্বর ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৯ 
  11. "Waikato BCS grad Jacinda Ardern becomes leader of the NZ Labour Party"ওয়াইকাটো বিশ্ববিদ্যালয়। ২ আগস্ট ২০১৭। ১৬ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৯