গরিষীম পর্বত
| গরিষীম | |
|---|---|
এবল পর্বত থেকে দৃশ্যমান গরিষীম পর্বতের শৃঙ্গ | |
| সর্বোচ্চ বিন্দু | |
| উচ্চতা | ৮৮১ মিটার (২,৮৯০ ফুট) |
| স্থানাঙ্ক | ৩২°১২′৩.১″ উত্তর ৩৫°১৬′২৩.৭৩″ পূর্ব / ৩২.২০০৮৬১° উত্তর ৩৫.২৭৩২৫৮৩° পূর্ব |
| ভূগোল | |
| পর্বতশ্রেণী | শমরীয় পর্বতমালা |


গরিষীম পর্বত (শমরীয় ইব্রীয়: ࠄࠟࠓࠬࠂࠟࠓࠩࠆࠝࠉࠌ; হিব্রু ভাষায়: הַר גְּרִזִים; আরবি: جَبَل جَرِزِيم বা আরবি: جَبَلُ ٱلطُّورِ) ফিলিস্তিনের নাবুলুস শহর এবং ধর্মপুস্তকীয় শিখিম শহরের কাছে অবস্থিত দুটি পর্বতের মধ্যে একটি।[১] এটি সেই উপত্যকার দক্ষিণ দিক তৈরি করে যেখানে নাবলুস অবস্থিত, উত্তরের দিকটি এবল পর্বত দ্বারা গঠিত। পর্বতটি পশ্চিম তীরের সর্বোচ্চ শৃঙ্গগুলির অন্যতম এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮৮১ মি (২,৮৯০ ফু) উপরে উঠে গেছে, যা এবল পর্বত থেকে ৭০ মি (২৩০ ফু) নিচু। পর্বতটি উত্তর দিকে বিশেষভাবে খাড়া, উপরে বিক্ষিপ্ত ঝোপঝাড়ে আবৃত এবং নিচে একটি উচ্চ উৎপাদনশীল মিষ্টি জলের ঝর্ণা রয়েছে।[২] ইব্রীয় ধর্মপুস্তকে এই পর্বতটিকে সেই স্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে, যাত্রার পর প্রতিশ্রুত ভূমিতে প্রথম প্রবেশ করার পর, ইস্রায়েলীয়রা আশীর্বাদের অনুষ্ঠান করেছিল, যেমনটি মোশি তাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন।[৩]
শমরীয় ঐতিহ্য অনুসারে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন এবং সবচেয়ে কেন্দ্রীয় পর্বত, যা মহাপ্লাবনের উপরে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল এবং নোহের অবতরণের জন্য প্রথম ভূমি সরবরাহ করেছিল।[৪] শমরীয়রা বিশ্বাস করে যে, গরিষীম পর্বত হল সেই স্থান যেখানে অব্রাহাম তাঁর পুত্র ইস্হাককে প্রায় উৎসর্গ করতে যাচ্ছিলেন।[৫] অন্যদিকে, ইহুদিরা মোরিয়া পর্বতকে সেই প্রায়-বলিদানের স্থান বলে মনে করে। শমরীয়রা যিরূশালেমস্থ মন্দির পর্বতের পরিবর্তে গরিষীম পর্বতকে ঈশ্বরের পবিত্র মন্দিরের জন্য নির্বাচিত স্থান বলে মনে করে। খ্রীষ্টপূর্ব ৫ম শতাব্দী থেকে খ্রীষ্টপূর্ব ২য় শতাব্দীতে ধ্বংসের আগ পর্যন্ত গরিষীম পর্বতে একটি শমরীয় মন্দির অবস্থিত ছিল। গরিষীম পর্বতটি শমরীয়ধর্মের কেন্দ্র হিসেবে বিদ্যমান রয়েছে[৫] এবং শমরীয়রা বছরে তিনবার এটিতে আরোহণ করে: নিস্তারপর্ব, সাত সপ্তাহের উৎসব এবং কুটীরোৎসব।[১]
শমরীয় গ্রাম কিরিয়াত লুজা এবং একটি অবৈধ ইসরায়েলি বসতি হার ব্রাখা গরিষীমের শৈলশিরার উপর অবস্থিত। ১৯৮৭ সালের প্রথম ইন্তিফাদার সময় অনেক শমরীয় পরিবার সহিংসতা এড়াতে নাবলুস থেকে গরিষীম পর্বতে স্থানান্তরিত হয়েছিল।[৬] বর্তমানে অবশিষ্ট শমরীয়দের প্রায় অর্ধেক গরিষীমের কাছে বাস করে, বেশিরভাগই কিরিয়াত লুজা গ্রামে।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 de Hemmer Gudme 2013, পৃ. 52-90।
- ↑
Singer, Isidore; এবং অন্যান্য, সম্পাদকগণ (১৯০১–১৯০৬)। "Gerizim, Mount"। The Jewish Encyclopedia। New York: Funk & Wagnalls। - ↑ Deuteronomy 11:29
- ↑ Anderson, Robert T., "Mount Gerizim: Navel of the World", Biblical Archaeologist Vol. 43, No. 4 (Autumn 1980), pp 217-218
- 1 2 Permanent Delegation of Palestine to UNESCO (২ এপ্রিল ২০১২)। "Mount Gerizim and the Samaritans (Submission for admission as UNESCO World Heritage site presented by the State of Palestine)"। Paris: UNESCO World Heritage Centre। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০২৫।
- ↑ "The Samaritan connection to Mount Gerizim restoration, conservation"। The Jerusalem Post | JPost.com। ১৪ মে ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০২৪।