জানকী মন্দির
| জানকী মন্দির | |
|---|---|
जानकी मन्दिर | |
জানকী মন্দিরের সামনের দৃশ্য | |
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | হিন্দুধর্ম |
| জেলা | ধনুষা জেলা |
| প্রদেশ | মধেশ প্রদেশ |
| ঈশ্বর | সীতা এবং রাম |
| উৎসবসমূহ | বিভা পঞ্চমী, রাম নবমী, দসৈঁ এবং তিহার |
| অবস্থান | |
| অবস্থান | জনকপুরধাম |
| দেশ | নেপাল |
| স্থানাঙ্ক | ২৬°৪৩′৫০″ উত্তর ৮৫°৫৫′৩২″ পূর্ব / ২৬.৭৩০৫৬° উত্তর ৮৫.৯২৫৫৬° পূর্ব |
| স্থাপত্য | |
| ধরন | হিন্দু-কুশওয়াহা |
| সৃষ্টিকারী | টিকমগড়ের রানী বৃষা ভানু |
| সম্পূর্ণ হয় | ১৯৬৭ সংবৎ (১৯১০ খ্রি.) |
| বিনির্দেশ | |
| মন্দির | ৭০ |
| স্মৃতিস্তম্ভ | ২৭ |
| উচ্চতা | ৭৮ মি (২৫৬ ফু) |
জানকী মন্দির (নেপালি: जानकी मन्दिर) নেপালের জনকপুরধামে অবস্থিত একটি হিন্দু মন্দির। এই মন্দিরটি হিন্দু দেবী সীতার উদ্দেশ্যে নিবেদিত। এটি কৈরি হিন্দু স্থাপত্যের একটি উদাহরণ।[১] [২] [৩] মন্দিরটি সম্পূর্ণরূপে উজ্জ্বল সাদা রঙে নির্মিত মন্দির। এটি ১,৪৮০ বর্গমিটার (১৫,৯৩০ বর্গফুট) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। মন্দিরটি ত্রিতল বিশিষ্ট এবং সম্পূর্ণরূপে পাথর এবং সাদা মার্বেল দিয়ে তৈরি ।[৪] এটি মিথিলার পর্যটনের অন্যতম একটি প্রধান গন্তব্যস্থল।
মন্দিরের দেয়ালে মধুবনী চিত্রকলা রয়েছে। মন্দিরের ৬০টি কক্ষের সবকটিই নেপালের জাতীয় পতাকা, রঙিন কাচ, খোদাই এবং চিত্রকর্ম দিয়ে সজ্জিত। এছাড়া রয়েছে জালিযুক্ত জানালা এবং উঁচু স্তম্ভযুক্ত নির্মানশৈলী।
রামায়ণে বর্ণিত জানকী (সীতা) এবং রামের স্বয়ম্বর সভা (বর নির্বাচন অনুষ্ঠান) এই মন্দিরের সাথে সংযুক্ত বিবাহ মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়। ২০০৮ সালে এই স্থানটিকে ইউনেস্কোর একটি সম্ভাব্য স্থান হিসেবে মনোনীত করা হয়।[৫]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]মন্দিরটি নৌ লক্ষ মন্দির (যার অর্থ "নয় লক্ষ") নামেও পরিচিত। মন্দিরটি নির্মাণে নয় লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা ব্যয় করা হয়েছিল তাই এই নামকরণ করা হয়েছে। মন্দিরটি ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে ওড়ছা রাজ্যের (উড়ছা, ওরছা, ওন্দছা এবং টিকামগড় নামেও পরিচিত)[৬] রানী বৃষা ভানু দ্বারা নির্মিত হয়। এই মন্দিরটি নেপালের জনকপুরে অবস্থিত।
কিংবদন্তি অনুসারে, ১৬৫৭ সালে সুরকিশোরদাস নামে এক সন্ন্যাসী এখানে দেবী সীতার একটি সোনার মূর্তি খুঁজে পান। সীতা সেখানেই বাস করতেন বলে অনেকে বিশ্বাস করেন। প্রকৃতপক্ষে, সুরকিশোরদাস ছিলেন আধুনিক জনকপুরের প্রতিষ্ঠাতা এবং মহান সন্ত ও কবি যিনি সীতা উপাসনার দর্শন প্রচার করেছিলেন। এই দর্শন সীতা উপনিষদ নামেও পরিচিত। জনশ্রুতি অনুসারে, রাজা জনক (সীরধ্বজ) এই স্থানে শিব এবং তাঁর ধনুকের পূজা করেছিলেন।
২৬শে এপ্রিল ২০১৫ তারিখের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালের এপ্রিলের ভূমিকম্পের কারণে মন্দিরটি আংশিকভাবে ভেঙে পড়েছিল বলে জানা যায়।[৭]
তীর্থযাত্রা
[সম্পাদনা]প্রতি বছর নেপাল, ভারত, শ্রীলঙ্কা এবং অন্যান্য দেশ থেকে হাজার হাজার তীর্থযাত্রী রাম জানকী মন্দিরে ভগবান রাম এবং সীতার দর্শন করতে আসেন। রাম নবমী, বিভা পঞ্চমী, দসৈঁ এবং তিহার উৎসবের সময় অনেক ভক্ত এই মন্দিরে আসেন।
গ্যালারি
[সম্পাদনা]- জানকী মন্দিরের পূর্ণ দৃশ্য(২০১৬)
- মন্দিরের সূর্যাস্তের দৃশ্য (২০১২)
- ভোরের দৃশ্য (২০১২))
- মন্দিরের ভেতরের দৃশ্য
- গঙ্গা সাগর
- ধানুষা সাগর
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Here's what you can do when you are in Jānakpur"।
- ↑ "Rām Jānakī Temple"।
- ↑ "Jānakpur Dhām"। ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০২৪।
- ↑ "Jānakī Mandir"। Lonely planet। ৩০ জুলাই ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০১৭।
- ↑ "Rām Jānakī Temple"।
- ↑ Imperial Gazetteer of India। খণ্ড ১৯। Clarendon Press। ১৯০৮। পৃ. ২৪১। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০২০।
- ↑ "Nepal Earthquake Takes Heavy Toll on Temples"। NDTV। ২৬ এপ্রিল ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৩ মে ২০১৫।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- সীতা উপনিষদ
- জানকী মন্দির গুগল ম্যাপে
- জানকি মন্দির ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০২২-০৮-২৭ তারিখে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
