গাইবান্ধা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
| গাইবান্ধা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় | |
|---|---|
![]() প্রাতিষ্ঠানিক লোগো | |
| অবস্থান | |
থানসিংহপুর, ০৬নং ওয়ার্ড, , গাইবান্ধা–৫৭০০, | |
| তথ্য | |
| ধরন | সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় |
| প্রতিষ্ঠাকাল | ১ আগস্ট ১৯১৬ |
| অবস্থা | সক্রিয় |
| বিদ্যালয় বোর্ড | মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর |
| বিদ্যালয় জেলা | গাইবান্ধা জেলা |
| সেশন | জানুয়ারি–ডিসেম্বর |
| ইআইআইএন | ১২১১০২ |
| প্রধান শিক্ষক | সুশান্ত কুমার দেব |
| অনুষদ | বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা |
| শিক্ষকমণ্ডলী | ৪২ |
| শ্রেণি | ৬ষ্ঠ–১০ম |
| লিঙ্গ | বালিকা |
| ভাষা | বাংলা |
| ক্যাম্পাসের ধরন | শহুরে |
| রং | নীল এবং সাদা |
| ওয়েবসাইট | ggghs |
গাইবান্ধা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হচ্ছে বাংলাদেশের গাইবান্ধা জেলার গাইবান্ধা পৌরসভায় অবস্থিত একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ১৯১৬ সালে।[১]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]১৯১৬ সালে গাইবান্ধা জেলার মেয়েদের শিক্ষার মান বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে একটি মিডল স্কুল (এম. ই.) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিদ্যালয়টির যাত্রা শুরু হয়।এ সময়ে এর প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন শ্রী যুক্তা চমৎকারিণী বিশ্বাস। ১৯৪২ সালে বিদ্যালয়টি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়ে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় অংশ নেয়। ১৯৭০ সালে জাতীয়করণ করা হলে বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে "গাইবান্ধা সরকারি বালিকা" উচ্চ বিদ্যালয় রাখা হয়।[১]
শিক্ষা কার্যক্রম
[সম্পাদনা]বিদ্যালয়টিতে শুধুমাত্র মেয়েদের অধ্যয়নের সুযোগ থাকে। বর্তমানে এ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাদান করা হয়।
ইউনিফর্ম
[সম্পাদনা]- গ্রীষ্মকালীন পোশাক: গাঢ় নীল কামিজ , কামিজের উপর সাদা ক্রস বেল্ট , কোমরে সাদা বেল্ট , সাদা পায়জামা , সাদা স্কার্ফ , সাদা মোজা এবং সাদা কেডস্ ।
- শীতকালীন পোশাক: গাঢ় মেরুন রঙের সোয়েটার ।
ফলাফল
[সম্পাদনা]বিদ্যালয়ে পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের পাশের হারের তালিকাঃ[২]
| সাল | পরীক্ষার নাম | পরীক্ষার্থী | উত্তীর্ণ | পাশের হার |
|---|---|---|---|---|
| ২০১৯ | এসএসসি | ২৩৩ | ২৩৩ | ১০০ |
| ২০২০ | এসএসসি | ২২৯ | ২২৭ | ৯৯.১৩ |
| ২০২১ | এসএসসি | ২৩৮ | ২৩৫ | ৯৮.৭৪ |
ল্যাবরেটরি
[সম্পাদনা]বিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়নবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার ইত্যাদি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের গবেষণার জন্য রয়েছে ৩টি বিজ্ঞান ল্যাব। এসব ল্যাবে বহু মূল্যবান যন্ত্রপাতি রয়েছে। শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক বিষয়ে জ্ঞান লাভের জন্য এসব উপকরণ ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়াও শিক্ষার্থীদের মানসিক দক্ষতা বাড়াতে রয়েছে ১টি আইসিটি ক্লাসরুম।
গ্রন্থাগার
[সম্পাদনা]বিদ্যালয়টিতে রয়েছে বিশাল একটি গ্রন্থাগার। এতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের নামী-দামী কয়েক হাজার বই। শিক্ষার্থীরা এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে বসে পড়তে পারে এবং তাদের পছন্দের বই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাড়ি নিয়ে যেতে পারে।
খেলাধুলা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড
[সম্পাদনা]শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য মাঠ রয়েছে, যা মূল ভবনের সামনেই অবস্থিত। মাঠটি বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, আন্তঃশ্রেণী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনে ব্যবহৃত হয়। বছরজুড়েই বিদ্যালয়ে নানা রকম সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পালন করা হয়। শহীদ দিবস, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস ও বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান যথাযথ মর্যাদার সাথে পালিত হয়। বর্ষবরণ, বাসন্তী উৎসব ইত্যাদি নানা রকম অনুষ্ঠান শিক্ষার্থী-শিক্ষক সম্মিলিতভাবে পালন করে। এছাড়াও প্রতি বছরই আয়োজিত হয় শিক্ষা সফর।
সহশিক্ষা কার্যক্রম
[সম্পাদনা]এ বিদ্যালয়ে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রম সাফল্যের সাথে পরিচালিত হয়।
ক্লাব কথন
[সম্পাদনা]- আইসিটি ক্লাব
- বিজ্ঞান ক্লাব
- বিতর্ক ক্লাব
অন্যান্য কার্যক্রম
[সম্পাদনা]- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কর্তৃক পরিচালিত বইপড়া কর্মসূচি
- গার্লস্ গাইড
- স্কাউট
- রেড ক্রিসেন্ট
