জামিআ মুহাম্মাদিয়া ইসলামিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জামিআ মুহাম্মাদিয়া ইসলামিয়া
ধরনইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
স্থাপিত১৯৯১
অধ্যক্ষমাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ নোমান (ইসলামী স্কলার)
শিক্ষার্থী৭০০
অবস্থান
বনানী, ঢাকা

জামিআ মুহাম্মাদিয়া ইসলামিয়া বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত কওমী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৮১ সালে এটি রাজধানী ঢাকার অভিজাত বনানী এলাকার স্থানীয় ধর্মভীরু অধিবাসীদের সহায়তায় আলিয়া মাদরাসা রূপে গড়ে উঠেছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় অধিবাসীদের চাহিদা ও ইচ্ছানুযায়ী ১৯৯১ সালে পূর্ণাঙ্গ কওমী মাদরাসা রূপে স্থাপিত হয়। বর্তমানে প্রায় ৭০০ ছাত্র এই মাদরাসার বিভিন্ন স্তরে লেখাপড়া করছে। ২০১৪ সালের হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে এই মাদরাসায় ৩০ জনের অধিক অভিজ্ঞ শিক্ষক পাঠদান করে যাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিক্ষক ও ছাত্রদের অবিরাম প্রচেষ্টায় অল্প কিছুদিনের মাঝেই দেশের সর্বত্র জামিআ মুহাম্মাদিয়া ইসলামিয়া একটি উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সুনাম অর্জনে সক্ষম হয়েছে। এখানে জীবদ্দশায় নিয়মিত বুখারী শরীফ পাঠদান করতেন উপমহাদেশের বিশিষ্ট হাদীস বিশারদ সহীহ বুখারী শরীফের প্রথম বাংলা ভাষ্যকার শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক (রাজনীতিবিদ)জামিআ মুহাম্মাদিয়া ইসলামিয়া বিভিন্ন স্তরের বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ কওমী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এর অধীনে।

শিক্ষাব্যবস্থা[সম্পাদনা]

"জামিআ মুহাম্মাদিয়া ইসলামিয়া" কোনো গতানুগতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম নয়। আর তাই জামিআ এর শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি সুদূর পরিকল্পনা সামনে রেখে ঢেলে সাজিয়েছে। ফলাফলে আজকে জামিআ অসংখ্য ইসলামী বিশেষজ্ঞ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। আজকে এই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষাসমাপনকারী আলেমগণ দেশের ভেতরে ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দীনের সেবা করে যাচ্ছেন। বর্তমানে জামিআয় প্রাথমিক স্তর থেকে সর্বোচ্চস্তর তথা দাওরায়ে হাদীস (মাস্টার্স) পর্যন্ত, অতঃপর দাওরায়ে হাদীস উত্তর ইসলামী ফিক্বহশাস্ত্রে বিশেষজ্ঞ তৈরি করার জন্য একবছর মেয়াদী ফিক্কহ বিভাগ চালু আছে। এস্তরে দেশের বাছাইকরা মেধাবী ছাত্রদের একবছর মেয়াদী কোর্সে ফিক্বহ শাস্ত্রে বিষেশজ্ঞ করে গড়ে তোলা হয়। ধর্মীয় জ্ঞান তথা কুরআন, হাদীস, উসূলুল হাদীস, আরবী এর পাশাপাশি বাংলা, গণিত,ইংরেজি, ইতিহাস, ভূগোলদর্শনসহ বিভিন্ন আধুনিক বিষয়াদি এখানে পড়ানো হয়। অধিকন্তু, দেশের মানুষের মাঝে ইসলামী সংস্কৃতি ও ধর্মীয় আলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য জামিআ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধর্মীয় সভা-সেমিনার ও প্রোগ্রামের আয়োজন করে থাকে।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]