চাপড়াকোট ঢিবি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(চাপড়াকোট মাউন্ড থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চাপড়াকোট
চাপড়াকোট বৌদ্ধবিহার, লোহানীপাড়া বৌদ্ধবিহার
চাপড়াকোট ঢিবি
চাপড়াকোট ঢিবি
ধরনবৌদ্ধবিহার
অবস্থানবদরগঞ্জ, রংপুর, বাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক২৫°৩৫′৫০″ উত্তর ৮৯°০৫′০২″ পূর্ব / ২৫.৫৯৭৩৩৬° উত্তর ৮৯.০৮৩৯৮৪° পূর্ব / 25.597336; 89.083984স্থানাঙ্ক: ২৫°৩৫′৫০″ উত্তর ৮৯°০৫′০২″ পূর্ব / ২৫.৫৯৭৩৩৬° উত্তর ৮৯.০৮৩৯৮৪° পূর্ব / 25.597336; 89.083984
অঞ্চল৪৫০ X ৫০০ বর্গফুট
প্রতিষ্ঠাতাশ্রী অংশ বর্ধন
নির্মিত৯ম-১০ম শতাব্দী (আনুমানিক)
মালিকবাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর
দাপ্তরিক নাম: চাপড়াকোট ঢিবি
ধরনপ্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন
সূত্র নংBD-F-55-8
চাপড়াকোট ঢিবি বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
চাপড়াকোট ঢিবি
বাংলাদেশে চাপড়াকোটের অবস্থান

চাপড়াকোট বাংলাদেশের রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলাস্থ নবম-দশম শতাব্দীর একটি প্রাচীন কীর্তি। স্থানীয়ভাবে এটি চাপড়াকোট বৌদ্ধবিহার বা লোহানীপাড়া বৌদ্ধবিহার নামেও পরিচিত। এখানে বর্ধন উপাধিধারী একটি রাজবংশের চারজন নৃপতির সন্ধান পাওয়া যায়। এখানে উদ্ধারকুত একটি প্রাচীন শিলালিপি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সরংক্ষিত রয়েছে।[১] এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।[২][৩]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ঐতিহাসিক ভাবে প্রাপ্ত শিলালিপি অনুসারে জানা যায়,[৪] নবম-দশম শতাব্দীর[৩] দিকে শ্রীধন বর্শনের প্র পৌত্র, শ্রী পাইক বর্ধনের পৌত্র ও শ্রী বিক্রমবর্ধনের পুত্র শ্রী অংশ বর্ধন এই স্থানে একটি মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেছিলেনন।[১]

বিবরণ[সম্পাদনা]

চাপড়াকোট ঢিবি

আনুমানিক ৪৫০ X ৫০০ বর্গফুট পরিমাপের বিহারটি আকারে আয়তাকৃতির। এই ধবংসাবশেষকে কেন্দ্র করে চারিদিকে এক কিলোমিটার করে লম্বা চারটি পরিখা রয়েছে। চারদিকের পাতলা ইটের তৈরি বেষ্টনি দেয়াল রয়েছে, যা প্রায় ৭ ফুট (২.১ মি)। দেখে বোঝা যায় প্রাচীনকালে এটি একটি বৌদ্ধবিহার ছিল। এর উত্তর-দক্ষিণে দীর্ঘ আঙ্গিনা এবং টানা বারান্দা রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে বিহারের আবাসিক কক্ষ। উত্তরদিকে বিহারটির প্রবেশদ্বার।

ধবংসাবশেষে অলঙ্কৃত ইট, পোড়ামাটির চিত্রফলক, একটি শিলালিপি পাওয়া গিয়েছে। লিপিতত্ত্বের বিচারে এটি নবম-দশম শতকের বলে ধরা হয়।[৪]

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. খান, হোসেন এবং সুলতান ২০১৪, পৃ. ৪০।
  2. "চাপড়াকোট"বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০২০ 
  3. "প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তপর কর্তৃক সংরক্ষিত পুরাকৃর্তীর তালিকাসমূহ" (PDF)বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। পৃষ্ঠা ৫। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০২০ 
  4. যাকারিয়া ২০১০, পৃ. ১২৬-২৭।

উৎস[সম্পাদনা]

  • খান, শাসসুজ্জামান; হোসেন, মো. আলতাফ; সুলতান, আমিনুর রহমান, সম্পাদকগণ (২০১৪)। "জেলা পরিচিতি (ঐতিহাসিক স্থাপনা)"। বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি গ্রন্থমালা রংপুর (প্রথম সংস্করণ)। ঢাকা: [বাংলা একাডেমি]] (প্রকাশিত হয় জুন ২০১৪)। আইএসবিএন 984-07-5118-2 
  • যাকারিয়া, আবুল কালাম মোহাম্মদ (২০১০)। প্রশ্নোত্তরে বাঙলাদেশের প্রত্নকীর্তি১ম। ঢাকা: ঝিনুক প্রকাশনী। আইএসবিএন 984-7-01-120112-0 |আইএসবিএন= এর মান পরীক্ষা করুন: invalid prefix (সাহায্য) 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]