জার্বেরা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search

জার্বেরা
Gerbera bloom closeup02.jpg
A white Gerbera × hybrida
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Plantae
(শ্রেণীবিহীন): Angiosperms
(শ্রেণীবিহীন): Eudicots
(শ্রেণীবিহীন): Asterids
বর্গ: Asterales
পরিবার: Asteraceae
উপপরিবার: Mutisioideae
গোত্র: Mutisieae[১]
গণ: Gerbera
L. 1758 non Boehmer, 1760 (Asteraceae) nec J.F.Gmel., 1791[২]
প্রতিশব্দ[১]

জার্বেরা (ইংরেজি: Gerbera) (/ˈɜːrbərə/ or /ˈɡɜːrbərə/) L. হচ্ছে এস্টারেসি (ডেইজি পরিবারের) একটি গণের উদ্ভিদের নাম। জার্মান পরিবেশবিদ ট্রাগোট জরবার প্রথম এই ফুলের গণটির অস্তিত্ব আবিস্কার করেন বলে তার নামানুসারেই ফুলটির এরকম নামকরণ হয়েছে[৩] | (১৭১০-১৭৪৩) যিনি রাশিয়া ভ্রমণ করেন এবং কার্ল লিনিয়াসের বন্ধু ছিলেন।[৪]

এই মূহুর্তে সারাবিশ্বের ফুলের বাজারে চাহিদার তুঙ্গে যে ফুলগুলো রয়েছে তারমধ্যে জার্বেরা অন্যতম। এজন্যই দিন দিন বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বেই জার্বেরার চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিবরণ[সম্পাদনা]

জার্বেরা বহুবর্ষজীবী বীরুৎশ্রেণির একটি উদ্ভিদ। মাটি, স্থান, খাদ্য ও পরিচর্যা ভেদে এর উচ্চতা প্রায় ৩০-৫০ সে.মি.পর্যন্ত হতে পারে। এই গাছ দেখতে গুচ্ছাকার বা ঝোপালো ধরনের হয়ে থাকে। এর প্রত্যেকটি কাণ্ডের অগ্রভাগে ফুল ফোটে। ফুল লাল, হলুদ, সাদা কমলা ও গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। সাধারণত সারা বছরই অল্প পরিমাণ ফুল ফুটলেও এপ্রিল-মে মাসে বেশি ফুল ফোটে।

জার্বেরা সব ধরনের জলবায়ুতেই কমবেশি জন্মায়। তবে উজ্জ্বল সূর্যের আলো যুক্ত স্থানে লাগালে জার্বেরা গাছ খুব ভালো হয় ও এর ফুলও মানসম্মত হয়। বাংলাদেশে শীতকালে ও শীতের শেষের দিকে এর চাষাবাদ বেশি হতে দেখা যায়। যে কোন উৎসবে নারীদের খোপায় জার্বেরা গুজে দিয়ে নিজের সাজ ও সৌন্দর্য বাড়িয়ে নিতে ব্যাপক ভাবে দেখা যায়। জার্বেরার ৪০টির বেশি প্রজাতি রয়েছে।

বংশবিস্তারের জন্য জার্বেরা গাছের মুল,শিকড় ও মূলসহ কাণ্ড আলাদা করে গাছের সংখ্যা বাড়ানো যায়। আবার এর বীজ রোপণ করেও বংশবিস্তার ঘটানো যায়।লেখা পড়তে পড়তে যদি কারো খোপায় জার্বেরা গুযে নেয়ার শখ জেগে যায় তবে সেই দায় কিন্তু আমার না। তাদের প্রতি পরামর্শ বাসায় অন্তত একটি জার্বেরা গাছ রোপন করুণ।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]