বিষয়বস্তুতে চলুন

ঘাটাইল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়

ঘাটাইল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
ঠিকানা
মানচিত্র

,
৩৯১০

স্থানাঙ্ক২৪°২৮′৫৮″ উত্তর ৮৯°৫৮′২৩″ পূর্ব / ২৪.৪৮২৭৭৪৩° উত্তর ৮৯.৯৭৩১৬৮৩° পূর্ব / 24.4827743; 89.9731683
তথ্য
প্রাক্তন নামঘাটাইল গণ পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
বিদ্যালয়ের ধরনসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়
নীতিবাক্যজ্ঞানই শক্তি
প্রতিষ্ঠাকাল১৯৩৯
অবস্থাসক্রিয়
বিদ্যালয় বোর্ডমাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা
বিদ্যালয় জেলাটাঙ্গাইল জেলা
সেশনজানুয়ারি–ডিসেম্বর
বিদ্যালয় কোড৪৭৬৪
ইআইআইএন১১৪১১৬
প্রধান শিক্ষকমোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম
কর্মকর্তা৬০
অনুষদ
  • বিজ্ঞান
  • মানবিক
  • বাণিজ্য
শিক্ষকমণ্ডলী৫০
শ্রেণি৬ষ্ঠ–১০ম শ্রেনী
লিঙ্গবালকবালিকা
বয়সসীমা১১–১৮
শিক্ষার্থী সংখ্যা২,৫০০
শিক্ষা ব্যবস্থাজাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
ভাষাবাংলা
ক্যাম্পাসঅনাবাসিক
শিক্ষায়তন০.৫ একর (২,০০০ বর্গমিটার)
ক্যাম্পাসের ধরনশহুরে
রং
  •   সাদা (White)
  •   নেভী ব্লু (Navy blue)
ক্রীড়াসকল ধরনের আউটডোর গেমস
অন্তর্ভুক্তিমাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা
ওয়েবসাইটwww.ggphs.edu.bd

ঘাটাইল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।[] সহশিক্ষা পদ্ধতিতে শিক্ষা দানকারী এই প্রতিষ্ঠানটিতে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান করা হয়।

অবস্থান

[সম্পাদনা]

এই বিদ্যালয়টি ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলায় অবস্থিত।

ল্যাবরেটরি

[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়নবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার ইত্যাদি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের গবেষণার জন্য রয়েছে ল্যাব। এসব ল্যাবে বহু মূল্যবান যন্ত্রপাতি রয়েছে। শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক বিষয়ে জ্ঞান লাভের জন্য এসব উপকরণ ব্যবহৃত হয়।

গ্রন্থাগার

[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়টিতে রয়েছে বিশাল একটি গ্রন্থাগার। এতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের নামী-দামী কয়েক হাজার বই। শিক্ষার্থীরা এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে বসে পড়তে পারে এবং তাদের পছন্দের বই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাড়ি নিয়ে যেতে পারে।

ইউনিফর্ম

[সম্পাদনা]

ছেলেদের পোশাক :

  • শার্ট   (সাদা)
  • প্যান্ট   (নেভী ব্লু)

মেয়েদের পোশাক:

  • স্কার্ট   (সাদা)
  • কামিজ   (নেভী ব্লু)
  • পায়জামা   (সাদা)
  • বেল্ট   (লাল)

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

এই বিদ্যালয়টি ১৯৩৯ সালে ব্রিটিশ সরকার দ্বারা স্থাপিত হয়েছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এই সরকারি বিদ্যালয়টির পূর্বের নাম ছিল "ঘাটাইল গণ পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়"।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] যা ২০১৮ সালে সরকারিকরণ করা হয়।[] নামকরন হয় "ঘাটাইল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়"। এখানে ছাত্র ও ছাত্রী উভয়ই পড়াশোনা করে থাকে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

ভর্তি প্রক্রিয়া

[সম্পাদনা]

লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে ৬ষ্ঠ, ৯ম শ্রেণীতে ছাত্র ভর্তি করা হয়ে থাকে। প্রায় ২৫০০ জন শিক্ষার্থী এই বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করে থাকে।

পাঠ্যক্রম

[সম্পাদনা]

জাতীয় শিক্ষাক্রমের অধীনে বাংলা মাধ্যমে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান করা হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীতে বিজ্ঞান, মানবিক, বাণিজ্য এবং কারিগরি শাখায় শিক্ষার্জনের সুযোগ রয়েছে।

পাঠদান পদ্ধতি

[সম্পাদনা]

শিক্ষার্থীদেরকে হাতে-কলমে যত্নসহকারে পাঠদান করা হয়। শিক্ষা বছর দুটি পর্বে বিভক্ত। পর্বান্তিক পরীক্ষা ছাড়াও প্রতি পর্বে দু'টি করে শ্রেণী-পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। জুনিয়র বৃত্তি ও এসএসসি পরীক্ষার জন্য সুপরিকল্পিতভাবে প্রস্ততি গ্রহণে ছাত্রদেরকে সহায়তা করা হয়। প্রতি শ্রেণীর দায়িত্বে একজন 'শ্রেণী শিক্ষক' রয়েছেন। তার মাধ্যমে ছাত্রদের পাঠোন্নতি নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ হয়।

সহ পাঠ্যক্রম ব্যবস্থা

[সম্পাদনা]

এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরকে দৈহিক ও মানসিক সুষম উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে সহ-পাঠ্যক্রম কর্মসূচির ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে আবাসিক ছাত্রদের জন্য প্রাতঃকালীন শরীর-চর্চা ও বৈকালিক খেলাধুলা বাধ্যতামূলক। ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন নিয়মিত খেলা হয়। এছাড়া আন্তঃকক্ষ খেলাধুলা ও প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা রয়েছে। ছাত্রদের মধ্যে সাংস্কৃতিক চেতনা উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে বার্ষিক সাংস্কৃতিক সপ্তাহের আয়োজন করা হয়; এতে হামদ-নাত, ক্বিরাত, বক্তৃতা, বিতর্ক, আবৃতি, অভিনয়, কৌতুক, ছড়াগান, গল্প বলা, নাট্যানুষ্ঠান, সংগীতানুষ্ঠান, চিত্রাংকন ইত্যাদি প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়। ডাক টিকেট সংগ্রহ, চিত্রাংকন, ছবি তোলা, বাগান করা, মাটির কাজ, সঙ্গীত চর্চা, স্কাউটিং, নাট্যচর্চা, বিজ্ঞান ক্লাব, ব্যাণ্ড শিক্ষা, জুনিয়র ক্যাডেট কোর প্রভৃতিম কার্যক্রমও এর আওতাভুক্ত। শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে থাকে।

বিদ্যালয়ে সহশিক্ষার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা সমূহ :

১.পাবলিক লাইব্রেরী।

২.শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব।

৩.স্কাউট ও গার্ল গাইড।

৪. বিভিন্ন প্রতিযোগিতা।

সততা স্টোর

[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নৈতিক শিক্ষার দেওয়ার জন্য অভিনব উপায় অবলম্বন করা হয় তার মধ্যে একটি হচ্ছে সততা স্টোর যেখানে ব্যবসায়ী বিহীন বিভিন্ন শিক্ষা সামগ্রী বিক্রয় করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রমে চিত্রা সামগ্রী করা হয় এবং নিজ দায়িত্বে দাম পরিশোধ করতে হয়, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আত্মসম্মানবোধ জাগ্রত হয়।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "ঘাটাইলে শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত"ঘাটাইল ডট কম | Ghatail.com | Online Newspaper। ৬ জুন ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০১৯[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. "সরকারি হলো আরও ৩৬ স্কুল"বাংলা ট্রিবিউন। ২৯ মে ২০১৮।