বিষয়বস্তুতে চলুন

চিলড্রেন'স কমিশনার (নিউজিল্যান্ড)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আগস্ট ২০২৫ অনুযায়ী লোগো

মানা মোকোপুনা - চিলড্রেন'স কমিশনার হল একটি স্বাধীন নিউজিল্যান্ড ক্রাউন সত্তা (ক্রাউন হলো কমনওয়েলথ রাজ্যে ব্যবহৃত একটি রাজনৈতিক ধারণা) যা চিলড্রেন'স কমিশনার আইন ২০০৩ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং ওরাঙ্গা তামারিকি সিস্টেম লেজিসলেশন অ্যামেণ্ডমেন্ট অ্যাক্ট ২০২৫-এর তত্ত্বাবধানে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।[] এটি শিশু ন্যায়পাল হিসেবে কাজ করে, সরকার এবং অন্যান্য সংস্থাগুলিকে পরামর্শ ও নির্দেশনা প্রদান করে, নিশ্চিত করে যে জননীতি প্রক্রিয়ায় শিশুদের কণ্ঠ শোনা হচ্ছে। এইসঙ্গে এরা শিশু ও তরুণদের আটকে রাখা স্থানগুলি নিরীক্ষণ করে। চিলড্রেন'স কমিশনার হল ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত চিলড্রেন'স কমিশনার (একই নাম) এবং সাবেক চিলড্রেন অ্যাণ্ড ইয়াং কমিশনের উত্তরসূরি।[][]

কার্যাবলী এবং দায়িত্ব

[সম্পাদনা]

চিলড্রেন'স কমিশনারকে নিয়ন্ত্রণ করে ওভারসাইট অফ ওরাঙ্গা তামারিকি সিস্টেম লেজিসলেশন অ্যামেণ্ডমেন্ট অ্যাক্ট ২০২৫। ২০০৪ এর ক্রাউন সত্তা আইনের অধীনে ওভারসাইট লেজিসলেশন অ্যামেণ্ডমেন্ট অ্যাক্ট এই চিলড্রেন'স কমিশনারকে একটি স্বাধীন ক্রাউন সত্তা হিসেবে মনোনীত করে। এই কমিশনারদের শিশু ও তরুণদের বিষয়, ওয়েটাঙ্গি চুক্তি, মাওরি জ্ঞান এবংটিকাঙ্গা মাওরি সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এইসঙ্গে তাদের ভূমিকার সাথে সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং নেতৃত্বের দক্ষতা থাকতে হবে। শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এই কমিশনারদের নিযুক্ত করেন এবং একটি মনোনয়ন প্যানেল দ্বারা তাদের যাচাই করা হয়। ওভারসাইট লেজিসলেশন অ্যামেণ্ডমেন্ট অ্যাক্ট নিউজিল্যান্ডের গভর্নর-জেনারেলকে অনুমতি দেয় মন্ত্রীর সুপারিশে একজন ডেপুটি কমিশনার নিয়োগ করার।[]

কমিশনারের মূল কাজ এবং দায়িত্বগুলির মধ্যে রয়েছে শিশুদের অধিকারের পক্ষে প্রচার করা, সরকার ও সংস্থাগুলিকে পরামর্শ দেওয়া, সিস্টেম-স্তরের পরিবর্তনের পক্ষে সমর্থন দেওয়া, জননীতি প্রক্রিয়ায় শিশুদের কণ্ঠ শোনা নিশ্চিত করা এবং যেখানে তরুণদের আটক করা হয় সেগুলি পর্যবেক্ষণ করা।[] ওরাঙ্গা তামারিকি (শিশু মন্ত্রণালয়) তত্ত্বাবধান ব্যবস্থার অংশ হিসাবে, চিলড্রেন'স কমিশনার ন্যায়পালের অফিস এবং স্বাধীন শিশু উপদেষ্টার সাথে কাজ করে। তারা নিশ্চিত করে যাতে শিশুদের সাথে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থা এবং পরিষেবাগুলি শিশুদের প্রাপ্য অধিকার বজায় রাখে এবং তাদের সুখ সুবিধায় সহায়তা করে। চিলড্রেন'স কমিশনারের অংশীদারদের মধ্যে রয়েছে ওরাঙ্গা তামারিকি, নিউজিল্যান্ড পুলিশ, বিভিন্ন স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সংস্থা, মাওরি আইউই (উপজাতি), হাপু (উপ-গোষ্ঠী), সামাজিক পরিষেবা এবং শিশু এবং তরুণদের সাথে কাজ করা বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)।[]

চিলড্রেন অ্যাণ্ড ইয়াং কমিশন আইন ২০২২ পাস হওয়ার আগে, চিলড্রেন'স কমিশনারকে যারা পরিচালনা করত সেগুলির মধ্যে ছিল বর্তমানে বাতিল হওয়া চিলড্রেন'স কমিশনার আইন ২০০৩, ওরাঙ্গা তামারিকি আইন ১৯৮৯ (পূর্বে শিশু, তরুণদের এবং তাদের পরিবার আইন ১৯৮৯ নামে পরিচিত), ওরাঙ্গা তামারিকি (আবাসিক যত্ন) প্রবিধান ১৯৯৬, নির্যাতনের অপরাধ আইন ১৯৮৯ এবং মানব সহায়তাপ্রাপ্ত প্রজনন প্রযুক্তি আইন ২০০৪[][] চিলড্রেন'স কমিশনার হল প্রাক্তন চিলড্রেন অ্যাণ্ড ইয়াং কমিশনের উত্তরসূরী, যেটি ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পরিচালিত হয়েছিল।[][]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]
২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত লোগো

২০০৩ সালের আগে, চিলড্রেন'স কমিশনারকে বলা হত কমিশনার ফর চিলড্রেন, এটি ১৯৮৯ সালের ওরাঙ্গা তামারিকি আইনের (যা তখন শিশু, তরুণ ব্যক্তি এবং তাদের পরিবার আইন ১৯৮৯ নামে পরিচিত ছিল) ৯ম অংশের অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি পদ ছিল।[][] চিলড্রেন'স কমিশনার আইন ২০০৩ পাস হওয়ার পর, কমিশনার ফর চিলড্রেনের কার্যাবলী এবং দায়িত্ব গ্রহণ করে চিলড্রেন'স কমিশনার।[]

এনগাতিকাউরা এনগাতির ময়নাতদন্তের ছবির বিষয়ে বিতর্ক নিয়ে অফিসধারীদের ভিন্ন ভিন্ন মতামত রয়েছে।[]

বিলুপ্তি

[সম্পাদনা]

২০২১ সালের নভেম্বরে, ষষ্ঠ শ্রম সরকার দুটি নতুন সত্তা দিয়ে চিলড্রেন'স কমিশনারকে প্রতিস্থাপনের জন্য আইন প্রণয়ন করে, সত্তা দুটি হল:চিলড্রেন অ্যাণ্ড ইয়াং কমিশন যারা প্রচারণার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে এবং একটি স্বাধীন শিশু উপদেষ্টা যারা কমিশনারের পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। এছাড়াও, ন্যায়পালের কার্যালয় শিশুদের সাথে সম্পর্কিত অভিযোগের তদন্তের জন্য তাদের দায়িত্বের পরিধি সম্প্রসারিত করবে। সরকারের উদ্বেগ ছিল যে চিলড্রেন'স কমিশনার অফিসের প্রচারণার ভূমিকা এবং তাদের পর্যবেক্ষক ভূমিকার মধ্যে সংঘর্ষ আসতে পারে। প্রস্তাবিত আইন পরিবর্তনটির সেই কারণে পরিচালিত হয়েছিল।[][১০][১১]

চিলড্রেন'স কমিশনারকে প্রতিস্থাপনের জন্য লেবার সরকারের পরিকল্পনা প্রচুর সমালোচনার মুখে পড়েছিল। সমালোচনা এসেছিল চিলড্রেন'স কমিশনার ফ্রান্সেস আইভার্সের কাছ থেকে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন শিশু আইনজীবী, যেমন সেভ দ্য চিলড্রেন, প্রাক্তন ওরাঙ্গা তামারিকি কর্মচারী লুক ফিটজমৌরিস, "ভয়েস – ওয়াকারঙ্গো মাই" মুখপাত্র টুপুয়া উরলিচ, শিশুদের আইনজীবী পিউই বিয়ার্ড, মানাকি রাঙ্গাতাহি, বার্নার্ডোস এবং চাইল্ড পভার্টি অ্যাকশন গ্রুপ (সিপিএজি) এর বিরুদ্ধ মতামত জানিয়েছিল। তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল যে সরকারের পরিবর্তনগুলি দুর্বল শিশুদের সুস্থতা পর্যবেক্ষণ এবং তাদের স্বার্থের পক্ষে বক্তব্য জানানোর অফিসের ক্ষমতা হ্রাস করবে।[][১০][১২][১৩][১৪] এছাড়াও, সরকারের পরিবর্তনগুলির বিরোধিতা করেছে এর সমর্থক অংশীদার, গ্রিন পার্টি এবং বিরোধী ন্যাশনাল, অ্যাক্ট এবং মাওরি দলগুলি।[১৫][১৬]

সুশীল সমাজের এবং রাজনৈতিক দলগুলির বিরোধিতা সত্ত্বেও, লেবার পার্টি তাদের সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ব্যবহার করে চিলড্রেন'স কমিশনারকে চিলড্রেন অ্যাণ্ড ইয়াং কমিশন দিয়ে প্রতিস্থাপন করে দুটি নতুন আইন পাস করতে সক্ষম হয়েছিল এবং ওভারসাইট অফ ওরাঙ্গা তামারিকি সিস্টেমকে নতুন স্বাধীন পর্যবেক্ষক এবং ন্যায়পালের অফিসের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল।[১৬][১৭][১৮]

২০২৩ সালের ১লা জুলাই তারিখে, চিলড্রেন'স কমিশনার বিলুপ্ত করা হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে চিলড্রেন অ্যাণ্ড ইয়াং কমিশন দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। শেষ কমিশনার ফ্রান্সেস আইভার্স পরবর্তীকালে ২০২৩ সালের ৩১শে অক্টোবর পর্যন্ত নতুন সংস্থায় প্রথম প্রধান শিশু কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[১৯][২০]

২০২৫ পুনর্বহাল

[সম্পাদনা]

২০২৫ সালের ২৬শে জুন তারিখে, ষষ্ঠ জাতীয় সরকার ওভারসাইট অফ ওরাঙ্গা তামারিকি সিস্টেম লেজিসলেশন অ্যামেণ্ডমেন্ট ২০২৫ পাস করে, যা চিলড্রেন অ্যাণ্ড ইয়াং কমিশনকে বিলুপ্ত করে এবং চিলড্রেন'স কমিশনারকে পুনর্বহাল করে। আইনটি ১লা থেকে আগস্ট কার্যকর করা হয়, যেখানে ক্লেয়ার আচমাদ পুনর্বহালকৃত অফিসে একমাত্র চিলড্রেন'স কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[]

পদাধিকারীদের তালিকা

[সম্পাদনা]
নাম প্রতিকৃতি কার্যকাল মন্তব্য
ইয়ান হ্যাসাল ১৯৮৯–১৯৯৪ [২১]
লরি ও'রিলি ১৯৯৪–১৯৯৮ [][২১]
রজার ম্যাকক্লে ১৯৯৮-২০০৩ [২২][২৩]
সিন্ডি কিরো ১ সেপ্টেম্বর ২০০৩ - ১ সেপ্টেম্বর ২০০৮ [২২][২৪]
জন অ্যাঙ্গাস এপ্রিল ২০০৯ – জুন ২০১১ [২৫]
রাসেল উইলস ১ জুলাই ২০১১ – ৩০ জুন ২০১৬ [২১]
অ্যান্ড্রু বেক্রফট ১ জুলাই ২০১৬ – ১ নভেম্বর ২০২১ [২৬][২৭]
ফ্রান্সেস আইভার্স ১ নভেম্বর ২০২১ – ৩১ অক্টোবর ২০২৩ [২৮][২৯]
ক্লেয়ার আহমাদ ১ নভেম্বর ২০২৩ — বর্তমান []

মন্তব্য এবং তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 4 5 Dexter, Giles (২৬ জুন ২০২৫)। "Legislation to improve independent monitoring of Oranga Tamariki passes third reading"Radio New Zealand। ১১ জুলাই ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০২৫
  2. 1 2 "About us"। Mana Mokopuna। ১০ আগস্ট ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০২৫
  3. 1 2 "Oversight of Oranga Tamariki System Legislation Amendment Bill"। 30 June 2025-এর আইন
  4. 1 2 "Our role in the oversight system"। Mana Mokopuna। ১০ আগস্ট ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০২৫
  5. 1 2 "Children's Commissioner: Statutory role and function" (পিডিএফ)। Office of the Children's Commissioner। ফেব্রুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১১ আগস্ট ২০২২
  6. 1 2 "Children's Commissioner Act 2003"। 25 November 2003-এর আইনNew Zealand Parliament
  7. "Oranga Tamariki Act 1989"। {{{year}}}-এর আইনNew Zealand Parliament
  8. "Stuff"www.stuff.co.nz। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  9. 1 2 Sachdeva, Sam (২৪ জানুয়ারি ২০২২)। "Push to 'save' Children's Commissioner from govt reforms"Newsroom। ২৩ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২২
  10. 1 2 Smale, Aaron (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২)। "Former staff critical of Oranga Tamariki bill"Stuff। ২ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২২
  11. Doyle, Katie (১৪ জুন ২০২২)। "Children's Commissioner slams select committee over Oranga Tamariki oversight Bill"Stuff। ১৪ জুলাই ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২২
  12. Smale, Aaron (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২)। "Oranga Tamariki Oversight Bill under fire: 'They want a lapdog, not a watchdog'"Stuff। ২ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২২
  13. Sachdeva, Sam (১১ এপ্রিল ২০২২)। "Children's Commissioner: Govt must 'think again' on oversight reforms"Newsroom। ১১ এপ্রিল ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২২
  14. Manaaki Rangatahi (২২ জুন ২০২২)। "Oranga Tamariki Oversight Bill Risks Weakening Accountability And Oversight Of Oranga Tamariki"Scoop। ২ জুলাই ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত
  15. "Oversight of Oranga Tamariki System and Children and Young People's Commission Bill — Second Reading (continued)"New Zealand Parliament। ২৭ জুলাই ২০২২। ১২ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২২
  16. 1 2 Palmer, Russell (২৪ আগস্ট ২০২২)। "Labour passes Oranga Tamariki reforms despite opposition from other parties"Radio New Zealand। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২
  17. Witton, Bridie (২৪ আগস্ট ২০২২)। "Oranga Tamariki oversight bill passes third reading"Stuff। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২
  18. Sepuloni, Carmel (২৪ আগস্ট ২০২২)। "Government strengthens oversight for children in state care"Beehive.govt.nzNew Zealand Government। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২
  19. "Government strengthens advocacy for all children with new Commission"Beehive.govt.nzNew Zealand Government। ১ জুলাই ২০২৩। ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০২৪
  20. "Children's Commissioner no more as new oversight Children and Young People's Commission launches"The New Zealand Herald। ১ জুলাই ২০২৩। ৫ আগস্ট ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০২৪
  21. 1 2 3 "About the Commissioner"। Office of the Children's Commissioner। ২০১১। ১২ নভেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১১
  22. 1 2 "Dr Cindy Kiro appointed Commissioner for Children"beehive.govt.nzNew Zealand Government। ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১১
  23. "McClay stands up for creche children again"Scoop। ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১১McClay stands up for creche children again
  24. "Associate Professor Cindy Kiro"Massey University। ২০১১। ২১ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১১Associate Professor Cindy Kiro
  25. Sharpe, Marty (২৫ মে ২০১১)। "Suffer the little children no more"। Marlborough Express। পৃ. ১৩।
  26. Kirk, Stacey (৩ মে ২০১৬)। "NZ's Principal Youth Court Judge Andrew Becroft will be next Children's Commissioner"Stuff। ১১ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২১
  27. "Judge Andrew Becroft, Children's Commissioner"। Office of the Children's Commissioner। ২২ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১৯
  28. "New Children's Commissioner Judge Frances Eivers welcomed into role"Radio New Zealand (নিউজিল্যান্ডীয় ইংরেজি ভাষায়)। ১ নভেম্বর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ৩ নভেম্বর ২০২১
  29. "Statement on the Appointment of Judge Frances Eivers As The Next Childrens Commissioner"Scoop। ৮ অক্টোবর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ৩ নভেম্বর ২০২১

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]

দাপ্তরিক ওয়েবসাইট