বিষয়বস্তুতে চলুন

গগন হরকরা (ভাস্কর্য)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গগন হরকরা
ডাকহরকরা
শিল্পীফয়সাল মাহমুদ[১]
সম্পন্ন২৬ মে ২০১৬; ১০ বছর আগে (2016-05-26)[১]
অবস্থানহাউজিং ডি-ব্লক (নিশান মোড়), কুষ্টিয়া
স্থানাঙ্ক২৩°৫৩′৪০″ উত্তর ৮৯°০৮′১০″ পূর্ব / ২৩.৮৯৪৩৬৯° উত্তর ৮৯.১৩৬২১৬° পূর্ব / 23.894369; 89.136216

গগন হরকরা বা ডাকহরকরা একটি ভাস্কর্য যার মাধ্যমে ডাকহরকরার জীবনযাপনের চিত্র ফুটে উঠেছে।[২] ভাস্কর্যটি কুমারখালীর গগন হরকরার প্রতিকৃতি।[১] ইতিহাসের অংশ ডাকহরকরা পেশা আর এই কুষ্টিয়া জেলার কৃতি সন্তান গগন হরকরাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য কুষ্টিয়া পৌরসভা কর্তৃক ভাস্কর্টি নির্মিত হয়েছে।[৩]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আনোয়ার আলী ২০১৪ সালে এই ভাস্কর্য নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর পৌরসভার মাসিক সভায় এই ভাস্কর্য নির্মাণের প্রস্তাব পাস হয়। শিল্পী ফয়সাল মাহমুদ ২০১৬ সালের ২৩ মার্চ ভাস্কর্যের নির্মাণকাজ শুরু করেন। মাত্র দুই মাসে ২৬ মে ভাস্কর্য নির্মাণের কাজ শেষ হয়। ভাস্কর্যটি নির্মাণে ৫ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে।[১]

গঠনশৈলী

[সম্পাদনা]

ভাস্কর্যে গগন হরকরা বাম হাতে রয়েছে হারিকেন ও বল্লম। বল্লমের আগায় নিচে একটি ছোট ঘণ্টি। ডান হাতে লাঠির আগায় কাঁধে রয়েছে চিঠির বস্তা। মাথায় রয়েছে পাগড়ি, পরনে ধুতি। রাতের আঁধার ভেদ করে হারিকেন হাতে ক্ষিপ্রগতিতে গগন হরকরা ছুটে চলেছেন সামনের দিকে।[৩]

যে কলামের উপরে ভাস্কর্যটি রয়েছে, সেই কলামের চারপাশে ৪টি ডাক বাক্স রয়েছে।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 4 তৌহিদ হাসান (২৪ এপ্রিল ২০১৭)। "ভাস্কর্যে ডাকহরকরা"। দৈনিক প্রথম আলো। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
  2. ↑ "গগণ হরকরা'র ভাস্কর্য মানুষকে মুগ্ধ করে"। বার্তা ২৪। ১০ এপ্রিল ২০১৯। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
  3. 1 2 আমানুর আমান (৯ অক্টোবর ২০২০)। "গগন হরকরা: আমি কোথায় পাবো তারে"। দি ডেইলি স্টার - বাংলা। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪।