চন্দ্রদিঘলিয়া রেলওয়ে স্টেশন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
চন্দ্র দিঘলিয়া রেলওয়ে স্টেশন
বাংলাদেশের রেলওয়ে স্টেশন
অবস্থানগোপালগঞ্জ জেলা, ঢাকা বিভাগ
 বাংলাদেশ
মালিকানাধীনবাংলাদেশ রেলওয়ে
পরিচালিতবাংলাদেশ রেলওয়ে
লাইনকালুখালী-গোবরা লাইন
প্ল্যাটফর্ম
ট্রেন পরিচালকপশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে
নির্মাণ
গঠনের ধরনমানক
পার্কিংআছে
সাইকেলের সুবিধাআছে
প্রতিবন্ধী প্রবেশাধিকারআছে
ইতিহাস
চালু২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি
অবস্থান

চন্দ্র দিঘলিয়া রেলওয়ে স্টেশন[১] বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের গোপালগঞ্জ জেলার একটি রেলওয়ে স্টেশন

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৩২ সালে রেলওয়ের রাজবাড়ীর কালুখালী থেকে গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া রুটে ট্রেন চলাচল করতো। ১৯৯৭ সালের ১৯ আগস্ট ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়। তারপর কাশিয়ানী-গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া নতুন রেললাইন প্রকল্প ২০১১ সালে পুনরুদ্ধার কাজ শুরু হয়। ২০১৩ সালের ২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কালুখালী-ভাটিয়াপাড়া রেলরুটে ৩২০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে রেলপথ কাজের উদ্বোধন করেন। পরে কাশিয়ানী থেকে গোবরা পর্যন্ত রেললাইনে ২০১৫ সালের নভেম্বরে নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার পর ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ হয় এই রেলপথের কাজ। ২ হাজার ১১০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থেকে গোবরা পর্যন্ত ৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ রেললাইনটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। মধুমতি নদীর উপর একটি রেলসেতু, চন্দ্র দিঘলিয়া সহ ৬টি রেলওয়ে স্টেশন, ৪৩টি কালভার্ট নিয়ে তৈরি এই রেলপথ[২] ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস চালুর মাধ্যমে এই রেলপথ চালু হয়।[৩][৪]

পরিষেবা[সম্পাদনা]

চন্দ্র দিঘলিয়া রেলওয়ে স্টেশন দিয়ে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস চলাচল করে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Chandra Dighalia Railway Station Map/Atlas BR/Bangladesh Zone - Railway Enquiry"indiarailinfo.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-২৪ 
  2. "২১ বছর পর গোপালগঞ্জ-কাশিয়ানী রুটে ট্রেন চলাচল শুরু"banglanews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-২৩ 
  3. "আজ চালু হচ্ছে গোপালগঞ্জ-রাজশাহী ট্রেন চলাচল"কালের কণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-২৩ 
  4. "আজ গোপালগঞ্জ-রাজশাহী ট্রেন রুট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী"Odhikar। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-২৩