খন্দকার রাশেদ মাকসুদ
খন্দকার রাশেদ মাকসুদ | |
|---|---|
| বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান | |
দায়িত্বাধীন | |
| অধিকৃত কার্যালয় ১৮ আগস্ট ২০২৪ | |
| পূর্বসূরী | শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশী |
| সন্তান | ২ মেয়ে[১] |
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় |
| পেশা | ব্যাংকার |
| ধর্ম | ইসলাম |
খন্দকার রাশেদ মাকসুদ একজন বাংলাদেশী ব্যাংকার এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান। তিনি সিটিব্যাংক এনএ, এনআরবিসি ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
শিক্ষাজীবন
[সম্পাদনা]রাশেদ মাকসুদ ১৯৮৩ সালে সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। এরপর, ১৯৮৫ সালে তিনি নটর ডেম কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখান থেকে তিনি বিকম সম্পন্ন করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট থেকে ফিন্যান্সে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।[২]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]রাশেদ মাকসুদের কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৯২ সালে আমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাংকে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি হিসেবে যোগদানের মধ্যে দিয়ে। পরবর্তীতে তিনি সিটিব্যাংক এনএ বাংলাদেশের করপোরেট ব্যাংকিং গ্রুপ, ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস গ্রুপের প্রধান প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি পরিচালক ও গ্লোবাল ট্রানজেকশন প্রধানের দায়িত্ব পান। এরপর ২০০৮ সালের জুলাইতে তিনি ব্যাংকটির ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা অফিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিযুক্ত হন। পরবর্তীতে ২০১০ সালের ডিসেম্বরে তিনি ব্যাংকটির বাংলাদেশ অফিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিটি কান্ট্রি অফিসার হিসেবে নিয়োগ পান এবং ১ আগস্ট ২০১৭ পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন।[৩][৪]
২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০২০ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তিনি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও নিযুক্ত হন এবং ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি এ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।[৫]
২০২৪ সালে অসহযোগ আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকার পদত্যাগ করলে ১০ আগস্ট বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম ইস্তফা দেন। ১৩ আগস্ট এম মাসরুর রিয়াজকে চেয়ারম্যান করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলেও সমালোচনার মুখে তিনি দায়িত্ব গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেন। ফলে উক্ত প্রজ্ঞাপন বাতিল করে ১৮ আগস্ট রাশেদ মাকসুদকে ৪ বছরের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।[৬]
এছাড়াও রাশেদ মাকসুদ মাইডাস ফিন্যান্স লিমিটেড বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদের উপদেষ্টা ও অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের মহাসচিব ছিলেন। তিনি বিশ্ব ব্যাংক গোষ্ঠীর ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্টের উপদেষ্টা।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের এমডি হলেন খন্দকার রাশেদ মাকসুদ"। একুশে টিভি। ১৫ জানুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন রাশেদ মাকসুদ"। প্রথম আলো। ১৭ জানুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ আবুল কাশেম (১৮ আগস্ট ২০২৪)। "বিএসইসি'র নতুন চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ"। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "বিএসইসির চেয়ারম্যান রাশেদ মাকসুদ"। সমকাল। ১৮ আগস্ট ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "বিএসইসি'র নতুন চেয়ারম্যান হচ্ছেন খন্দকার রাশেদ মাকসুদ"। মানবজমিন। ১৯ আগস্ট ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "বিএসইসির চেয়ারম্যান হলেন খন্দকার রাশেদ মাকসুদ"। আজকের পত্রিকা। ১৮ আগস্ট ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৪।
- জীবিত ব্যক্তি
- বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান
- বাংলাদেশী ব্যাংকার
- সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- নটর ডেম কলেজ, ঢাকার প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- বাংলাদেশী মুসলিম
- ঢাকার ব্যক্তি