চরফ্যাশন উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(চর ফ্যাশন উপজেলা থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চরফ্যাশন
উপজেলা
চরফ্যাসন
চরফ্যাশন বরিশাল বিভাগ-এ অবস্থিত
চরফ্যাশন
চরফ্যাশন
চরফ্যাশন বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
চরফ্যাশন
চরফ্যাশন
বাংলাদেশে চরফ্যাশন উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°১১′৪.৯২″ উত্তর ৯০°৪৫′৪৫.০০″ পূর্ব / ২২.১৮৪৭০০০° উত্তর ৯০.৭৬২৫০০০° পূর্ব / 22.1847000; 90.7625000স্থানাঙ্ক: ২২°১১′৪.৯২″ উত্তর ৯০°৪৫′৪৫.০০″ পূর্ব / ২২.১৮৪৭০০০° উত্তর ৯০.৭৬২৫০০০° পূর্ব / 22.1847000; 90.7625000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগবরিশাল বিভাগ
জেলাভোলা জেলা
আয়তন
 • মোট১৪৪০ কিমি (৫৬০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট৪,৫৬,৪৩৭
 • জনঘনত্ব৩২০/কিমি (৮২০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৮৩৪০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
১০ ০৯ ২৫
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

চরফ্যাশন উপজেলা বাংলাদেশের ভোলা জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। এটি ভোলা জেলার সর্ববৃহৎ উপজেলা।

অবস্থান[সম্পাদনা]

উপজেলার আয়তন ১১০৬.৩ বর্গ কিলোমিটার। এই উপজেলার উত্তরে লালমোহন উপজেলা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে মেঘনা ও শাহবাজপুর চ্যানেল মনপুরা উপজেলা, পশ্চিমে তেতুলিয়া নদী এবং দশমিনা উপজেলাগলাচিপা উপজেলা। এটি ভোলা জেলার সবচেয়ে বড় উপজেলা।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৮৮৫ সাল ১৮৮৭ পর্যন্ত বাকেরগঞ্জ জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জে.এইচ ফ্যাশনের নামানুসারে নামকরণ করা হয়। বিভিন্ন জেলা থেকে দশটি শিক্ষিত পরিবার এবং দশটি উখরাইট পরিবার এনে তিনি এখানে অভিবাসন গড়ে তোলেন। আজও প্রথম গড়ে ওঠা পল্লী দুটি 'ভদ্রপাড়া' ও 'উখরাইট পাড়া' নামে পরিচিত। আমিনাবাদ ও ওসমাগঞ্জ ইউনিয়নের মাঝামাঝি স্থানে মুক্তিবাহিনীর ও পাকবাহিনীর মধ্যে এক যুদ্ধে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা হতাহত হয়। ১৯৭০ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বসে এই উপজেলার অনেক লোক মারা যায়।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

প্রশাসন থানা সৃষ্টি করে ১৯৭০ সালে এবং থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮২ সালে। এ উপজেলায় রয়েছে ১টি পৌরসভা, ২১টি ইউনিয়ন ও ১৯৮টি ওয়ার্ড। ইউনিয়ন সমূহ হল:

এখানে রয়েছে অসংখ্য দ্বীপ; এর মধ্যে চর কুকরী-মুকরী, ঢালচর, চরনিজাম, চরপাতিলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এই উপজেলায় চারটি থানা রয়েছে -

  1. চরফ্যাশন থানা,(সদর)
  2. শশীভূষণ থানা,
  3. দুলারহাট থানা,
  4. দক্ষিণ আইচা থানা।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারী অনুসারে এই উপজেলার লোকসংখ্যা ৩,৪২,০৩৮ জন; পুরুষ ৫১.৪৯%, মহিলা ৪৮.৫১%, মুসলমান ৯৫.৭৩%, হিন্দু ৪.২৫%, অন্যান্য ০.০২%।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড় হার ২৫.৪%; পুরুষ ৩০%, মহিলা ২০.৮%।

কৃষি[সম্পাদনা]

ধান, গম, সরিষা,মশুরি,তরমুজ,নারকেল সুপারি,বাদাম,মরিচ,শশা উৎপাদন হয়

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

জনগোষ্ঠীর প্রধান পেশাসমূহ কৃষি ৪১.৫১%, মৎস্য ৫.২৮%, ব্যবসা ৭.১২%, কৃষি শ্রমিক ২৫.৮৫%, অকৃষি শ্রমিক ৫.১%, চাকরি ৩.১১%, অন্যান্য ১২.০৩%। এলাকার কুটিরশিল্পের মধ্যে রয়েছে তাঁত, মাদুর তৈরির কাজ, সেলাই কাজ, স্বর্ণকার, কামার,কুমার, ওয়েল্ডিং, কাঠের কাজ ইত্যাদি। হাটবাজার ও মেলা হাটবাজার রয়েছে ৪৫টি। প্রধান রপ্তানি দ্রব্য ধান, মরিচ, ডাল, বাদাম, সুপারি, ইলিশ মাছ এবং চিংড়ি মাছ।

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  1. আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব - রাজনীতিবিদ।

শিক্ষা অনুরাগি[সম্পাদনা]

  1. অধ্যক্ষ মিয়া মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম - শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ।

বিবিধ[সম্পাদনা]

  • মসজিদ - ৭০১টি,
  • মন্দির - ৫টি,
  • সাংস্কৃতিক সংগঠন - ৪টি (শ্রাবণী খেলাঘর আসর, সেতুবন্ধন খেলাঘর আসর, দেশ থিয়েটার ও মালঞ্চ নাট্যম)।

ইসলামি সাংস্কৃতিক সংগঠন-১টি(দুলারহাট ইসলামি সাংস্কৃতিক শিল্পীগোষ্ঠী)

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে চরফ্যাশন উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ৩১ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ মার্চ ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]