গোয়েন্দা রাজু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

গোয়েন্দা রাজু বাংলাদেশের সেবা প্রকাশনী হতে প্রকাশিত একটি কিশোর গোয়েন্দা কাহিনী সিরিজ। এ সিরিজের লেখক আবু সাঈদ যা রকিব হাসান-এর ছদ্মনাম।

পরিচিতি[সম্পাদনা]

গোয়েন্দা রাজু মোট সাত জন সদস্য নিয়ে একটি গোয়েন্দা দল গঠন করে, দলের নাম দেয়া হয় গোপন রহস্যভেদী দল সংক্ষেপে রদল। কিন্তু কেউ যাতে না বুঝতে পারে তাই রদল-এর পরের অক্ষরগুলো নিয়ে সাঙ্কেতিক ভাবে দলের নাম করা হয় লধশ। বইগুলো মূলতঃ এনিড ব্লাইটন ও পরবর্তীতে এভালিন ল্যামান্ড রচিত 'দি সিক্রেট সেভেন' সিরিজের ভাবানুবাদ। এনিড ব্লাইটন ১৫টি সিক্রেট সেভেন (১৯৪৯-১৯৬৩) সিরিজের বই লেখেন। এছাড়া এভালিন ল্যামান্ড (Evelyne Lallemand) ফ্রেঞ্চ ভাষায় ১২টি সিক্রেট সেভেন (১৯৭৬-১৯৮৪) সিরিজের বই লেখেন যা পরে ইংরেজিতে অনুদিত হয়।

গোয়েন্দা রাজু সিরিজের বইসমূহ[সম্পাদনা]

  1. মামার মন খারাপ - ছোট্ট ছেলে রাজু। ওর শখ- মস্তবড় গোয়েন্দা হবে, মামার মতো। পাখির বাসার নিচে এক অদ্ভুত মেসেজ কুড়িয়ে পেল রাজুর সহকারী অপু, তাতে লেখা: গভীর রাতে আলোর সঙ্কেত দেখানো হবে পোড়া বাড়ির টাওয়ার থেকে। মামাকে নিয়ে চললো ওরা গা-ছমছমে পোড়া বাড়িতে। ওখানে মাটির নিচে ঘরে নাকি মাঝে মাঝেই ভূত দেখে লোকে। রাতের অন্ধকারে নাকি ছায়ার মতো ঘুরে বেড়ায় কারা! আমরা জানি এ-সবই রাজু আর অপুর বানানো গল্প। কিন্তু সত্যিই যখন এক রাতে টাওয়ার থেকে এলো রহস্যময় আলোর সঙ্কেত, তখন? চমকে উঠল দুই বন্ধু। আরে, ব্যাপার কী?
  2. সাবাস! - পরামর্শটা মামাই দিয়েছেন: চেষ্টা করলে ভালো গোয়েন্দা হতে পারবি তুই, রাজু। একটা রহস্যভেদী দল গড়ে ফেল। সাতজন মিলে ওরা দল তো গড়লো, 'রদল' বদলে সাঙ্কেতিক নাম রাখলো 'লধশ'। কিন্তু তারপর? রহস্য পাবে কোথায়? গরমের জন্য হেড কোয়ার্টার করা হলো গাছের উপরে। কিন্তু অন্য কেউও এটা ব্যবহার করছে, কে সে? বইটি 'দি সিক্রেট সেভেন'-এর তৃতীয় গল্প 'ওয়েল ডান সিক্রেট সেভেন' এর ভাবানুবাদ।[১] বইটি পরে তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করে 'ঝড়ের বনে' নামে ভলিউম ৬২-এ যোগ করা হয়।
  3. বিরোধী দল - লধশদের দেখাদেখি অপুর বোন বাবলিও গোয়েন্দা দল খুলেছে। তাদেরকে বোকা বানাতে বাবলি গোপন মিটিং করে, যা শুনে লধশরা জিগার বার্নে যায়। কিন্তু যখন লধশেরা রেলওয়ে স্টেশনে আসে, ঘটনা বিপদজনক হয়ে উঠে। বইটি 'দি সিক্রেট সেভেন'-এর চতুর্থ গল্প 'সিক্রেট সেভেন অন দ্য ট্রেইল' এর ভাবানুবাদ। বইটি পরে তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করে 'বাবলি বাহিনী' নামে ভলিউম ৬৮-এ যোগ করা হয়।
  4. দামী কুকুর - যখন লধশরা গোপনে মানুষের পিছু নেয়া অনুশীলন করছিল, বব ধরা পড়ে যায় আর তার বাবা তাকে লধশ থেকে বের করে নেয়। এলাকায় হঠাৎ করে দামী কুকুরগুলো হারিয়ে যেতে থাকে। লধশেরা কুকুর চোরকে ধরার অভিযানে বেরিয়ে পড়ে। বইটি 'দি সিক্রেট সেভেন'-এর পঞ্চম গল্প 'গো এহেড সিক্রেট সেভেন' এর ভাবানুবাদ। বইটি পরে তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করে 'হারানো কুকুর' নামে ভলিউম ৬৭-এ যোগ করা হয়।
  5. হিপ হিপ হুররে - অন্ধকারে ভালো দেখা যায় না। রাজু মনে করলো, তার আব্বাই উঠেছেন গাড়িতে। চলতে শুরু করলো গাড়ি। একটা লাইট পোস্টের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় চমকে উঠলো রাজু। কে লোকটা? তার বাবা তো নয়। দ্বিতীয় লোকটাকেও দেখেনি সে কোনদিন। পেটের ভিতর মোচড় দিয়ে উঠলো রাজুর। ভয় পেলে এরকম অনুভূতি হয় মানুষের। ভাবলো, কারা ওরা? গাড়ি চোর? কি করবে এখন সে? বইটি 'দি সিক্রেট সেভেন'-এর ষষ্ঠ গল্প 'গুড ওয়ার্ক সিক্রেট সেভেন' এর ভাবানুবাদ।[২] বইটি পরে তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করে 'গাড়ি চোর' নামে ভলিউম ৮২-এ যোগ করা হয়।
  6. চকলেট কোম্পানী - টেলিভিশনে খবর শুনে একেবারে তাজ্জব হয়ে গেল গোয়েন্দারা। আশ্চর্য খবর। অনিতা বললো, 'আমি শুনেছি, ভিনগ্রহ থেকে আসে ইউ এফ ও। কোনোটা পিরিচের মতো, কোনোটা গরুর গাড়ির চাকার মতো...' শহরের সবাই চমকে গেছে। মাঝে মাঝেই নাকি ওখানকার আকাশে দেখা যাচ্ছে অপিরিচিত আকাশযান। তবে কি পৃথিবীর মানুষকে আক্রমণের জন্যে দল বেঁধে এসে চড়াও হয়েছে মঙ্গলগ্রহবাসীরা? তদন্ত করে দেখতে চললো রাজু গোয়েন্দার দল। এভালিন ল্যামান্ড-এর ফরাসি ভাষায় রচিত 'দি সিক্রেট সেভেন'-এর সপ্তম গল্প 'Les Sept et les soucoupes volantes' এর ইংরেজি অনুবাদ 'দি সেভেন অ্যান্ড দি ইউএফওস'-এর ভাবানুবাদ। বইটি পরে তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করে 'ইউএফও রহস্য' নামে ভলিউম ৬১-এ যোগ করা হয়।
  7. নতুন হেডকোয়ার্টার - ছাউনি মেরামতের কাজ চলছে। তাই লধশেরা বাধ্য হলো হেডকোয়ার্টার পরিবর্তনে। খুব সুন্দর একটি গোপন গুহায় হেডকোয়ার্টার বানানো হল। কিন্তু এখান থেকে হারিয়ে যাচ্ছে খাবার, বই এমনকি গদি পর্যন্ত। অন্যকেউ নিশ্চিতভাবে ব্যবহার করছে ওদের হেডকোয়ার্টার। বইটি 'দি সিক্রেট সেভেন'-এর সপ্তম গল্প 'সিক্রেট সেভেন উইন থ্রু' এর ভাবানুবাদ। বইটি পরে তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করে 'গুহা-রহস্য' নামে ভলিউম ৮৩-এ যোগ করা হয়।
  8. সার্কাস - গুলির পরপরি শোনা গেল অনেকগুলো কিঁচ কিঁচ শব্দ, মাটিতে ঝাঁপ দিয়ে পড়ল রাজু, টিপু আর রানু। পারলে মাটির ভেতরে ঢুকে যেতে চায়। আর গুলি হলো না। কিন্তু ওটা কিসের শব্দ? মাটিতে পা ঘষার মত না? নাকি ভূট্টা খেতে হাটাহাটি করছে কিছু? শোনা গেল তীক্ষ্ণ চিতকারঃ মেরেছি! মেরেছি! লাফিয়ে উঠে দাঁড়াল তিনজনে। ফোপাতে শুরু করলো রানু, 'হায়-হায়রে! মেরেই ফেললো!' বইটি পরে তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করে 'সিংহ নিরুদ্দেশ' নামে ভলিউম ৭৫-এ যোগ করা হয়। [৩]
  9. খেলনা বিমান - বিশাল নির্জন প্রাসাদের প্রতিটি ঘরে তালা। কারও ঢোকার উপায় নেই। সে জন্যই, যখন ব্যালকনি ঘরের ভেতর আলো জ্বলতে দেখা গেল, চমকে গেল রাজু। তদন্ত শুরু হতেই ঘটতে থাকলো একের পর এক রহস্যময় ঘটনা। বইটি পরে তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করে 'দুখী মানুষ' নামে ভলিউম ৬৯-এ যোগ করা হয়।
  10. সোনার মেডেল - চুরি গেছে সোনার মেডেল। দুঃখে ভেঙে পড়েছেন বেচারা বৃদ্ধ জেনারেল। দেখে সইতে পারলো না অজিত, কথা দিয়ে ফেললো: ওগুলো উদ্ধার করে দেবে সে। কি আর করা, কথা তো আর ফিরিয়ে নেয়া যায় না - কাজে নেমে পড়লো লধশ-রা...। বইটি 'দি সিক্রেট সেভেন'-এর চতুর্দশ গল্প 'লুক আউট সিক্রেট সেভেন' এর ভাবানুবাদ। বইটি পরে তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করে 'মেডেল রহস্য' নামে ভলিউম ৫৯-এ যোগ করা হয়।[৪]
  11. সুরের নেশা - লধশদের চোখের সামনে একটি বাড়ি পুড়ে গেল। তার কয়েক দিন পর, দোকান থেকে একটি বেহালা চুরি হলো। দুটি ঘটনা কি সম্পর্কযুক্ত? বইটি 'দি সিক্রেট সেভেন'-এর দশম গল্প 'পাজল ফর দ্য সিক্রেট সেভেন' এর ভাবানুবাদ। বইটি পরে তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করে 'সুরের মায়া' নামে ভলিউম ৫৮-এ যোগ করা হয়।
  12. আজব ভূত - রানু রাস্তায় হঠাৎ করে পেয়ে যায় একটা চিরকুট যাতে সংকেত লেখা ছিল। সংকেতের অর্থ উদ্ধার করতে গিয়ে বাবলিদের কাছে বারবার বোকা বনে যায় লধশেরা। বইটি পরে তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করে 'ভূতের খেলা' নামে ভলিউম ৫৭-এ যোগ করা হয়।
  13. আজব রশ্মি - 'আজব ভূত' রহস্যের সমাধানের পর পেরিয়ে গেছে বেশ কয়েক বছর। অনেক পরিবর্তন হয়েছে, ভেঙে গেছে রহস্যভেদী দল - লধশ। প্রধান কারণ, রানু আর অনিতারা চলে গেছে অন্য জায়গায়। বাবলি আর অপুরাও জায়গা বদল করেছে। তবে রাজুদের সঙ্গে দেখা হয় মাঝে মাঝে। এক ছুটিতে পাহাড়ঘেরা লেক ডিস্ট্রিক্ট-এ বেড়াতে এলো অপু, বাবলি, মিশা, রাজু আর জিমি। হঠাৎ করেই পেয়ে গেল রহস্য। জানলো, নতুন আবিষ্কৃত একটা যন্ত্র গিয়ে পড়েছে খারাপ লোকের হাতে। তাদের মধ্যে রয়েছে নিষ্ঠুর খুনী আর খেপাটে বিদেশী গুপ্তচর। ওরা মারাত্মক ক্ষতি করে দেবার আগেই হস্তক্ষেপ করলো চার গোয়েন্দা। বইটি পরে তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করে 'অদৃশ্য রশ্মি' নামে ভলিউম ৮০-এ যোগ করা হয়। [৫]
  14. জাহাজ চুরি - ডবিমুর গাঁয়ে নিতুদের বাড়িতে বেড়াতে এসেছে রাজু, মিশা আর অপু। সেখান থেকে নৌকা নিয়ে পিকনিক করতে চললো ডল আইল্যান্ডে। প্রচন্ড ঝড় উঠলো সাগরে। ভেঙে পড়তে লাগলো পাহাড়ের দেয়াল। পানিতে কালো বিশাল ছায়াটা দেখে চমকে উঠলো গোয়েন্দারা। ওটা কি? ডুবুরির পোষাক পড়ে পানিতে নামলো রাজু। তাকে পেটে নিয়ে পিছলে নেমে যেতে লাগলো ওটা। তলিয়ে যাচ্ছে গভীর পানিতে...। বইটি পরে তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করে 'হারানো জাহাজ' নামে ভলিউম ৪৮-এ যোগ করা হয়।[৬]
  15. নকশা পাচার - বইটি পরে তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করে 'খেলনা ভালুক' নামে ভলিউম ৫০-এ যোগ করা হয়।
  16. টাকের ওষুধ - 'কপাল!' অবাক হয়ে বললো নিতু। 'মানুষের কপাল ছোট করা যায় না!' 'যায় না, আমিও জানি', রাজু বললো। 'কিন্তু আজকে আমার কাছে ছোট লেগেছে।' 'এ হতেই পারে না!' 'কিন্তু হয়েছে!' নিজের কথায় অটল রইলো রাজু। 'কপালটাই প্রথমে চোখে পড়েছিল আমার। বিশাল। অনেক উপরে চুল। অথচ আজ অনেক নিচে নেমে এসেছে। যেন রাতারাতি চুল গজিয়ে ঢেকে দিয়েছে কপাল।' 'কি জানি, আমাজনের নরমুন্ডু শিকারীদের পাল্লায় পড়েছিল হয়তো।' অপু বললো, 'চামড়া আর হাড় নরম করে ছোট করে দেয়ার কায়দা জানে ওরা। তা-ই করে দিয়েছে।' আজব এক রহস্যে জড়িয়ে পড়েছে রাজু গোয়েন্দার দল। সমাধান করা তো দূরের কথা, কি যে ঘটছে সেটাই বুঝতে পারছে না। তবে হাল ছাড়লো না ওরা...। বইটি পরে তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করে 'টাক রহস্য' নামে ভলিউম ৫৫-এ যোগ করা হয়।[৭]

প্রধান চরিত্রসমূহ[সম্পাদনা]

  • রাজু - লধশের নেতা এবং গ্রুপের সবথেকে বুদ্ধিমান সদস্য। পুরো নাম আসিফ খান।'দি সিক্রেট সেভেন'-সিরিজে রাজুর প্রতিসঙ্গী চরিত্র হলো 'পিটার'।
  • মিশা - রাজুর বোন। পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা খুবই ভাল, একবার দেখেই মনে রাখতে পারে। গ্রুপের মেয়েদের মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপুর্ন চরিত্র। 'দি সিক্রেট সেভেন' সিরিজে মিশার প্রতিসঙ্গী চরিত্র হলো 'জেনেট'।
  • অপু - রাজুর সবচেয়ে কাছের বন্ধু। প্রায়ই পাসওয়ার্ড ভুলে যায়। 'দি সিক্রেট সেভেন' সিরিজে অপুর প্রতিসঙ্গী চরিত্র হলো 'জ্যাক'।
  • রানু - মিশার বান্ধবী। রানু আর অনিতা পরস্পরের খুবই কাছের বন্ধু। 'দি সিক্রেট সেভেন' সিরিজে রানুর প্রতিসঙ্গী চরিত্র হলো 'প্যাম'।
  • অনিতা - রানুর বান্ধবী। সবসময় রানু ও অনিতা একসাথে থাকতে দেখা যায়। 'দি সিক্রেট সেভেন' সিরিজে অনিতার প্রতিসঙ্গী চরিত্র হলো 'বারবারা'।
  • অজিত - রাজুর সহপাঠী। গ্রুপে সবথেকে চুপচাপ। অন্ধকারকে দারুন ভয় পায়। 'দি সিক্রেট সেভেন' সিরিজে অজিতের প্রতিসঙ্গী চরিত্র হলো 'কলিন'।
  • টিপু - রাজুর সহপাঠী, অজিতের প্রিয় বন্ধু। তার বাবা একবার তাকে লধশ থেকে বের করে নেয়। 'দি সিক্রেট সেভেন' সিরিজে টিপুর প্রতিসঙ্গী চরিত্র হলো 'জর্জ'।
  • জিমি - রাজু আর মিশার পালিত প্রশিক্ষিত কুকুর। খেতে খুব পছন্দ করে। 'দি সিক্রেট সেভেন' সিরিজে জিমির প্রতিসঙ্গী চরিত্র হলো 'স্ক্যাম্পার'।
  • বাবলি - অপুর বুদ্ধিমতী ছোট বোন। লধশের কাজে প্রায়ই বাধার সৃষ্টি করে। কোন কোন গল্পে লধশদের সাথি হিসেবে থাকে এবং তাদের সাহায্য করে। 'দি সিক্রেট সেভেন' সিরিজে বাবলির প্রতিসঙ্গী চরিত্র হলো 'সুসি'।
  • লুডু - বাবলির বান্ধবী। 'দি সিক্রেট সেভেন' সিরিজে লুডুর প্রতিসঙ্গী চরিত্র হলো 'জেফ'।
  • নিনা - অপুর খালাতো বোন।
  • আশরাফ চৌধুরী - রাজু ও মিশার বাবা। 'দি সিক্রেট সেভেন'-সিরিজে প্রতিসঙ্গী চরিত্র হলো 'জ্যাক দ্য ফার্মার'।

তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর[সম্পাদনা]

তিন গোয়েন্দায় ভাল মানের কাহিনির অভাবে এবং রকিব হাসান তিন গোয়েন্দা লেখা ছেড়ে দেওয়ায় সেবা প্রকাশনীর অন্যান্য অনেক সিরিজের মত গোয়েন্দা রাজুর সকল বই তিন গোয়েন্দায় রূপান্তর করা হয় এবং তিন গোয়েন্দা ভলিউমে যোগ করা হয়। রাজু তিন গোয়েন্দায় কিশোর, অপু তিন গোয়েন্দায় মুসা, অজিত তিন গোয়েন্দায় রবিন, টিপু তিন গোয়েন্দায় বব, মিশা তিন গোয়েন্দায় মিশা, রানু তিন গোয়েন্দায় ডলি, অনিতা তিন গোয়েন্দায় অনিতা, কুকুর জিমি তিন গোয়েন্দায় টিটু, বাবলি তিন গোয়েন্দায় বাবলি এবং লুডু তিন গোয়েন্দায় পটার চরিত্র হিসেবে স্থান পায়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]