জাতীয় কিশোর উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ঢাকা অদূরে গাজীপুর জেলায় টঙ্গীতে ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় কিশোর আদালত, কিশোর হাজত,এবং সংশোধন প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে জাতীয় কিশোর অপরাধ সংশোধন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৭৮ সাল থেকে এ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চালু হয়। বর্তমানে এর নাম জাতীয় কিশোর উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান।

কার্যক্রম[সম্পাদনা]

১. কিশোর আদালত

২. কিশোর হাজত বা রিমান্ড হোম

৩. সংশোধনী কার্যক্রম।

অভিভাবক কর্তৃক অনিয়ন্ত্রিত বা নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত শিশু/কিশোরকে কিশোর আদালতে মামলার মাধ্যমে এই কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে তিন বছর রাখা যায়। ১টি কার্টিজ পেপার, ৫ টাকার কোর্ট ফি, অবাধ্য সন্তানের ৪ কপি ও অভিভাবকের ১ কপি সত্যায়িত ছবি এবং সন্তানের চরিত্র সম্পর্কে চেয়ারম্যান/কমিশনারের প্রত্যায়নপত্র জমা দিতে হয়।

উদ্দেশ্য[সম্পাদনা]

শিশু কল্যাণ এবং অপরাধপ্রবণ শিশুদের সংশোধনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিশু আইন ১৯৭৪ প্রণীত হয়। শিশু আইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল-

  • ১৬ বছরের নিচের শিশু ও কিশোরদের অপরাধীদের বয়স্ক ও পেশাদার অপরাধীরদের থেকে আলাদা রেখে বিচার কার্য পরিচালনা করা।

যেভাবে আসে শিশুরা[সম্পাদনা]

১) শিশু আইন, ১৯৭৪ এর ৩২ ধারা অনুযায়ী দুঃস্থ, অবহেলিত, অভিভাবকহীন ও নির্যাতিত শিশু/কিশোরদের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য আদালতের আদেশ অনুযায়ী।

২) শিশু আইন, ১৯৭৪ এর ৩৩ ধারা অনুযায়ী অনিয়ন্ত্রিত বা নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত শিশু/কিশোরকে পিতা-মাতা বা বৈধ অভিভাবক কর্তৃক কিশোর আদালতে মামলা করা ও আদালতের আদেশের মাধ্যমে।

৩) শিশু আইন, ১৯৭৪ এর ৫৫ ও ৫৬ ধারা অনুযায়ী বিভিন্ন আইনে পুলিশ কর্তৃক আটক হয়ে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে বা মেয়াদপ্রাপ্ত সাজা হলে।