খড়্গ প্রসাদ অলি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সম্মাননীয়
খড়্গ প্রসাদ শর্মা অলি
৩৮তম প্রধানমন্ত্রী
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
রাষ্ট্রপতিবিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী
পূর্বসূরীশের বাহাদুর দেউবা
কাজের মেয়াদ
১২ অক্টোবর ২০১৫ – ৪ আগস্ট ২০১৬
রাষ্ট্রপতিরামবরণ যাদব
বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী
পূর্বসূরীসুশীল কৈরালা
উত্তরসূরীপুষ্পকমল দাহাল
নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
১৭ মে ২০১৮
পূর্বসূরীপদ প্রতিষ্ঠা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
২০০৬ – ২০০৭
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
১৯৯৪ – ১৯৯৫
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1952-02-22) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ (বয়স ৬৭)
তেরথুম, নেপাল
নাগরিকত্বনেপালি
জাতীয়তানেপালি
রাজনৈতিক দলনেপাল কমিউনিস্ট পার্টি
দাম্পত্য সঙ্গীরাধিকা শাক্য
পিতামাতামোহন প্রসাদ অলি, মধুমায়া অলি
বাসস্থানবালকোট, ভক্তপুর

খড়্গ প্রসাদ শর্মা অলি (কে. পি. অলি নামেও পরিচিত; জন্ম: ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২) একজন নেপালি রাজনীতিবিদ ও দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।[১][২][৩] তিনি কমিউনিস্ট পার্টি নেপাল-এর চেয়ারম্যানদ্বয়ের অন্যতম। কমিউনিস্ট পার্টি নেপাল, দুইটি রাজনৈতিক দল নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি (একীকৃত মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী)নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী কেন্দ্র)-এর সমন্বয়ে গঠিত। অলি প্রথম দফায় ১১ অক্টোবর ২০১৫ থেকে ৩ আগস্ট ২০১৬ পর্যন্ত নেপালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। পরবর্তীতে নেপালের নতুন প্রণীত সংবিধানের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।[৪]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

নেপালের সপ্তরী জেলায় মধেশীদের একটি সম্মেলনে খড়্গ প্রসাদ অলি

অলি ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তেরথুম জেলায় এক ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।[৫][৬] তিনি পিতা মোহন প্রসাদ ও মা মধুমায়া অলির জ্যেষ্ঠ সন্তান। অলির চার বছর বয়সে মা মধুমায়া গুটিবসন্তে মারা যান। এরপর তিনি নানি রামমায়ার নিকট প্রতিপালিত হন।[৭] তিনি তেরথুমেই প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। পরবর্তীতে পরিবারের সাথে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ঝাপা জেলায় স্থানান্তরিত হন। অলি রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে অধিকাংশ সময় এই ঝাপাতেই অতিবাহিত করেছেন। অলি ১২ বছর বয়সে দমক শহরের হিমালয়া হাইয়ার সেকেন্ডারি স্কুলে পড়াশোনা শুরু করেন। কিন্তু ষষ্ঠ শ্রেণিতে থাকাকালীন পড়াশোনা ছেড়ে দেন।[৮]

অলির স্ত্রী রাধিকা শাক্যও একজন কমিউনিস্ট নেত্রী। পার্টির মধ্যেই তাঁদের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটে এবং পরবর্তীতে বিয়ে করেন।[৯]

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

মার্ক্সবাদী বিদ্রোহ (১৯৬৬-১৯৯১)[সম্পাদনা]

১৯৬৬ সালে, রাজনৈতিক দলবিহীন পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সময়ে অলির রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। ১৯৭০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন। এর মধ্যেই তিনি বিধ্বংসী রাজনীতিতে জড়িয়ে যান এবং ১৯৭০ সালেই প্রথম কারাবরণ করেন। এক বছর পর তিনি পার্টির জেলা সমিতির সদস্য হন এবং ১৯৭২ সালের মধ্যেই ঝাপা আন্দোলনের ব্যবস্থাপক সমিতির প্রধান নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৭৩ থেকে ১৯৮৭ পর্যন্ত ১৪ বছরের জন্য কারারুদ্ধ হন। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি (একীকৃত মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী)-র লুম্বিনী অঞ্চলের দায়িত্বে কেন্দ্রীয় সমিতির সদস্য হন। ১৯৯০ পর্যন্ত তিনি এই পদে দায়িত্ব পালন করেন।

বহু-দলীয় গণতন্ত্র (১৯৯১-২০০৬)[সম্পাদনা]

১৯৯০ সালের জন আন্দোলনের পর ১৯৯১ সালে অলি ঝাপা-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯২ সালে তিনি দলের পররাষ্ট্র বিভাগের প্রধান হন।

১৯৯৪ সালে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং মনমোহন অধিকারীর সংখ্যালঘু সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৯ সালের নির্বাচনে অলি ঝাপা-২ ও ঝাপা-৬ আসন থেকে প্রতিনিধি সভার সদস্য নির্বাচিত হন, কিন্তু তিনি ঝাপা-৬ আসনটি ছেড়ে দেন।

ক্রান্তিকাল[সম্পাদনা]

২০০৬ সালে অলি গিরিজা প্রসাদ কৈরালার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে নিযুক্ত হন।[১০][১১] সহকর্মী মদন ভাণ্ডারীর মৃত্যুর তদন্তের দায়িত্বও তাঁকে দেওয়া হয়।

অলি ২০০৮ সালে সংবিধান সভা নির্বাচনে ঝাপা-৭ আসন থেকে হেরে যান। এরপর ২০০৯ সালে সিপিএন-ইউএমএলের সাধারণ সভায় চেয়ারম্যান পদের নির্বাচনে ঝলনাথ খানালের কাছে হেরে যান।

২০১৩ সালের সংবিধান সভা নির্বাচনে ঝাপা-৭ আসন থেকে নির্বাচিত হন এবং পার্টি চেয়ারম্যান ঝলনাথ খানালকে হারিয়ে দলের সংসদীয় পার্টির নেতা নির্বাচিত হন।[১২] পরবর্তীতে ২০১৪ সালে দলের নবম সাধারণ সভায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন।[১৩][১৪]

প্রথম দফায় প্রধানমন্ত্রিত্ব[সম্পাদনা]

২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর অলি সংবিধান সভায় ৫৯৭ ভোটের মধ্যে ৩৩৮টি ভোট পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। নেপালের একীভূত কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী), রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি, মধেশী অধিকার ফোরাম এবং অন্যান্য ১৩টি ছোট দল অলিকে সমর্থন দেয়। ১২ অক্টোবর তাঁকে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়।[১৫]

প্রথম দফাতেই নেপালের নতুন সংবিধান ঘোষণার পর ভারত নেপালে অর্থনৈতিক অবরোধ তৈরি করে।[১৬] তিনি সংবিধান পুনঃসংশোধনে ভারতের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে দাঁড়ান এবং ভারত-নির্ভরতা কমানোর জন্য চীনের সাথে বাণিজ্য ও পরিবহন চুক্তি স্বাক্ষর করেন।[১৭]

২০১৬ সালের ১৩ জুলাই নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী-কেন্দ্র) জোট সরকার থেকে সমর্থন তুলে দেয় এবং ১৪ জুলাই অনাস্থা প্রস্তাব আনে। এতে সিপিএন-ইউএমএল ও অলি সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন হারান। কিন্তু সিপিএন-ইউএমএল সংশ্লিষ্ট দলগুলোকে নিয়ে পার্লামেন্টে আলোচনায় বসে। এর মধ্যে অন্য দুই বৃহৎ দল রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি ও মধেশী অধিকার ফোরাম-গণতান্ত্রিক জোট সরকারের উপর তাদের সমর্থন তুলে দেয়। আলোচনার তৃতীয় দিন, ২৪ জুলাই বিরোধী দলগুলোর উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে অলি পদত্যাগ করেন।

দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রিত্ব[সম্পাদনা]

২০১৭ সালের নির্বাচনে ইউসিপিএন (মাওবাদী)-এর সমর্থন নিয়ে সিপিএন-ইউএমএল প্রতিনিধি সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। অলি ২০১৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন।[১৮][১৯] পরবর্তীতে ১১ মার্চ ২৭৫ সদস্যের প্রতিনিধিস ভায় আনা একটি আস্থা ভোটে অলি ২৬৮-এর মধ্যে ২০৮টি ভোট লাভ করেন।[২০]

নির্বাচনের ফলাফল[সম্পাদনা]

অলি সিপিএন-ইউএমএল এর হয়ে ঝাপা জেলা থেকে ১৯৯১, ১৯৯৪, ১৯৯৯, ২০০৮, ২০১৩, ২০১৫ ও ২০১৭ সালের সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেন।[২১] তিনি ১৯৯৯ সালের নির্বাচনে দুইটি আসন থেকে জয়ী হন এবং ঝাপা-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ২০০৮ সালে সংবিধান সভা নির্বাচনে তিনি হেরে যান।

এখানে শুধুমাত্র বিজয়ী ও নিকট প্রতিদ্বন্দ্বীর ভোট দেখানো হয়েছে।

১৯৯১ প্রতিনিধি সভা নির্বাচন: ঝাপা-৬

দল প্রতিদ্বন্দ্বী ভোট মন্তব্য
সিপিএন-ইউএমএল কে পি অলি বিজয়ী

১৯৯৪ প্রতিনিধি সভা নির্বাচন: ঝাপা-৬

দল প্রতিদ্বন্দ্বী ভোট মন্তব্য
সিপিএন-ইউএমএল কে পি অলি ১৮,৮৬১ বিজয়ী
নেপালি কংগ্রেস কেশব কুমার বুধাথোকি ১৪,২০২ পরাজিত

১৯৯৯ প্রতিনিধি সভা নির্বাচন: ঝাপা-২

দল প্রতিন্দ্বন্দ্বী ভোট মন্তব্য
সিপিএন- ইউএমএল কে পি অলি ১৮,৯০৯ বিজয়ী
নেপালি কংগ্রেস গিরিরাজ কুমারি প্রসাই ১৮,৮৯২ পরাজিত

১৯৯৯ প্রতিনিধি সভা নির্বাচন: ঝাপা-৬

দল প্রতিদ্বন্দ্বী ভোট মন্তব্য
সিপিএন-ইউএমএল কে পি অলি ২৩,৭৪৯ বিজয়ী
নেপালি কংগ্রেস কাসিলাল তাজপুরিয়া ১৯,৭১৩ পরাজিত

২০০৮ সংবিধান সভা নির্বাচন: ঝাপা-৭

দল প্রতিদ্বন্দ্বী ভোট মন্তব্য
সিপিএন-ইউএমএল কে পি অলি ১৪,৯৫৯ পরাজিত
একীকৃত নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী) বিশ্বদীপ লিংদেন লিম্বু ১৬,০৯৯ বিজয়ী

২০১৩ সংবিধান সভা নির্বাচন: ঝাপা-৭

দল প্রতিদ্বন্দ্বী ভোট মন্তব্য
সিপিএন-ইউএমএল কে পি অলি ১৯,২৮৭ বিজয়ী
নেপালি কংগ্রেস সুরেশ কুমার ইয়ংগায়া ১১,০৪১ পরাজিত

২০১৫ সালে সংবিধান সভায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন

দল প্রার্থী ভোট মন্তব্য
সিপিএন-ইউএমএল কে পি অলি ৩৩৮ বিজয়ী
নেপালি কংগ্রেস সুশীল কৈরালা ২৪৯ পরাজিত

২০১৭ প্রতিনিধি সভা নির্বাচন: ঝাপা-৫[২২]

দল প্রতিদ্বন্দ্বী ভোট মন্তব্য
সিপিএন-ইউএমএল কে পি অলি ৫৭,১৩৯ বিজয়ী
নেপালি কংগ্রেস খগেন্দ্র অধিকারী ২৮,২৯৭ পরাজিত

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Oli appointed as 41st PM of Nepal"My Republica Online। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ 
  2. "KP Sharma Oli appointed Nepal's new prime minister"www.aljazeera.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০২-১৫ 
  3. "Oli as 41st PM of Nepal – Bolchha Nepal"Bolchha Nepal (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৮-০২-১৫। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০২-১৫ 
  4. "Oli I elected 38th Prime Minister of Nepal (Update)"The Kathmandu Post। সংগ্রহের তারিখ ১১ অক্টোবর ২০১৫ 
  5. "The Original Maoist"। Nepali Times। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-১২-১৩ 
  6. "KP Sharma Oli-why Nepal's new PM isn't the right man for the job"catchnews.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-১২-১৩ 
  7. "Read a brief biography on newly elected PM KP Sharma Oli"The Kathmandu Post। Kantipur Publications। সংগ্রহের তারিখ ৮ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  8. Sharma Manohar, "Oli ko Jeevani (Life of Oli)", Jana Astha National Weekly, 12th January 2004. Page 12
  9. "Jeevan saathi with Mr & Mrs. K.P. Oli"YouTube। Himalaya TV। সংগ্রহের তারিখ ৮ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  10. "Nepal calls ceasefire with rebels"BBC। ৩ মে ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১২ 
  11. Moriarty, James। "Seven Cabinet Members Formed"Wikileaks। US Embassy, Kathmandu। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  12. "Oli elected as UML PP leader"eKantipur। ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  13. "The Himalayan Times: Oli elected UML chairman mixed results in other posts – Detail News: Nepal News Portal"The Himalayan Times। ১৫ জুলাই ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১৪ 
  14. "Nepal congratulates Oli for election victory"। Myrepublica.com। ১৫ জুলাই ২০১৪। ১৮ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১৪ 
  15. "Nepal's new premier names protest group leaders as deputies", Associated Press, 12 October 2015.
  16. Sharma, Bhadra। "Nepal's Prime Minister, K. P. Sharma Oli, Resigns Ahead of a No-Confidence Vote"The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ 
  17. "Oli once more"Nepali Times। Himal Media Pvt Ltd। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ 
  18. "KP Oli becomes Prime Minister of Nepal for the second time"Kathmandu Tribune। Nepal Tribune Media। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৮ 
  19. Sharma, Gopal। "Moderate Nepali communist Oli to 'balance China, India' as new PM"Reuters। Thomson Reuters। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ 
  20. "प्रधानमन्त्री ओलीका पक्षमा ७५ प्रतिशत सांसद"Setopati.com। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০১৮ 
  21. "Election Commission of Nepal"। ১২ অক্টোবর ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ নভেম্বর ২০১৮ 
  22. "Jhapa : Province 1 – Nepal Election Latest Updates and Result for Federal Parliament"। The Kathmandu Post। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

পার্টির রাজনৈতিক কার্যালয়
পূর্বসূরী
ঝলনাথ খানাল
নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি (একীকৃত মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী) দলের প্রধান
২০১৪ – বর্তমান
উত্তরসূরী
--
পূর্বসূরী
--
নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি'র প্রধান
২০১৮ – বর্তমান
নির্ধারিত হয়নি
রাজনৈতিক দপ্তর
পূর্বসূরী
সুশীল কৈরালা
নেপালের প্রধানমন্ত্রী
২০১৫ – ২০১৬
উত্তরসূরী
পুষ্পকমল দাহাল
পূর্বসূরী
শের বাহাদুর দেউবা
নেপালের প্রধানমন্ত্রী
২০১৮ – বর্তমান
নির্ধারিত হয়নি