চন্দ্রাবতী নদী
| চন্দ্রাবতী নদী | |
| দেশ | |
|---|---|
| অঞ্চল | রাজশাহী বিভাগ |
| জেলা | বগুড়া, পাবনা, নওগাঁ |
| উৎস | দুপচাঁচিয়া থানার গুনাহর ইউনিয়ন |
| মোহনা | আত্রাই নদী |
| - অবস্থান | রাণীনগর উপজেলা, নওগাঁ জেলা |
| দৈর্ঘ্য | ১৮.৫ কিলোমিটার (১১ মাইল) |
চন্দ্রাবতী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বগুড়া, নওগাঁ ও পাবনা জেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী। ২০২৪ সালে নদী রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বগুড়ার এই নদীকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিখোঁজ ঘোষণা করেছে। প্রায় ১৯.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ চন্দ্রাবতী নদীর অধিকাংশ প্রবাহ বগুড়া জেলায় অবস্থিত ছিল।[১][২][৩]
নদীর প্রবাহ ও গতিপথ
[সম্পাদনা]বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া থানা থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত গুনাহর ইউনিয়নের পুকুরগাছা, মেরাই ও রঘুবংশীপুর থেকে তিনটি স্রোতধারা সোজা দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের থিহালী মৌজায় মিলিত হয়ে চন্দ্রাবতী নামধারণ করে। এটি এরপরে আমসাড়া হতে অন্য একটি স্রোতধারার সঙ্গে মিলিত হয়ে মথুরাপুর হয়ে আদমদীঘি থানার নসরৎ ইউনিয়নের কন্টু মৌজা ও বগুড়া-নাটোর রেললাইন অতিক্রমপূর্বক কুন্দগ্রাম ইউনিয়নের নিমকুড়ি, বাসিকোরা হয়ে নওগাঁ জেলার রাণীনগর উপজেলার আত্রাই নদীতে পড়েছে।[৪] নদীটি বছরের বেশির ভাগ সময় সাধারণত শুষ্ক থাকতো।
২০২৪ সালে বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলার নদীর সংখ্যা নির্ধারণ এবং দখল-দূষণজনিত সমস্যা সমাধানে অনুষ্ঠিত সভায় চন্দ্রাবতী নদীর অস্তিত্ব নেই বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "বগুড়ার ঘড়িয়া ও চন্দ্রাবতী নদী কি সত্যিই 'নিখোঁজ'?"। tbsnews.net। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০২৫।
- ↑ "বগুড়ার দুই নদী 'নিখোঁজ', সন্ধান চাইলেন পাউবোর প্রকৌশলী"। somoynews.tv। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "দখল-দূষণে বিপন্ন নদ-নদী"। prothomalo.com। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন"। bogura.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০২৬।