গুয়াতেমালার স্বাধীনতা ঘোষণা আইন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মধ্য আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণা আইন
ActaIndepElSalvador.JPG
অনুমোদন১৫ সেপ্টেম্বর, ১৮২১
অবস্থানএল সালভাদোরের আইনসভা
লেখক(গণ)হোস সেসিলিও দেল ভ্যালে
স্বাক্ষরকারীগুয়াতেমালা ক্যাপ্টেন্সি জেনারেল প্রদেশের ১৩ প্রতিনিধি
উদ্দেশ্যস্পেনীয় সাম্রাজ্য থেকে পৃথকের ঘোষণা ও নবগঠিত মধ্য আমেরিকান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় করণীয়

মধ্য আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণা আইন (স্পেনীয়: Acta de Independencia de América Central) গুয়াতেমালা প্রদেশের প্রাদেশিক কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত বৈধ দলিল। গুয়াতেমালার স্বাধীনতা ঘোষণা আইন নামে পরিচিত এ দলিলে স্পেনীয় সাম্রাজ্য থেকে মধ্য আমেরিকার স্বাধীনতার দাবী উত্থাপন করা হয় ও অন্যান্য প্রদেশকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়। গুয়াতেমালা রাজতন্ত্রের কংগ্রেসে দূত প্রেরণ করে এ অঞ্চলের স্বাধীনতার রূপরেখা সম্পর্কে অবগত করা হয়েছিল। অতঃপর ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৮২১ তারিখে এটি আইনে রূপান্তরিত হয়।[১]

স্বাধীনতা আন্দোলন[সম্পাদনা]

উপদ্বীপের যুদ্ধের প্রেক্ষিতে সপ্তম ফার্দিনান্দকে স্পেনীয় সিংহাসন থেকে উৎখাত করা হয়। ফলশ্রুতিতে এল সালভাদোরনিকারাগুয়ায় বেশ কয়েকটি বিদ্রোহী কর্মকাণ্ড পরিচালিত হলে মধ্য আমেরিকায় অধিকতর রাজনৈতিক স্বায়ত্ত্বশাসন লাভ করে। ১৮১২ সালের স্পেনীয় সংবিধানের মাধ্যমে স্পেনীয় অঞ্চলসমূহে দ্রুত রাজনৈতিক উত্থান ঘটে। ১৮১০ থেকে ১৮১৪ সালের মধ্যে গুয়াতেমালা ক্যাপ্টেন্সি জেনারেল নতুন গঠিত কাদিজ কোর্তেসে সাতজন প্রতিনিধি নির্বাচন করেন ও স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে প্রাদেশিক পরিচালনা পরিষদ গঠন করেন।[২]

তবে স্বল্পকাল পরে ১৮১৪ সালে ফার্দিনান্দকে পুণরায় ক্ষমতায় আনা হলে, তিনি ১৮১২ সালে সংবিধানের পুণরুজ্জীবন ঘটান। কোর্তেস বিলুপ্ত করেন ও স্পেনীয় উপদ্বীপে উদারতাবাদ বন্ধ করে দেন।[৩] এরফলে, স্পেনীয় আমেরিকা অঞ্চলে নতুন করে অস্থিরতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ১৮২০ সালে উদারপন্থী ট্রাইয়েনিয়াম চলাকালে সংক্ষিপ্তকালের জন্য সংবিধানের কার্যক্রমের পুণঃজাগরন করা হলে মধ্য আমেরিকার প্রদেশগুলোয় নির্বাচিত কাউন্সিলের পুণরায় সূচনা ঘটে। এরফলেই সংবিধানপন্থী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব ঘটনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। ১৮২১ সালে গুয়াতেমালার প্রাদেশিক পরিষদ প্রকাশ্যে স্পেন থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতে থাকে।

চিলীয় চিত্রকর লুইস ভারগারা আহুমাদা কর্তৃক অঙ্কিত ফাদার হোস মাতিয়া দেলগাদো’র স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের দৃশ্য।

আনুষ্ঠানিক ঘোষণা[সম্পাদনা]

সেপ্টেম্বরে স্পেন থেকে স্বাধীনতার ঘোষণার বিষয়টি দলিল আকারে খসড়া লিপিবদ্ধ হয় ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ১৫ সেপ্টেম্বর পরিষদের সভায় চূড়ান্তভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন গাবিনো গাইঞ্জা[৪] ঘোষণাপত্রটি হন্ডুরীয় বুদ্ধিজীবী ও প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ হোস সেসিলিও দেল ভ্যালে লিখেন।[৫] মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন প্রদেশ থেকে হোস মাতিয়াস দেলগাদো, হোস লরেঞ্জো দে রোমানাহোস ডোমিঙ্গো ডাইগুয়েজের ন্যায় আগত প্রতিনিধিরা এতে স্বাক্ষর করেন।[১] গুয়াতেমালা সিটির জাতীয় প্রাসাদে (বর্তমানের - সেন্টেনিয়াল পার্ক) সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

২১ সেপ্টেম্বর গুয়াতেমালা পরিষদের সিদ্ধান্তটি এল সালভাদোরের স্যান সালভাদোর প্রদেশ গ্রহণ করে।[৬] এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর হন্ডুরাসের কোমায়াগুয়া প্রাদেশিক পরিষদ এবং ১১ অক্টোবর নিকারাগুয়াকোস্টারিকা তাদের সমর্থন ব্যক্ত করে। তবে, অন্যান্য প্রদেশ নতুন মধ্য আমেরিকান রাষ্ট্র গঠনে গুয়াতেমালার কর্তৃত্বকে মেনে নিতে পারেন। এরফলে নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণে অগ্রসর হয় ও ক্যাপ্টেন্সি জেনারেলের পরিবর্তে উত্তরাধিকারীর বিষয়টি অস্পষ্ট থেকে যায়।

আইনের বিষয়বস্তু[সম্পাদনা]

ঘোষণাপত্রে সূচনা, আঠারোটি ধারা ও সর্বমোট তেরোজনের স্বাক্ষর ছিল।[১]

সূচনা[সম্পাদনা]

সূচনায় উল্লেখ করা হয় যে, ক্যাপ্টেন্সি জেনারেলের নিয়ন্ত্রণাধীন অন্যান্য শহরের পৌরসভার পরামর্শক্রমে গুয়াতেমালা প্রাদেশিক পরিষদ সম্মত রয়েছেন যে, এ ঘোষণাপত্রে স্পেন থেকে স্বাধীনতা লাভের বিষয়ে সাধারণ নাগরিকের ইচ্ছার প্রতিফলন থাকতে হবে। এ ইচ্ছার বাস্তবায়নকল্পে ন্যাশনাল প্যালেসের হলরুমে পরিষদের সদস্যরা অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে একত্রিত হন। প্রাসাদের বাইরে স্বাধীনতার প্রশ্নে জনতা বেশ স্বতঃস্ফূর্ত ভূমিকা রাখে। কাউন্সিলের সদস্যরা ও ব্যক্তিগতভাবে বেশ কয়েকজন লোক একত্রি হয় নিম্নবর্ণিত ধারায় একমত পোষণ করেন।

ধারা-১[সম্পাদনা]

স্পেন সরকার থেকে স্বাধীনতার প্রশ্নে গুয়াতেমালার জনগণের সাধারণ ইচ্ছা রয়েছে। ফলশ্রুতিতে কংগ্রেস গঠন করা হয়। গুয়াতেমালার নাগরিকদেরও একই ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে।

ধারা-২[সম্পাদনা]

এ বার্তাগুলো প্রদেশগুলোর মাঝে বিতরণ করতে হবে যাতে তারা ডেপুটি বা প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করে রাজধানীতে পাঠাতে পারেন। তারা কংগ্রেসে নতুন রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীন সরকার গঠনে অগ্রসর হবেন ও এর মাধ্যমে মৌলিক আইন-কানুন মেনে চলবেন।

ধারা-৩[সম্পাদনা]

একই নির্বাচনী পরিষদের মাধ্যমে পছন্দসই ও স্বাভাবিকভাবে মনোনয়নের জন্য কংগ্রেসে মনোনীত ডেপুটিগণ পূর্বেকার স্পেনীয় কোর্তেসের মনোনীত ডেপুটি হবেন।

ধারা-৪[সম্পাদনা]

কংগ্রেসের ডেপুটিগণ প্রদেশের জনসংখ্যা অনুপাতে নির্ধারিত হবেন। প্রতি পনেরো হাজার নাগরিকের জন্য একজন ডেপুটি হবেন। আফ্রিকান বংশোদ্ভূত বসবাসরত নাগরিকগণও এতে অন্তর্ভূক্ত থাকবেন।

ধারা-৫[সম্পাদনা]

প্রাদেশিক নির্বাচনী পরিষদ সর্বশেষ আদমশুমারির ভিত্তিতে প্রদেশের ডেপুটি সংখ্যা নির্ধারণ করবেন।

ধারা-৬[সম্পাদনা]

নির্বাচিত ডেপুটিগণ পরের বছর ১ মার্চ, ১৮২২ তারিখে গুয়াতেমালা সিটিতে কংগ্রেস গঠনে জমায়েত হবেন।

ধারা-৭[সম্পাদনা]

কংগ্রেসের সভা অনুষ্ঠানের পূর্ব-পর্যন্ত চলমান কর্তৃপক্ষ ১৮১২ সালের স্পেনীয় সংবিধান অনুযায়ী আইন প্রয়োগ করতে পারবেন।

ধারা-৮[সম্পাদনা]

কংগ্রেসে সভার আয়োজনের পূর্ব-পর্যন্ত লর্ড পলিটিক্যাল চিফ গাবিনো গাইঞ্জা প্রাদেশিক পরামর্শক পরিষদকে নিয়ে রাজনৈতিক ও সামরিক সরকারের নেতৃত্ব দিবেন।

ধারা-৯[সম্পাদনা]

প্রাদেশিক পরামর্শক পরিষদ অর্থনীতি ও সরকারের সকল বিষয়ে প্রয়োজনে লর্ড পলিটিক্যাল চিফকে পরামর্শ প্রদান করবে।

ধারা-১০[সম্পাদনা]

গুয়াতেমালার ধর্মীয় বিষয়ে ক্যাথলিক চার্চ তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণে এর মন্ত্রীগণ দায়বদ্ধ থাকবেন।

ধারা-১১[সম্পাদনা]

ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতাদের মাঝে এ বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে শান্তি ও সহাবস্থান বজায়ে জনগণ তাদের সংস্থাগুলোকে যুক্ত করবেন।

ধারা-১২[সম্পাদনা]

গুয়াতেমালা সিটির পৌর কাউন্সিল রাজধানীতে আদেশনামা প্রতিপালন ও বিশৃঙ্খলা দমনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন।

ধারা-১৩[সম্পাদনা]

লর্ড পলিটিক্যাল চিফ রূপরেখা প্রকাশের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন পরিষদের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করবেন। এছাড়াও, জনগণকে নতুন আমেরিকান সরকার গঠনকল্পে তাদের বিশ্বস্ততা প্রকাশের শপথ নেয়ার কথা অনুরোধ আকারে জানাবেন।

ধারা-১৪[সম্পাদনা]

একই শপথনামায় নতুন সরকারের নেতাদের স্বীকৃতি দেয়া হবে ও তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সজাগ থাকবেন।

ধারা-১৫[সম্পাদনা]

লর্ড পলিটিক্যাল চিফ, পৌর কাউন্সিলের সাথে একত্রে নতুন রাষ্ট্র গঠনকল্পে দিবসটি পালনে জনগণের স্বাধীনতার লাভের ইচ্ছা ও বিশ্বস্ততার বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

ধারা-১৬[সম্পাদনা]

পৌর কাউন্সিলকে ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৮২১ তারিখে স্বাধীনতার ঘোষণাকালে স্মারকসূচক পদক তৈরীর জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

ধারা-১৭[সম্পাদনা]

মুদ্রিত হবার পর এ ধারাগুলোকে বিভিন্ন প্রাদেশিক কাউন্সিল, ডেপুটি ও কর্তৃপক্ষের কাছে বিতরণ করার কথা বলা হয়েছে যাতে তারা ব্যক্তি ও কাউন্সিলের মনোভাবকে একই সূরে বাঁধতে পারেন।

ধারা-১৮[সম্পাদনা]

তিনদিনব্যাপী উৎসব পালনের পর লর্ড পলিটিক্যাল চিফের পছন্দসই দিনে গণধন্যবাদ দিবস পালন করা হবে।

স্বাক্ষরনামা[সম্পাদনা]

গাবিনো গাইঞ্জা, হোস মাতিয়াস দেলগাদো, ম্যানুয়েল অ্যান্টোনিও দে মলিনা, মারিয়ানো দে লারাভ, মারিয়ানো দে আয়সিনেয়া, মারিয়ানো দে বেলত্রানেনা, হোস অ্যান্টোনিও দে লারাভ, পেদ্রো ডে আরোয়াভে, হোস মারিয়ানো কাল্দেরন, অ্যান্টোনিও দে রিভেরা, সিদোরা দে ভালে কাস্ত্রিসিওনস, হোস ডোমিঙ্গো ডাইগুয়েজ (সচিব), লরেঞ্জো দে রোমানা (সচিব)।

ফলাফল ও মেক্সিকোয় অন্তর্ভূক্তি[সম্পাদনা]

২৯ অক্টোবর, ১৮২১ তারিখে নতুন স্বাধীন মেক্সিকোর প্রাদেশিক সরকার পরিষদের সভাপতি অগাস্তিন দে ইতারবাইদ মধ্য আমেরিকার অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি গাবিনো গাইঞ্জা বরার এক পত্র লেখেন। এতে তিনি চিয়াপাস, এল সালভাদোর, হন্ডুরাস, নিকারাগুয়া ও কোস্টারিকার পরিষদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে প্রস্তাবনা আকারে জানান যে, মধ্য আমেরিকা মেক্সিকো সাম্রাজ্যে কর্দোভা সন্ধির সাথে জড়িত তিনজন নিশ্চায়নকারীকে নিয়ে যুক্ত হবার জন্য বলেন।[৭]

বিভিন্ন প্রাদেশিক ও গুয়াতেমালার পৌর সরকার আলোচনাক্রমে ভোটের মাধ্যমে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। কেবলমাত্র এল সালভাদোর বাদে পাঁচটি প্রদেশ এর পক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে।[৬][৭][৮] ৫ জানুয়ারি, ১৮২২ তারিখে[১] গাইঞ্জা ইতারবাইদকে মধ্য আমেরিকার ইচ্ছার কথা ব্যক্ত করেন ও মধ্য আমেরিকার অঞ্চলসমূহকে মেক্সিকো সাম্রাজ্যের সাথে একীভূত করা হয়। তবে এ একীকরণ প্রক্রিয়া দুই বছরেরও কম সময় স্থায়ী হয়। মেক্সিকো সাম্রাজ্যের পতন হলে সংযুক্ত প্রজাতন্ত্রী মধ্য আমেরিকা গঠিত হয়।[৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Documentos de la Union Centroamericana" (pdf)Organization of American States - Foreign Trade Information System (Spanish ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৪ 
  2. Rieu-Millan, Marie Laure (১৯৯০)। Los diputados americanos en las Cortes de Cádiz: Igualdad o independencia (Spanish ভাষায়)। Madrid: Consejo Superior de Investigaciones Científicas। আইএসবিএন 978-84-00-07091-5 
  3. Alfonso Bullon de Mendoza y Gomez de Valugera (১৯৯১)। Javier Parades Alonso, সম্পাদক। Revolución y contrarrevolución en España y América (1808–1840)España Siglo XIX (Spanish ভাষায়)। ACTAS। পৃষ্ঠা 81–82। আইএসবিএন 84-87863-03-5 
  4. Rodolfo Pérez Pimentel। "Gabino De Gaínza y Fernández- Medrano"Diccionario Biografico Ecuador (Spanish ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০১৪ 
  5. Rosa, Ramón (১৮৮২)। Biografía de Don José Cecilio del Valle (Spanish ভাষায়)। Tegucigalpa: Tipografía Nacional। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০১৪ 
  6. "Independencia Nacional de El Salvador"elsalvador.com (Spanish ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৪ 
  7. Quirarte, Martín (১৯৭৮)। Visión Panorámica de la Historia de México (Spanish ভাষায়) (11th সংস্করণ)। Mexico: Librería Porrúa Hnos.। 
  8. "Las Provincias de Centro América se unen al Imperio Mexicano"Memoria Política de México (Spanish ভাষায়)। ১০ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৪ 
  9. Sandoval, Victor Hugo। "Federal Republic of Central America"Monedas de Guatemala। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১৪ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]