চন্দ্রশেখর গদকড়ি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চন্দ্রশেখর গদকড়ি
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামচন্দ্রশেখর বমন গদকড়ি
জন্ম৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৮
পুনে, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু১১ জানুয়ারি, ১৯৯৮
পুনে, ভারত
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম পেস
ভূমিকাব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৬৯)
২১ জানুয়ারি ১৯৫৩ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ টেস্ট১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫ বনাম পাকিস্তান
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৬৪
রানের সংখ্যা ১২৯ ৩,০২৪
ব্যাটিং গড় ২১.৫০ ৪০.৩২
১০০/৫০ ০/১ ৭/১৪
সর্বোচ্চ রান ৫০* ১৪৫*
বল করেছে ১০২ ৩,০৭৯
উইকেট - ৪৮
বোলিং গড় - ৩১.০৪
ইনিংসে ৫ উইকেট -
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং - ৬/৩৭
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৪০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৬ জানুয়ারি ২০২০

লেফটেন্যান্ট কর্নেল চন্দ্রশেখর বমন গদকড়ি (এই শব্দ সম্পর্কেউচ্চারণ ; তামিল: சந்திரசேகர் காட்கரி; জন্ম: ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৮ - মৃত্যু: ১১ জানুয়ারি, ১৯৯৮) তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পুনে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। ভারত ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৫৩ থেকে ১৯৫৫ সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে মহারাষ্ট্র ও সার্ভিসেস দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম পেস বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন চন্দ্রশেখর গদকড়ি

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৪৭-৪৮ মৌসুম থেকে ১৯৬৪-৬৫ মৌসুম পর্যন্ত চন্দ্রশেখর গদকড়ি’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। আক্রমণধর্মী ডানহাতি ব্যাটসম্যান ও চমৎকার ফিল্ডার হিসেবে চন্দ্রশেখর গদকড়ি ভারতীয় ক্রিকেট দলে খেলাকালীন সেনা কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করায় অনেকাংশে সীমিত হয়ে আসে।

টেস্টের তুলনায় রঞ্জী ট্রফিতে বেশ ভালো করেছিলেন। চল্লিশের দশকের শেষদিক থেকে ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। সাত সেঞ্চুরি সহযোগে ৪০.৩২ গড়ে ৩,০২৪ রান তুলেছেন। তন্মধ্যে, রঞ্জী ট্রফিতেই এ গড় প্রায় ৫০ ছুঁইছুঁই করছিল।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

গদকড়ি আক্রমণধর্মী ব্যাটসম্যান হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি মিডিয়াম পেস বোলার হিসেবে যথেষ্ট সুনাম ছিল তার ও চমৎকার ফিল্ডার ছিলেন। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ছয়টিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন চন্দ্রশেখর গদকড়ি। ২১ জানুয়ারি, ১৯৫৩ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৫ তারিখে পেশাওয়ারে স্বাগতিক পাকিস্তান দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

১৯৫৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান গমন করেছিলেন। উভয় সফরেই মাঝারিমানের সফলতা পেয়েছিলেন। ১৯৫২-৫৩ মৌসুমে ভারত দলের অন্যতম সদস্যরূপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গমন করেন। এ সফরে ভারত দল তাদের সুন্দর ফিল্ডিংয়ের কারণে দর্শকদের উচ্ছসিত প্রশংসা কুড়ায়। তিনিও ফিল্ডিং করে সকলের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে উপনীত হয়েছিলেন। জর্জটাউনের বোর্দা টেস্টে অপরাজিত ৫০ রান সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে এটিই তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস হিসেবে পরিগণিত হয়েছিল। দলের সংগ্রহ এক পর্যায়ে ৬৪/৫ ছিল ও পরবর্তীতে ২৬২ রানে গুটিয়ে যায়। তবে, পরের টেস্টেই জোড়া শূন্য রানের সন্ধান পান। এছাড়াও, ১৯৫৩-৫৪ মৌসুমে এসজেওসি দলের বিপক্ষে অনানুষ্ঠানিক দুই টেস্টে অংশ নেন।

১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে পাকিস্তান গমন করেন। এ সফরেই ৬টি টেস্টে অংশ নিয়ে শফিক আহমেদের সাথে জয় কিংবা পরাজয়বরণ না করার রেকর্ডের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন।[১]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

১৯৪৯ সালে সেনাবাহিনীতে কমিশন্ডপ্রাপ্ত হন ও পরবর্তীতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদবী ধারন করেন। এরপর থেকে সার্ভিসেস দলের পক্ষে রঞ্জী ট্রফিতে খেলতে থাকেন। কিন্তু সেনাবাহিনীতে খেলায় অংশগ্রহণে বিধিনিষেধ থাকায় প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ সীমিত হয়ে পড়ে তার।

১১ জানুয়ারি, ১৯৯৮ তারিখে ৬৯ বছর বয়সে পুনে এলাকায় চন্দ্রশেখর গদকড়ি’র দেহাবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Walmsley, Keith (২০০৩)। Mosts Without in Test Cricket। Reading, England: Keith Walmsley Publishing Pty Ltd। পৃষ্ঠা 457। আইএসবিএন 0947540067 .

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]