বিষয়বস্তুতে চলুন

জন মুইর ট্রেইল

জন মুইর ট্রেইল
John Muir Trail (JMT)
Collage of scenes from the John Muir Trail
জন মুইর ট্রেইলের বিভিন্ন অংশের সমন্বিত চিত্র
সর্বোচ্চ বিন্দু
উচ্চতা১৪,৫০৫ ফুট (৪,৪২১ মিটার)[]
স্থানাঙ্ক৩৭°৪৩′৫৪″ উত্তর ১১৯°৩৩′৩১″ পশ্চিম / ৩৭.৭৩১৭° উত্তর ১১৯.৫৫৮৭° পশ্চিম / 37.7317; -119.5587
ভূগোল
অবস্থানক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
পর্বতশ্রেণীসিয়েরা নেভাদা
ভূতত্ত্ব
পর্বতের ধরনদীর্ঘ দূরত্বের পথ
আরোহণ
সহজ পথউত্তর থেকে দক্ষিণ (ইয়োসেমাইট থেকে মাউন্ট হুইটনি)
ধরনহাইকিং ট্রেইল
অবস্থানক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
উচ্চতা৪,০৪০ ফুট (১,২৩০ মিটার) থেকে ১৪,৫০৫ ফুট (৪,৪২১ মিটার)
প্রতিষ্ঠিত১৯১৫ (নির্মাণ শুরু), ১৯৩৮ (সম্পন্ন)
শাসিতন্যাশনাল পার্ক সার্ভিস, ইউনাইটেড স্টেটস ফরেস্ট সার্ভিস
পরিদর্শক১,৫০০ (বার্ষিক আরোহী)
হাইকিং ট্রেল২১৩.৭ মাইল (৩৪৩.৯ কিলোমিটার)
ভূখণ্ডআল্পাইন এবং উচ্চ পার্বত্য এলাকা
অন্যান্য তথ্যমোট আরোহণ: ৪৭,০০০ ফু (১৪,০০০ মি)[]
প্রধান আকর্ষণ: ইয়োসেমাইট ভ্যালি, ডেভিলস পোস্টপাইল, সিয়েরা নেভাদা
ওয়েবসাইটjmtwilderness.org

জন মুইর ট্রেইল (JMT) হলো ক্যালিফোর্নিয়াসিয়েরা নেভাদা পর্বতমালায় অবস্থিত একটি দীর্ঘ দূরত্বের পথ । এই পথটি ইয়োসেমাইট, কিংস ক্যানিয়ন এবং সেকোয়া জাতীয় উদ্যানের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে। প্রকৃতিবিদ জন মুইরের নামানুসারে এই ট্রেইলটির নামকরণ করা হয়েছে।

ইয়োসেমাইট ভ্যালির হ্যাপি আইলস-এ (৩৭°৪৩′৫৪″ উত্তর ১১৯°৩৩′৩১″ পশ্চিম / ৩৭.৭৩১৭° উত্তর ১১৯.৫৫৮৭° পশ্চিম / 37.7317; -119.5587 (northern terminus)) অবস্থিত উত্তর প্রান্ত এবং মাউন্ট হুইটনির (৩৬°৩৪′৪৩″ উত্তর ১১৮°১৭′৩১″ পশ্চিম / ৩৬.৫৭৮৫° উত্তর ১১৮.২৯২° পশ্চিম / 36.5785; -118.292 (southern terminus)) চূড়ায় অবস্থিত দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত এই ট্রেইলটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২১৩.৭ মাইল (৩৪৩.৯ কিলোমিটার)[][] এই পথে আরোহণের মোট উচ্চতা প্রায় ৪৭,০০০ ফুট (১৪,০০০ মিটার)[] ট্রেইলটির প্রায় সম্পূর্ণ অংশই 'হাই সিয়েরা' অঞ্চলের দুর্গম এলাকা এবং সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।[] প্রায় ১৬০ মাইল (২৬০ কিলোমিটার) পথ জুড়ে এই ট্রেইলটি দীর্ঘতর প্যাসিফিক ক্রেস্ট ট্রেইলের সাথে একই পথ শেয়ার করে।

এই ট্রেইলটির বিশাল অংশ রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এটি আল্পাইন এবং উচ্চ পাহাড়ি চমৎকার সব প্রাকৃতিক দৃশ্যের মধ্য দিয়ে গেছে এবং এর প্রায় সম্পূর্ণ অংশই সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮,০০০ ফুট (২,৪০০ মিটার) বা তার বেশি উচ্চতায় অবস্থিত। প্রতি বছর প্রায় ১,৫০০ জন আরোহী এই ট্রেইলটি সম্পূর্ণ অতিক্রম করার চেষ্টা করেন (যার মধ্যে প্যাসিফিক ক্রেস্ট ট্রেইল আরোহীরাও অন্তর্ভুক্ত), যা অ্যাপালাচিয়ান ট্রেইল বা ওয়ে অফ সেন্ট জেমসের মতো সমতুল্য পথগুলোর তুলনায় অনেক কম।[][][][]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]
জন মুইরের ছবি
স্কটিশ-আমেরিকান পরিবেশবাদী জন মুইরের সম্মানে এই ট্রেইলটির নামকরণ করা হয়েছে

পাইউট বাণিজ্য পথ

[সম্পাদনা]

ইউরোপীয়-আমেরিকান বসতি স্থাপনকারীদের আগমনের আগে, হাই সিয়েরা অঞ্চলে বসবাসকারী পাইউট জনগোষ্ঠীর মানুষ শিকার এবং প্রতিবেশী আদিবাসী গোষ্ঠীগুলোর সাথে বাণিজ্যের জন্য তাদের পূর্বপুরুষদের তৈরি ট্রেইলগুলো ব্যবহার করত। এই অঞ্চলে ভ্রমণকারী আদি বাসিন্দাদের স্বীকৃতি দেওয়ার প্রচেষ্টায়, কিছু আধুনিক নেটিভ আমেরিকান এবং পরিবেশবাদী সংস্থা জেএমটি-কে (JMT) 'নুমু পয়ো' (Nüümü Poyo) নামে অভিহিত করে, যার অনুবাদ করলে দাঁড়ায় "পাইউট সড়ক," "পাইউট পথ" বা "জনগণের পথ।"[][][১০]

প্রস্তাবনা

[সম্পাদনা]

হাই সিয়েরা পর্বতমালার মূল কাঠামো বা মেরুদণ্ড বরাবর একটি পথ তৈরির ধারণাটি প্রথম দিয়েছিলেন থিওডোর সলোমনস। সলোমনস পরবর্তীকালে স্মৃতিচারণ করে বলেন যে, তাঁর কৈশোরেই এই চিন্তার সূত্রপাত হয়েছিল। তাঁর ভাষায়, "পর্বতচূড়ার সমান্তরাল একটি পথের ধারণাটি একদিন আমার মাথায় আসে যখন আমি ফ্রেসনোর কাছে একটি বিশাল বেড়াবিহীন আলফালফা ক্ষেতে আমার চাচার গবাদি পশু চরাচ্ছিলাম। সেটি ছিল ১৮৮৪ সাল এবং আমার বয়স ছিল ১৪।"[১১] ১৮৯২ সালে সিয়েরা ক্লাব প্রতিষ্ঠার পরপরই তিনি এই পথ নির্মাণের পক্ষে প্রচারণা শুরু করেন। জন মুইর ছিলেন সিয়েরা ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং প্রথম সভাপতি। সলোমনস বর্তমানের 'ইভোলিউশন বেসিন' অঞ্চলটি পর্যবেক্ষণ করেন এবং হাই সিয়েরা জুড়ে সম্ভাব্য পথের সন্ধানে ব্যাপক ভ্রমণ করেন। ১৮৯৮ সালে জোসেফ নিসবেট লেকন্ট এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে এগিয়ে আসেন। প্রস্তাবিত পথটির নাম প্রথমে "হাই সিয়েরা ট্রেইল" রাখা হয়েছিল, যদিও পরবর্তীকালে এই নামটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী অন্য একটি পথকে দেওয়া হয়। লেকন্ট বছরের পর বছর কিংস নদী এবং কার্ন নদীর গিরিখাত ও গিরিপথগুলো অন্বেষণ করেন এবং প্রস্তাবিত পথের আশেপাশের পর্বতশৃঙ্গগুলোতে আরোহণ করেন। ১৯০৮ সালে জেমস এস হাচিনসন এবং ডানকান ম্যাকডাফিকে সাথে নিয়ে তিনি ইয়োসেমাইট জাতীয় উদ্যান থেকে কিংস ক্যানিয়ন পর্যন্ত একটি দুর্গম পাহাড়ি পথ তৈরি করেন, যা অনেকটা বর্তমানের জেএমটি (JMT) রুটের মতোই। ২৮ দিনে তাঁরা উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের ২২৮ মাইল পথ অতিক্রম করেন, যার মধ্যে বেশ কিছু অংশ আগে কখনো অন্বেষণ করা হয়নি।[১২] ১৯১৪ সালে সিয়েরা ক্লাব এই পথ নির্মাণে ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সাথে সহযোগিতার জন্য একটি কমিটি গঠন করে। সেই বছরের শেষের দিকে জন মুইর মারা যান এবং তাঁর সম্মানে প্রস্তাবিত পথটির নামকরণ করা হয়।[১৩][১৪]

ট্রেইল নির্মাণ

[সম্পাদনা]

মুইরের মৃত্যুর এক বছর পর ১৯১৫ সালে ক্যালিফোর্নিয়া আইনসভা এবং গভর্নর হিরাম জনসনের বরাদ্দকৃত ১০,০০০ ডলারের মাধ্যমে জেএমটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।[১৩][১৫] রাজ্য প্রকৌশলী উইলবার এফ. ম্যাকক্লুরকে এই প্রকল্পের তদারকি এবং চূড়ান্ত রুট নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। যদিও তিনি ইউনাইটেড স্টেটস ফরেস্ট সার্ভিসের সহযোগিতা নিশ্চিত করেছিলেন, যারা বাস্তব নির্মাণ কাজের অনেকটা পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান করেছিল। ট্রেইলটির চূড়ান্ত পথ নির্ধারণে লেকন্টের ব্যাপক প্রভাব ছিল।[১৫][১৬] ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য আইনসভা ১৯১৭, ১৯২৫, ১৯২৭ এবং ১৯২৯ সালে আরও ১০,০০০ ডলার করে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করে।[১৩][১৪]

আর্থিক মহামন্দা শুরু হওয়ার পর ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য সরকারের সহায়তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ট্রেইলের বাকি অংশের অর্থায়ন ফরেস্ট সার্ভিস এবং ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের যৌথ প্রচেষ্টায় সম্পন্ন করতে হয়। এই সময়ে দুটি কঠিন অংশ নির্মাণ বাকি ছিল। প্রথম অংশটি ছিল ১৩,১৫৩ ফুট (৪,০০৯ মিটার) উচ্চতার 'ফরেস্টার পাস' হয়ে কিংস নদী থেকে কার্ন নদীর সংযোগ পথ, যা ১৯৩২ সালে শেষ হয়। এই গিরিপথের খাড়া দক্ষিণ দিকে পথ তৈরির জন্য কর্মীদের পাথরের অংশ ব্লাস্ট বা বিস্ফোরণ ঘটাতে হয়েছিল। এটি ছিল একটি বিপজ্জনক প্রক্রিয়া, যার ফলে ১৯৩০ সালে ট্রেইল ক্রু সদস্য ডোনাল্ড আই. ডাউনস মারা যান। পাসের পাদদেশে একটি ফলক আজও ডাউনসের স্মৃতি বহন করছে।[১৫][১৭]

ফরেস্ট সার্ভিস ১৯৩৮ সালে প্যালিসেড ক্রিক-এ (প্যালিসেড গ্রুপে) চূড়ান্ত অংশটির কাজ শেষ করে।[১৭] এই অংশটি কিংস নদীর মধ্য-প্রবাহের উৎস হয়ে ম্যাদার পাসের 'গোল্ডেন স্টেয়ারকেস'ের মাধ্যমে কিংস নদীর দক্ষিণ-প্রবাহের (South Fork) উৎসে গিয়ে মেশে। এর কিছুদিন পরেই এই অংশটি নবগঠিত কিংস ক্যানিয়ন জাতীয় উদ্যানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সম্পূর্ণ প্রকল্পটি শেষ হতে ৪৬ বছর সময় লেগেছিল।[১৮] সিয়েরা ক্লাবের প্রথম সম্পাদক উইলিয়াম এডওয়ার্ড কোলবি এই সমাপ্ত পথটিকে "জন মুইরের প্রতি এক অত্যন্ত উপযুক্ত স্মারক" হিসেবে অভিহিত করেন।[১৯][১৭]

ক্যালিফোর্নিয়া ওয়াইল্ডারনেস অ্যাক্ট ১৯৮৪ের মাধ্যমে জন মুইর ওয়াইল্ডারনেস এবং আনসেল অ্যাডামস ওয়াইল্ডারনেস-কে একত্রিত করা হয়। এর ফলে ইয়োসেমাইট থেকে মাউন্ট হুইটনির দক্ষিণ পর্যন্ত জন মুইর ট্রেইলের ২৫০ মাইলব্যাপী অবিচ্ছিন্ন প্রসার বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।[২০]

হ্যাপি আইলসের ছবি
ইয়োসেমাইট ভ্যালিমারসেড নদীর তীরে অবস্থিত হ্যাপি আইলস হলো জন মুইর ট্রেইলের উত্তর প্রান্ত।
জন মুইর ট্রেইলের দক্ষিণ প্রান্ত
আরোহীরা জন মুইর ট্রেইলের দক্ষিণ প্রান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। দূরে মাউন্ট হুইটনির চূড়ার মালভূমি দেখা যাচ্ছে।

জেএমটি মোট ২১৩.৭ মাইল (৩৪৩.৯ কিলোমিটার) দীর্ঘ।[] ইয়োসেমাইট ভ্যালির উত্তর প্রান্ত থেকে শুরু হয়ে পথটি উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয় এবং হাফ ডোমের দক্ষিণ পাশ দিয়ে টুয়ালমি মেডোসে গিয়ে পৌঁছায়।[২১] টুয়ালমি মেডোস থেকে পথটি দক্ষিণ দিকে মোড় নেয় এবং সিয়েরা নেভাদার মূল পর্বতসারির সমান্তরালে ইয়োসেমাইট জাতীয় উদ্যান, ইনয়ো এবং সিয়েরা ন্যাশনাল ফরেস্টের (যার মধ্যে জন মুইর ওয়াইল্ডারনেস এবং আনসেল অ্যাডামস ওয়াইল্ডারনেস অন্তর্ভুক্ত) মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায়। এরপর এটি ডেভিলস পোস্টপাইল ন্যাশনাল মনুমেন্ট ও কিংস ক্যানিয়ন জাতীয় উদ্যান হয়ে সেকোয়া জাতীয় উদ্যানের মাউন্ট হুইটনিতে গিয়ে শেষ হয়।[২২] মাউন্ট হুইটনির চূড়ায় জেএমটির দক্ষিণ প্রান্ত অবস্থিত হলেও, সেখান থেকে নিকটবর্তী প্রবেশপথ বা 'হুইটনি পোর্টাল'-এ পৌঁছানোর জন্য মাউন্ট হুইটনি ট্রেইল ধরে আরও অতিরিক্ত ১০.৬-মাইল (১৭.১-কিলোমিটার) হাইকিং করতে হয়। ফলে কার্যকরভাবে পুরো জেএমটি এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পাড়ি দিতে প্রায় ২২১ মাইল (৩৫৬ কিলোমিটার) পথ হাঁটতে হয়।[২৩]

ইয়োসেমাইট জাতীয় উদ্যান

[সম্পাদনা]

ট্রেইলটি হ্যাপি আইলস নেচার সেন্টারের কাছে হ্যাপি আইলস ব্রিজ থেকে শুরু হয়। পথটি একটি বাঁধানো চড়াই বেয়ে খাড়াভাবে ওপরে ওঠার পর আরেকটি ব্রিজ অতিক্রম করে এবং মিস্ট ট্রেইলের সংযোগস্থলের সাথে মিলিত হয়। এরপর পথটি প্যানোরামা ক্লিফের একটি কাটা অংশ দিয়ে এগিয়ে গেছে, যাকে "আইস কাট" বলা হয়। পথটি প্রশস্ত এবং সুগম হলেও, শীতকালীন বিপজ্জনক পরিস্থিতি এবং লোকালয়ের খুব কাছে হওয়ার কারণে (যা প্রচুর সংখ্যক স্বল্প সময়ের আরোহীকে আকর্ষণ করে) এটি এই ট্রেইলের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।[]

দীর্ঘ আঁকাবাঁকা পথ বেয়ে উচ্চতা অতিক্রম করার পর ট্রেইলটি নেভাদা ফলসের শীর্ষে পৌঁছায়।[২৪] ট্রেইলটি এরপর লিটল ইয়োসেমাইট ভ্যালির ভেতর দিয়ে এগিয়ে গিয়ে হাফ ডোম এবং ক্লাউডস রেস্টগামী পথের মোড়গুলো অতিক্রম করে। এরপর এটি একটি সাব-আল্পাইন অববাহিকায় প্রবেশ করে এবং 'সানরাইজ হাই সিয়েরা ক্যাম্প' পার হয়। সেখান থেকে ট্রেইলটি ক্যাথেড্রাল পাস হয়ে ক্যাথেড্রাল রেঞ্জ অতিক্রম করে এবং খাড়া ঢাল বেয়ে টুয়ালমি মেডোস-এ নেমে আসে, যা আরোহীদের রসদ সংগ্রহের একটি সাধারণ স্থান। ট্রেইলটি একটি তথ্য কেন্দ্র এবং কিছু ক্যাম্পিং এলাকা পার হয়ে প্যাসিফিক ক্রেস্ট ট্রেইলের সাথে যুক্ত হয়। এরপর জন মুইর ট্রেইল/প্যাসিফিক ক্রেস্ট ট্রেইল দক্ষিণ দিকে মোড় নিয়ে শান্ত লাইল ক্যানিয়ন (Lyell Canyon) তৃণভূমির মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় এবং পুনরায় ক্যাথেড্রাল রেঞ্জ অতিক্রম করে ডনাহু পাস (Donahue Pass) দিয়ে উদ্যান থেকে বেরিয়ে যায়।[]

আনসেল অ্যাডামস ওয়াইল্ডারনেস এবং ডেভিলস পোস্টপাইল ন্যাশনাল মনুমেন্ট

[সম্পাদনা]
থাউজেন্ড আইল্যান্ড লেকের একটি অংশ পার হওয়ার জন্য কাঠের গুঁড়ির তৈরি ব্রিজ; পেছনে মাউন্ট ডেভিস দেখা যাচ্ছে।

ডনাহু পাসের চূড়া অতিক্রম করে পথটি ইনয়ো ন্যাশনাল ফরেস্ট এবং আনসেল অ্যাডামস সংরক্ষিত এলাকা-য় প্রবেশ করে। এখানে ট্রেইলটি থাউজেন্ড আইল্যান্ড লেক, গার্নেট লেক এবং আরও বেশ কিছু ছোট হ্রদ অতিক্রম করে। এরপর এটি ডেভিলস পোস্টপাইল ন্যাশনাল মনুমেন্ট-এ প্রবেশ করে, যেখানে আরোহীদের জন্য নতুন করে রসদ সংগ্রহ করা বা ট্রেইল থেকে বের হয়ে যাওয়ার একাধিক সুযোগ রয়েছে। বিখ্যাত শিলাস্তর ডেভিলস পোস্টপাইল মূল ট্রেইল থেকে খুব অল্প দূরত্বে অবস্থিত।[]

কিংস ক্যানিয়ন জাতীয় উদ্যান এবং সেকোয়া জাতীয় উদ্যান

[সম্পাদনা]

জন মুইর ট্রেইল এরপর কিংস ক্যানিয়ন জাতীয় উদ্যান এবং সেকোয়া জাতীয় উদ্যান-এ প্রবেশ করে। এই অংশে এটি ইভোলিউশন বেসিন, গোল্ডেন স্টেয়ারকেস এবং ফরেস্টার পাসের মতো কিছু অসাধারণ আল্পাইন এলাকা অতিক্রম করে। ট্রেইলটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের সর্বোচ্চ বিন্দু মাউন্ট হুইটনির চূড়ায় গিয়ে শেষ হয়।[২৫] মাউন্ট হুইটনির চূড়া থেকে আরোহীদের জন্য নিকটবর্তী প্রবেশপথ হলো হুইটনি পোর্টাল।[]

উচ্চতা

[সম্পাদনা]
মাউন্ট হুইটনির চূড়া থেকে দৃশ্য, যা এই ট্রেইলের সর্বোচ্চ উচ্চতা।

এই ট্রেইলের সর্বনিম্ন বিন্দু হলো এর উত্তর প্রান্তের প্রবেশমুখ ইয়োসেমাইট ভ্যালির হ্যাপি আইলস,[] যার উচ্চতা প্রায় ৪,০৪০ ফুট (১,২৩০ মিটার)[২৬] ট্রেইলটির সর্বোচ্চ বিন্দু হলো এর দক্ষিণ প্রান্ত, মাউন্ট হুইটনি, যার উচ্চতা প্রায় ১৪,৫০৫ ফুট (৪,৪২১ মিটার),[] যা একইসাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডেরও সর্বোচ্চ বিন্দু।[২৭][২৫]

ট্রেইলটি বেশিরভাগ সময় উচ্চ উচ্চতায় অবস্থান করে, যার অধিকাংশ অংশই সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮,০০০ ফুট (২,৪০০ মিটার)ের ওপরে।[] উত্তর প্রান্ত থেকে শুরু হওয়া প্রথম ৭ মাইল বাদ দিলে, পুরো পথটি কখনোই ৭,০০০ ফুট (২,১০০ মিটার)ের নিচে নামেনি।[২৮] ট্রেইলটির একটি বড় অংশ ১০,০০০ ফুট (৩,০০০ মিটার)ের বেশি উঁচু, যার মধ্যে শেষ ৩০ মাইল (৪৮ কিলোমিটার) পথ পুরোটাই এই উচ্চতার ওপরে।[২৮] এই ট্রেইলটি ১১,০০০ ফুটের বেশি উঁচু মোট ছয়টি পাহাড়ি গিরিপথ অতিক্রম করে; উত্তর থেকে দক্ষিণে এগুলো হলো— ডনাহু পাস, মুইর পাস, ম্যাদার পাস, পিনশট পাস, গ্লেন পাস এবং ফরেস্টার পাস। ১৩,১১৭ ফুট (৩,৯৯৮ মিটার) উচ্চতা বিশিষ্ট ফরেস্টার পাস হলো প্যাসিফিক ক্রেস্ট ট্রেইলেরও সর্বোচ্চ বিন্দু।[২৯]

যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভূতাত্ত্বিক জরিপ এই পথের দাপ্তরিক দৈর্ঘ্য গণনা করেছিল, তখন উচ্চতা বৃদ্ধি ও অবরোহণ বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। এই ট্রেইলে মোট আরোহণের পরিমাণ প্রায় ৪৬,০০০ ফুট (১৪,০০০ মিটার)। 'হিপক্যাম্প' এবং জন মুইর ট্রেইল ফাউন্ডেশনের মতে, পুরো পথে মোট অবরোহণের পরিমাণ ৩৮,০০০ ফুট (১২,০০০ মিটার);[৩০][৩১] তবে, ব্যাকপ্যাকার সাময়িকীর মতে মোট অবরোহণের পরিমাণ ২,০০০ ফুট কম, অর্থাৎ প্রায় ৩৬,০০০ ফুট (১১,০০০ মিটার)[৩২] এটি সব মিলিয়ে মোট প্রায় ৮৪,০০০ ফুট (২৬,০০০ মিটার) বা প্রায় ১৬ মাইল (২৬ কিলোমিটার) উচ্চতা পরিবর্তন তৈরি করে। তবে এর মানে এই নয় যে পথের মোট দৈর্ঘ্য ১৬ মাইল বৃদ্ধি পেয়েছে। বরং, ত্রিভুজ অসমতা নীতি অনুযায়ী উচ্চতার পরিবর্তন উপেক্ষা করার ফলে দাপ্তরিক দৈর্ঘ্য প্রকৃত দৈর্ঘ্যের চেয়ে কিছুটা কম হতে পারে, যা সর্বোচ্চ এই ১৬ মাইলের সমপরিমাণ।

ব্যাকপ্যাকার সাময়িকীর তথ্য অনুযায়ী, এই ট্রেইলটি মোট উচ্চতা অতিক্রম করে ৪৭,০০০ ফুট (১৪,০০০ মিটার)[]

ভ্রমণ বা হাইকিং

[সম্পাদনা]
মাউন্ট হুইটনির ছবি
মাউন্ট হুইটনির চূড়া হলো জন মুইর ট্রেইলের দক্ষিণ প্রান্ত। এই ছবিটি হুইটনি পোর্টাল ট্রেইলহেডের কাছ থেকে তোলা।

ভ্রমণের প্রধান মৌসুম সাধারণত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত; এই সময়ে গত বছরের জমে থাকা তুষার বেশিরভাগই গলে যায়, কিন্তু নতুন করে তুষারপাত শুরু হয় না।[১৩][] মৌসুমের শুরুর দিকের আরোহীদের কেবল তুষারস্তূপ এবং গিরিপথগুলোর পিচ্ছিল ঢালের সাথেই লড়াই করতে হয় না, বরং তুষারগলা পানিতে ফুলে-ফেঁপে ওঠা পাহাড়ি স্রোতস্বিনীগুলোও পাড়ি দিতে হয়। তুষার গলে যাওয়ার পর মৌসুমের শেষ দিকে ট্রেইলের অবস্থা তুলনামূলক সহজ হয়ে ওঠে এবং সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত আবহাওয়া সাধারণত ভ্রমণের জন্য মনোরম থাকে। ভ্রমণের মৌসুমে আবহাওয়া সাধারণত রৌদ্রোজ্জ্বল ও শুষ্ক থাকে, তবে বিকেলে বজ্রঝড় হওয়া অস্বাভাবিক নয়। এই পথটি মূলত ব্যাকপ্যাকার এবং স্বল্প সময়ের পর্যটকরা ব্যবহার করেন। তবে ট্রেইল রানার, অশ্বারোহী দল এবং মালবাহী পশুও এখানে দেখা যায়। মুইর পাসে আরোহীদের রাত কাটানোর জন্য 'জন মুইর হাট' নামে একটি আশ্রয়স্থল রয়েছে, যা পুরো ট্রেইলে একমাত্র আশ্রয়স্থল।[২৫]

আরোহীরা পুরো ট্রেইলটি শেষ করতে সাধারণত প্রায় তিন সপ্তাহ সময় নেন।[৩৩] দ্রুততম সময়ে ট্রেইল পাড়ি দেওয়ার বা এফকেটি (FKT) রেকর্ডটি গড়েন আল্ট্রারানার ফ্রাঁসোয়া ডি'হেন ২০১৭ সালে; তিনি দক্ষিণ থেকে উত্তর প্রান্তে মাত্র ২ দিন ১৯ ঘণ্টা ২৬ মিনিটে পৌঁছান। এর আগের রেকর্ডটি ছিল লিও প্যান্টিলাটের (২০১৪), যা ছিল ৩ দিন ৭ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট।[৩৪] কোনো ধরনের সাহায্য ছাড়া (unsupported) দ্রুততম ভ্রমণের রেকর্ডটি গড়েন অরেলিয়ান সানচেজ ২০১৮ সালে; তিনি ৩ দিন ৩ ঘণ্টা ৫৫ মিনিটে দক্ষিণ থেকে উত্তর প্রান্ত পাড়ি দেন। এর আগের রেকর্ডটি ছিল অ্যান্ড্রু বেন্টজের (২০১৪), যা ছিল ৩ দিন ১০ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট।[৩৫][৩৬]

স্যাফায়ার লেকের স্বচ্ছ পানিতে মাউন্ট ফিস্ক এবং মাউন্ট হাক্সলির প্রতিফলন।

জেএমটি (JMT) ভ্রমণের জন্য একটি অনুমতিপত্রের প্রয়োজন হয়, যা আরোহী যে জাতীয় উদ্যান বা বন থেকে যাত্রা শুরু করবেন সেখান থেকে সংগ্রহ করা যায় এবং এটি যাত্রার ১৬৮ দিন আগে থেকে পাওয়া যায়।[৩৭][৩৮] এই একটি মাত্র অনুমতিপত্রই সম্পূর্ণ ভ্রমণের জন্য বৈধ। যারা পুরো পথ পাড়ি দিতে চান (thru-hikers), তাদের জন্য অনুমতিপত্র সংরক্ষণ করা কঠিন হতে পারে, তবে কিছু অনুমতিপত্র সরাসরি উপস্থিত হওয়া আরোহীদের (walk-ins) জন্য সংরক্ষিত থাকে। জেএমটির হুইটনি পোর্টাল প্রান্তে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে প্রবেশের অনুমতিপত্রের জন্য লটারি ব্যবস্থা রয়েছে। অন্যদিকে ইয়োসেমাইট থেকে শুরু করা আরোহীদের সেইসব পর্যটকদের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে হয় যারা কেবল হাফ ডোম বা টুয়ালমি মেডোসে রাত কাটানোর জন্য ক্যাম্পিং করতে চান। সিয়েরা অঞ্চলের নির্জন এলাকায় বহুদিনের ভ্রমণে বের হওয়া ব্যাকপ্যাকারদের সাধারণত তাদের খাবার অনুমোদিত শক্ত-পার্শ্বযুক্ত পাত্রে বা বেয়ার ক্যানিস্টারে বহন করতে হয়। এই অঞ্চলে কালো ভাল্লুকের উপদ্রব বেশি থাকায় তাদের হাত থেকে খাবার ও অন্যান্য সুগন্ধি দ্রব্য রক্ষা করতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।[৩৯]

প্রায় ৯০-৯৬ শতাংশ পর্যটক উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে অর্থাৎ ইয়োসেমাইট ভ্যালি থেকে মাউন্ট হুইটনি অভিমুখে যাত্রা করেন।[৪০][২৫] ইয়োসেমাইট ভ্যালি থেকে যাত্রা শুরু করে দক্ষিণ দিকে যাওয়ার বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। যদিও এই পথে উচ্চতা জয়ের পরিমাণ অনেক বেশি, তবুও অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতা থেকে যাত্রা শুরু করলে আরোহীর শরীর পাহাড়ের উচ্চতার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার (acclimate) জন্য যথেষ্ট সময় পায়। এতে করে শুরুতেই মাউন্ট হুইটনি চূড়ার জন্য ৬,০০০ ফুট (১,৮০০ মিটার) আরোহণের ধাক্কা সামলাতে হয় না। এছাড়া জেএমটির উত্তর অংশে বেশ কিছু সুবিধাজনক রসদ সরবরাহ কেন্দ্র (যেমন: টুয়ালমি মেডোস, রেডস মেডো, ভার্মিলিয়ন ভ্যালি রিসোর্ট, মুইর ট্রেইল র‍্যাঞ্চ) রয়েছে। এর ফলে আরোহীরা যাত্রার শুরুতে খাবারের বোঝা হালকা রাখতে পারেন এবং কোনো সমস্যা দেখা দিলে সহজে ট্রেইল থেকে বেরিয়েও যেতে পারেন। জেএমটির দক্ষিণ অংশ অনেক বেশি দুর্গম এবং উচ্চতাও বেশি, তাই শারীরিক সক্ষমতা যখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে তখন ভ্রমণের শেষার্ধে এই অংশটি পাড়ি দেওয়া বেশি যুক্তিযুক্ত।

  1. পথটি কেবল উত্তর প্রান্তের ইয়োসেমাইট জাতীয় উদ্যানের টুয়ালমি মেডোস (দেখুন Winnett 1970, পৃ. 39–43) এবং ডেভিলস পোস্টপাইল ন্যাশনাল মনুমেন্ট-এর কাছে রেডস মেডো নামক স্থানে সড়কের কাছাকাছি আসে।
  2. পিসিটিএ (PCTA)-এর মতে, প্রতি বছর প্রায় ১৫০০-২০০০ জন মানুষ প্যাসিফিক ক্রেস্ট ট্রেইল সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করে। একটি সমীক্ষা[] অনুসারে সমান সংখ্যক আরোহী শুধুমাত্র জন মুইর ট্রেইলটি পাড়ি দেওয়ার চেষ্টাও করে থাকেন।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 আউটডোর প্রজেক্ট (২ জানুয়ারি ২০১৭)। "দ্য ১৩ বেস্ট প্লেসেস টু ব্যাকপ্যাক ইন নর্দার্ন ক্যালিফোর্নিয়া"7x7। ন্যাটালি ওয়েজেস। ২৬ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৮
  2. 1 2 3 4 5 6 বন্ড, মরগান (৮ ডিসেম্বর ২০১৪)। "হাইক দ্য জন মুইর ট্রেইল"ব্যাকপ্যাকার ম্যাগাজিন। ২৫ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০২৩
  3. 1 2 "দ্য জেএমটি ওয়াইল্ডারনেস কনজারভেন্সি"। ২১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৯
  4. 1 2 3 4 5 Wenk 2014
  5. "জেএমটি এফএকিউ"প্যাসিফিক ক্রেস্ট ট্রেইল অ্যাসোসিয়েশন। ১ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৮
  6. "২০০০ মাইলার্স"অ্যাপালাচিয়ান ট্রেইল কনজারভেন্সি। ৪ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৮
  7. "জন মুইর ট্রেইল"ব্যাকপ্যাক৪৫। ১০ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৮
  8. "সিয়েরা ক্লাব ক্যালিফোর্নিয়ার আদিবাসীদের স্বীকৃতি প্রদান করেছে"সিয়েরা ক্লাব (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ এপ্রিল ২০১৯। ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯
  9. জনসন-গ্রো, মারা (১১ জুন ২০১৮)। "ইন্ডিজেনাস উইমেন হাইকে জোলি ভারেলা এবং জন মুইর ট্রেইলের আসল নাম"ব্যাকপ্যাকার (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯
  10. এলিসন, জুলি (৩০ মে ২০১৮)। "সেই নারীদের সাথে পরিচিত হোন যারা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্লাইম্বিং সম্প্রদায় তৈরিতে সাহায্য করছেন"আরইআই কো-অপ জার্নাল (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯
  11. Winnett ও Morey 1998, front paper
  12. Parsons 1947, পৃ. 16
  13. 1 2 3 4 "জন মুইর ট্রেইল: ইতিহাস ও তাৎপর্য"সিয়েরা ট্রেডিং পোস্ট। ১৭ জুন ২০১৩। ৩ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০১৮
  14. 1 2 Corso, Damon (২০১৮)। ডিসকভারিং দ্য জন মুইর ট্রেইল: অ্যান ইনস্পায়ারেশনাল গাইড টু আমেরিকাস মোস্ট বিউটিফুল হাইকিং। রোম্যান অ্যান্ড লিটলফিল্ড। পৃ. xx। আইএসবিএন ৯৭৮-১৪৯৩০৩১২৫২। ৩ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ অক্টোবর ২০১৮
  15. 1 2 3 হিস্টোরিক আমেরিকান ল্যান্ডস্কেপ সার্ভে (নভেম্বর ২০২১)। "দ্য জন মুইর ট্রেইল: আ হিস্ট্রি অ্যান্ড সার্ভে"আর্কজিআইএস স্টোরিম্যাপস। ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিস। ৭ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০২৩
  16. ফারকুহার, ফ্রান্সিস পি. (২০০৭)। হিস্ট্রি অফ দ্য সিয়েরা নেভাদা। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া প্রেস। পৃ. ২৩৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০৫২০২৫৩৯৫৭। ৩ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ অক্টোবর ২০১৮
  17. 1 2 3 রোসার, মারিয়ে। "হিস্ট্রি অফ দ্য জন মুইর ট্রেইল"আমেরিকান মিউল মিউজিয়াম। ৫ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ অক্টোবর ২০১৮
  18. Starr ১৯৪৭, পৃ. ৪৮–৫০
  19. Cohen ১৯৮৮, পৃ. ৩৭
  20. স্কেলটন, জর্জ (২৮ জুলাই ১৯৯৭)। "দ্য ম্যান ইন দ্য হোয়াইট হ্যাট হু সেভড দ্য সিয়েরা"লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০২৫
  21. Kalkoffen 2016, পৃ. 9
  22. Johnson 1971, পৃ. 160–161
  23. Wenk 2014, পৃ. 1
  24. ভ্যালেন্টিনো, সিলাস (২৫ এপ্রিল ২০২৪)। "আইকনিক ইয়োসেমাইট ট্রেইল ক্লোজেস ইনডেফিনিটলি"SFGATE (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২৪
  25. 1 2 3 4 মর্টন, ম্যারি কেপারটন (১৯ জানুয়ারি ২০১৫)। "টপ ১০ লং-ডিসট্যান্স হাইকিং ট্রেইলস ইন দ্য ইউএস"দ্য গার্ডিয়ান। ২৬ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৮
  26. আকসামিত, ইঙ্গা (৪ জানুয়ারি ২০১৭)। "হোয়াট ইউ নিড টু নো বিফোর হাইকিং দ্য জন মুইর ট্রেইল"দ্য প্রেস ডেমোক্র্যাট। ২৬ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৮
  27. রোয়া, পল (২৯ আগস্ট ২০১৮)। "৮-ইয়ার-ওল্ড লা কানাডা স্টুডেন্ট কনকোয়ার্স মাউন্ট হুইটনি ইন আ ডে"লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। ২৬ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৮
  28. 1 2 "এলিভেশন প্রোফাইল ফর জন মুইর ট্রেইল"সামিটপোস্ট। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৮
  29. "Forester Pass"Geographic Names Information System. U.S. Geological Survey
  30. "দ্য জন মুইর ট্রেইল ফাউন্ডেশন"। ১২ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৮
  31. "হাইকিং দ্য জন মুইর ট্রেইল... অল ২০০+ মাইলস অফ ইট!"হিপক্যাম্প। অক্টোবর ২০১৩। ১২ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৮
  32. লানজা, মাইকেল (১৮ জানুয়ারি ২০০৮)। "দ্য প্ল্যান: ডুয়িং আল্ট্রালাইট রাইট"ব্যাকপ্যাকার। ১২ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৮
  33. হাচিনসন, অ্যালেক্স (১১ জুলাই ২০১৮)। "হিয়ার'স হোয়াট ইট টেকস টু হাইক দ্য জন মুইর ট্রেইল"আউটসাইড। ৩ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ অক্টোবর ২০১৮
  34. জুড, ওয়েস (১৭ অক্টোবর ২০১৭)। "ফ্রাঁসোয়া ডি'হেন ব্রেকস জন মুইর ট্রেইল স্পিড রেকর্ড: লেস দ্যান টু মান্থস আফটার উইনিং ইউটিএমবি, ডি'হেন র‍্যান দ্য ২১০-মাইল ট্রেইল ইন আন্ডার থ্রি ডেইজ"আউটসাইড। ২২ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১৭
  35. "অরেলিয়ান সানচেজ ক্যালিফোর্নিয়ায় জন মুইর ট্রেইলের রেকর্ড ভেঙেছেন"লা ডেপেশ (ফরাসি ভাষায়)। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। ৩ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ অক্টোবর ২০১৮
  36. "ট্রেইল: অরেলিয়ান সানচেজ ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি রেকর্ড ভেঙেছেন"ল'ইন্ডেপেন্ডেন্ট। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ৩ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ অক্টোবর ২০১৮
  37. স্নিবে, কার্ট (২১ এপ্রিল ২০১৮)। "ইটস জন মুইরস ১৮০থ বার্থডে, সো হিয়ারস সাম ফ্যাক্টস অ্যাবাউট হিজ ট্রেইল অ্যান্ড ইয়োসেমাইট"অরেঞ্জ কাউন্টি রেজিস্টার। ৫ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ অক্টোবর ২০১৮
  38. উইলকিনসন, ট্রয় (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)। "গো আউটডোরস: গেটিং আ জন মুইর ট্রেইল পারমিট"রকি মাউন্টেন কলিজিয়ান। ১৮ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ অক্টোবর ২০১৮
  39. "বেয়ার ক্যানিস্টার রিকোয়ারমেন্টস অ্যান্ড প্রোটেক্টিং ইয়োর ফুড"প্যাসিফিক ক্রেস্ট ট্রেইল অ্যাসোসিয়েশন। ৫ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ অক্টোবর ২০১৮
  40. Wenk 2014, পৃ. 8

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]