জনি লিন্ডসে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জনি লিন্ডসে
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজন ডিক্সন লিন্ডসে
জন্ম(১৯০৮-০৯-০৮)৮ সেপ্টেম্বর ১৯০৮
বার্কলি ইস্ট, কেপ প্রদেশ
মৃত্যু৩১ আগস্ট ১৯৯০(1990-08-31) (বয়স ৮১)
বেনোনি, ট্রান্সভাল
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
ভূমিকাউইকেট-রক্ষক
সম্পর্কএনভি লিন্ডসে (কাকা), ডেনিস লিন্ডসে (পুত্র)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৫৮)
৭ জুন ১৯৪৭ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট৫ জুলাই ১৯৪৭ বনাম ইংল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ২৯
রানের সংখ্যা ২১ ৩৪৬
ব্যাটিং গড় ৭.০০ ১১.১৬
১০০/৫০ ০/০ ০/১
সর্বোচ্চ রান ৯* ৫১
বল করেছে - -
উইকেট - -
বোলিং গড় - -
ইনিংসে ৫ উইকেট - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং - -
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৪/১ ৩৯/১৬
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৯ এপ্রিল ২০২০

জন ডিক্সন লিন্ডসে (ইংরেজি: Johnny Lindsay; জন্ম: ৮ সেপ্টেম্বর, ১৯০৮ - মৃত্যু: ৩১ আগস্ট, ১৯৯০) কেপ প্রদেশের বার্কলি ইস্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৪৭ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে নর্থ ইস্টার্ন ট্রান্সভালট্রান্সভাল দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন জনি লিন্ডসে

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৩৩-৩৪ মৌসুম থেকে ১৯৪৮-৪৯ মৌসুম পর্যন্ত জনি লিন্ডসে’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। কিছুটা কার্যকরী উইকেট-রক্ষক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তার খেলোয়াড়ী জীবন আসা-যাওয়ার পালায় অবস্থান করতো।

১৯৩৩ সালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক হলেও ১৯৩৭-৩৮ মৌসুমের পূর্ব-পর্যন্ত আর খেলায় অংশ নিতে পারেননি। এটিই যুদ্ধ পূর্বকালে পূর্ণাঙ্গ সময়ের জন্যে অংশ নিতে পেরেছিলেন। যুদ্ধের পর ১৯৪৬-৪৭ মৌসুমে ৩৮ বছর বয়সে বেশ ভালো খেলেন।

১৯৩৭-৩৮ মৌসুমে নর্থ ইস্টার্ন ট্রান্সভাল দল প্রথমবারের মতো কারি কাপে অংশ নেয়। এ পর্যায়ে তিনি দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন।[১]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন জনি লিন্ডসে।[২] সবগুলো টেস্টই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিলেন তিনি। ৭ জুন, ১৯৪৭ তারিখে নটিংহামে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ৫ জুলাই, ১৯৪৭ তারিখে ম্যানচেস্টারে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

ঘরোয়া ক্রিকেটে সুন্দর খেলার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৪৭ সালে ইংল্যান্ড গমনার্থে দলের প্রথম পছন্দের উইকেট-রক্ষক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। এ সফরের শুরুরদিকে পোতানো উইকেটে বেশ দক্ষতার সাথে বল গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। তবে, তৃতীয় টেস্টে দলের শোচনীয় পরাজয়ের ফলে তাকে দলের বাইরে অবস্থান করতে হয়। সব মিলিয়ে ঐ গ্রীষ্মে ২৭টি ডিসমিসাল ঘটাতে পেরেছিলেন।

এরপর, ১৯৪৮-৪৯ মৌসুমে ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পূর্বে মাত্র তিনটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। সবেশষ খেলায় নর্থ ইস্টার্ন ট্রান্সভাল দলের সদস্যরূপে সফররত এমসিসি দলের বিপক্ষে কেলেন। ঐ খেলায় ডেনিস কম্পটন ১৮১ মিনিটে ৩০০ রান তুলেন। এমসিসি দল ৪৮৪/৪ তুললেও তিনি কোন বাই রান দেননি।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। তার পুত্র ডেনিস লিন্ডসে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও কাকা এনভি লিন্ডসে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

৩১ আগস্ট, ১৯৯০ তারিখে ৮১ বছর বয়সে ট্রান্সভালের বেনোনি এলাকায় জনি লিন্ডসে’র দেহাবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Currie Cup 1937-38"CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০১৭ 
  2. "Johnny Lindsay"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১২ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]