বিষয়বস্তুতে চলুন

জাকির হোসেন (ফুটবলার)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জাকির হোসেন
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম মোহাম্মদ জাকির হোসেন
জন্ম (1971-12-10) ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১ (বয়স ৫৪)
জন্ম স্থান মুন্সিগঞ্জ, বাংলাদেশ[]
উচ্চতা ১.৬৮ মিটার (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি)
মাঠে অবস্থান মিডফিল্ডার
যুব পর্যায়
১৯৮৭ ইস্টার্ন এসসি
জ্যেষ্ঠ পর্যায়*
বছর দল ম্যাচ (গোল)
১৯৮৮–১৯৮৯ মোহামেডান এসসি
১৯৯০–১৯৯৪ আবাহনী লিমিটেড ঢাকা
১৯৯৫–১৯৯৬ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র
১৯৯৭–২০০০ আবাহনী লিমিটেড ঢাকা
২০০৩–২০০৪ আবাহনী লিমিটেড ঢাকা
জাতীয় দল
১৯৯১ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩
১৯৯০–১৯৯৯ বাংলাদেশ
অর্জন ও সম্মাননা
 বাংলাদেশ-এর প্রতিনিধিত্বকারী
পুরুষদের ফুটবল
দক্ষিণ এশিয়ান গেমস
রৌপ্য পদক - দ্বিতীয় স্থান ১৯৯৫ মাদ্রাজ
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ
রানার-আপ ১৯৯৯ বাংলাদেশ
* কেবল ঘরোয়া লিগে ক্লাবের হয়ে ম্যাচ ও গোলসংখ্যা গণনা করা হয়েছে

জাকির হোসেন (ইংরেজি: Zakir Hossain; জন্ম: ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১) হলেন একজন অবসরপ্রাপ্ত বাংলাদেশি ফুটবলার, যিনি একজন আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে খেলতেন। তিনি ১৯৯০ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রতিনিধিত্ব করেন।

ক্লাব ক্যারিয়ার

[সম্পাদনা]

ইস্টার্ন স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময়, জাকির মোহামেডান এসসি'র অনূর্ধ্ব-১৬ দলের জন্য সফলভাবে ট্রায়ালে উত্তীর্ণ হন। একই বছর, কোচ নাসের হিজাজি তাকে সিনিয়র দলে পদোন্নতি দেন। প্রথম বিভাগ লিগে অভিষেক ম্যাচে, তিনি বদলি হিসেবে বিআরটিসি স্পোর্টস ক্লাবের বিপক্ষে মাঠে নেমেই প্রথম স্পর্শেই গোল করেন।

১৯৯০ সালে তিনি আবাহনী লিমিটেডে যোগ দেন ৪.৫ লাখ টাকার চুক্তিতে। সেখানে তিনি রুশ মিডফিল্ডার সের্গেই ঝুকভের সঙ্গে একটি শক্তিশালী মিডফিল্ড জুটি গড়ে তোলেন, যা ১৯৯২ সালের লিগ জয়ে অন্যতম প্রধান ভূমিকা রাখে।[]

১৯৯৫ সালে তিনি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্লাবে যোগ দেন ১২ লাখ টাকার চুক্তিতে। ১৯৯৭ সালে তিনি আবাহনীতে ফিরে আসেন এবং ক্লাব অধিনায়ক হিসেবে নিযুক্ত হন।[]

তিনি ২০০০ জাতীয় ফুটবল লিগ জয়ী দলে ছিলেন, যা তার ক্যারিয়ারের শেষ ট্রফি ছিল।[]

একটি গুরুতর হাঁটুর চোটের কারণে তিনি দুই মৌসুম খেলার বাইরে ছিলেন এবং ২০০৩ সালে মাঠে ফেরেন।[]

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার

[সম্পাদনা]

জাকির আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ঘটান ১৯৯০ এশিয়ান গেমস-এ, যা চীনের বেইজিং শহরে অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৯১ সালে, তিনি ১৯৯২ অলিম্পিক ফুটবল বাছাইপর্বে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের প্রতিনিধিত্ব করেন।

১৯৯৩ সালে, তিনি জাতীয় দলের হয়ে প্রেসিডেন্টস গোল্ড কাপে অংশ নেন এবং মালয়েশিয়া অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বিপক্ষে ১–১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে একটি গোল করেন।[]

তার জাতীয় দলের হয়ে শেষ ম্যাচ ছিল ১৯৯৯ সাফ গোল্ড কাপ-এ, যা গোয়া, ভারত-এ অনুষ্ঠিত হয়।[]

ব্যক্তিগত জীবন

[সম্পাদনা]

২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, চ্যানেল আই কর্তৃক আয়োজিত একটি প্রীতি ম্যাচে, আবাহনী এবং মোহামেডান এসসি'র সাবেক খেলোয়াড়দের নিয়ে অনুষ্ঠিত খেলায় আবাহনীর হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন জাকির।[]

২০১৪ সালের ২২ এপ্রিল, জাকিরের বড় ভাই আনোয়ার হোসেন ৭০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।[]

সম্মাননা

[সম্পাদনা]

মোহামেডান এসসি

আবাহনী লিমিটেড ঢাকা

বাংলাদেশ

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 "চোর-চোর খেলতে খেলতে জুকভের সঙ্গে জুটি"Kaler Kantho। ৭ মার্চ ২০১৮। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  2. "বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা বিদেশি"Kaler Kantho। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। ৭ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  3. "Dhaka teams bag the elite"দ্য ডেইলি স্টার। ৩ জানুয়ারি ২০০০। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  4. "Big three gear up"দ্য ডেইলি স্টার। ৩০ জুন ২০০৩। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  5. "President's Gold Cup"আরএসএসএসএফ। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  6. "আবাহনী-মোহামেডান সাবেকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ"banglanews24.com। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  7. "শোক সংবাদ"Jugantor। ২৪ এপ্রিল ২০১৪।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]