চুকুর মাদ্রাসা
| চুকুর মাদ্রাসা | |
|---|---|
Chuqur madrasasi | |
মাদ্রাসার প্রাঙ্গণ, ২০১৫ | |
![]() | |
| বিকল্প নাম | কাত্তাহোজা মাদ্রাসা; মাওলাভি শরীফ মাদ্রাসা |
| সাধারণ তথ্যাবলী | |
| অবস্থা | রাষ্ট্রীয় সুরক্ষাধীন[১] |
| ধরন | মাদ্রাসা |
| স্থাপত্যশৈলী | মধ্য এশীয় স্থাপত্য |
| শহর | বোখারা প্রদেশ |
| দেশ | উজবেকিস্তান |
| উন্মুক্ত হয়েছে | ১৮শ শতাব্দী |
| স্বত্বাধিকারী | রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি |
| কারিগরি বিবরণ | |
| উপাদান | ইট |
| আকার | ২৩টি কক্ষ |
চুকুর মাদ্রাসা (অন্য নাম: কাত্তাহোজা মাদ্রাসা; মাওলাভি শরীফ মাদ্রাসা) হলো উজবেকিস্তানের বুখারা প্রদেশের ঐতিহাসিক শহর বুখারার কেন্দ্রে অবস্থিত একটি একতলা মাদ্রাসা ভবন। এটি উজবেকিস্তানের স্থাবর বস্তুগত এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জাতীয় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।
২০১০ সালের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অধীনে মাদ্রাসাটির সংস্কার ও মেরামতের জন্য তহবিল বরাদ্দ করা হলেও, এটি বর্তমানে অযত্নে এবং জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]মাদ্রাসাটি ১৮শ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বুখারা খানাতের তৎকালীন রাজধানী বুখারায় নির্মিত হয়েছিল। অষ্টরখানী (জানিদ) রাজবংশের শাসনামলে আসোমিদ্দিনখোজা (যিনি কাত্তাহোজা নামেও পরিচিত) নামক এক ব্যক্তির অর্থায়নে এটি নির্মিত হয়।[২]
আসোমিদ্দিনখোজা ছিলেন মাওলাভি শরীফের নাতি। তিনি অষ্টরখানী আমলে 'কাজিকালন' (প্রধান বিচারক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি তার পূর্বপুরুষদের পথ অনুসরণ করে মাওলাভি শরীফের পরিবারের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতেন এবং মাদ্রাসায় পাঠদান করতেন। এরই এক পর্যায়ে তিনি তার বাড়ির পেছনে এই নতুন মাদ্রাসাটি নির্মাণ করেন। মাওলাভি শরীফের পরিবার পরবর্তী দীর্ঘ সময় ধরে 'তরিকা'-পন্থী সুফি ধারার অন্যতম স্থায়ী শাখা হিসেবে গণ্য হতো, যা সোভিয়েত বিপ্লব পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল।[২] মাদ্রাসাটি পার্শ্ববর্তী ভবনগুলোর তুলনায় কিছুটা নিচু বা গভীর স্থানে অবস্থিত হওয়ায় পরবর্তীতে এটি 'চুকুর' (অর্থাৎ নিচু বা গভীর) মাদ্রাসা নামে পরিচিতি লাভ করে।[৩]
সোভিয়েত শাসন প্রতিষ্ঠার পর এই মাদ্রাসায় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। ভবনটিকে একটি স্থাপত্য নিদর্শন হিসেবে ২০১৯ সালে অনুমোদিত উজবেকিস্তানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।[৪] ২০২০ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীদের সহায়তায় এটিকে সংস্কার করে পর্যটন কেন্দ্রে রূপান্তরের একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।[৫]
এটি বর্তমানে বুখারার মির্জো উলুগবেক এমএফওয়াই-এর অন্তর্গত খ. আশুরভ সড়কে অবস্থিত।
স্থাপত্য
[সম্পাদনা]মাদ্রাসা ভবনটি পোড়ানো ইট দিয়ে নির্মিত এবং এটি একতলা বিশিষ্ট।[৩] এতে মোট ২৩টি হুজরা বা কক্ষ রয়েছে।[২]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Моддий маданий мероснинг кўчмас мулк объектлари миллий рўйхатини тасдиқлаш тўғрисида Ўзбекистон Республикаси Вазирлар Маҳкамасининг 846-сон 04.10.2019 й. қарори"। Lex.uz। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২১।
- 1 2 3 Jumanazar A. (২০১৭)। Buxoro taʼlim tizimi tarixi। পৃ. ২৯৯–৩০২।
- 1 2 "Медреসে Чукур (Катта Ходжа)"। Rusrav.uz। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২১।
- ↑ "Государственная программа по исследованию, консервации, реставরাции и приспособлению для современного использования объектов культурного наследия г. Бухары до 2020 года"। Nrm.uz। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২১।
- ↑ "Buxorodagi 16 ta madaniy meros obyektini jozibador maskanga aylantirish uchun investorlar tomonidan qancha sarmoya kiritilmoqda?"। Xs.uz। ২২ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০২১।
সাহিত্য
[সম্পাদনা]- Jumanazar A. (২০১৭)। Buxoro taʼlim tizimi tarixi। Toshkent: Akademnashr। পৃ. ৫৯২। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৯৪৩-৪৭২৮-২-২।
