চাংকি পান্ডে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চাংকি পান্ডে
Chunky pandey forest success.jpg
দ্য ফরেস্ট,২০১২ এর সফলতা লাভের উদযাপন অনুষ্ঠানে চাংকি পান্ডে।
জন্ম (1962-09-26) ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৬২ (বয়স ৫৭)
পেশাঅভিনেতা, মডেল

সুযশ 'চাংকি' পান্ডে (ইংরেজী: Suyash 'Chunky' Pandey) (জন্ম ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৬২) একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, যিনি বলিউডের অসংখ্য সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তাকে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ৮০টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করতে দেখা যায় এবং তেজাব (Tezaab) সিনেমায় সহ-অভিনেতা হিসেবে অভিনয়ের জন্য একবার পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পান। ১৯৮৭-১৯৯৪ সাল পর্যন্ত তিনি হিন্দি সিনেমায় প্রধান অভিনেতার ভূমিকায় অভিনয় করতেন কিন্তু তার অধিকাংশ সফল সিনেমায় অভিনয় করেন ১৯৮৭-১৯৯২ সাল পর্যন্ত। তিনি অনিল কাপুর, সানি দেওল এবং গোবিন্দর মত নায়কদের সাথে সহ-অভিনেতা হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত প্রধান অভিনেতা হিসেবে তার অশিকাংশ সিনেমা সফলতা লাভ করে নি, ফলে তার বলিউডে তার চাহিদা কমে যায়। চাংকি পান্ডে ১৯৯৩ সাল থেকে বাংলাদেশী চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন এবং তার অভিনীত অধিকাংশ সিনেমা বাংলাদেশে সফলতা লাভ করে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] চাংকি পান্ডে ২০০৩ সালে পুনরায় বলিউড চলচ্চিত্রে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনেতা হিসেবে ফিরে আসেন। এরপর তিনি প্রধানত হাস্যরসাত্মক সহ-অভিনেতা হিসেবে অভিনয় করেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৮৯–৯৩: অভিষেক এবং পরিচিত লাভ[সম্পাদনা]

পান্ডে ১৯৮৭ সালে বলিউড চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন, তার অভিনীত প্রথম সিনেমা হল নিলাম কোঠারীর বিপরীতে আগ হি আগ (Aag Hi Aag)। পান্ডে সকলের নজরে আসেন মুন্না’র (অনিল কাপুর) বন্ধু হিসেবে সহ-অভিনেতা হিসেবে ১৯৮৮ সালের চলচ্চিত্র তেজাব (Tezaab) সিনেমায় অভিনয়ে মাধ্যমে, যা সে বছরের বৃহৎ ব্লকবাস্টার ছিল।[১] এটা ছিল পান্ডের প্রথম বৃহৎ কাজ যার জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার সহ-অভিনেতা হিসেবে মনোনয়নলাভ করেন।

এরপর পান্ডেকে ১৯৮০র দশকের শেষদিক হতে ১৯৯০র দশকের বিভিন্ন গড় সফল সিনেমায় দেখা যায়, এর মধ্যে তার সফলতার শীর্ষ অর্জন করেন ১৯৮৭-১৯৯১ সালের চলচ্চিত্রসমূহে। তার এবং নিলামের জুটি অনেক প্রশংসা লাভ করে এবং এই জুটির পাচটি হিট চলচ্চিত্রে মধ্যে আগ হি আগ (Aag Hi Aag) (১৯৮৭), পাপ কি দুনিয়া (Paap Ki Duniya) (১৯৮৮), খাত্রোন কি খিলাড়ি (Khatron Ke Khiladi) (১৯৮৮), ঘার কি চিরাগ (Ghar Ka Chiraag) (১৯৮৯), মিট্টি অর সোনা (Mitti Aur Sona) (১৯৮৯)। কিন্তু এই জুটির ১৯৯০ সালের পরবর্তীকালে অভিনীত তিনটি চলচ্চিত্র সফল হয় নি।

প্রধান অভিনেতা হিসেবে তার অভিনীত অধিকাংশ সিনেমা বক্স অফিসে সাড়া জাগাতে পারে নি। ফলে, পান্ডে রাজেশ খান্না, গোবিন্দা, সঞ্জয় দত্ত, সানি দেউল এবং জীতেন্দ্রর মত নায়কের সাথে সহ-অভিনেতা হিসেবে অভিনয় করেন। এই ধরনের চলচ্চিত্রে মধ্যে পাপ কি দুনিয়া (Paap Ki Duniya) (১৯৮৮), খাত্রোন কি খিলাড়ি (Khatron Ke Khiladi) (১৯৮৮), জাহিরিলা (Zahreelay) (১৯৯০), রুপিয়া দাস কারো (Rupaye Dus Karod), বিশ্বমাতা (Vishwatma) (১৯৯২), লুটেরা (Lootere) (১৯৯৩) এবং আখেন্‌ (Aankhen) (১৯৯৩) উল্লেখযোগ্য।

১৯৯৩ সালে, তিনি ডেভিড ধাওয়ান পরিচালিত ব্লকবাস্টার আখেন্‌ (Aankhen) (১৯৯৩) সিনেমায় গোবিন্দার সাথে দ্বিতীয় প্রধান অভিনেতার ভূমিকায় অভিনয় করেন। আখেন্‌ ১৯৯৩ বৃহৎ বক্স-অফিস সিনেমা ছিল। দূর্ভাগ্যক্রমে, এই সিনেমার সফলতার অংশীদার হন গোবিন্দ এবং কাদের খান এবং পান্ডে এই চলচ্চিত্রে বিরাট সাফল্যের সুবিধা পান নি।

আখেন্‌ সিনেমার পরিচালক ডেভিড ধাওয়ানের সাথে চাংকি পান্ডে (সর্বডানে) এবং সহ-শিল্পী গোবিন্দ, ২০১১ সালে ববি দেওলের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে

১৯৯৪–২০০৩: ক্যারিয়ার অতিমন্দা এবং বিচ্ছেদ[সম্পাদনা]

৯০’র দশকে বিভিন্ন বলিউডে তরুন অভিনেতা যেমনঃ আমির খান, সালমান খান, রাহুল রায় এবং শাহরুখ খান এর মত নায়কদের নতুনপ্রবাহ শুরু হয়। তারা তখনকার রোমান্টিক অভিনেতার ভূমিকায় অভিনয় করতে শুরু করে এবং অন্যদিকে তখন অক্ষয় কুমার, সুনীল শেঠী, অজয় দেগবন “অ্যাকশন নায়ক ক্যারিয়ার অতিমন্দা এবং বিচ্ছেদের হিসেবে নিজেদের আত্মপ্রকাশ করে। ফলে পান্ডে তার অভিনয় জীবনে কঠিনতম পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়।

চাংকি বিভিন্ন খাতিমান নায়কদের পাশাপাশি দ্বিতীয় নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করতে করতে ক্লান্তি অনুভব করেন কিন্তু সহ-অভিনেতা হিসেবে তিনি পরিচিত লাভ করতে সক্ষম হন নি। তিনি বলেন, "I was offered hero ke bhai ka (brother of the hero) role and some shit," "I (told them), ‘Boss, not happening.’"[২] ভাল চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগের অভাবে এবং প্রযোজকদের উপযুক্ত মূল্যায়নের অভাবে, প্রধান অভিনেতা হিসেবে পান্ডের অভিনয় জীবন আস্তে আস্তে ধূসর হয়ে আসতে থাকে। এর ফলে পান্ডে বলিউড সিনেমা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বাংলাদেশী সিনেমায় অভিনয়ের দিকে ঝুকেন। তিনি বাংলায় কথা বলতে না পারার কারণে, অধিকাংশ সিনেমায় তার কন্ঠ বাংলাদেশের সিনেমায় ডাবিং করা হত। বাংলাদেশী চলচ্চিত্রে তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো হল, স্বামী কেন আসামী এবং বেশ করেছি প্রেম করেছি

২০০৩ থেকে বর্তমান: বলিউডে পুনরাগমন[সম্পাদনা]

চাংকি পান্ডে ২০০৩ সালে বলিউড চলচ্চিত্রে ফিরে আসেন কায়ামাতঃ সিটি আন্ডার থ্রেট (Qayamat: City Under Threat), এলান (Elaan), ডনঃ দ্য চেজ বিগিন্স এগেইন (Don: The Chase Begins Again) সিনেমায় সাধারণ চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে।

২০০৫ সালে, রাম গোপাল ভার্মার চলচ্চিত্র ডি – আন্ডারওয়ার্ল্ড বাদশাহ্‌ (D - Underworld Badshah) সিনেমায় আন্ডারওয়ার্ল্ডের গ্যাংস্টার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেন। পরিচালক রাম গোপাল ভার্মা তার অভিনয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং তাকে একটি ডার্ক কমেডি থ্রিলার সিনেমা দরজা বন্ধ রাখো (Darwaza Bandh Rakho) তে অভিনয়ের সু্যোগ দেন, যেখানে তিনি বংশ পরম্পরায় একজন ডাকাতের চরিত্রে অভিনয় করেন।

বর্তমানে, পান্ডে একজন প্রতিষ্ঠিত কমেডি অভিনেতা। ইন্দো-ইতালীয় চলচ্চিত্র "আখিরি পাস্তা" (Aakhiri Pasta) যেখানে তিনি একটি স্মরণীয় চরিত্রে অভিনয় করেন এবং ২০১০ সালের কমেডি হিট চলচ্চিত্র হাউজফুল (Housefull) সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি সমালোচক এবং দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করেন।

যদিও, বর্তমানে তিনি সিনেমায় একটি নির্দিষ্ট চরিত্র ভূমিকায় অভিনয় করেন, চাংকি তাকে এই কমেডি চরিত্রে অভিনয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না। তিনি বলেন, "I don't think I am restricting myself to doing only comedy. I am hoping that someone offers me something else, It requires a lot of guts for someone to cast me in something else. I am just hoping that someone sees something else in me other than comedy." [৩]

পান্ডে বিভিন্ন টেলিভিশন রিয়েলিটি অনুষ্ঠানে তারকা বিচারক এবং উদ্দীপক হিসেবে প্রতিষ্ঠালাভ করেছেন। যেমন, নৃত্য প্রতিযোগিতা যারা নাচকে দেখা (Zara Nachke Dikha), কমেডি প্রতি্যোগিতা লাফ ইন্ডিয়া লাফ (Laugh India Laugh) এবং দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান লাফটার চ্যালেঞ্জ (The Great India Laughter Challenge)।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

চাংকি ১৯৯৮ সালে ভাবনা পান্ডেকে বিয়ে করেন এবং তাদের দুই কন্যা। তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে, তিনি ২০০২ সালে বলিউড চলচ্চিত্রে ফিরে এসে ডজনখানেক সিনেমায় অভিনয় করে তার অভিনয় জীবন শেষ করবেন। সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি 'বলিউড ইলেক্ট্রিক' )Bollywood Electric) নামে একটি ব্যবসায়ের সাথে জড়িত, যা বিভিন্ন মঞ্চ অনুষ্ঠানের (stage shows) আয়োজন করে। এছাড়া তিনি এবং তার স্ত্রী ভারতের মুম্বাইয়ে একটি স্বাস্থ্যকর খাবারের দোকান পরিচালনা করেন।

চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

বছর চলচ্চিত্র চরিত্র
১৯৮৪ রকি (Rocky) 'রকি মেরা নাম' গানে বেল-রিঙ্গার ছাত্র (অতিরিক্ত)
১৯৮৭ আগ হি আগ (Aag Hi Aag) বিজয় সিং
১৯৮৮ তেজাব (Tezaab) বাবন
গুনাহোন্‌ কি ফয়সালা (Gunahon Ka Faisla) শেরু
পাপ কি দুনিয়া (Paap Ki Duniya) ইনেসপেক্টর বিজয়
খাত্রোন্‌ কি খিলাড়ি (Khatron Ke Khiladi) মহেশ অবতার
অগ্নি (Agnee) বাবলা
১৯৮৯ উস্তাদ (Ustad)
পাঁচ পাপী (Paanch Papi)
মিট্টি অর সোনা (Mitti Aur Sona০ বিজয় ভূষণ
কাসান ভার্দি কি (Kasam Vardi Ki)
ঘার কা চিরাগ (Ghar Ka Chiraag) রবি
না-ইনসাফ (Na-Insaafi) সনু
গোলা বারুদ (Gola Barood) ভিগত
ঝাখ্ম (Zakhm)
১৯৯০ জাহেরিলা (Zahreelay) রাজু ভার্মা
তাড়াপ (Tadap)
নাখাবান্দী (Nakabandi) রাজা মুন্না ডি. সিং
খিলাফ (Khilaaf) বিক্রম বীরপ্রতাপ সিং
অতিশবাজ (Atishbaaz)
আজ কি শাহেনশাহ্‌ (Aaj Ke Shahenshah)
১৯৯১ খোররাম (Kohraam)
দো মাতওয়ালে (Do Matwale) অমর
রুপিয়া দাস কারো (Rupaye Dus Karod)
জীবন দাতা (Jeevan Daata০ গুড্ডূ/সংকর
১৯৯১ পার্দা হ্যায় পার্দা (Parda Hai Parda)
নসীবওয়ালা (Naseebwaala) অমর
কসক (Kasak)
বিশ্বমাতা (Vishwatma) (পুনঃনির্মান) আকাস ভরদ্বাজ
খুলে আম (Khule-Aam) সূর্য্য
অপরাধী (Apradhi) সেলিম/রবি
১৯৯৩ আখেন্‌ (Aankhen০ রঞ্জিত (মুন্নু)
লুটেরা (Lootere) আলী
পুলিশওয়ালা (Police Wala) জিম্মি/সিবিআই অফিসার জগমোহন নাথ
আখেরী চিতাবনী (Aakhri Chetawani)
১৯৯৪ গোপালা (Gopalaa) মেজর আনন্দ /গোপাল 'গোপালা' আনন্দ
ইনসানিয়াত (Insaniyat) হরিহরণ
বলিউড (Bollywood) অশোক
তিসরা কৌন? (Teesra Kaun?) বিজয় ভার্মা
১৯৯৭ কৌন রোখেগা মুঝে (Kaun Rokega Mujhe)
ভুত বাংলা (Bhoot Bhungla) অমর
১৯৯৮ ত্রিচ্চি টোপিওয়ালে (Tirchhi Topiwale) আনন্দ
১৯৯৯ ইয়ে হ্যায় মুম্বাই মেরি জান Yeh Hai Mumbai Meri Jaan) চালি ডি’সুজা
২০০১ কাসাম (Kasam) ফুগিটিভ
২০০৩ কায়ামতাঃ সিটি আন্ডার থ্রেট (Qayamat: City Under Threat) গোপাল, বিজ্ঞানী
মুম্বাই সি আয়ি মেরি দোস্ত (Mumbai Se Aaya Mera Dost) সঞ্জয়
২০০৫ এলান (Elaan) সেলিম
ডি (D) রাঘব
স্‌সুখ (Ssukh) রাকেশ ভার্মা
২০০৬ আপনা স্বাপ্না মানি মানি (Apna Sapna Money Money) রানা জং বাহাদুর
দারওয়াজা বান্ধ রাখো (Darwaza Bandh Rakho) রঘু
ডনঃ দ্য চেজ বিগিনস এগেন (Don: The Chase Begins Again) টি.জে (বিশেষ অতিথি)
আই সি ইউ (I See You) অক্ষয় 'একে' কাপুর
২০০৭ ফুল অ্যান্ড ফাইনাল (Fool N Final) রকি
ওম শান্তি ওম (Om Shanti Om) নিজ ভূমিকায় – বিশেষ অতিথি
২০০৮ হেলো ডার্লিং (Hello Darling) রকি
২০০৯ একঃ দ্য পাওয়ার ওয়ান (Ek: The Power of One) বাল্লি
পেল্যিং চেজ (Paying Guest)
সংকট সিটি (Sankat City০ সিকান্দার খান (দ্বৈত ভূমিকা)
ড্যাড্ডি কুল (Daddy Cool) হ্যারি
শর্টকাট (Shortkut০ গুরু কাপুর
দে দানা দান (De Dana Dan) ননী চাড্ডা
২০১০ ক্লিক (Click) মানু শর্মা
হাউজফুল (Housefull) আখরী পাস্তা
২০১০ তিস মার খান (Tees Maar Khan) নিজ ভূমিকা
২০১১ রেডি (Ready) বিশেষ অতিথি
২০১১ রাস্কেল (Rascals) ভগত ভুলাভাই চৌহান (বিবিসি)
২০১০ হাউজফুল ২ (Housefull 2) আখরী পাস্তা
কেয়া সুপার কুল হ্যায় হে হাম (Kyaa Super Kool Hai Hum বাবা থ্রিজি
হাম রাহি কার কে (Hum Hai Raahi Car Ke)
২০১৩ বুলেট রাজা (Bullett Raja) লাল্লান তিওয়ারী
হিম্মতওয়ালা (Himmatwala) মাইকেন জয়কিষান
২০১৪ গ্যাং অব গোস্ট (Gang of Ghosts)

পুরস্কার এবং মনোনয়ন[সম্পাদনা]

  • ১৯৮৯: মনোনীত – ফিল্মফেয়ার সেরা সহ-অভিনেতা পুরস্কার - তেজাব (Tezaab)
  • ২০০৭: মনোনীত - ফিল্মফেয়ার কমিক চরিত্রে সেরা অভিনয় পুরস্কার - আপনা স্বাপ্না মানি মানি (Apna Sapna Money Money)
  • ২০১২: মনোনীত – জি সিনে কমিক চরিত্রে সেরা অভিনয় পুরস্কার - হাউজফুল ২ (Housefull 2)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. IANS (১৬ জুন ২০১০)। "Chunky Pandey says happy playing secosher=NDTV Movies"। 
  2. "The Second Life of Chunky Pandey"। Open The Magazine। 
  3. "Chunky Pandey doesn't want to stick to comedy"। The Times of India। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]