বিষয়বস্তুতে চলুন

ঘূর্ণিঝড় ফেইনজাল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ঘূর্ণিঝড় ফেইনজাল
আবহাওয়ার ইতিহাস
তৈরি হয়২৫ নভেম্বর ২০২৪
Post-tropical১ ডিসেম্বর ২০২৪
বিলুপ্ত৪ ডিসেম্বর ২০২৪
Unknown-strength storm
৩-minute sustained (আইএমডি)
Highest winds৪৫
Highest gusts৫৫
Lowest pressure৯৯২ hPa (mbar); ২৯.২৯ inHg
Unknown-strength storm
1-minute sustained (SSHWS/জেটিডব্লিউসি)
Highest winds৫০
Highest gusts৬০
Lowest pressure৯৮৭ hPa (mbar); ২৯.১৫ inHg
সামগ্রিক প্রভাব
প্রাণহানি৩৭
আহত২০
ক্ষতিঅজানা
ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাদক্ষিণ ভারত, শ্রীলঙ্কা

২০২৪ উত্তর ভারত মহাসাগর ঘূর্ণিঝড় মৌসুম এর অংশ

ঘূর্ণিঝড় ফেইনজাল (ফেইনজাল) একটি মারাত্মক ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় ছিল যা দক্ষিণ ভারত ও শ্রীলঙ্কাতে উল্লেখযোগ্য বন্যা এবং ক্ষয়ক্ষতি সৃষ্টি করেছিল। ২০২৪ মৌসুমের চতুর্থ ঘূর্ণিঝড় ফেইনজাল ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা উপকূলের কাছে ১৪ নভেম্বর একটি ক্রান্তীয় লঘুচাপ থেকে উৎপন্ন হয়েছিল। এ ঘূর্ণিঝড়ে কমপক্ষে ৩৭ জনের মৃত্যু ঘটে; এর মধ্যে ২০ জন ভারতে এবং ১৭ জন শ্রীলঙ্কায় মারা যায়। এছাড়াও ২০ জন আহত হয়।

নামকরণ

[সম্পাদনা]

ঘূর্ণিঝড় ফেইনজালের নামকরণ করেছে সৌদি আরব। আরবি ফেইনজাল শব্দটির অর্থ কাপ বা পেয়ালা।[১]

আবহাওয়ার ইতিহাস

[সম্পাদনা]
স্যাফির-সিম্পসন মাপনী অনুযায়ী মানচিত্রে ঝড়টির পথ ও তীব্রতা দেখানো হয়েছে।
মানচিত্রের ব্যাখ্যা
  ক্রান্তীয় নিম্নচাপ (≤৩৮ মাইল প্রতি ঘণ্টা, ≤৬২ কিমি/ঘণ্টা)
  ক্রান্তীয় ঝড় (৩৯–৭৩ মাইল প্রতি ঘণ্টা, ৬৩–১১৮ কিমি/ঘণ্টা)
  শ্রেণী ১ (৭৪–৯৫ মাইল প্রতি ঘণ্টা, ১১৯–১৫৩ কিমি/ঘণ্টা)
  শ্রেণী ২ (৯৬–১১০ মাইল প্রতি ঘণ্টা, ১৫৪–১৭৭ কিমি/ঘণ্টা)
  শ্রেণী ৩ (১১১–১২৯ মাইল প্রতি ঘণ্টা, ১৭৮–২০৮ কিমি/ঘণ্টা)
  শ্রেণী ৪ (১৩০–১৫৬ মাইল প্রতি ঘণ্টা, ২০৯–২৫১ কিমি/ঘণ্টা)
  শ্রেণী ৫ (≥১৫৭ মাইল প্রতি ঘণ্টা, ≥২৫২ কিমি/ঘণ্টা)
  অজানা
ঝড়ের ধরন
▲ অ-ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় / ছোট নিম্নচাপ/ ক্রান্তীয় গোলযোগ / মৌসুমী নিম্নচাপ

১৪ নভেম্বর, অস্ট্রেলিয়ার বুরো অফ মেটিরোলজি সুমাত্রা, ইন্দোনেশিয়া এর পশ্চিমে একটি ট্রপিক্যাল ঘূর্ণাবর্তর সম্ভাব্য গঠন লক্ষ্য করেছিল।[২] কয়েকদিন পর ওয়েস্টারলি উইন্ড বার্স্ট এর কারণে ট্রপিক্যাল ঘূর্ণাবর্তটি গঠিত হয়।[৩] ঘূর্ণাবর্ত গঠনের পর জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টার (JTWC) এটিকে ইনভেস্ট 99B হিসেবে চিহ্নিত করে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] প্রাথমিকভাবে এটি শক্তিশালী হতে পারেনি কারণ সেখানে শক্তিশালী উইন্ড শিয়ারের উপস্থিতি ছিল।[৪]

পশ্চিমে চলতে থাকলে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর সম্ভাব্য ট্রপিক্যাল সাইক্লোজেনেসিস এর জন্য (IMD) সিস্টেমটি ট্র্যাক করা শুরু করে।[৫] এটি ২৫ নভেম্বর শক্তিশালী হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়, যখন এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে তামিলনাড়ু এবং শ্রীলঙ্কার উপকূলের দিকে এগোতে থাকে।[৬] ২৬ নভেম্বর, ০১:৩০ IST-এ, JTWC নিম্নচাপটির উপর একটি ট্রপিক্যাল সাইক্লোন ফরমেশন অ্যালার্ট জারি করে, যখন এটি উত্তর দিকে চলে, কোরামন্ডেল উপকূল এর পাশ দিয়ে। একই দিন, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের অংশে, এটি আরও শক্তিশালী হয়ে একটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়, পরে শ্রীলঙ্কার দিকে চলে যায়। এটি কোরামন্ডেল উপকূলের পাশ দিয়ে চলতে থাকে এবং ২৭ নভেম্বর এটি চেন্নাই থেকে ৪৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করে।[৭] JTWC এটি উল্লেখ করেছিল যে সিস্টেমটি অত্যন্ত অগোছালো হলেও স্থিতিশীল কনভেকশন এলাকাগুলি প্রদর্শন করছে। এটি ট্রপিক্যাল সাইক্লোজেনেসিস এর জন্য সীমিত পরিবেশে ছিল, তবে শ্রীলঙ্কার উত্তর-পূর্বে উচ্চভারী উইন্ড শিয়ার তীব্রতা বৃদ্ধিতে বাধা প্রদান করবে।[৮]। ২৮ নভেম্বর, সিস্টেমটি তার তীব্রতা বজায় রাখে এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে ৯ কিমি/ঘণ্টা গতিতে চলতে থাকে।[৯] ২৯ নভেম্বর, ১৪:৩০ IST-এ, সিস্টেমটি সংগঠিত হয়ে একটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয় এবং IMD এটি "ফেইনজাল" নামকরণ করে। তখন এটি চেন্নাই থেকে ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল এবং ১৩ কিমি/ঘণ্টা গতিতে চলছিল।[১০]

৩০ নভেম্বর, প্রভাত বেলা, ৩ মিনিটের জন্য ৮৫ কিমি/ঘণ্টা স্থায়ী বাতাসের গতিতে ফেইনজাল তার শিখর তীব্রতায় পৌঁছায়।[১১] JTWC ১ মিনিটের জন্য ৯৫ কিমি/ঘণ্টা বাতাসের গতিতে এবং ৯৮৭ hPa চাপ রেকর্ড করেছিল, যখন এটি পশ্চিমে দক্ষিণ ভারতের দিকে এগিয়ে চলছিল।[১২] ফেইনজাল স্থল যোগাযোগ এবং উইন্ড শিয়ারের কারণে কিছুটা দুর্বল হয়ে যায় এবং কিছু ঘণ্টা পর তামিলনাড়ু-পুদুচেরি উপকূলে আঘাত হানে।[১৩] ফেইনজাল ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যায় পুদুচেরি উপকূলে আঘাত হানে।[১৪] ১ ডিসেম্বর সকালে এটি শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়।

সতর্কতা ও প্রস্তুতি

[সম্পাদনা]

ভারতের পুদুচেরিসহ চেন্নাই, তিরুভাল্লুর, চেঙ্গলপট্টু, কাঞ্চিপুরম, ভিলুপুরম, কাল্লাকুরিচি এবং কুড্ডালোর জেলায় রেড অ্যালার্ট এবং রানিপেট, তিরুভান্নামালাই, ভেলোর, পেরাম্বালুর, আরিয়ালুর, তাঞ্জাভুর, তিরুভারুর, মায়িলাদুথুরাই, নাগাপট্টিনাম এবং কারাইকাল জেলায় অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়[১৫] সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা অঞ্চলসমূহে ২৯ নভেম্বর ২০২৪ স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা হয়। ঝোড়ো হাওয়ার কারণে শনিবার চেন্নাই বিমানবন্দর বন্ধ রাখা হয়[১৬][১৭] সরকারি কর্মী এবং তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার কর্মীদের শনিবার বাড়ি থেকে কাজ করার পরামর্শ দেয়া হয় এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে সরকারি পরিবহন স্থগিত রাখা হয়। পুদুচেরির সমুদ্রসৈকত খালি করা হয় এবং পর্যটকদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ প্রদান করা হয়।[১৮]

সাগর উত্তাল থাকার কারণে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেওয়া হয় এবং সাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়[১]।

প্রভাব ও ক্ষয়ক্ষতি

[সম্পাদনা]

তিরুবন্নামালাই জেলায় ১০ জন মারা যায়; এর মধ্যে সাতজন ভূমিধসে নিহত,[১৯] দুইজন পানিতে ডুবে এবং অপর একজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায়।[২০] চেন্নাইতে প্রায় ১৩০ মিলিমিটার (৫.১ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাতের ফলে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চারজন মারা যায়।[২১] উটি এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতে একটি বাড়ি ধসে পড়ে, এতে এক ৪৫ বছর বয়সী ব্যক্তি নিহত হয়।[২২] এছাড়াও, পন্ডিচেরিতে চারজন এবং ভেল্লোরে একজন মারা যান।[২৩] নাগাপাট্টিনম এলাকায় প্রায় ৮০০ একর কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যায়।[২৪]

ঘূর্ণিঝড়ের অবশিষ্টাংশ তামিলনাড়ুর বিভিন্ন জেলায় অতিভারী বৃষ্টিপাত ঘটায় এবং ব্যাপক বন্যা সৃষ্টি করে। কৃষ্ণগিরি জেলার উথাঙ্গারাইয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৫০ সেমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। ভিল্লুপুরম জেলার মাইলাম (৫০ সেমি), কেদার (৪২ সেমি), সুরাপাট্টু (৩৮ সেমি), মুন্ডিয়ামপাক্কম (৩২ সেমি), ভিল্লুপুরম শহর (৩৫ সেমি), কোলিয়ানুর (৩২ সেমি) এবং মারাক্কানম (২৪.০৪ সেমি) এলাকায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়। এছাড়া, ধর্মপুরি জেলার হরুরে ৩৩ সেমি এবং কাল্লাকুরিচি জেলার থিরুপালপান্ডালে ৩২ সেমি এবং মাডামপুন্ডিতে ৩১ সেমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।[২৫]

শ্রীলঙ্কা

[সম্পাদনা]

ফেইনজাল নিম্নচাপ অবস্থায় শ্রীলঙ্কা অতিক্রম করার সময় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়। প্রায় ৪,৮০,০০০ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়, ১৭ জন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়। ১০৩টি বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং ২,৬৩৫টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।[২৬]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "সাগরে ঘূর্ণিঝড় 'ফিনজাল': সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সংকেত"। Bangla Tribune। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০২৪।
  2. ↑ "Tropical cyclone 7 day forecast"। Bureau of Meteorology। ১৫ নভেম্বর ২০২৪। ১৪ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০২৪। {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |archive-date= / |archive-url= টাইমস্ট্যাম্প মেলেনি; 15 নভেম্বর 2024 প্রস্তাবিত (সাহায্য)
  3. ↑ "Tropical cyclone 7 day forecast"। Bureau of Meteorology। ২০ নভেম্বর ২০২৪। ১৯ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০২৪। {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |archive-date= / |archive-url= টাইমস্ট্যাম্প মেলেনি; 18 নভেম্বর 2024 প্রস্তাবিত (সাহায্য)
  4. ↑ Significant Tropical Weather Advisory for the Indian Ocean, 1830Z ২৩ নভেম্বর ২০২৪ Reissued 1 (প্রতিবেদন)। United States Joint Typhoon Warning Center। ২৩ নভেম্বর ২০২৪। ২৩ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০২৪।
  5. ↑ "Low pressure area over East Equatorial Indian Ocean and adjoining Southeast Bay of Bengal" (পিডিএফ)। IMD।
  6. ↑ "IMD Status BOB"। X। ২৫ নভেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২৪।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক)
  7. ↑ "Deep Depression over central parts of southwest Bay of Bengal" (পিডিএফ)। IMD।
  8. ↑ "SIGNIFICANT TROPICAL WEATHER ADVISORY FOR THE INDIAN OCEAN"। JTWC। ২৬ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২৪।
  9. ↑ "Deep Depression over southwest Bay of Bengal" (পিডিএফ)। IMD।
  10. ↑ "DEEP DEPRESSION INTENSIFIED INTO CYCLONIC STORM "FENGAL" OVER SOUTHWEST BAY OF BENGAL" (পিডিএফ)। IMD।
  11. ↑ "Cyclonic Storm "FENGAL" [pronounced as FEINJAL] over Southwest Bay of Bengal (Cyclone Warning: Red Message for North Tamil Nadu, Puducherry and adjoining south Andhra Pradesh Coasts)" (পিডিএফ)। IMD। ৩০ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
  12. ↑ Significant Tropical Weather Advisory for the Indian Ocean, 0000Z ৩০ নভেম্বর ২০২৪ Reissued 1 (প্রতিবেদন)। United States Joint Typhoon Warning Center। ৩০ নভেম্বর ২০২৪। ৩০ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২৪।
  13. ↑ "HOURLY UPDATE ON CYCLONIC STORM "FENGAL" BULLETIN NO. 03" (পিডিএফ)। India Meteorological Department। ৩০ নভেম্বর ২০২৪। ৩০ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২৪।
  14. ↑ Jha, Prabhakar (৩০ নভেম্বর ২০২৪)। "Cyclone Fengal makes landfall, brings heavy rains and gusty winds to TN & Puducherry"। ৩০ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২৪।
  15. ↑ "ঘূর্ণিঝড় ফেনজালে দক্ষিণ ভারতে সর্বোচ্চ সতর্কতা"। দেশ রূপান্তর। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২৪।
  16. ↑ প্রতিনিধি, বিশেষ (১ ডিসেম্বর ২০২৪)। "ঘূর্ণিঝড় 'ফিনজাল' তামিলনাডু উপকূলে, দেশে শীত বাড়বে"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০২৪।
  17. ↑ "ঘূর্ণিঝড় ফেনজালে বিপর্যস্ত তামিলনাড়ু, বন্ধ চেন্নাই বিমানবন্দর"। ঘূর্ণিঝড় ফেনজালে বিপর্যস্ত তামিলনাড়ু, বন্ধ চেন্নাই বিমানবন্দর (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২৪।
  18. ↑ নিউজ, সময়। "উপকূলের আরও কাছে ঘূর্ণিঝড় ফিনজাল, চেন্নাই বিমানবন্দর বন্ধ | আন্তর্জাতিক"। Somoy News। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০২৪।
  19. ↑ "7 trapped in house after landslip found dead in Tiruvannamalai"। The Hindu (ইংরেজি ভাষায়)। ২ ডিসেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৪।
  20. ↑ "Three dead as cyclone Fengal triggers rains in Tiruvannamalai"। The New Indian Express (ইংরেজি ভাষায়)। ২ ডিসেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৪।
  21. ↑ "Four electrocuted in Chennai as cyclone Fengal makes landfall"। The Times of India (ইংরেজি ভাষায়)। ১ ডিসেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০২৪।
  22. ↑ "Man dies in house collapse in Ooty"। The Hindu (ইংরেজি ভাষায়)। ২ ডিসেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৪।
  23. ↑ "Nine killed as Fengal drowns Puducherry, Villupuram"। The New Indian Express (ইংরেজি ভাষায়)। ২ ডিসেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৪।
  24. ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "mint" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  25. ↑ "Cyclone Fengal's remnant expected to weaken further, cause heavy rain in 15 districts in Tamil Nadu"। TheHindu।
  26. ↑ "ආපදා මරණ 17ක් දක්වා ඉහළට" (সিংহলি ভাষায়)। Ada Derana। ৩০ নভেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০২৪।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]