গ্রাহাম ম্যানো

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গ্রাহাম ম্যানো
Graham Manou batting.jpg
২০১০ সালের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে গ্রাহাম ম্যানো
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামগ্রাহাম অ্যালান ম্যানো
জন্ম (1979-04-23) ২৩ এপ্রিল ১৯৭৯ (বয়স ৪৩)
মডবারি, দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া
ডাকনামচক
উচ্চতা১.৮১ মিটার (৫ ফুট ১১ ইঞ্চি)
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
ভূমিকাউইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ২৭১)
৩০ জুলাই ২০০৯ বনাম ইংল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১৮০)
৩১ অক্টোবর ২০০৯ বনাম ভারত
শেষ ওডিআই৮ নভেম্বর ২০০৯ বনাম ভারত
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৯৯/২০০০ - ২০১০/১১সাউথ অস্ট্রেলিয়া
২০১১/১২মেলবোর্ন রেনেগেডস
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১০৩ ১১৮
রানের সংখ্যা ২১ ৪,০০৩ ১,৬১৩
ব্যাটিং গড় ২১.০০ ৭.০০ ২৫.৪৯ ২১.৭৯
১০০/৫০ ০/০ ০/০ ৬/২০ ০/৪
সর্বোচ্চ রান ১৩* ১৯০ ৬৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৩/০ ৫/০ ৩২৮/২১ ১৫২/১৬
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৫ আগস্ট ২০২০

গ্রাহাম অ্যালান ম্যানো (ইংরেজি: Graham Manou; জন্ম: ২৩ এপ্রিল, ১৯৭৯) দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার মডবারি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০০-এর দশকের শেষদিকে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে সাউথ অস্ট্রেলিয়ামেলবোর্ন রেনেগেডস দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতেন ‘চক’ ডাকনামে পরিচিত গ্রাহাম ম্যানো

শৈশবকাল[সম্পাদনা]

কিশোর ক্রিকেটার হিসেবে গ্রাহাম ম্যানু বেশ সুনাম কুড়িয়েছিলেন। ১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে মেলবোর্নের জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ উৎসব প্রতিযোগিতায় সাউথ অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কত্ব করেন ও প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড়ের সম্মাননা লাভ করেন।

যুবদের ক্রিকেটে চমকপ্রদ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করার পর ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে আন্তঃরাজ্যের খেলায় বড়দের দলে তার প্রথম অংশগ্রহণ ঘটে। অবসর নেয়া টিম নিয়েলসনের পরিবর্তে পুরা কাপ ও মার্কেন্টাইল মিউচুয়াল প্রতিযোগিতায় সাউথ অস্ট্রেলিয়া দলে গ্রাহাম ম্যানোকে স্থলাভিষিক্ত করা হয় ও সাউথ অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ উইকেট-রক্ষকে পরিণত হন। স্থিরচিত্তে ও ঝাঁপিয়ে পড়ে গ্লাভস হাতে নিয়ে দূর্দান্ত খেলা প্রদর্শন করে সকলের মন জয় করতে সক্ষম হন। সকল ধরনের বোলিংয়ের বিপক্ষেই তিনি সিদ্ধহস্তের পরিচয় দেন।

গ্লাভস হাতে নিয়ে দূর্দান্ত খেলা প্রদর্শন করলেও শুরুরদিকে ব্যাট হাতে তাকে বেশ প্রতিকূল অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে নিজস্ব প্রথম পাঁচ ইনিংসের চারটিতেই শূন্য রানে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। তন্মধ্যে, সফররত পাকিস্তানি একাদশের বিপক্ষে জোড়া শূন্য রানের সন্ধান পান।[১] এরপর থেকে তার ব্যাটিংয়ের উত্তরণ লক্ষ্য করা যায়। এ ধাক্কা সামলে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ে পরিণত হন। ২০০৩-০৪ মৌসুমে তাকে ব্যাটিং উদ্বোধনের সুযোগ দেয়া হয়। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৩০ রান তুলেন তিনি। মাত্র কয়েক মৌসুম পরই সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছেন। ২০০৭-০৮ মৌসুমে বেলেরিভ ওভালে এ সংগ্রহকে ছাপিয়ে তাসমানিয়ার বিপক্ষে পুরা কাপে ১৯০ রানে নিয়ে যান।[২][৩]

১৯৯৮ সালে কমনওয়েলথ ব্যাংক ক্রিকেট একাডেমি বৃত্তি লাভ করেন। ২২ মার্চ, ১৯৯৯ তারিখে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে গ্রাহাম ম্যানো’র। ১৯৯৮-৯৯ মৌসুমে বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত মাতাবেলেল্যান্ড আমন্ত্রিত একাদশের বিপক্ষে কমনওয়েলথ ব্যাংক ক্রিকেট একাডেমি’র সদস্যরূপে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার।[৪] একই মৌসুমে মাতাবেলেল্যান্ডের বিপক্ষে লিস্ট এ ক্রিকেটে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৯৮-৯৯ মৌসুম থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত গ্রাহাম ম্যানো’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। বেশ কয়েকবছর ঘরোয়া ক্রিকেটে বিশ্বস্ত খেলোয়াড়ের মর্যাদা লাভের পর ২০০৮-০৯ মৌসুমে উইকেট-রক্ষক গ্রাহাম ম্যানোকে জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলী মনোনীত করে। তাকে চুক্তিতে নিয়ে আসা হয়। এর কয়েক মাস পর জরুরীভিত্তিতে ভারত গমন করেন। দশ বছর রাজ্য দলের পক্ষে খেলার পর তাকে এ সুযোগ দেয়া হয়।

২০০৭-০৮ মৌসুমে শুধুমাত্র সাউথ অস্ট্রেলিয়ার পুরা কাপ দলেই ফিরে আসেননি বরঞ্চ নাথান অ্যাডকককে দূর্বলমানের খেলার কারণে একাদশ দলের বাইরে চলে যেতে হয় ও তাকে দলের অধিনায়কত্ব করতে হয়। ৩৭.২৫ গড়ে ৫৯৬ রান তুলে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন। বিস্ময়করভাবে শেন ডিটজকে পাশ কাটিয়ে পুরা কাপের দশ খেলার সবকটিতেই তার অংশগ্রহণ ছিল। এছাড়াও, আটটি একদিনের খেলায় অংশ নেন। সর্বোচ্চ করেন ৫০ রান।

পূর্বেকার মৌসুমে দলের বাইরে অবস্থান করলেও এ পর্যায়ে তিনি সহঃঅধিনায়কের দায়িত্বে থাকেন। পূর্ববর্তী গ্রীষ্মের শুরুতে দুই খেলায় মাত্র ১৬ রান তুলে বাদ পড়েছিলেন। তাসত্ত্বেও, একদিনের দলের সদস্য ছিলেন। ড্যারেন লেহম্যান আহত হলে দলকে নেতৃত্ব দিতেন। কিন্তু, ১৪.৬২ গড়ে মাত্র ১১৭ রান তুলে পুনরায় নিরাশ করেন। লেহম্যানের সহকারী হিসেবে রাখার পরপরই তার এ অপ্রত্যাশিত নিম্নমূখী ভাব লক্ষ্য করা যায়।

স্বর্ণালী সময়[সম্পাদনা]

২০০৪-০৫ মৌসুমে র‍েডব্যাকসের সহঃঅধিনায়ক হিসেবে গ্রাহাম ম্যানোকে মনোনীত করা হয়। নিয়মিত অধিনায়ক ড্যারেন লেহম্যান জাতীয় দলে যুক্ত থাকলে কিংবা আঘাতপ্রাপ্ত হলে তিনি চলতি অধিনায়কের দায়িত্বে থাকতেন। এ মৌসুমে শীর্ষ স্তরে দ্রুত উত্তরণ ঘটে। এ পর্যায়ে সম্মুখসারিতে থেকে ৪৩৩ রান সংগ্রহসহ ৩৬ ডিসমিসাল ঘটান তিনি।

২০০৫-০৬ মৌসুমে নিজস্ব সেরা খেলা উপহার দেন। পরের বছর পুরা কাপে ৪২ ডিসমিসাল ঘটিয়ে নিজস্ব সেরাকে আরও উন্নত করেন। এছাড়াও, আইএনজি কাপে আরও ২১টি ডিসমিসাল ঘটান।[২] তন্মধ্যে, ছয়টি স্ট্যাম্পিং ছিল। ঐ মৌসুমে অল্পের জন্যে নিজস্ব দ্বিতীয় প্রথম-শ্রেণীর শতরান থেকে বঞ্চিত হন। তাসমানিয়ার বিপক্ষে ৯১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। তবে, ২০০৩-০৪ মৌসুমের ন্যায় তার ব্যাটিংয়ের মান ছিল না। তাসত্ত্বেও, সীমানার পার্শ্বে আইএনজি প্রতীকে দুইবার বল ফেলে $৫০,০০০ ডলার লাভ করেন।

২০০৮-০৯ মৌসুমের শেফিল্ড শিল্ড প্রতিযোগিতায় ৪৬.২১ গড়ে ৬৪৭ রান তুলেন। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ করেন ১২৪ রান। পাশাপাশি ৩৩টি ডিসমিসাল ঘটিয়েছিলেন তিনি। ক্রিস হার্টলি, ম্যাথু ওয়েডলুক রঙ্কি’র চেয়ে এগিয়েছিলেন। এরফলে, অ্যাশেজ দলে তাকে রাখা হয়। চমৎকার মৌসুম অতিবাহনের স্বীকৃতিস্বরূপ ঐ বছরের ঘরোয়া শেফিল্ড শিল্ড প্রতিযোগিতার একদিনের ও টুয়েন্টি২০ দলে সহঃঅধিনায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়।[৫]

দুই মৌসুম পূর্বে সাউথ অস্ট্রেলিয়া দল থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়েছিল। পুনরায় দলে ফিরে আসার জন্যে তাকে যথেষ্ট পরিশ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। তবে, ২০০৯-১০ মৌসুম শেষে তাকে হাঁটুর আঘাতের ফলে বেশ প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয় ও অধিনায়কের দায়িত্বে রাখা হয়।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্ট ও চারটিমাত্র একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন গ্রাহাম ম্যানো ২০ জুলাই, ২০০৯ তারিখে বার্মংহামে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। এরপর আর তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি। অন্যদিকে, ৩১ অক্টোবর, ২০০৯ তারিখে দিল্লিতে স্বাগতিক ভারত দলের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে তার। ৮ নভেম্বর, ২০০৯ তারিখে গুয়াহাটিতে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশ নেন তিনি।

২০০৯ সালের অ্যাশেজ সিরিজ খেলার জন্যে তাকে অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এজবাস্টনে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে তার অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। প্রস্তুতিমূলক খেলায় নিয়মিত খেলোয়াড় ব্রাড হাড্ডিনের আঙ্গুলে আঘাতের কারণে তার এ সুযোগ ঘটে। ১৯৯৪ সালে ইয়ান হিলি’র বৃদ্ধাঙ্গুলে আঘাতের পর প্রথম অস্ট্রেলীয় উইকেট-রক্ষক হিসেবে টেস্ট খেলা থেকে বিরত থাকেন।[৬] পিটার সিডলের বোলিংয়ে অ্যালাস্টেয়ার কুককে কটের মাধ্যমে তিনি প্রথম ডিসমিসাল ঘটান। একই খেলায় নিজস্ব প্রথম ইনিংসে জেমস অ্যান্ডারসনের বলে মাত্র ৮ রানে বোল্ড হন তিনি।[৭]

৩১ অক্টোবর, ২০০৯ তারিখে ভারতের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে গ্রাহাম ম্যানো’র। এ পর্যায়ে তিনি টিম পেইনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন। টিম পেইনও স্থলাভিষিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে অংশ নেন ও আঙ্গুলে আঘাতের কারণে খেলায় অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হন।[৮]

অবসর[সম্পাদনা]

ঘরোয়া একদিনের ক্রিকেটে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বোচ্চ ডিসমিসাল ঘটানোর কৃতিত্ব রয়েছে তার। মার্চ, ২০১১ সালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে নিজের অবসর গ্রহণের কথা ঘোষণা করেন গ্রাহাম ম্যানু।[৯]

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত তিনি। তামসিন লুইস নামে পরিচিত অস্ট্রেলীয় অলিম্পিক দৌঁড়বিদ তামসিন ম্যানো’র সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক গড়ে তুলেন।[১০]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Scorecard: South Australia v Pakistanis at the Adelaide Oval, 12–15 November 1999"। Cricket Archive। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৮-০২ 
  2. "Graham Manou"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৮-০২ 
  3. "Scorecard: Tasmania v South Australia at the Bellerive Oval, 29 October – 1 November 2007"। Cricket Archive। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৮-০২ 
  4. "First Class Matches Played by Graham Manou"। Cricket Archive। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৮-০২ 
  5. Hogan, Jesse (১১ মার্চ ২০০৯)। "Vics Overlooked for Team-of-the-Year Honours"। The Age। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৮-০২ 
  6. "Australia dealt late Haddin blow"। cricinfo.com। ৩০ জুলাই ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৭-৩০ 
  7. Brown, Alex (৩১ জুলাই ২০০৯)। "Strauss guides dominant England"। CricInfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৮-০১ 
  8. "Manou gloves up to replace hurt Paine"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-১১-২৯ 
  9. http://www.foxsports.com.au/cricket/domestic-cricket/former-australian-wicketkeeper-and-south-australian-product-graham-manou-retires-from-first-class-cricket/story-e6frf3kl-1226020280663
  10. Athletics Australia - Season Guide 2007/08 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ তারিখে

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]