চিনেমা পারাদিজো

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
চিনেমা পারাদিজো
চিনেমা পারাদিজো পোস্টার.jpg
মূল মুক্তির পোস্টার
পরিচালকজুসেপ্পে তোর্নাতোরে
প্রযোজক
রচয়িতাজুসেপ্পে তোর্নাতোরে
শ্রেষ্ঠাংশে
সুরকার
চিত্রগ্রাহকব্লাস্কো গিউরাতো
সম্পাদকমারিও মোররা
প্রযোজনা
কোম্পানি
পরিবেশকমিরাম্যাক্স (যুক্তরাষ্ট্র)
আমব্রেলা এন্টারটেইনমেন্ট
মুক্তি
  • ১৭ নভেম্বর ১৯৮৮ (1988-11-17)
দৈর্ঘ্য১৫৫ মিনিট
১৭৩ মিনিট (director's cut)
১২৪ মিনিট (international cut)
দেশইতালি
ভাষাইতালীয়
ইংরেজি
পর্তুগিজ
সিসিলীয়
নির্মাণব্যয়US$৫ মিলিয়ন[১]
আয়$১২,৩৯৭,২১০ (শুধু যুক্তরাষ্ট্র)[২]

চিনেমা পারাদিজো ১৯৮৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি ইতালীয় চলচ্চিত্র। জুসেপ্পে তোর্নাতোরে ছবিটির পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার। প্রোত্তি পরিবারের গল্প অবলম্বনে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে। পরিবারটি ইতালির মান্তুয়া শহরে ১৯০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি রঙ্গমঞ্চের মালিক।[৩]জাক পেরাঁ, ফিলিপ নোয়ারে, লিওপোলদো ত্রিয়েস্তে, মার্কো লিওনার্দি, অ্যাগনেজ নানোসালভাতোরে কাসচিও উক্ত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ফ্রাঙ্কো ক্রিস্তালদিজিওভান্নো রোমানো ছবিটি পরিচালনা করেছেন। এন্নিও মোরিকোনে ও তার ছেলে আন্দ্রিয়া মোরিকোনে এর আবহসংগীত রচনা করেছেন। ৬২তম একাডেমি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সেরা বিদেশি চলচ্চিত্র ক্যাটাগরিতে এটি অস্কার লাভ করে।

কাহিনীসংক্ষেপ[সম্পাদনা]

১৯৮৮ সালের রোমে বিখ্যাত চিত্র পরিচালক সালভাতোরে দি ভিতা এক সন্ধ্যায় রাতে বাড়িতে দেরি করে ফিরেন। তার বান্ধবী নিদ্রালু অবস্থায় বলে, সালভাতোরের মা ফোন করে জানিয়েছিল- আলফ্রেদো নামে কেউ একজন মারা গেছে। সালভাতোরে সিসিলিতে অবস্থিত তার জন্মভূমি গিয়ানকালদো গ্রামে ত্রিশ বছর ধরে যায়নি। বান্ধবী যখন জিজ্ঞাসা করে আলফ্রেদো কে, সালভাতোরে তার শৈশবে ফিরে যায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কয়েক বছর পরের কথা। আট বছর বয়সী সালভাতোরে দুষ্টুমি করে বেড়ায়। তার পিতা যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করেন। সালভাতোরের ডাকনাম "তোতো।" চলচ্চিত্রের প্রতি সে অসাধারণ ভালোবাসা অনুভব করে। চলচ্চিত্র প্রেক্ষাগৃহ চিনেমা পারাদিজোতে সে অবসর সময় কাটায়। শুরুতে প্রেক্ষাগৃহের মধ্যবয়সী কর্মী আলফ্রেদোর সঙ্গে তার বিবাদ উপস্থিত হলেও একসময় তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রক্ষেপণ বুথে বসে সালভাতোরে ছবি দেখতে সক্ষম হয়। চলচ্চিত্রের প্রণয়ধর্মী দৃশ্যগুলো যখন স্থানীয় পুরোহিতের নির্দেশে ছেঁটে ফেলে দেওয়া হয়, তখন দর্শকরা ধুয়ো দিতে শুরু করে।

চলচ্চিত্র প্রক্ষেপক কিভাবে চালাতে হয়, সেটি আলফ্রেদো সালভাতোরেকে শিখিয়ে দেয়। একদিন নিকটস্থ একটি বাড়ির দেয়ালে আলফ্রেদো দি ফায়ারম্যান অব ভিগু চলচ্চিত্র প্রক্ষেপণ করার সময় আগুন ধরে যায়। সালভাতোরে আলফ্রেদোর প্রাণ বাঁচায়, কিন্তু ততক্ষণে নাইট্রেট ফিল্ম বিস্ফোরিত হয়ে আলফ্রেদোর মুখে আগুন ধরে যায়। চিনেমা পারাদিজোও সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়, আলফ্রেদোও অন্ধ হয়ে যায়। সিচ্চিও নামে শহরের এক বাসিন্দা ফুটবলের লটারি জিতে যে অর্থ আয় করে, সেটি সে সিনেমা হল পুনর্নির্মাণে ব্যবহার করে। সালভাতোরে শিশু হলেও সে ছাড়া আর কেউ এখন সিনেমা প্রক্ষেপক চালাতে পারবে না।

দশ বছর পরের কথা। সালভাতোরে এখন উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্র। সে এখনো সিনেমা হলে প্রক্ষেপক চালায়। আলফ্রেদোর সাথে তার সম্পর্কও প্রগাঢ় হয়ে ওঠে।

অভিনয়ে[সম্পাদনা]

  • ফিলিপ নোয়ারে - আলফ্রেদো
  • সালভাতোরে কাসচিও-সালভাতোরে দি ভিতা (শিশু)
  • মার্কো লিওনার্দি- সালভাতোরে দি ভিতা (কিশোর)
  • জাক পেরাঁ - সালভাতোরে দি ভিতা (যুবক)
  • অ্যাগনেজ নানো-এলেনা মন্দেলা

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Vancheri, Barabara (মার্চ ২৬, ১৯৯০)। "Foreign-movie nominees discuss money, muses"Pittsburgh Post-Gazette। পৃষ্ঠা 10। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ৭, ২০১২ 
  2. "Cinema Paradiso (1990) - Box Office Mojo" 
  3. "Tornatore alla festa della famiglia Protti per i suoi 115 anni di cinema"Gazzetta di Mantova - Gelocal। 14 জানু, 2019।  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]