চেন্নুপতি বিদ্যা
চেন্নুপতি বিদ্যা | |
|---|---|
| সংসদ সদস্য, লোকসভা | |
| কাজের মেয়াদ ১৯৮৯ - ১৯৯১ | |
| পূর্বসূরী | ভাদ্দে শোভনদ্রীশ্বর রাও |
| উত্তরসূরী | ভাদ্দে শোভনদ্রীশ্বর রাও |
| নির্বাচনী এলাকা | বিজয়াওয়াড়া |
| কাজের মেয়াদ ১৯৮০ - ১৯৮৪ | |
| পূর্বসূরী | গোদে মুরহরি |
| উত্তরসূরী | ভাদ্দে শোভনদ্রীশ্বর রাও |
| নির্বাচনী এলাকা | বিজয়াওয়াড়া |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ৫ জুন ১৯৩৪ বিজয়নগরম, ব্রিটিশ ভারত |
| মৃত্যু | ১৮ আগস্ট ২০১৮ (বয়স ৮৪) বিজয়ওয়াড়া, ভারত |
| রাজনৈতিক দল | ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস |
| দাম্পত্য সঙ্গী | চেন্নুপতি শেষগিরি রাও |
| সম্পর্ক | জি. সমরম (ভাই) জি. লাবনম (ভাই) হেমলতা লাবনম (বৌদি) |
| সন্তান | ১ পুত্র, ৩ কন্যা |
| পিতামাতা | গোরা (পিতা) সরস্বতী গোরা (মা) |
| পুরস্কার | যমনালাল বাজাজ পুরস্কার (২০১৪) |
চেন্নুপতি বিদ্যা (৫ জুন ১৯৩৪ - ১৮ আগস্ট ২০১৮) একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং সমাজকর্মী ছিলেন। তিনি ১৯৮০ এবং ১৯৮৯ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের টিকিটে বিজয়ওয়াড়া নির্বাচনী এলাকা থেকে দুবার লোকসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।[১] তাঁর দুই ভাই হলেন জি. লাবনম এবং জি. সমরম।
জীবনী
[সম্পাদনা]বিদ্যা বিখ্যাত নাস্তিক গোপারাজু রামচন্দ্র রাও এবং তাঁর স্ত্রী সরস্বতীর কন্যা ছিলেন। গোপারাজু গোরা নামে বেশি পরিচিত ছিলেন। বিদ্যা ১৯৩৪ সালের ৫ই জুন বর্তমান অন্ধ্র প্রদেশের বিজয়নগরমে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিশাখাপত্তনমের অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৫০ সালে তিনি চেন্নুপতি শেষগিরি রাওকে (১৯২১ - ২০০৮) বিয়ে করেন, যিনি এই অঞ্চলের একজন বিশিষ্ট পরিবহন পরিচালক ছিলেন এবং নিজের জীবদ্দশায় বিদ্যার প্রচেষ্টা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে তাঁর জন্য সমর্থনের এক স্তম্ভ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁদের এক ছেলে এবং তিন মেয়ে ছিল।[১]
১৯৬৯ সাল থেকে তিনি অন্ধ্র প্রদেশের নারী ও শিশুদের ক্ষমতায়নের জন্য নিবেদিত একটি এনজিও, বাসব্য মহিলা মণ্ডলীর সভাপতি ছিলেন।[২]
রাজনৈতিক জীবন
[সম্পাদনা]বিদ্যা ১৯৬২ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত অন্ধ্রপ্রদেশের গোল্লাপুডির পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন। এরপরে ১৯৬৭ সাল থেকে তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণা জেলার জেলা পরিষদের সদস্য হন। এই পদে তিনি ১৯৭৬ সাল অব্ধি কাজ করেছেন।[৩]
তিনি ১৯৬৮- ৭৮ সাল পর্যন্ত অন্ধ্রপ্রদেশের কংগ্রেস (আই)-এর মহিলা শাখার আহ্বায়ক ছিলেন।[৩]
১৯৮০ সালে তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের টিকিটে বিজয়ওয়াড়া নির্বাচনী এলাকা থেকে ৭ম লোকসভায় নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে একই নির্বাচনী এলাকা থেকে তিনি নবম লোকসভায় পুনরায় নির্বাচিত হন।[১]
বিদ্যা ১৯৮২ সালের আগস্টে পশ্চিম জার্মানির হ্যানোভারে আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী ও নীতিগত ইউনিয়ন কংগ্রেসের প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলেন। ১৯৮৩ সালে আইপিডির সদস্য হিসেবে তিনি জিডিআর, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, ফ্রান্স, গ্রীস এবং দুবাইতে ভ্রমণ করেন।[৩]
তিনি অন্ধ্রপ্রদেশ খো-খো অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন এবং রোটারি মুভমেন্ট ও লায়ন্স ক্লাবের সাথে যুক্ত ছিলেন।
সামাজিক সেবামূলক কাজ
[সম্পাদনা]সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার পর, বিদ্যা ১৯৬৯ সালে তাঁর বাবা-মা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি এনজিও, বাসব্য মহিলা মণ্ডলীর (ভিএমএম) মাধ্যমে সম্প্রদায়ের সেবায় নিযুক্ত হন, এদের লক্ষ্য ছিল তৃণমূল পর্যায়ে নারী, যুব এবং শিশুদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তন আনা।[৪]
এইচআইভি / এইডস, যক্ষ্মা এবং মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সমস্যাগুলি মোকাবিলা করার চেষ্টা করার পাশাপাশি, বিদ্যার নেতৃত্বে ভিএমএম, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন করার জন্য দক্ষতা উন্নয়নে জোর দিয়েছিল।[৪] তাঁর কর্মচারী এবং আরও অনেকে তাঁর নাম দিয়েছিলেন 'বিদ্যাম্মা'।[৪]
মৃত্যু
[সম্পাদনা]তিনি ২০১৮ সালের ১৮ই আগস্ট তারিখে বিজয়ওয়াড়ায় মারা যান।[৫]
পুরস্কার এবং স্বীকৃতি
[সম্পাদনা]- ২০১৪: "নারী ও শিশুদের উন্নয়ন ও কল্যাণ" বিভাগে যমনালাল বাজাজ পুরস্কার।[৬]
- তেলুগু বুক অফ রেকর্ডে আদারসা মান্য মহিলা (আদর্শ মহিলা)।[৭]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 "Biodata of Chennupati Vidya at Parliament of India."। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৩।
- ↑ Biography on the website of the Jamnalal Bajaj Foundation.
- 1 2 3 "9th Lok Sabha, Members Bioprofile"। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - 1 2 3 Correspondent, Special (১৮ আগস্ট ২০১৮)। "Former MP Chennupati Vidya dead"। The Hindu (ভারতীয় ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0971-751X। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Former MP Chennupati Vidya dead"। The Hindu। ১৮ আগস্ট ২০১৮।
- ↑ "Jamnalal bajaj award for Chennupati Vidya"। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৪।
- ↑ Decades of Selfless Social Service.