চাইল্ড রাইটস অ্যান্ড ইউ
| সংক্ষেপে | ক্রাই (সিআরওয়াই) |
|---|---|
| প্রতিষ্ঠাকাল | ১৯৭৯ |
| প্রতিষ্ঠাতা | রিপান কাপুর |
| ধরন | বেসরকারি সংস্থা |
| আলোকপাত | শিশু অধিকার |
| অবস্থান | |
| ওয়েবসাইট | www |
চাইল্ড রাইটস অ্যান্ড ইউ , যা সংক্ষেপে ক্রাই (সিআরওয়াই) নামে পরিচিত, হলো একটি ভারতীয় বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। এটি ভারতে শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে।
১৯৭৯ সালে এয়ার ইন্ডিয়ার পার্সার (বিমানবালা) রিপান কাপুর এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে ক্রাই ভারতের ১৯টি রাজ্যে ১০২টি স্থানীয় এনজিওর সাথে একযোগে কাজ করছে এবং ৪৭ লক্ষেরও বেশি শিশুর জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছে।[১]
ক্রাই ভারতের শীর্ষস্থানীয় এনজিওগুলোর মধ্যে একটি। এটি অভিভাবক, শিক্ষক, অঙ্গনওয়াড়ি (গ্রামীণ শিশু যত্ন কেন্দ্র) কর্মী, সম্প্রদায় এবং জেলা ও রাজ্য সরকারের সাথে সমন্বয় করে শিশুদের জরুরি চাহিদা পূরণে কাজ করে।[২] সংস্থাটির মূল লক্ষ্য হলো তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের আচরণ ও চর্চায় পরিবর্তন আনা এবং সরকারি নীতিমালায় প্রভাব বিস্তার করা, যাতে শিশুদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত হয়।
ক্রাই মূলত ৪টি মূল ক্ষেত্রে কাজ করে:
- শিক্ষা (বিকাশের অধিকার)
- স্বাস্থ্য ও পুষ্টি (বেঁচে থাকার অধিকার)
- নিরাপত্তা ও সুরক্ষা (সুরক্ষার অধিকার)
- শিশুদের অংশগ্রহণ (অংশগ্রহণের অধিকার)
ইতিহাস
[সম্পাদনা]১৯৭৯ সালে রিপান কাপুর 'চাইল্ড রিলিফ অ্যান্ড ইউ' নামে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন। তার উদ্দেশ্য ছিল ভারতের শিশুদের জন্য একটি সুখী শৈশব নিশ্চিত করা। রিপান চেয়েছিলেন ক্রাই এমন একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠুক যা সাধারণ নাগরিকদের এই মহৎ উদ্দেশ্যে অবদান রাখতে অনুপ্রাণিত করবে। পাশাপাশি স্থানীয় এনজিও গুলোকে অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব তৈরি করাও ছিল তার অন্যতম লক্ষ্য। ১৯৯৪ সালে রিপান কাপুর মৃত্যুবরণ করেন।[৩]
সময়ের সাথে সাথে ক্রাই নিছক ত্রাণ বিতরণকারী সংস্থা থেকে শিশু অধিকার আদায়ের প্রবক্তা হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে।[৪] সংস্থাটি জাতি, ধর্ম এবং বর্ণের বৈচিত্র্যকে শক্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং নিশ্চিত করেছে যে, এই বৈচিত্র্য যেন তাদের লক্ষ্যের পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়।[৪]
'ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স ফর দ্য ফান্ডামেন্টাল রাইট টু এডুকেশন' (এনএএফআরই) এর অংশ হিসেবে ক্রাই 'ভয়েস অফ ইন্ডিয়া' প্রচারণায় অংশগ্রহণ করে। এর মাধ্যমে সকল শিশুর জন্য বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার দাবি সম্বলিত সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই প্রচেষ্টার ফলেই ২০০৯ সালে 'বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষা অধিকার আইন' (আরটিই) প্রণীত হয়।
ক্রাই শিশু অধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামের সাথেও যুক্ত, যার মধ্যে রয়েছে 'গার্লস নট ব্রাইডস' এবং 'ন্যাশনাল অ্যাকশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন গ্রুপ ফর এন্ডিং ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট চিলড্রেন' (এনএসিজি-ইভিএসি)। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সংস্থাটি বেশ সক্রিয়।[৫]
প্রভাব
[সম্পাদনা]২০২৩-২৪ সালে ক্রাই ভারতের ২১,১৪,৩২২ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।[৬]
- ক্রাই এর প্রকল্প এলাকার ৬-১৮ বছর বয়সী ৯৪% শিশু স্কুলে যাচ্ছে।
- ৫ বছরের কম বয়সী ৯২% শিশুকে অপুষ্টির হাত থেকে রক্ষা করা হয়েছে।
- ১১-১৮ বছর বয়সী ৯৯% কিশোরীকে বাল্যবিবাহ থেকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে।
- প্রকল্প এলাকার ৮৮% শিশুকে শিশুশ্রম থেকে মুক্ত রাখা হয়েছে।
প্রচারাভিযানসমূহ
[সম্পাদনা]ক্রাই বিভিন্ন সময় জনসচেতনতামূলক প্রচারাভিযান বা ক্যাম্পেইন পরিচালনা করেছে:
- #ইয়েলোফেলো : ২০১৮ সালে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইনটি শিশুদের সুখী শৈশবের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করে।[৭] এতে মানুষকে হলুদ মোজা পরে সৃজনশীল ছবি পোস্ট করার মাধ্যমে শিশুদের প্রতি সমর্থন জানাতে উৎসাহিত করা হয়। ভারতজুড়ে প্রায় ১.৭ কোটি মানুষ এই প্রচারণায় সাড়া দিয়েছিল।[৮]
- #লার্ননটআর্ন : ২০১৮ ও ২০১৯ সালের শিশুশ্রম বিরোধী দিবসে (১২ জুন) এই প্রচারণাটি চালানো হয়। এর লক্ষ্য ছিল শিশুশ্রম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং শিশুদের কাজে পাঠানোর পরিবর্তে স্কুলে পাঠানো নিশ্চিত করা। শিশুশ্রম রোধ করা এই সংস্থার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।[৯]
- #ইটসএগার্লথিং : ২০১৯ সালের জাতীয় কন্যাশিশু দিবসে (২৪ জানুয়ারি) শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য ছিল মেয়েদের সম্পর্কে প্রচলিত গতানুগতিক ধারণা বা কুসংস্কার ভেঙে ফেলা।
- #নটইয়েট : ২০২০ সালের আন্তর্জাতিক নারী দিবসে (৮ মার্চ) বাল্যবিবাহ রোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এই ক্যাম্পেইনটি আয়োজন করা হয়।
- #পুরিপাঢ়াইদেশকিভালাই : ২০২১ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া এই জাতীয় প্রচারণাটির লক্ষ্য ছিল মেয়েদের মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করার অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব তুলে ধরা।[১০]
- #বডিশপ ইন্ডিয়া পার্টনারস উইথ ক্রাই: ২০২১ সালে সৌন্দর্য পণ্য ব্র্যান্ড 'দ্য বডি শপের' সহযোগিতায় এই ক্যাম্পেইনটি পরিচালিত হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল ঋতুস্রাব বা মাসিক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, এ সংক্রান্ত লজ্জা বা কুসংস্কার দূর করা এবং নারী ও কিশোরীদের ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে শিক্ষা প্রদান করা।[১১]
এছাড়াও ক্রাই শিশু সুরক্ষা ও শিক্ষার জন্য সরকারি বাজেট বৃদ্ধির দাবিতে প্রচার চালিয়েছে।[১২] তারা ভারতে শিশু অপুষ্টি এবং স্বাস্থ্যসেবার সুযোগের অভাবের ওপরও আলোকপাত করেছে।[১৩] ২০২১ সালে সংস্থাটি শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং কোভিড-১৯ অতিমারির সময় শিশুদের ওপর যে মানসিক আঘাত এসেছে, সেদিকেও দৃষ্টি আকর্ষণ করে।[১৪]
পুরস্কার ও স্বীকৃতি
[সম্পাদনা]ক্রাই তার কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছে:[১৫]
- মোস্ট ট্রাস্টেড এনজিও (২০১৮)
- ওয়ান অফ দ্য টপ ১০০ ননপ্রফিটস ইন দ্য ওয়ার্ল্ড (২০১৮)
- পূজা মারওয়াহা (সিইও) সোশ্যাল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত (২০১৮)
- বেস্ট মাল্টি চ্যানেল ক্যাম্পেইন ফর এ কজ ( ২০১৮)
- ইনস্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টস অফ ইন্ডিয়া সিএসআর অ্যাওয়ার্ড (২০১৪) - স্বাস্থ্য ও শিক্ষা প্রকল্পের জন্য
- সিএফবিপি জমনালাল বাজাজ অ্যাওয়ার্ড - ফেয়ার বিজনেস প্র্যাকটিসেস (২০১৪)
- কোয়ালিটি ইনিশিয়েটিভ মিশন অ্যাওয়ার্ড (২০১৩)
- সিটি ওম্যান লিডার অ্যাওয়ার্ড - পূজা মারওয়াহা (২০১২)
- ফান্ডরেইজিং ক্যাম্পেইন অ্যাওয়ার্ড (২০১১ ও ২০১২)
- লক্ষ্য অ্যাওয়ার্ড (২০০৯ ও ২০১২)
- ইন্দিরা সুপার অ্যাচিভার অ্যাওয়ার্ড (২০০৩)
- মার্কেটিং এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ফর সোশ্যাল অ্যাওয়ারনেস (২০০১)
- ভিউয়ার্স চয়েস মোস্ট ইফেক্টিভ অ্যাড অফ দ্য ইয়ার (১৯৯৬)
- সিটিজেন অফ বোম্বে অ্যাওয়ার্ড - রিপান কাপুর (১৯৯১)[১৬]
- এনজিও গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড অ্যাওয়ার্ড[১৭]
প্রকাশনা
[সম্পাদনা]ক্রাই শিশুদের সাথে প্রত্যক্ষ কাজের ওপর ভিত্তি করে চারটি বই প্রকাশ করেছে।[১৮] ২০২০ সালের জুলাই মাসে তারা মুম্বাইয়ের গ্রামীণ ও শহুরে এলাকায় শিশু সুরক্ষার গুরুতর সমস্যাগুলো সমাধানের লক্ষ্যে 'বাল সংরক্ষণ সমিতি' নামক একটি হ্যান্ডবুক প্রকাশ করে। এতে গ্রাম ও ওয়ার্ড পর্যায়ে শিশু সুরক্ষা কমিটিগুলো কীভাবে কাজ করবে, তার ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।[১৯]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "ক্রাই - চাইল্ড রাইটস অ্যান্ড ইউ: কোম্পানি প্রোফাইল" (ইংরেজি ভাষায়)। বিজনেস রাডার। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "ভারতের শীর্ষ ১০ এনজিও: যারা সমাজে পরিবর্তন আনে"। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ "রিপান কাপুরের গল্প"। দ্য হিন্দু। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮।
- 1 2 টড এল. পিটিনস্কি (১০ আগস্ট ২০০৯)। ক্রসিং দ্য ডিভাইড: ইন্টারগ্রুপ লিডারশিপ ইন এ ওয়ার্ল্ড অফ ডিফারেন্স। হার্ভার্ড বিজনেস প্রেস। পৃ. ৯২–। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪২২১-৫২৬৭-৬।
- ↑ বিজু পি. আর. (৩ নভেম্বর ২০১৬)। পলিটিক্যাল ইন্টারনেট: স্টেট অ্যান্ড পলিটিক্স ইন দ্য এজ অফ সোশ্যাল মিডিয়া। টেইলর অ্যান্ড ফ্রান্সিস। পৃ. ৯৫–। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩১৫-৩৮৯৯১-২।
- ↑ "ক্রাই ভারতে ৩০ লক্ষেরও বেশি শিশুর জীবনে প্রভাব ফেলেছে"। CRY - Give Children a Happy, Healthy and Creative Childhood। ১২ মে ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০২৪।
- ↑ "ক্রাই ইয়েলোফেলো"। টাইমস অফ ইন্ডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ "ক্রাই ইয়েলোফেলো নিবন্ধ" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। পিআর নিউজওয়ায়ার। সংগ্রহের তারিখ ১৯ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ পর্যটনের প্রেক্ষাপটে শিশু অধিকার - একটি সংকলন। ইকুয়েশনস। ২০০৮। পৃ. ৮৪–৮৮। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২২।
- ↑ "ক্রাই ও লিন্টাস লাইভ মেয়েদের মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করতে সহায়ক প্রচারণা শুরু করেছে"। এক্সচেঞ্জ ফর মিডিয়া। ৫ এপ্রিল ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০২১।
- ↑ "দ্য বডি শপ ইন্ডিয়া ঋতুস্রাব সংক্রান্ত লজ্জা দূর করতে ক্রাই-এর সাথে হাত মিলিয়েছে"। ইন্ডিয়া এডুকেশন ডায়েরি। ২ এপ্রিল ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০২১।
- ↑ "বাজেট ২০১৬: ক্রাই শিশুদের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে"। দ্য ইকোনমিক টাইমস। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২২।
- ↑ "ক্রাই শিশু অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে প্রচারণা শুরু করেছে"। দ্য ইকোনমিক টাইমস। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২২।
- ↑ "২০২০ সালে ভারতে প্রতিদিন ৩১টি শিশু আত্মহত্যা করেছে; বিশেষজ্ঞরা কোভিড-১৯-এর আঘাতকে দায়ী করছেন"। দ্য ইকোনমিক টাইমস। ৩১ অক্টোবর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২২।
- ↑ "ক্রাই-এর সংক্ষিপ্ত বিবরণ"।
- ↑ "রিপান কাপুর ১৯৭৯ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন"। স্ক্রিবড। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ "ক্রাই এনজিও গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড অ্যাওয়ার্ড জিতেছে"। ২৫ জানুয়ারি ২০১২। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ মুরলি দেশাই (১৯ জানুয়ারি ২০১৮)। ইন্ট্রোডাকশন টু রাইটস-বেসড ডাইরেক্ট প্র্যাকটিস উইথ চিলড্রেন। স্প্রিঙ্গার। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮১-১০-৪৭২৯-৯।
- ↑ "ওপেন গ্রাফ মেটা ট্যাগস: আপনার যা জানা দরকার"। গ্লোবাল প্রাইম নিউজ। ২১ জুলাই ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০২২।