বিষয়বস্তুতে চলুন

গাইয়াস মুসোনিয়াস রুফাস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গাইয়াস মুসোনিয়াস রুফাস
Gaius Musonius Rufus
জন্মআনুমানিক ২০ – ৩০ খ্রিস্টাব্দ
মৃত্যু১০১ খ্রিস্টাব্দের শেষের দিকে
জাতীয়তারোমান
অন্যান্য নামমুসোনিয়াস রুফাস
যুগপ্রাচীন দর্শন
অঞ্চলপাশ্চাত্য দর্শন
ধারাবৈরাগ্যদর্শন

গাইয়াস মুসোনিয়াস রুফাস (লাতিন: Gaius Musonius Rufus; গাইউস মুসোনিউস রুফুস; আনু. ২০ বা ৩০ সা.অ. – আনু. ১০১ সা.অ.) ছিলেন একজন রোমান স্টোয়িক দার্শনিক। তিনি নিরোর রাজত্বকালে রোমে দর্শন শিক্ষা দিতেন এবং সেজন্য ৬৫ খ্রিস্টাব্দে তাকে নির্বাসনে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে সম্রাট গালবা ক্ষমতা দখল করলে মুসোনিয়াস রোমে ফিরে আসেন। ৭১ খ্রিস্টাব্দে ভেসপাসিয়ান অন্যান্য দার্শনিকদেরকে শহর থেকে নির্বাসিত করলেও তাকে রোমে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যদিও শেষ পর্যন্ত তাকে নির্বাসিত করা হয়েছিল। ভেসপাসিয়ানের মৃত্যুর পরেই তিনি ফিরে আসেন। তার বক্তৃতা থেকে উদ্ধৃত সংগ্রহ এখনো টিকে আছে। এছাড়া, তিনি এপিকটেটাস এবং দিও ক্রিসোস্টমের শিক্ষক হিসেবেও স্মরণীয় হয়ে আছেন।

জীবনী

[সম্পাদনা]

মুসোনিয়াস রুফাস ভলসিনি, ইট্রুরিয়ায় আনুমানিক ২০-৩০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।[১] নিরোর শাসনকালের সময়, তিনি রোমে স্টোয়িক দর্শনের শিক্ষা দিয়ে ইতোমধ্যে বিখ্যাত হয়ে উঠেছিলেন। নিরোর কথিত অত্যাচারের বিরুদ্ধে স্টোয়িক বিরোধে তার অবদান রয়েছে বলে বিবেচনা করা হয়। যখন নিরো রুবেলিয়াস প্লটাসকে নির্বাসিত করেন (৬০ খ্রিস্টাব্দ), মুসোনিয়াস রুফাস তার সঙ্গে নির্বাসনে যান।[২] প্লটাসের মৃত্যুর পর ৬২ খ্রিস্টাব্দে তিনি রোমে ফিরে আসেন, কিন্তু স্টোয়িকবাদ চর্চা ও শিক্ষাদানের ফলস্বরূপ তিনি নিরোর দরবারে সন্দেহ ও অপছন্দের পাত্র হয়ে ওঠেন। পিসোনীয় ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণের একটি সাজানো অভিযোগে তাকে ৬৫ খ্রিস্টাব্দে গিয়ারোস দ্বীপে নির্বাসিত করা হয়। মুসোনিয়াস সেখানে টিকে থেকে দার্শনিকদের একটি ছোট সম্প্রদায় গঠন করতে সক্ষম হন।[৩] তিনি তার নবম বক্তৃতায় বিশেষভাবে তার নির্বাসনের সময়ের কথা উল্লেখ করে স্টোয়িকবাদের অনুশীলনকারীর জন্য এর সুবিধাগুলি তুলে ধরেন।[৪]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ Suda μ 1305, Musonius
  2. ↑ Tacitus, Annals, xiv. 59
  3. ↑ Dillon, J. T. (২০০৪)। Musonius Rufus and Education in the Good Life। University Press of America। আইএসবিএন ৯৭৮-০৭৬১৮২৯০২৭।
  4. ↑ "Lecture IX – TheStoicLife.org"। www.thestoiclife.org। ২ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০১৯।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]