জারিফা আলিয়েভা
জারিফা আলিয়েভা | |
|---|---|
| জন্ম | ২৮ এপ্রিল ১৯২৪ সাখতাহতি গ্রাম, আজারবাইজান এসএসআর, সোভিয়েত ইউনিয়ন |
| মৃত্যু | ১৫ এপ্রিল ১৯৮৫ (বয়স ৬০) মস্কো, সোভিয়েত ইউনিয়ন |
| দাম্পত্য সঙ্গী | হায়দার আলিয়েভ (বি. ১৯৪৮) |
| সন্তান | সেভিল আলিয়েভা ইলহাম আলিয়েভ |
| পুরস্কার | এম. আই. অ্যাভারবাখ নামাঙ্কিত পুরস্কার (১৯৮১) |
| বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন | |
| কর্মক্ষেত্র | চক্ষুরোগ বিজ্ঞান |
| প্রতিষ্ঠানসমূহ | আজারবাইজান ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস |
| ওয়েবসাইট | |
জারিফা আজিজ গিজি আলিয়েভা (আজারবাইজানি: Zərifə Əziz qızı Əliyeva; ২৮ এপ্রিল ১৯২৪ – ১৫ এপ্রিল ১৯৮৫) ছিলেন একজন আজারবাইজানি চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ, আজারবাইজান ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস-এর শিক্ষাবিদ এবং অধ্যাপক।[১] তিনি আজারবাইজানের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হায়দার আলিয়েভ-এর স্ত্রী এবং চতুর্থ রাষ্ট্রপতি ইলহাম আলিয়েভ-এর মাতা ছিলেন।
জীবনী
[সম্পাদনা]জারিফা আজিজ ১৯২৪ সালে শারুরের সাখতাহতি গ্রামে আজারবাইজানি পিতামাতার ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন আজিজ আলিয়েভ, যিনি আজারবাইজান এসএসআর-এর জনস্বাস্থ্য পরিষেবার পিপলস কমিসার এবং পরবর্তীতে দাগেস্তানের কমিউনিস্ট পার্টির ওব্লাস্ট কমিটির প্রথম সচিব ছিলেন। ১৯৪৮ সালে তিনি হায়দার আলিয়েভকে বিবাহ করেন। ১৯৫৫ সালের ১২ অক্টোবর তাদের কন্যা সেভিল জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৬১ সালের ২৪ ডিসেম্বর তাদের পুত্র ইলহাম আলিয়েভ জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮২ সালে তিনি তার পরিবারের সাথে মস্কোতে বসবাস শুরু করেন। আলিয়েভার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় আজারবাইজান স্টেট ইনস্টিটিউট অফ অ্যাডভান্সড মেডিকেল স্টাডিজে অতিবাহিত হয়েছে।[২] তিনি চোখের রোগের চিকিৎসার জন্য নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন ও প্রবর্তন করেন। তিনি ১৪টি মনোগ্রাফ, শত শত গবেষণা পত্র এবং ১২টি যৌক্তিকীকরণ প্রস্তাবের লেখক ছিলেন।
মৃত্যু ও উত্তরাধিকার
[সম্পাদনা]১৯৮৫ সালে তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন এবং মস্কোর নোভোদেভিচি গোরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।[৩] পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে তার দেহাবশেষ বাকু'র অ্যালি অফ অনারে পুনরায় সমাহিত করা হয়।

জারিফা আলিয়েভাকে উৎসর্গ করে ২০০৩, ২০০৮ এবং ২০১৩ সালে ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়।
পুরস্কার ও সম্মাননা
[সম্পাদনা]- চক্ষুরোগ বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পুরস্কার—এম. আই. অ্যাভারবাখ নামাঙ্কিত পুরস্কার।
নির্বাচিত কর্ম
[সম্পাদনা]- Anatomico-physiological features of the hydrodynamic system of the eye.
- Age-caused changes in eye and optic nerve passages: (Morfohistochemical researches) (সহ-লেখক হিসেবে)। বাকু, ১৯৮০।
- Professional pathology of eyesight (সহ-লেখক হিসেবে), ১৯৮৮।
- Modern surgical methods in the treatment of epiphora.
- Lachrymal physiology.
- Sparing surgery in the treatment of the lacrimal passages.[৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Bu gün aprelin 28 görkəmli oftalmoloq alim, akademik Zərifə xanım Əliyevanın anadan olmasının 87-ci ildönümüdür"।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "Зарифа Алиева"। ২৬ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "100 years pass since birth of prominent ophthalmologist Zarifa Aliyeva"। Report News Agency (ইংরেজি ভাষায়)। ২৭ এপ্রিল ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০২৫।
- ↑ "BOOKS BY ZARIFA ALIYEVA"।
শ্রেণী:১৯২৩-এ জন্ম শ্রেণী:১৯৮৫-এ মৃত্যু শ্রেণী:আজারবাইজানি নারী শিক্ষাবিদ শ্রেণী:আজারবাইজানি নারী চিকিৎসক শ্রেণী:আজারবাইজানি চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ শ্রেণী:সোভিয়েত ইউনিয়নে ক্যান্সারে মৃত্যু জারিফা আলিয়েভা শ্রেণী:সোভিয়েত চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ শ্রেণী:সোভিয়েত নারী শিক্ষাবিদ শ্রেণী:সোভিয়েত নারী চিকিৎসক শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর আজারবাইজানি নারী শ্রেণী:নারী চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ শ্রেণী:নোভোদেভিচি গোরস্থানে সমাধি শ্রেণী:অ্যালি অফ অনারে সমাধি শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর আজারবাইজানি চিকিৎসক