চৌধুরী খালিদ জাভেদ
চৌধুরী খালিদ জাভেদ | |
|---|---|
| چوہدری خالد جاوید | |
| পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য | |
| কাজের মেয়াদ ১৩ আগস্ট ২০১৮ – ১০ আগস্ট ২০২৩ | |
| নির্বাচনী এলাকা | এনএ-১১১ (টোবা টেক সিং-১) |
| কাজের মেয়াদ ১ জুন ২০১৩ – ৩১ মে ২০১৮ | |
| নির্বাচনী এলাকা | এনএ-৯২ (টোবা টেক সিং) |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জাতীয়তা | পাকিস্তানি |
| রাজনৈতিক দল | আওয়াম পাকিস্তান (২০২৫-বর্তমান) |
| অন্যান্য রাজনৈতিক দল | পাকিস্তান মুসলিম লীগ (এন) (১৯৯৩-২০২৫) স্বতন্ত্র (১৯৮৮-১৯৯৩) |
| আত্মীয়স্বজন | বিলাল আসগর ওয়ারাইচ (ভাই) |
চৌধুরী খালিদ জাভেদ ওড়াইচ (উর্দু: چوہدری خالد جاوید وڑائچ) একজন পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ, যিনি আগস্ট ২০১৮ থেকে আগস্ট ২০২৩ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। এর আগে তিনি জুন ২০১৩ থেকে মে ২০১৮ সাল পর্যন্ত জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন এবং ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনৈতিক জীবন
[সম্পাদনা]চৌধুরী খালিদ জাভেদ ১৯৮৮ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে পিপি-৭৬ (টোবা টেক সিং) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, কিন্তু তিনি বিজয়ী হতে পারেননি। তিনি ১৬,৯৬৫ ভোট পান এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)-এর প্রার্থী মুহাম্মদ খালিদ মালিকের কাছে পরাজিত হন।[১]
তিনি ১৯৯৩ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে পিপি-৭৬ (টোবা টেক সিং) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত হন। তিনি ২৩,২৬৬ ভোট পান এবং পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ) (পিএমএল(এন))-এর প্রার্থী চৌধুরী জাফর ইকবালকে পরাজিত করেন।[১] পাঞ্জাব পরিষদের সদস্য থাকাকালে তিনি যোগাযোগ ও গণপূর্ত বিষয়ক সংসদীয় সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[২]
তিনি ১৯৯৭ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে আবারও পিপি-৭৬ (টোবা টেক সিং) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত হন। তিনি ২১,৬০২ ভোট পান এবং পিএমএল(এন)-এর প্রার্থী মুজাফফর আহমদ চীমাকে পরাজিত করেন।[১]
তিনি ২০০২ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে পিপি-৯০ (টোবা টেক সিং-৭) আসন থেকে প্রাদেশিক পরিষদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, কিন্তু বিজয়ী হতে পারেননি। তিনি ১৪,৫৫৮ ভোট পান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী লিয়াকত আলী শওকতের কাছে পরাজিত হন।[৩]
তিনি ২০১৩ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে এনএ-৯২ (টোবা টেক সিং-১) আসন থেকে জাতীয় পরিষদে নির্বাচিত হন।[৪][৫][৬][৭] তিনি ৯১,৯০৩ ভোট পান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী উসামা হামজাকে পরাজিত করেন।[৮]
তিনি ২০১৮ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে এনএ-১১১ (টোবা টেক সিং-১) আসন থেকে পুনরায় জাতীয় পরিষদে নির্বাচিত হন। তিনি ১,১০,৫৫৬ ভোট পান এবং পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর প্রার্থী উসামা হামজাকে পরাজিত করেন।[৯]
তিনি ২০২৪ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে এনএ-১০৫ (টোবা টেক সিং-১) আসন থেকে পিএমএল(এন)-এর প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, কিন্তু বিজয়ী হতে পারেননি। তিনি ১,০৮,০০৩ ভোট পান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী উসামা হামজার কাছে পরাজিত হন।
আরো দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 "Punjab Assembly election result 1988-97" (পিডিএফ)। ECP। ৩০ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০১৮।
- ↑ "Previous Assemblies"। www.pap.gov.pk। ১৫ জুন ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮।
- ↑ "2002 election result" (পিডিএফ)। ECP। ২৬ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০১৮।
- ↑ "takes lead as PTI, PPP trail"। www.thenews.com.pk (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৭।
- ↑ "TOBA TEK SINGH City News"। www.thenews.com.pk (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৭।
- ↑ "Second woman from Warraich family enters politics"। DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। ২ জানুয়ারি ২০১৭। ৬ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৭।
- ↑ "Warraich's family 'divided' on political lines"। DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ এপ্রিল ২০১৩। ৬ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৭।
- ↑ "2013 election result" (পিডিএফ)। ECP। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০১৮।
- ↑ "Chaudhry Khalid Javed wins NA-111 election"। Associated Press Of Pakistan। ২৭ জুলাই ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৮।