গীতা ত্রিপাঠী
গীতা ত্রিপাঠী | |
|---|---|
কবি গীতা ত্রিপাঠী | |
| জন্ম | ২৮ জুন ১৯৭২ খারেলথক, নেপাল |
| পেশা | কবি, গীতিকার |
| জাতীয়তা | নেপালি |
| শিক্ষা | নেপালি সাহিত্যে পিএইচডি |
| শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান | ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় |
| উল্লেখযোগ্য রচনা | নৃশংশ পারখলহারু সিমালকো গীত |
| উল্লেখযোগ্য পুরস্কার | পদ্মকন্যা স্বর্ণপদক (২০০০) শ্রেষ্ঠ গীতিকার পুরস্কার (২০০৮)[১][২] |
| দাম্পত্যসঙ্গী | যাদবরাজ ত্রিপাঠী[১] |
| সন্তান | সমীপ ত্রিপাঠী[১] |
| মাতাপিতা | বেদরাজ থাপালিয়া (পিতা) রমাদেবী থাপালিয়া (মা) [৩] |
গীতা ত্রিপাঠী (নেপালি: गीता त्रिपाठी; জন্ম: ২৮ জুন ১৯৭২) একজন নেপালি কবি, গীতিকার, প্রাবন্ধিক, সাহিত্য সমালোচক এবং পণ্ডিত। তিনি একজন বিশিষ্ট নেপালি লেখিকা যার দুটি কাব্যগ্রন্থ, একটি গীতিকবিতা এবং অন্যান্য সাহিত্য ধারার সাতটি বই রয়েছে। তিনি নারী, পরিবেশ এবং সামাজিক অবিচার সম্পর্কিত বিষয়গুলি নিয়ে সংবাদপত্রের জন্যও লেখেন।[১][৪][৫][৬][৭]
গীতা ত্রিপাঠী নেপাল সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ‘পদ্মকন্যা স্বর্ণপদক - ২০০০’ পুরস্কারের একজন প্রাপক। এছাড়া ২০০৮ সালে নেপাল সরকারের প্রধান সাংস্কৃতিক সহযোগী ‘সংস্কৃত সংস্থান’ থেকে তিনি ‘সেরা গীতিকার পুরষ্কার’ পান।[২]
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]গীতা ত্রিপাঠীর জন্ম ১৯৭২ সালের ২৮ জুন নেপালের কাভ্রেপলাঞ্চোক জেলার খারেলথকে। তার বাবার নাম বেদরাজ থাপালিয়া এবং মায়ের নাম রমাদেবী থাপালিয়া। বাবা ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ। গীতা ১৯৮৮ সালে খারেলথকে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা সম্পন্ন করেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষা শেষ করার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য কাঠমান্ডুতে চলে আসেন। তিনি কাঠমান্ডুর পদ্মকন্যা মাল্টিপল ক্যাম্পাসে যোগদান করেন এবং ১৯৯৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পদ্মকন্যা কলেজে পড়ার সময় তিনি ১৯৮৯ সালে যাদবরাজ ত্রিপাঠীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। গীতা তার পড়াশোনা চালিয়ে যান এবং ১৯৯৮ সালে নেপালি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পরীক্ষায় শীর্ষস্থান অর্জনের জন্য তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন। স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর, তিনি ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় এবং পূর্বাচল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিভিন্ন কলেজে তার পছন্দের বিষয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। তিনি কলেজে পড়ার সময় এবং পরে লেখালেখির ধারা অব্যাহত রাখেন। তিনি ২০১৭ সালে ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নেপালি সাহিত্যে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।[১][৩][৪]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]গীতা ত্রিপাঠী বিভিন্ন বিষয়ের একজন লেখিকা। তিনি দুটি কবিতার বই, একটি গীতিকবিতার বই, একটি প্রবন্ধের বই এবং সাহিত্য সমালোচনার উপর বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন।[৮]
গীতা ত্রিপাঠীর রচনাগুলি ইংরেজি, হিন্দি, জাপানি এবং কোরীয় ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তার রচনা বিদেশের উল্লেখযোগ্য সাহিত্য পত্র-পত্রিকাতেও প্রকাশিত হয়েছে। তিনি কবি, উপস্থাপক এবং বক্তা হিসেবে বেশ কিছু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সাহিত্য অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। এছাড়া ২০১০ এবং ২০১৭ সালে নয়াদিল্লিতে সার্ক লেখক ও সাহিত্য ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত দক্ষিণ এশীয় সাহিত্য উৎসবে নেপালি প্রতিনিধি কবি প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।[৯][১০][১১][১২][১৩][১৪]
তিনি সাহিত্য সমালোচক হিসেবে বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট নেপালি লেখক ও কবির রচনা বিশ্লেষণ করেছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রয়াত ব্যক্তিত্বরা হলেন লক্ষ্মীপ্রসাদ দেবকোটা, শঙ্কর লামিছানে এবং মাধবপ্রসাদ ঘিমিরে। অন্যদিকে সমসাময়িক লেখক সুমন পোখরেল, সানু শর্মা এবং নীলম কার্কি নীহারিকা প্রমুখদের রচনাও বিশ্লেষণ করেছেন। তার গভীর সমালোচনামূলক রচনাগুলি বই আকারে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত সাহিত্য পত্র-পত্রিকা এবং সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে। সমসাময়িক সাহিত্যের ক্ষেত্রে এই সব লেখকদের লেখায় বিষয়গত গভীরতা এবং শৈলীগত সূক্ষ্মতার উপর তিনি বিশেষভাবে আলোকপাত করেছেন।[১৫][১৬]
অবদান
[সম্পাদনা]
প্রকাশিত গ্রন্থ
[সম্পাদনা]গীতা ত্রিপাঠীর গীতিমূলক কবিতার সংগ্রহের মধ্যে রয়েছে থুঙ্গা বনফুলকা (২০০৫)[১][৪], দুই হরফ ওঠারু (২০০৮) (কবি মঞ্জুলের সাথে সহ-রচিত )[৪], নৃসংশ পারখলহারু (২০০৯)[৪] এবং সিমল কো গীত। (২০১৫)[১৪]
তার রচিত সাহিত্য সমালোচনামূলক গ্রন্থগুলি হলো দৃষ্টিবিচরণ (২০০৯)[৮], কৃতি বিশলেশান: প্রয়োগিক আয়ম (২০১০)[৮], বিশ্বনারী নেপালি সাহিত্য: পরম্পরা রা প্রবৃত্তি (২০১৫), নেপালি মহিলা লেখন : প্রবৃতি রা যোগদান (২০১৫), নেপালি নিয়ত্র : সিদ্ধান্ত রা প্রযোগ (২০১৭), এবং পর্যাওয়ারন রা নারীকেন্দ্রী সমলোচনা (২০১৮)।
তার রচিত প্রবন্ধ সংগ্রহটি হলো মা একলো রা উদাস উস্তাই (২০১৪)[১]
সঙ্গীত অ্যালবাম
[সম্পাদনা]পুরস্কার
[সম্পাদনা]- পদ্মকন্যা স্বর্ণপদক
- সেরা গীতিকার পুরস্কার
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 खनाल, सुनीता (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯)। "कहाँ हुन्छ मिलन त्यसै भाग्यमै नलेखेपछि"। nayapatrikadaily.com। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০২০।
- 1 2 Prof. Dr. Madhav Prasad Pokhrel, সম্পাদক (২০১৮), "Geeta Tripathee", जगदम्बा नेपाली साहित्यको बृहत् इतिहास [Jagadamba Comprehensive History of Nepali Literature], Madan Puraskar Trust
- 1 2 Prof. Dr. Kumar Prasad Koirala, সম্পাদক (২০১০), "Geeta Tripathee", प्रज्ञा नेपाली समालोचक कोश [Academy's Directory of Nepali Literary Critics], Nepal Academy, পৃ. ৮৪, আইএসবিএন ৯৭৮৯৯৩৭৭২৩০৯১
- 1 2 3 4 5 Lila Luitel (২০১২)। "Women Poets in Nepali Poetry"। नेपाली महिला साहित्यकार [Nepali Women Literati]। Kathmandu: Shabdartha Prakashan। পৃ. ২১৫। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৯৩৭২৪৮০৫১।
- ↑ Tripathee, Geeta (২০০৮), कृति विश्लेषण: प्रायोगिक आयाम, Ratna Pustak Bhandar ISBN 978999338836
- ↑ Geeta, Tripathee (২০১৮)। "गहन पर्यावरणको सैद्धान्तिक अवधारणा Gahan Paryavaranko Saiddhantik Awadharana"। Tribhuvan University Journal। ৩২ (2): ২৮১–২৯৪। ডিওআই:10.3126/tuj.v32i2.24724।
- ↑ Tripathee, Geeta (২১ মার্চ ২০২০)। "तर किन मान्छेबाटै भयो यस्तो भूल..."। nayapatrikadaily.com। সংগ্রহের তারিখ ২৩ এপ্রিল ২০২০।
- 1 2 3 Lila Luitel (২০১২)। "Women Writers in Nepali Literary Criticism"। नेपाली महिला साहित्यकार [Nepali Women Literati]। Kathmandu: Shabdartha Prakashan। পৃ. ২১৫। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৯৩৭২৪৮০৫১।
- ↑ "Geeta Tipathee"। Foundation of SAARC Writers and Literature। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ Tripathee, Geeta। Kalpna Singh-Chitnis (সম্পাদক)। "Geeta Tripathee: Translated by Mahesh Paudyal"। Mahesh Poudyal কর্তৃক অনূদিত। Life and Legends। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ Tripathee, Geeta (১ মার্চ ২০১৫), Daine Smith (সম্পাদক), "Mid-Life Thoughts", Snow Jowel (6), Bindesh Dhakal কর্তৃক অনূদিত, USA: Grey Sparrow Press: ১৩, আইএসএসএন 2157-3646
- ↑ K. Satchidanandan & Ajeet Cour, সম্পাদক (২০১১), The Songs We Share, Foundation of SAARC Writers and Literature, পৃ. ৩২, ২১৬, আইএসবিএন ৯৭৮-৮১৮৮৭০৩২১০
- ↑ Acharya, Aparajita (৮ এপ্রিল ২০১৫)। "What Teacher Wants from Their Students"। The Himalayan Times।
- 1 2 Tripathee, Geeta; Subedi, Abhi (২০১৫), "The Road above Flowers (Preface)", Simalko Geet, Sabdahaar Creations, পৃ. ৩, আইএসবিএন ৯৭৮৯৯৩৭৮৯৫৮২৮
- ↑ Tripathee, Geeta (ডিসেম্বর ২০২১), "'बर्सात्मा बुद्धको मूर्ति सामु' कवितामा शिल्प र सौन्दर्य" [Craft and Beauty in the Poem ‘'In front of Buddha’s Statue in the Rain'], Journal of Fine Arts Campus (নেপালি ভাষায়), ৩ (1), Kathmandu: Fine Arts Campus: ৫০–৫৫, ডিওআই:10.3126/jfac.v3i1.42519, আইএসএসএন 2795-1774
- ↑ Tripathee, Geeta (২৫ নভেম্বর ২০১৭)। नारी–पुरुष सम्बन्धबारे साहसिक दृष्टि [Courageous View Towards Male-Female Relationship] (নেপালি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ অক্টোবর ২০২৪।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- উদ্ধৃতি শৈলীতে নেপালি ভাষার উৎস (ne)
- উদ্ধৃতি শৈলী নেপালি ভাষার লিপি ব্যবহার করছে (ne)
- ১৯৭২-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- নেপালি ভাষার কবি
- নেপালি নারী কবি
- গীতি কবি
- নেপালি ছোটগল্পকার
- নেপালি ভাষার লেখক
- নেপালি গীতিকার
- ২০শ শতাব্দীর নেপালি কবি
- ২০শ শতাব্দীর লেখিকা
- ২১শ শতাব্দীর নেপালি কবি
- ২১শ শতাব্দীর নেপালি লেখিকা
- সাহিত্য অনুবাদক
- ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- নারী সাহিত্য সমালোচক
- নারীবাদের নারী সমালোচক
- নেপালি সাহিত্য সমালোচক
- নেপালি নারী ছোটগল্পকার