জমিলা আব্বাস
জমিলা আব্বাস | |
|---|---|
| জন্ম | ১৯৮৪ (বয়স ৪১–৪২)[১] |
| জাতীয়তা | কেনীয় |
| নাগরিকত্ব | কেনীয় |
| মাতৃশিক্ষায়তন | স্ট্রেথমোর বিশ্ববিদ্যালয় (ব্যাচেলর অব সায়েন্স) |
| পেশা | কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং ব্যবসায়িক নির্বাহী |
| কর্মজীবন | ২০০৯ — বর্তমান |
| পরিচিতির কারণ | নেতৃত্ব |
| উপাধি | এমফার্ম কেনিয়া লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও [২] |
জমিলা আব্বাস কেনিয়ার একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী, সফটওয়্যার প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তা।[৩] তিনি এমফার্ম কেনিয়া লিমিটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, যা একটি ইন্টারনেট-ভিত্তিক সংস্থা যা কৃষকদের সেরা খামারের সরঞ্জাম, বীজ খুঁজে পেতে, আবহাওয়ার প্রতিবেদন এবং বাজারের তথ্য পেতে সহায়তা করে।[৪] তিনি ২০১০ সালে এম-ফার্ম সহ-প্রতিষ্ঠা করেন।[৩]
পটভূমি ও শিক্ষা
[সম্পাদনা]জমিলা কেনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন এবং প্রাক-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার জন্য স্থানীয় স্কুলে পড়াশোনা করেন। তিনি স্ট্রেথমোর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন এবং সফটওয়্যার প্রকৌশলে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ডিগ্রি অর্জন করেন।[৫]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]স্ট্রেথমোর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হওয়ার পর, জমিলা কেনিয়া মেডিকেল রিসার্চ ইনস্টিটিউট (KEMRI) দ্বারা নিযুক্ত হন। তিনি আইহাব (iHub) নামক একটি প্রযুক্তি সম্প্রদায়ের সদস্যও হন, যেখানে প্রযুক্তিবিদরা ধারণা বিনিময়ের জন্য জড়ো হন। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বন্ধু সুসান ওগুয়ার সাথে তার আবার দেখা হয়। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে, জমিলা এবং সুসান প্রযুক্তি ব্যবহার করে কেনিয়ার ক্ষুদ্র কৃষকদের দুর্দশা লাঘবে সক্রিয়ভাবে কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন।[৫] এই দুই নারী তথ্য প্রযুক্তিতে আগ্রহী মহিলাদের জন্য আরেকটি ফোরাম 'আকিরাচিকস' (AkiraChix)-এ যোগদান করেন। সেখানে তারা স্ট্রেথমোর বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও তিন ছাত্র লিন্ডা ওমওয়েঙ্গা, লিলিয়ান নদুয়াতি এবং ক্যাথরিন কিগুরুর সাথে পরিচিত হন। তারা পাঁচজন মিলে একটি সফটওয়্যার উন্নয়ন প্রতিযোগিতা আইপিও৪৮ (IPO48)-এ অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই ইভেন্টে ১৭টি দলে ১০০ জন প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে একটি কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা, যা একটি বাজারযোগ্য ব্যবসায় পরিণত করা যায়।[৫] প্রতিযোগিতাটি এস্তোনিয়া থেকে 'হিউম্যানআইপিও' (HumanIPO) দ্বারা আয়োজিত হয়েছিল। ২০১১ সালের নভেম্বরে, এই পাঁচ নারী তাদের এম-ফার্ম অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় জয়ী হন, যা কৃষকদের কৃষি-সরবরাহকারী এবং সমবায়ের সাথে সংযুক্ত করে এবং তাদের উৎপাদিত পণ্যের বর্তমান বাজার মূল্য সময়মতো জানতে সক্ষম করে। তারা ১০ লক্ষ কেনীয় শিলিং (প্রায় ১০,০০০ মার্কিন ডলার) শীর্ষ পুরস্কার হিসেবে জেতেন।[৫] গোষ্ঠীটি তাদের পুরস্কারের অর্থ এম-ফার্ম কেনিয়া লিমিটেড গঠনে ব্যবহার করে, যেখানে জমিলা আব্বাস সিইও এবং সুসান ওগুয়া প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা (সিওও) হিসেবে দায়িত্ব নেন। লিন্ডা ওমওয়েঙ্গা এবং ক্যাথরিন কিগুরু বিপণন কর্মকর্তা এবং লিলিয়ান নদুয়াতি জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন।[৫]
অন্যান্য বিবেচনা
[সম্পাদনা]আব্বাস মিনিয়াপোলিস ভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা নিউ ভিশন ফাউন্ডেশনের কেনীয় কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।[৪]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Solon, Olivia (২১ জুন ২০১৩)। "MFarm empowers Kenya's farmers with price transparency and market access"। London: Wired Magazine UK। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০১৭।
- ↑ "Home"। mfarm.co.ke। ১৪ এপ্রিল ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৭।
- 1 2 AGRA News (২৪ মে ২০১৮)। "Jamila Abass: The queen of African Agritech Industry"। Westlands, Nairobi: Alliance for a Green Revolution in Africa (AGRA)। ৮ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মে ২০১৯।
- 1 2 NVO (৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)। "Jamila Abbas, tech entrepreneur, to direct New Vision Foundation"। New Vision Organization (NVO)। ২৬ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০১৭।
- 1 2 3 4 5 Makeni, John (৭ জানুয়ারি ২০১১)। "Girls who created social network for farmers"। Daily Nation। Nairobi। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০১৭।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- এম-ফার্ম কেনিয়া লিমিটেডের ওয়েবসাইট ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৭-১২-২১ তারিখে