চ্যারিয়টস অব ফায়ার
| চ্যারিয়টস অব ফায়ার | |
|---|---|
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পোস্টার | |
| ইংরেজি: Chariots of Fire | |
| পরিচালক | হিউ হাডসন |
| প্রযোজক | ডেভিড পুটনাম |
| রচয়িতা | কলিন ওয়েল্যান্ড |
| শ্রেষ্ঠাংশে | |
| সুরকার | ভ্যাঞ্জেলিস |
| চিত্রগ্রাহক | ডেভিড ওয়াটকিন |
| সম্পাদক | টেরি রলিংস |
| প্রযোজনা কোম্পানি |
|
| পরিবেশক | টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্স (আন্তর্জাতিক) দ্য ল্যাড কোম্পানি ওয়ার্নার ব্রস. (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা) |
| মুক্তি |
|
| স্থিতিকাল | ১২৪ মিনিট |
| দেশ | যুক্তরাজ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র[১] |
| ভাষা | ইংরেজি |
| নির্মাণব্যয় | $৫.৫ মিলিয়ন (£৩ মিলিয়ন)[২] বা £৪,০৩২,৮৫৯[৩] |
| আয় | $৫৯ মিলিয়ন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা)[৪] |
চ্যারিয়টস অব ফায়ার (ইংরেজি: Chariots of Fire, অনুবাদ 'আগুনের যুদ্ধ-রথ') হল হিউ হাডসন পরিচালিত ১৯৮১ সালের ঐতিহাসিক ক্রীড়াধর্মী নাট্য চলচ্চিত্র। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন কলিন ওয়েল্যান্ড ও এটি প্রযোজনা করেছেন ডেভিড পুটনাম। এটি ১৯২৪ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী দুজন ব্রিটিশ অ্যাথলেটের সত্য গল্প অবলম্বনে নির্মিত; তন্মধ্যে একজন হলেন এরিক লিডেল, একজন ধর্মপ্রাণ স্কটিশ খ্রিস্টান, যিনি ঈশ্বরের মহিমার জন্য দৌড়ান এবং আরেকজন হলেন হ্যারল্ড আব্রাহামস, একজন ইংরেজ ইহুদি, যিনি কুসংস্কার কাটিয়ে উঠতে দৌড়ান। ইয়ান চার্লসন ও বেন ক্রস যথাক্রমে লিডেল ও আব্রাহামস চরিত্রে অভিনয় করেন এবং পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন নাইজেল হ্যাভার্স, ইয়ান হোম, জন গিলগুড, লিন্ডসে অ্যান্ডারসন, শেরিল ক্যাম্পবেল, অ্যালিস ক্রিজ, ব্র্যাড ডেভিস ও ডেনিস ক্রিস্টোফার। ছোট দুটি চরিত্রে অভিনয়ের মধ্যে দিয়ে কেনেথ ব্র্যানা ও স্টিফেন ফ্রাইয়ের চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে।
চ্যারিয়টস অব ফায়ার সাতটি একাডেমি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয় এবং শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ মৌলিক চিত্রনাট্য ও শ্রেষ্ঠ মৌলিক সুরসহ চারটি পুরস্কার অর্জন করে। এছাড়া এটি ৩৫তম ব্রিটিশ একাডেমি চলচ্চিত্র পুরস্কারের ১১টি বিভাগে মনোনীত হয় এবং শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ তিনটি পুরস্কার লাভ করে। ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের শীর্ষ ১০০ ব্রিটিশ চলচ্চিত্রের তালিকায় এটি ১৯তম স্থান লাভ করে।
চলচ্চিত্রটির শিরোনাম উইলিয়াম ব্লেকের কবিতার ছত্র "ব্রিং মে মাই চ্যারিয়ট অব ফায়ার" ("Bring me my Chariot of fire!") থেকে ব্রিটিশ স্তবগান ও অনানুষ্ঠানিক ইংরেজি জাতীয় সঙ্গীত "জেরুসালেম", চলচ্চিত্রের শেষে শুনতে পাওয়া স্তবগান, থেকে অনুপ্রাণিত।[৫] মূল শব্দগুচ্ছ "চ্যারিয়ট(স) অব ফায়ার" বাইবেলের ২ কিংস ২:১১ ও ৬:১৭ থেকে নেওয়া।
অভিনয়শিল্পীদল
[সম্পাদনা]- বেন ক্রস - হ্যারল্ড আব্রাহামস, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ইহুদি শিক্ষার্থী
- ইয়ান চার্লসন - এরিক লিডেল, চীনে জন্মগ্রহণকারী স্কটিশ মিশনারির পুত্র
- নাইজেল হ্যাভার্স - লর্ড অ্যান্ড্রু লিন্ডসে, কেমব্রিজে পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও দৌড়বিদ
- নিকোলাস ফ্যারল - অব্রি মন্টাগু, দৌড়বিদ ও হ্যারল্ড আব্রাহামসের বন্ধু
- ইয়ান হোম - স্যাম মুসাবিনি, আব্রাহামসের দৌড়ের কোচ
- জন গিলগুড - কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিনিটি কলজের শিক্ষক
- লিন্ডসে অ্যান্ডারসন - কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাইউস কলজের শিক্ষক
- শেরিল ক্যাম্পবেল - জেনি লিডেল, এরিকের ধর্মপ্রাণ বোন
- অ্যালিস ক্রিজ - সাইবিল গর্ডন, ডি'অয়লি কার্ট সোপরানো ও আব্রাহামসের বাগদত্তা
- স্ট্রুয়ান রজার - স্যান্ডি ম্যাকগ্রা, লিডেলের বন্ধু ও দৌড়ের কোচ
- নাইজেল ডেভনপোর্ট - লর্ড বার্কেনহেড, ব্রিটিশ অলিম্পিক কমিটির সদস্য
- প্যাট্রিক ম্যাগি - লর্ড ক্যাডোগান, ব্রিটিশ অলিম্পিক কমিটির চেয়ারম্যান
- ডেভিড ইয়েল্যান্ড - ওয়েলসের যুবরাজ
- পিটার ইগান - সাদারল্যান্ডের ডিউক, ব্রিটিশ অলিম্পিক কমিটির সভাপতির
- ড্যানিয়েল গেরল - হেনরি স্টলার্ড, কেমব্রিজের শিক্ষার্থী ও দৌড়বিদ
- ব্র্যাড ডেভিস - জ্যাকসন শোলজ, মার্কিন অলিম্পিক দৌড়বিদ
- ডেনিস ক্রিস্টোফার - চার্লি প্যাডক, মার্কিন অলিম্পিক দৌড়বিদ
- রিচার্ড গ্রিফিথস - মিস্টার রজার্স, কাইউস কলেজের প্রধান দ্বাররক্ষক
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "CHARIOTS OF FIRE"। catalog.afi.com। আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০২৫।
- ↑ ওয়াকার, আলেকজান্ডার (২০০৫)। Icons in the Fire: The Rise and Fall of Practically Everyone in the British Film Industry 1984-2000। ওরিয়ন বুকস, পৃষ্ঠা ২৮।
- ↑ চ্যাপম্যান, জে. (২০২২)। "The Money Behind the Screen: A History of British Film Finance, 1945-1985"। এডিনবরা ইউনিভার্সিটি প্রেস, পৃষ্ঠা ৩১৪।
- ↑ বক্স অফিস মোজোতে চ্যারিয়টস অব ফায়ার (ইংরেজি)
- ↑ ড্যান্স, পিটার ই. (১৬ জুন ২০০৯)। Christians in the Movies: A Century of Saints and Sinners (ইংরেজি ভাষায়)। ব্লুমসবেরি পাবলিশিং পিএলসি। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৪২৫-৭০৩০-৬। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০২৫।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ১৯৮১-এর চলচ্চিত্র
- ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র
- ১৯৮১-এর ক্রীড়াধর্মী চলচ্চিত্র
- ১৯৮১-এ পরিচালনায় অভিষেক চলচ্চিত্র
- ১৯৮০-এর দশকের ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র
- ১৯৮০-এর দশকের জীবনীমূলক নাট্য চলচ্চিত্র
- ১৯৮০-এর দশকের ফরাসি ভাষার চলচ্চিত্র
- ১৯৮০-এর দশকের ব্রিটিশ চলচ্চিত্র
- ইংরেজি ভাষার জীবনীমূলক নাট্য চলচ্চিত্র
- ওয়ার্নার ব্রসের চলচ্চিত্র
- গোল্ডক্রেস্ট ফিল্মসের চলচ্চিত্র
- টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্সের চলচ্চিত্র
- দ্য ল্যাড কোম্পানির চলচ্চিত্র
- ব্রিটিশ ক্রীড়াধর্মী নাট্য চলচ্চিত্র
- ব্রিটিশ জীবনীমূলক নাট্য চলচ্চিত্র
- ডেভিড পুটনাম প্রযোজিত চলচ্চিত্র
- হিউ হাডসন পরিচালিত চলচ্চিত্র
- ১৯১৯-এর পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- ১৯২০-এর পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- ১৯২৩-এর পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- ১৯২৪-এর পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- ১৯৭৮-এর পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- ইংল্যান্ডের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- কেন্টের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- কেমব্রিজের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- প্যারিসের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- লন্ডনের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- স্কটল্যান্ডের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- সৈকতের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- ইয়র্কে ধারণকৃত চলচ্চিত্র
- ইয়র্কশায়ারে ধারণকৃত চলচ্চিত্র
- এডিনবরায় ধারণকৃত চলচ্চিত্র
- কেন্টে ধারণকৃত চলচ্চিত্র
- নর্থ ইয়র্কশায়ারে ধারণকৃত চলচ্চিত্র
- লিভারপুলে ধারণকৃত চলচ্চিত্র
- সত্য ঘটনা অবলম্বনে ক্রীড়াধর্মী চলচ্চিত্র
- ১৯২৪ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- ইহুদি ব্যক্তি সম্পর্কে জীবনীমূলক চলচ্চিত্র
- খ্রিস্টান ধর্ম সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- ধর্ম সম্পর্কিত চলচ্চিত্র
- প্রতিযোগিতা সম্পর্কিত চলচ্চিত্র
- কল্পকাহিনীতে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়
- শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী
- শ্রেষ্ঠ বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার বিজয়ী
- শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে বাফটা পুরস্কার বিজয়ী
- ১৯৮১-এর ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র
- শ্রেষ্ঠ বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র গোল্ডেন গ্লোব বিজয়ী
- ফ্রান্সের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- শ্রেষ্ঠ মৌলিক সুরের জন্য একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র