ক্লিমেন্ট জনসন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ক্লিমেন্ট জনসন
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামক্লিমেন্ট লেকি জনসন
জন্ম(১৮৭১-০৩-৩১)৩১ মার্চ ১৮৭১
কারবারি, কাউন্টি কিলডেয়ার, আয়ারল্যান্ড
মৃত্যু৩১ মে ১৯০৮(1908-05-31) (বয়স ৩৭)
রুডপুর্ট, ট্রান্সভাল, দক্ষিণ আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম ফাস্ট
ভূমিকাঅল-রাউন্ডার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ৩২)
২ মার্চ ১৮৯৬ বনাম ইংল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৮৯৩ - ১৮৯৪ট্রান্সভাল
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা
রানের সংখ্যা ১০ ১১৭
ব্যাটিং গড় ৫.০০ ১৬.৭১
১০০/৫০ ০/০ ০/১
সর্বোচ্চ রান ৫২
বল করেছে ১৪০ ৪৭০
উইকেট
বোলিং গড় ৬৫.৬৬
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ১/২৭
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১/- ২/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ক্লিমেন্ট লেকি জনসন (ইংরেজি: Clement Johnson; জন্ম: ৩১ মার্চ, ১৮৭১ - মৃত্যু: ৩১ মে, ১৯০৮) কাউন্টি কিলডেয়ার এলাকায় জন্মগ্রহণকারী আইরিশ বংশোদ্ভূত দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৮৯৬ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভাল দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম ফাস্ট বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন ক্লিমেন্ট জনসন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

কাউন্টি কিলডেয়ারের কারবারি এলাকায় ক্লিমেন্ট জনসনের জন্ম। ডাবলিনের ট্রিনিটি কলেজে অধ্যয়ন করেছিলেন। ১৮৮৯ থেকে ১৮৯৩ সময়কালে ডাবলিন বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে খেলেছেন। ১৮৯০ থেকে ১৮৯৩ সালের মধ্যে আয়ারল্যান্ডের পক্ষে গুরুত্বহীন খেলাগুলোয় অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

একসময় তিনি আয়ারল্যান্ডের অন্যতম সেরা ক্রিকেটারের মর্যাদা লাভ করেছিলেন। ডানহাতি ফাস্ট বোলার ছিলেন ও চমৎকার ব্যাটিং করতেন তিনি। ১৮৯২ সালে ডাবলিনে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে ৪৯ ও ৫৬ রান তুলেছিলেন। এ পর্যায়ে এ পর্যায়ে তিনি ই. সি. স্ট্রিটফিল্ড, এফ. এস. জ্যাকসন, সি. এম. ওয়েলস ও এইচ. আর. ব্রোমলি-ডেভেনপোর্টের বোলিং আক্রমণ মোকাবেলা করেছিলেন।

১৮৯২ সালে আয়ারল্যান্ড জেন্টলম্যান দলের সদস্যরূপে উত্তর আমেরিকা গমন করেন। ১৮৯৩-৯৪ মৌসুম থেকে ১৮৯৮-৯৯ মৌসুম পর্যন্ত ক্লিমেন্ট জনসনের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ১৮৯৩ সালে ভগ্নস্বাস্থ্যের কারণে আয়ারল্যান্ড ছেড়ে ট্রান্সভালে চলে যান। সেখানে তিনি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অংশ নেন। ১৮৯৩-৯৪ মৌসুমে ট্রান্সভালের পক্ষে কারি কাপের দুই খেলায় অংশ নেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

দক্ষিণ আফ্রিকান ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশগ্রহণের অল্প কিছুদিন পর ১৮৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ঐ সফরে ২৪টি খেলায় অংশ নেন। তবে, কোনটিই প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলা হিসেবে পরিগণিত হয়নি। ১৪.৩২ গড়ে ৫০৮ রান ও ১৭.২৭ গড়ে ৫০ উইকেট লাভ করেন তিনি। লিভারপুল ও জেলা দলের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ১১২ রান তুলেন। আয়ারল্যান্ড জেন্টলম্যান দলের বিপক্ষে করেন ৭৯ রান।

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন ক্লিমেন্ট জনসন। ২ মার্চ, ১৮৯৬ তারিখে জোহেন্সবার্গে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। এরপর আর তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি।

মার্চ, ১৮৯৬ সালে সফরকারী লর্ড হকের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টটিতে অংশ নিয়েছিলেন। জোহেন্সবার্গের ওল্ড ওয়ান্ডেরার্স মাঠে অনুষ্ঠিত টেস্টের প্রথম ইনিংসে ০/৫৭ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন। ব্যাট হাতে নিয়ে ৩ ও ৭ রান করলে স্বাগতিক দল ফলো-অনের কবলে পড়ে ইনিংস ব্যবধানে পরাভূত হয়েছিল।

৩১ মে, ১৯০৮ তারিখে মাত্র ৩৭ বছর বয়সে ট্রান্সভালের রুডপুর্ট এলাকায় ক্লিমেন্ট জনসনের দেহাবসান ঘটে।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Clement Johnson"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০১৪ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]