চুখা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চুখা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র
দেশ ভুটান
অবস্থাসক্রিয়থ

চুখা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র হল ভুটান এর প্রথম ও সবচেয়ে পুরোনো বিদ্যুৎ কেন্দ্র।এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রায়ঢাক নদী এর উপর বাধ বা ডেম তৈরি করে নির্মাণ করা হয়েছে।এই বিদ্যুৎ টির সবচেয়ে কাছুর শহর হল ফুল্টসলিং[১] বিদ্যুৎ কেনদ্রটি চুখা জেলায় অবস্থিত।এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৩৩৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।ভুটানে বিদ্যুৎ এর চাহিদা কম থাকায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে প্রচুর বিদ্যুৎ উদ্ববৃত্ত থাকে।এই উদ্ববৃত্ত বিদ্যুৎ ভারত সরকার কিনে নেয়।এই বিদ্যুৎ পশ্চিমবঙ্গ এ ও আসাময়ে সরবরাহ করা হয়।

অবস্থান[সম্পাদনা]

বিদুৎ কেন্দ্রটি চুখা জেলা এর একটি গ্রামে নির্মাণ করা হয়েছে।এটি রায়ঢাক নদীকে বাধের দ্বারা কৃত্রিম জলধারা নিরমান করে পাহারে উপর নিরমান করা হয়েছে।এটি ফুন্টসলিং শহরের কাছেই অবস্থিত।এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে রাজধানী থিম্পু ও কাছেই অবস্থিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ভুটানে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের আগে কোনো বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও বিদ্যুৎ এর যোগান ছিলনা।ফলে দেশটি পর্যটন শিল্পে একট বিরাট অনিশ্চয়তা এর মধ্যে পরছিল।এছাড়া দেশটির শিল্প এর বিকাশ থমকে ছিল।এই কারনে দেশ টিতে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণের প্রয়োজনিয়তা দেখা দেয়।দেশটি পর্বত্য ও পাহাড়ি এলাকা যুক্ত হওয়ায় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উপর যোর দেওয়া হয়।এর পর সমিক্ষার দ্বারা রায়ডাক নদীতে বাধ দিয়ে জল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের সিধান্ত নেওয়া হয়।এর পর চুখা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়।এটিই এই দেশের প্রথম বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

নির্মাণ[সম্পাদনা]

এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে নদীতে বাধ দিয়ে নদীর জল সঞ্চয় করে সেই জলের সাহায্যে টারবাইন ঘিরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন পদ্ধতিতে।এই বাধটি রায়ডাক নদীতে নির্মাণ করা হয়েছে।এই বাধের থেকে ১.৬ কিমি উজানে একটি ৫.৬ কিলোমিটার টানেল কেটে জল অন্য পথে এনে টার্বাইন ঘুরানো হয়।এর পর জল আবার নদীতে ফিরিয়ে দওয়া হয়।বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণে সমস্ত রকম কারিগরি সহযোগিতা করেছে ভারত সরকার

অর্থের যোগান[সম্পাদনা]

বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণের সবচেয়ে বড় পতিবন্ধকতা ছিল অর্থের যোগান।এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নর্মানে ভারত যুক্ত হয় চুক্তির দ্বারা ভুটানের সঙ্গে।এর পর ভারত এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণের ৬০ শতাং অর্থের যোগান দেয় বাকি ৪০ শতাং অর্থ ভুটান যোগার করে কম সুদে।এর পর নির্মাণ শুরু হয়।ভারত এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণের অর্থ যোগানের চুক্তি মোতাবিক বিদ্যুৎ কিনে নেয় ভুটান থেকে ।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "বজ্র ড্রাগনের দেশ"bdnews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২১-১১-২০১৬  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]