চন্দ্রকান্ত পাটণকর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চন্দ্রকান্ত পাটণকর
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামচন্দ্রকান্ত ত্রিম্বক পাটণকর
জন্ম২৪ নভেম্বর, ১৯৩০
রাইগড়, মহারাষ্ট্র, ব্রিটিশ ভারত
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
ভূমিকাউইকেট-রক্ষক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ৮২)
২৮ ডিসেম্বর ১৯৫৫ বনাম নিউজিল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ২৬
রানের সংখ্যা ১৪ ৫০৩
ব্যাটিং গড় ১৪.০০ ১৫.৭১
১০০/৫০ -/- ১/-
সর্বোচ্চ রান ১৩ ১০০
বল করেছে - -
উইকেট - -
বোলিং গড় - -
ইনিংসে ৫ উইকেট - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং - -
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৩/১ ৩৭/২০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৪ জানুয়ারি ২০২০

চন্দ্রকান্ত ত্রিম্বক পাটণকর (এই শব্দ সম্পর্কেউচ্চারণ ; হিন্দি: चंद्रकांत पाटणकर; জন্ম: ২৪ নভেম্বর, ১৯৩০) তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের মহারাষ্ট্রের রাইগড় এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ভারত ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৫৫ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।[১]

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে মহারাষ্ট্র ও মুম্বই দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন চন্দ্রকান্ত পাটণকর

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৪৯-৫০ মৌসুম থেকে ১৯৬৭-৬৮ মৌসুম পর্যন্ত চন্দ্রকান্ত পাটণকরের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। নিচেরসারির কার্যকরী ব্যাটসম্যান হিসেবে সুনাম কুড়ান। দুই দশকের অধিক সময় প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেন। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ১৫.৭১ গড়ে এক সেঞ্চুরি সহযোগে ৫০৩ রান করেন। ৫৮টি ডিসমিসালের ৩৮টি কটে হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন চন্দ্রকান্ত পাটণকর। ২৮ ডিসেম্বর, ১৯৫৫ তারিখে কলকাতায় সফরকারী নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। এরপর আর তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি।

পঞ্চাশের দশকে ভারতীয় ক্রিকেট দল নির্বাচকমণ্ডলীর সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে লালা অমরনাথ তরুণ খেলোয়াড়দেরকে সাহসী করে তোলার প্রত্যয় নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় দলে অন্তর্ভূক্ত করেন। এরই ধারাবাহিকতায় চন্দ্রকান্ত পাটণকরকে বিস্ময়করভাবে নিয়মিত উইকেট-রক্ষক ও বোম্বে দলের সঙ্গী নরেন তামানে’র পরিবর্তে ভারত দলের সদস্য করা হয়।

১৯৫৫-৫৬ মৌসুমে নিউজিল্যান্ড দল ভারত গমনে আসে। এ সফরে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের চতুর্থ টেস্টে কলকাতায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন তিনি। তবে, খেলায় তেমন খারাপ করেননি। প্রথমে দলের সংগ্রহ ৮৮/৭ থাকাকালে জেএম গৌরপদের সাথে অষ্টম উইকেট জুটিতে ৩৭ রানের জুটি গড়েন। ১৩ রানে বিদেয় নেন তিনি। পরবর্তীতে উইকেটের পিছনে অবস্থান করেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান গর্ডন লেগাটবার্ট সাটক্লিফকে গ্লাভসবন্দীর মাধ্যমে বিদেয় করেন। এরপর টনি ম্যাকগিবনকে স্ট্যাম্পিং ও জ্যাক অ্যালাব্যাস্টারকে কট করেন। তবে, সিরিজের চূড়ান্ত খেলায় পুণরায় নরেন তামানে এ স্থান দখল করে নেন।[২] তাসত্ত্বেও, নরেন তামানে ও নানা জোশী’র প্রত্যাবর্তনে আর তাকে জাতীয় দলে খেলতে দেখা যায়নি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Chandrakant Patankar"। www.cricketarchive.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০১-০৮ 
  2. "Scorecard: India v New Zealand"। www.cricketarchive.com। ১৯৫৫-১২-২৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০১-০৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]