চিকমাগালুর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চিকমাগালুর
শহর
চিকমাগালুর কর্ণাটক-এ অবস্থিত
চিকমাগালুর
চিকমাগালুর
কর্ণাটক, ভারতে অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ১৩°১৯′ উত্তর ৭৫°৪৭′ পূর্ব / ১৩.৩২° উত্তর ৭৫.৭৮° পূর্ব / 13.32; 75.78স্থানাঙ্ক: ১৩°১৯′ উত্তর ৭৫°৪৭′ পূর্ব / ১৩.৩২° উত্তর ৭৫.৭৮° পূর্ব / 13.32; 75.78
দেশ ভারত
রাজ্যকর্ণাটক
জেলাচিকমাগালুর
উচ্চতা১০৩৭ মিটার (৩৪০২ ফুট)
জনসংখ্যা (২০০১)
 • মোট১,০১,০২২
ভাষা
 • অফিসিয়ালকন্নড়
সময় অঞ্চলআইএসটি (ইউটিসি+৫:৩০)
[সম্পাদনা]

চিকমাগালুর (ইংরেজি: Chikmagalur) ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের চিকমাগালুর জেলার মূল  শহর থেকে কিছু দূরে অবস্থিত একটা পাহাড়ি গ্রাম।  এখানেr প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য খুব মন কাড়া।  যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ নয়।  এখানে গাড়ি ভাড়া নিয়ে যাতায়াত করতে হয় অস্থানীয় হলে।  পাহাড়ের ঢালে সূর্যাস্ত ঢালু   সবুজ  ঘাস  জমিনে মিলিয়ে গেলেই শোনা যাবে না কোনও জনপ্রাণীর শব্দ।  স্থানীয়রা নিজেদের গৃহ -সংলগ্ন স্থানে সাজিয়ে নিয়েছে বাগান।  কফি চাষ বিশেষত কফির গাছ প্রায় প্রত্যেক বাড়িতেই।  এখানে গৃহস্থরা এককথায় সম্পন্ন। ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে তুলনা করলে এদের আর্থিক স্থিতি অনেক উণ্ণতমানের। ভ্রমণ করতে করতে এরকম জায়গায় একরাত কাটানোর জন্যে প্রত্যেক বাড়িতেই রয়েছে হোম-স্টে। ।

সারাদিনের খাদ্য - পানীয় সহ দর ধরা।  শিক্ষার হার বেশি হওয়ার কারণেই হোক বা অতিথিদের আতিথ্যে দিয়ে অনুকূল বাণিজ্য করার লক্ষ্যেই হোক , এরা পর্যটকদের সঙ্গে বিনয়ের পরিচয় দেয়। তবে থাকার জন্যে এদের মূল্য তুলনায় বেশি।   চড়া দামে  এরা অতিথি দেব ভব বাসস্থানের সঙ্গে উদ্যানের পরিপাটি উদ্যোগ রেখেছে।  গৃহ পাশে ময়ূর দেখা যায়।  সারা রাত ডাক শোনা যায়।  সংলগ্ন বাস-স্ট্যান্ড থেকে আসার জন্যে সময় তিন চারটে এমন ভ্যালি পেরোতে হবে, যেখানে পাখির ডাক শোনা যায়।  মনেহবে , গরুড়ের বংশ গানের তালিম নিচ্ছে সেই রামায়ণের সময় থেকেই।  রামায়ণের বর্ণনার সঙ্গে কিছু অংশের এতো মিল রয়েছে যে , বোঝা যায় , রামায়ণের স্থান  বর্ণনা কাল্পনিক ছিল না।  খরচের কথা ভেবে মনে হয়  চিকমাগালুর গ্রাম্য সৌন্দর্য্য নিয়েই থাকুক।  ভারতের কর্ণাটক সংলগ্ন এলাকায় কফি উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি করা চলে।  এই এলাকাতেও কফি ফিল্টার না করেই পাওয়া যায়।  

এখানে রাস্তা সুগম নয়।  খুবই ভাঙাচোরা।  যাতায়াতের জন্যে আলোর ব্যবস্থাও নেই।  পথচারী নিজ নিজ আলোকে চলতে অভ্যস্ত।  আঞ্চলিক তোয়েরি ওয়াইন মেলে , যা আসলে মিষ্টি ফলের রস।  দক্ষিণ ভারতের সর্বত্রই এধরনের ওয়াইন মেলে।  যেহেতু এরা বাণিজ্যিকতায় বিশ্বাসী , তাই পরোক্ষ ভাবে অতিথি আপ্যায়ন এবং চাষ দিয়েই উপার্জন।

স্থানীয় পর্যটন বলতে অনেক দূরের দুটো ঝোড়া মানে ঝর্ণা আর একই এবড়ো খেবড়ো  রাস্তা দিয়ে ঝাকুনি খেতে খেতে ফেরা।  সবচেয়ে আকর্ষণ হল , ওই একটা ঢাল বা উপত্যকার সেই বাঁক, যেখানে পাখি সব করে রব।  ঘুরতে যাওয়ার ভালো সময় হল পুজোর সময়।  ওষুধের দোকান থাকলেও প্রয়োজনীয় ওষুধ মেলে না।  সাবধানতা, পোকা মাকড় খুব।  কামড়ে দিলে বিষ সরাতে অনেক দূরের কোন ডাক্তারখানায় যেতে হবে।  সবচেয়ে বেশি ঘুরছে মাকড়সা।   

ভৌগোলিক উপাত্ত[সম্পাদনা]

শহরটির অবস্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ হল ১৩°১৯′ উত্তর ৭৫°৪৭′ পূর্ব / ১৩.৩২° উত্তর ৭৫.৭৮° পূর্ব / 13.32; 75.78[১] সমূদ্র সমতল হতে এর গড় উচ্চতা হল ১০৩৭ মিটার (৩৪০২ ফুট)।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে চিকমাগালুর শহরের জনসংখ্যা হল ১০১,০২২ জন।[২] এর মধ্যে পুরুষ ৫১% এবং নারী ৪৯%।

এখানে সাক্ষরতার হার ৭৭%। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮০% এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৭৩%। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে চিকমাগালুর এর সাক্ষরতার হার বেশি।

এই শহরের জনসংখ্যার ১১% হল ৬ বছর বা তার কম বয়সী।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Chikmagalur"Falling Rain Genomics, Inc (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২৬, ২০০৭ 
  2. "ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২৬, ২০০৭ 
  1. গিয়ে দেখা। 2018 Octobor , family tour .