বিষয়বস্তুতে চলুন

গোলাম আম্বিয়া খান লোহানী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জি. এ. কে. লোহানী
গোলাম আম্বিয়া খান লোহানী
১৯৩৮ সালে লোহানীর এনকেভিডি দ্বারা তোলা মগশট
জন্ম(১৮৯২-১২-০২)২ ডিসেম্বর ১৮৯২
মৃত্যু১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৩৮(1938-09-17) (বয়স ৪৫)
প্রতিষ্ঠানভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি, সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি, কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক, ক্রেস্টইন্টার্ন, আন্তর্জাতিক লাল সাহায্য
আত্মীয়

গোলাম আম্বিয়া খান লোহানী (২ ডিসেম্বর ১৮৯২ – ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৩৮), যিনি জি. এ. কে. লোহানী বা লোহানী নামেও পরিচিত, ছিলেন একজন পাঠান বংশোদ্ভূত বিপ্লবী, সাংবাদিক এবং অধ্যাপক, যিনি বর্তমান বাংলাদেশের অঞ্চল থেকে ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিলেন।

১৯১৪ থেকে ১৯২৫ সালের মধ্যে লোহানী ইউরোপে বসবাস করেন, যেখানে তিনি আইন অধ্যয়ন করেন এবং পরবর্তীতে স্থানীয় শ্রম আন্দোলনভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। ১৯১৭ সালে রাশিয়ার অক্টোবর বিপ্লব দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ১৯২১ সালে কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনালের তৃতীয় বিশ্ব কংগ্রেসে অংশগ্রহণ করেন, যেখানে তাঁর লেনিনের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। ১৯২৫ সালে তিনি স্থায়িভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নে চলে যান এবং সেখানকার একজন অনুবাদক, গবেষক ও অধ্যাপক হিসেবে কাজ করতে থাকেন। তিনি দক্ষিণ এশীয় সমাজ ও বিপ্লবী কৌশল নিয়ে বহু প্রবন্ধ রচনা করেন।[]

১৯৩৮ সালে মহান আতঙ্কের সময় লোহানীকে এনকেভিডি মিথ্যা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার করে এবং পরবর্তীতে তাঁকে হত্যা করা হয়। ১৯৫৭ সালে তাঁকে মরণোত্তর পুনর্বাসিত (নির্দোষ সাব্যস্ত) করা হয়।[]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 Vasilkov, Ya. V.; Sorokina, M. Yu. (২০০৩)। Люди и судьбы. Биобиблиографический словарь востоковедов - жертв политического террора в советский период (1917-1991) [মানুষ ও ভাগ্য: সোভিয়েত যুগে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের শিকার ওরিয়েন্টালিস্টদের জীবনী-বিষয়ক অভিধান (১৯১৭–১৯৯১)] (Russian ভাষায়)। পিটার্সবার্গ ওরিয়েন্টাল স্টাডিজ। পৃ. ৪৯৬। আইএসবিএন ৫-৮৫৮০৩-২২৫-৭{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)