বিষয়বস্তুতে চলুন

গিয়াচুং কাং

গ্যাচুং কাং
গ্যাচুং কাং
সর্বোচ্চ বিন্দু
উচ্চতা৭,৯৫২ মিটার (২৬,০৮৯ ফুট)
১৫তম উচ্চতম পর্বত
সুপ্রত্যক্ষতা৭০০ মিটার (২,৩০০ ফুট)
বিচ্ছিন্নতা৮.২৪ কিলোমিটার (৫.১২ মাইল) উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
স্থানাঙ্ক২৮°০৫′৫৩″ উত্তর ৮৬°৪৪′৩২″ পূর্ব / ২৮.০৯৮০৬° উত্তর ৮৬.৭৪২২২° পূর্ব / 28.09806; 86.74222
ভূগোল
টেমপ্লেট:OSM Himalaya
নেপাল-চীন সীমান্তে অবস্থান
অবস্থাননেপালচীন
পর্বতশ্রেণীমাহালাংগুর হিমাল, হিমালয়
আরোহণ
প্রথম আরোহণ১৯৬৪ সালে জাপানি অভিযাত্রীদের দ্বারা[]
সহজ পথহিমবাহ/তুষার/বরফে আরোহণ
১৯৬৪ সালের অল জাপান মাউন্টেনিয়ারিং ফেডারেশনের সফল গ্যাচুং কাং অভিযানকে স্মরণ করে নির্মিত একটি মানচিত্র

গ্যাচুং কাং (নেপালি: ग्याचुङ्काङ, গ্যাচুং কাং; চীনা: 格重康峰; ফিনিন: Géchóngkāng Fēng) হল হিমালয়ের মাহালাংগুর হিমাল শৃঙ্খলের একটি পর্বতশৃঙ্গ, যা চো ওয়ুয়ু (৮,২০১ মিটার) ও মাউন্ট এভারেস্টের (৮,৮৪৮ মিটার) মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। এটি নেপালচীনের সীমান্তে অবস্থিত।

বিশ্বের উচ্চতার দিক থেকে এটি ১৫তম শীর্ষ পর্বত হলেও এটি গাশারব্রুম III-এর সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ পর্বত যা আট-হাজারী নয়। এ কারণে এটি অপেক্ষাকৃত অপ্রচলিত, যদিও আট-হাজারী পর্বতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে নিচু শৃঙ্গের উচ্চতা এর চেয়ে মাত্র প্রায় ১০০ মি (৩২৮ ফু) বেশি। এ পর্বতের টপোগ্রাফিক প্রমিনেন্স (৭০০ মিটার) তুলনামূলকভাবে কম হওয়াটাও এর কম পরিচিতির একটি কারণ।

আরোহণ ইতিহাস

[সম্পাদনা]

এই পর্বত প্রথম আরোহণ করা হয় ১০ এপ্রিল ১৯৬৪ সালে। অভিযাত্রী দলটির সদস্য ছিলেন ওয়াই. কাতো, কে. সাকাইজাওয়া, পাশাং ফুতার, কে. মাচিদা এবং কে. ইয়াসুহিসা।

এর উত্তরদিক প্রথম আরোহণ করা হয় ১৯৯৯ সালে একটি স্লোভেনীয় অভিযানের মাধ্যমে। এরপর ২০০২ সালে ইয়াসুশি ইয়ামানোই এটি পুনরায় আরোহণ করেন।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Japanese Team Conquers 25,910‐Foot Himalaya Peak"। নিউ ইয়র্ক টাইমস। ১৯ এপ্রিল, ১৯৬৪। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত {{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: |তারিখ= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)

আরও পড়ুন

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]