চংলং জেলা
| চংলং জেলা | |
|---|---|
| অরুণাচল প্রদেশের জেলা | |
অরুণাচল প্রদেশে চংলংয়ের অবস্থান | |
| দেশ | ভারত |
| রাজ্য | অরুণাচল প্রদেশ |
| সদরদপ্তর | চংলং |
| আয়তন | |
| • মোট | ৪,৬৬২ বর্গকিমি (১,৮০০ বর্গমাইল) |
| জনসংখ্যা (২০১১) | |
| • মোট | ১,৪৭,৯৫১[১] |
| জনতাত্ত্বিক | |
| • সাক্ষরতা | ৬১.৯%[১] |
| • লিঙ্গানুপাত | ৯১৪[১] |
| ওয়েবসাইট | দাপ্তরিক ওয়েবসাইট |

চংলং জেলা হল ভারতের অরুণাচল প্রদেশ রাজ্যের একটি জেলা। এই জেলা লোহিত জেলার দক্ষিণে ও তিরপ জেলার উত্তরে অবস্থিত। ১৯৮৭ সালের ১৪ নভেম্বর তিরপ জেলাকে দ্বিখণ্ডিত করে এই জেলা গঠিত হয়েছিল।[২] ২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে, এই জেলা অরুণাচল প্রদেশের ১৬টি জেলার মধ্যে দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল জেলা (পাপুম পারে জেলার পরেই)।[১]
ভূগোল
[সম্পাদনা]চংলং জেলার আয়তন ৪,৬৬২ বর্গকিলোমিটার (১,৮০০ বর্গমাইল),[৩] এই আয়তন ইন্দোনেশিয়ার লম্বক দ্বীপের প্রায় সমান।[৪]
চংলং জেলায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি। এই অঞ্চলে প্রচুর বন্যপ্রাণী দেখা যায়। জেলায় সমতল ও উচ্চভূমি দুইই আছে। সমতলের বেশিরভাগই দিহিং উপত্যকার অংশ। এখানে মাঝেমধ্যেই বন্যা হয়। নামদাফা জাতীয় উদ্যান এই জেলায় অবস্থিত।
অর্থনীতি
[সম্পাদনা]দিহিং শহর জেলার প্রধান মৎস্য উৎপাদন কেন্দ্র। তিনসুকিয়া, দুমদুমা, ডিগবই ও ডিব্রুগড় শহরে এখানকার মিষ্টি জলের মাছের যথেষ্ট চাহিদা আছে।
প্রশাসনিক বিভাগ
[সম্পাদনা]অরুণাচল প্রদেশ বিধানসভার ৫টি আসন এই জেলায় অবস্থিত: বরদুমসা, মিয়াও, নামপং, চংলং দক্ষিণ ও চংলং উত্তর। এগুলি সবই অরুণাচল পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রের অংশ।[৫]
চংলং জেলা চারটি মহকুমায় বিভক্ত: চংলং, মিয়াও, জয়রামপুর ও বরদুমসা।
পরিবহন
[সম্পাদনা]এই জেলার রাস্তাঘাটের অবস্থা ভাল নয়। অয়েল ইন্ডিয়া নির্মিত রাস্তাটিই এখানকার প্রধান সড়কপথ।
জনপরিসংখ্যান
[সম্পাদনা]২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে, চংলং জেলার জনসংখ্যা ১৪৭,৯৫১।[১] roughly equal to the nation of Saint Lucia.[৬] জনসংখ্যার হিসেবে এই জেলার স্থান ভারতের ৬৪০টি জেলার মধ্যে ৫৯৮তম।[১] জেলার জনঘনত্ব ৩২ জন প্রতি বর্গকিলোমিটার (৮৩ জন/বর্গমাইল)।[১] ২০০১-২০১১ দশকে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১৭.৯৬%।[১] জেলার লিঙ্গানুপাতের হার প্রতি ১০০০ জন পুরুষে ৯১৪ জন নারী।[১] জেলার সাক্ষরতার হার ৬১.৯%।[১]
তুতসা, তাংসা, নোকট, চাকমা, সিংফো ও লিসু উপজাতির মানুষেরা এই জেলার প্রধান অধিবাসী। এছাড়া কিছু তিব্বতি জাতির মানুষও বাস করেন।[৭][৮] হাজং ও বোড়ো উপজাতির মানুষও এখানে দেখা যায়।
ভাষা
[সম্পাদনা]জেলার প্রায় ৩০,০০০ মানুষ বিপন্ন সিনো-তিব্বতীয় ভাষায় কথা বলেন। এঁরা মূলত জেলার দক্ষি-পূর্বাঞ্চলে বাস করেন।[৯]
পর্যটন
[সম্পাদনা]জয়রামপুরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কবরখানা এবং ভারত-মায়ানমার সীমান্তের সীমান্তশহর নামপং ও পাংসাউ গিরিপথ জেলার প্রধান দ্রষ্টব্য স্থল। এছাড়া বরদুমসার তিয়াস ও সিংফো উপজাতির সংস্কৃতিও পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। মিয়াও শহরের কাছে নামদাফা ব্যাঘ্র প্রকল্প রয়েছে।
পাদটীকা
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 "District Census 2011"। Census2011.co.in। উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "districtcensus" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে - ↑ Law, Gwillim (২৫ সেপ্টেম্বর ২০১১)। "Districts of India"। Statoids। সংগ্রহের তারিখ ১১ অক্টোবর ২০১১।
- ↑ Srivastava, Dayawanti et al. (ed.) (২০১০)। "States and Union Territories: Arunachal Pradesh: Government"। India 2010: A Reference Annual (54th সংস্করণ)। New Delhi, India: Additional Director General, Publications Division, Ministry of Information and Broadcasting (India), Government of India। পৃ. ১১১৩। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২৩০-১৬১৭-৭। সংগ্রহের তারিখ ১১ অক্টোবর ২০১১।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ1=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Island Directory Tables: Islands by Land Area"। United Nations Environment Program। ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮। ১ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ অক্টোবর ২০১১।
Lombok 4,625km2
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|উক্তি=এর 7 নং অবস্থানে horizontal tab character রয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Assembly Constituencies allocation w.r.t District and Parliamentary Constituencies"। Chief Electoral Officer, Arunachal Pradesh website। ১৩ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০১১।
- ↑ US Directorate of Intelligence। "Country Comparison:Population"। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০১১।
Saint Lucia 161,557 July 2011 est.
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|উক্তি=এর 12 নং অবস্থানে line feed character রয়েছে (সাহায্য) - ↑ Tibetans in Miao Elect Settlement Officer ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১১ মার্চ ২০০৭ তারিখে. Tibet.net (24 October 2003).
- ↑ Religion & CultureReligion & Culture
- ↑ M. Paul Lewis, সম্পাদক (২০০৯)। "Galo: A language of India"। Ethnologue: Languages of the World (16th edition সংস্করণ)। Dallas, Texas: SIL International। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১১।
{{বিশ্বকোষ উদ্ধৃতি}}:|edition=-এ অতিরিক্ত লেখা রয়েছে (সাহায্য)
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- Official web site of Changlang District
- List of places in Changlang