বিষয়বস্তুতে চলুন

ক্রিমীয় তাতার নাগরিক অধিকার আন্দোলন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ক্রিমীয় তাতার নাগরিক অধিকার আন্দোলন
সোভিয়েত ইউনিয়নে মানবাধিকার আন্দোলনেরের অংশ অংশ
তারিখমে ১৯৪৪ – ১৪ নভেম্বর ১৯৮৯
অবস্থান
কারণক্রিমীয় তাতারদের নির্বাসন, তাতারোফোবিয়া, ক্রিমিয়ার তাতারীকরণ-বিরোধী কার্যক্রম
পদ্ধতিঅহিংসাবাদ, অহিংস প্রতিরোধ, আইন অমান্য
ফলাফলক্রিমীয় তাতারদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তন

ক্রিমীয় তাতার নাগরিক অধিকার আন্দোলন ছিল ২০শ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে ক্রিমীয় তাতারদের মধ্যে একটি ঢিলেঢালা সংগঠিত আন্দোলন, যারা ১৯৪৪ সালের মে মাসে ক্রিমিয়া থেকে নির্বাসিত হওয়ার পর নির্বাসনে বসবাস করছিল। এর মূল লক্ষ্য ছিল স্বতন্ত্র জাতিগত গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি পুনরুদ্ধার, ক্রিমিয়ায় ফিরে যাওয়ার অধিকার অর্জন এবং ক্রিমীয় এএসএসআর পুনঃপ্রতিষ্ঠা। আন্দোলন শুরু হওয়ার সময় ১৯৫০-এর দশকে এর নেতারা ছিলেন কেবল সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির কর্মী এবং লাল ফৌজের সাবেক সৈনিক যারা বিশ্বাস করতেন যে সোভিয়েত ইউনিয়ন শিগগিরই লেনিনবাদ জাতীয় নীতির যথাযথ অনুসরণে তাদের সম্পূর্ণ পুনর্বাসিত করবে। সময়ের সাথে সাথে এবং পার্টি ক্রিমীয় তাতারদের ন্যূনতম দাবিগুলোতেও শত্রুতামূলক মনোভাব বজায় রাখায় আন্দোলনে বিভক্তি দেখা দেয়। অনেক যুবক যারা শৈশবে নির্বাসিত হয়েছিল তারা কমিউনিজমের উপর ভরসা হারিয়ে ফেলে এবং আন্দোলনের নেতাদের লেনিনবাদ অবস্থানের সমালোচনা করতে শুরু করে। অবশেষে ১৯৮৯ সালে সোভিয়েত সরকার নির্বাসিত সব ক্রিমীয় তাতারদের ক্রিমিয়ায় ফিরে যাওয়ার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয় এবং পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করে। এরপর কয়েক বছরের মধ্যে দুই লক্ষাধিক ক্রিমীয় তাতার ক্রিমিয়ায় ফিরে আসলেও এখনো তারা ক্রিমিয়ায় নিজেদের জাতীয় স্বায়ত্তশাসন থেকে বঞ্চিত।[][][]

১৯৪৪ সাল থেকে ক্রিমীয় তাতাররা মূলত মধ্য এশিয়ায় 'বিশেষ বসতি স্থাপনকারী' হিসেবে বসবাস করত যার অর্থ তাদের খুব সীমিত অধিকার ছিল। 'বিশেষ বসতি স্থাপনকারী'দের নির্দিষ্ট ছোট এলাকাগুলি ছাড়ার অনুমতি ছিল না এবং নিয়মিতভাবে কমান্ড্যান্টের কার্যালয়ে সই করে হাজিরা দিতে হতো।[][][][] উজবেকদের উদ্দেশ্যে সোভিয়েত প্রচারণা ক্রিমীয় তাতারদের তাদের মাতৃভূমির জন্য হুমকি হিসেবে উপস্থাপন করত যার ফলে উজবেক কমিউনিস্ট অনুগতদের দ্বারা ক্রিমীয় তাতার বেসামরিকদের বিরুদ্ধে বহু ঘৃণাজনিত অপরাধ নথিভুক্ত হয়েছে।[][] ১৯৫০-এর দশকে বিশেষ বসতি শাসন শেষ হলেও ক্রিমীয় তাতারদের মধ্য এশিয়ার সঙ্গে দৃঢ়ভাবে বাঁধা রাখা হয়। চেচেন, কারাচাইকালমাইকদের মতো অন্যান্য নির্বাসিত জাতিগোষ্ঠী ক্রুশ্চেভ শিথিলতার সময় পুরোপুরি নিজ নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার অনুমতি পেলেও ক্রিমীয় তাতারদের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কারণের সঙ্গে ভুল ধারণা ও জাতিগত স্টেরিওটাইপ মিলিয়ে মস্কো ও তাশখন্দ তাদের একই অধিকার দিতে অনিচ্ছুক ছিল। একই ফরমান যা অন্যান্য নির্বাসিত জাতিগোষ্ঠীকে পুনর্বাসিত করে ও তাদের জাতীয় প্রজাতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে। ক্রিমীয় তাতারদের জাতীয় প্রজাতন্ত্র চাইলে তাতার এএসএসআর-এ জাতীয় পুনর্মিলন খুঁজে নিতে উৎসাহিত করে যা ক্রিমীয় তাতারদের মধ্যে ব্যাপক হতাশা সৃষ্টি করে। কারণ তাদের সঙ্গে তাতারস্তানের কোনো যোগসূত্র বা সেখানে ফেরার ইচ্ছা ছিল না।[][১০] মস্কোর প্রত্যাবর্তনের অনুমতি না দেওয়ার পেছনে শুধু ক্রিমিয়ায় নতুন রুশ বসতকারীদের সন্তুষ্ট করার ইচ্ছাই ছিল না বরং যারা ফিরে আসার ধারণার প্রতি খুব শত্রুভাবাপন্ন ছিল এবং তাতারবিরোধী প্রচারণার শিকার হয়েছিল এছাড়াও অর্থনৈতিক কারণও ছিল। মধ্য এশিয়ায় ক্রিমীয় তাতার শ্রমিকদের উচ্চ উৎপাদনশীলতা মানে ছিল যে তাদের ফিরে আসতে দিলে মধ্য এশিয়ার সোভিয়েত শিল্পায়ন লক্ষ্যে ধাক্কা লাগবে।[] ইতিহাসবিদরা বহুদিন ধরে উল্লেখ করেছেন যে নির্বাসনে বন্দিত্বের বিরুদ্ধে চেচেনদের সহিংস প্রতিরোধ তাদের প্রত্যাবর্তনের অনুমতিতে বেশি প্রস্তুতি তৈরি করেছিল।[১১] অথচ অহিংস ক্রিমীয় তাতার আন্দোলন তাদের মধ্য এশিয়া ছেড়ে যাওয়ার ইচ্ছা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়।[১১] কার্যত সরকার ক্রিমীয় তাতারদের স্তাখানোভবাদী হওয়ার জন্য শাস্তি দিচ্ছিল এবং সমাজতন্ত্র গঠনে কম অবদান রাখা নির্বাসিত জাতিগোষ্ঠীকে পুরস্কৃত করছিল যা আরও ক্ষোভের জন্ম দেয়।[১২][১৩]

১৯৬৭ সালের সোভিয়েত ফরমান কাগজে-কলমে ক্রিমীয় তাতারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার করলেও তাদের প্রকৃত জাতিগত নাম উল্লেখ না করে পরিবর্তে সেই সৌম্যবচন ব্যবহার করে যা পরবর্তীতে প্রচলিত হয়ে যায় 'তাতার জাতীয়তার নাগরিক' যারা পূর্বে ক্রিমিয়ায় বসবাস করত যা অনেক ক্রিমীয় তাতারকে ক্ষুব্ধ করে। কারণ এতে তারা বুঝতে পারে যে সরকার তাদের প্রকৃতপক্ষে ক্রিমীয় তাতার হিসেবেই স্বীকার করছে না। তাছাড়া সোভিয়েত সরকার তাদের ক্রিমিয়ায় পুনর্বাসনের জন্য বা হারানো জীবন ও বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের জন্য কিছুই করেনি।[১৪] পেরেস্ত্রইকা যুগে ব্যাপক প্রত্যাবর্তনের আগে ক্রিমীয় তাতাররা ক্রিমিয়ার জনসংখ্যার মাত্র ১.৫% ছিল কারণ সরকারী সংস্থাগুলি বসবাসের অনুমতিপত্র ব্যবস্থার বাইরে আরও নানা পদক্ষেপ নেয় তাদের মধ্য এশিয়ায় আটকে রাখতে।[১৫][১৬]

পদ্ধতি

[সম্পাদনা]

বিশেষ বসতি শাসন বাতিল হওয়ার ফলে ক্রিমীয় তাতার অধিকার আন্দোলনের কর্মীরা সংগঠিত হতে সক্ষম হন। প্রাথমিকভাবে সরকারের কাছে অভিযোগ জানানোর প্রধান উপায় ছিল পিটিশন দাখিল। বহু ফেরার অধিকারের দাবিতে আয়োজিত পিটিশনে এক লক্ষেরও বেশি স্বাক্ষর সংগ্রহ হয়েছিল। যদিও মাঝে মাঝে অন্য প্রতিবাদের মাধ্যম ব্যবহার করা হলেও পুরো আন্দোলন সম্পূর্ণ অহিংস ছিল।[১৭][১৮] যখন কেবল অল্প সংখ্যক ক্রিমীয় তাতারকে ক্রিমিয়ায় ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল তখন যাদের বসবাসের অনুমতি দেওয়া হয়নি তারা ক্রিমিয়ায় ফিরে গিয়ে গোপনে বসবাসের চেষ্টা করতেন। তবে বসবাসের অনুমতি না থাকায় তাদের দ্বিতীয়বার নির্বাসিত হতে হয়।[১৯]

দ্বিতীয়বার নির্বাসন এড়ানোর চূড়ান্ত উপায় হিসেবে আত্মদাহের পথ বেছে নেন ক্রিমীয় তাতার জাতীয় নায়ক মুসা মামুত যিনি বসবাসের অনুমতি ছাড়াই ক্রিমিয়ায় চলে এসেছিলেন। ১৯৭৮ সালের ২৩ জুন পুলিশ যখন তাকে নির্বাসিত করতে আসে তিনি নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে তাদের সামনে আত্মদাহ করেন। কয়েক দিন পর মারাত্মক দগ্ধ হয়ে মামুতের মৃত্যু হয়। তবে আত্মদাহ করার কোনো অনুশোচনা তিনি প্রকাশ করেননি।[২০] মৃত্যুর পর মামুত ক্রিমীয় তাতার প্রতিরোধ ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতীকে পরিণত হন এবং এখনো ক্রিমীয় তাতারদের মধ্যে স্মরণীয়।[২১] ক্রিমীয় তাতারদের ফেরার অধিকার আন্দোলনের নামে অন্যান্য উল্লেখযোগ্য আত্মদাহের মধ্যে রয়েছে শাভকাত ইয়ারুলিন যিনি ১৯৮৯ সালের অক্টোবরে এক সরকারি ভবনের সামনে আত্মদাহ করে মৃত্যুবরণ করেন এবং সেয়িদামেত বালজি যিনি একই বছরের ডিসেম্বরে ক্রিমিয়া থেকে নির্বাসনের সময় আত্মদাহের চেষ্টা করেন কিন্তু বেঁচে যান।[২২] অনেক অন্যান্য বিখ্যাত ক্রিমীয় তাতার যেমন সোভিয়েত ইউনিয়নের বীর আবদ্রাইম রেশিদভ সরকারকে সতর্ক করেছিলেন যে তাদের উপেক্ষা অব্যাহত থাকলে তারা আত্মদাহ করবেন।[২৩] সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ দিকে ক্রিমীয় তাতার কর্মীরা রেড স্কোয়ারে পিকেট প্রতিবাদও করেছেন।[২৪][]

ফলাফল

[সম্পাদনা]

বহু দশক ধরে সরকার ক্রিমীয় তাতারদের পূর্ণ পুনর্বাসনের দাবিগুলি মেনে নিতে দৃঢ়ভাবে বিরোধিতা করেছে এবং সময়ের সাথে সাথে কেবল সামান্য প্রতীকী ছাড় দিয়েছে। যেমন তাশখন্দে একটি ক্রিমীয় তাতার ভাষা অনুষদ প্রতিষ্ঠার অনুমতি দেওয়া। তবে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে 'ক্রিমীয় তাতার' ভাষা অনুষদ নামে পরিচিত ছিল না বরং 'ক্রিমীয় তাতার' শব্দটির সেন্সরশিপের কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে এর নামকরণ করা হয়েছিল 'তাশখন্দ তাতার ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ'।[২৫][২৬] এটি ছিল সরকার কর্তৃক ক্রিমীয় তাতারদের স্বতন্ত্র জাতিগত গোষ্ঠী হিসেবে পুনঃস্বীকৃতি ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখার কৌশলের অংশ।[২৭] অবশেষে ১৯৭৮ সালে সরকার মুবারেক অঞ্চলে সাংস্কৃতিক সহায়তাসহ ক্রিমীয় তাতারদের ঘনবসতির প্রস্তাব দেয়।[২৮]

দীর্ঘ সময় ধরে ক্রিমীয় তাতার নাগরিক অধিকার আন্দোলনের পর ১৯৮৭ সালে সোভিয়েত সরকার একটি কমিশন গঠন করে ক্রিমিয়ায় ফেরার অধিকার সংক্রান্ত অনুরোধ মূল্যায়নের জন্য। উক্ত কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন আন্দ্রেই গ্রোমিকো[২৯] গ্রোমিকোর তাচ্ছিল্যপূর্ণ মনোভাব[৩০] এবং ফেরার অধিকারের নিশ্চয়তা না দেওয়া[৩১] আন্দোলনের সদস্যদের উদ্বিগ্ন করে তোলে। ১৯৮৮ সালের জুনে তিনি একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেন যেখানে ক্রিমীয় তাতার স্বায়ত্তশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয় এবং কেবলমাত্র অল্পসংখ্যক ক্রিমীয় তাতারকে সংগঠিতভাবে ফেরার অনুমতি দেওয়ার পক্ষে মত দেওয়া হয়। তবে নির্বাসিত জনসংখ্যা অধ্যুষিত এলাকায় স্থানীয় পর্যায়ে ক্রিমীয় তাতার ভাষায় আরও প্রকাশনা ও বিদ্যালয়ের পাঠদানের মতো অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো মেনে নেওয়া হয়।[৩২] স্বায়ত্তশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও ক্রিমীয় তাতারদের ফেরার অধিকারের কোনো ভিত্তি নেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।[৩৩] এই সিদ্ধান্ত ব্যাপক প্রতিবাদের জন্ম দেয়।[৩৪] গ্রোমিকো কমিশনের স্বায়ত্তশাসন ও ফেরার অনুরোধ প্রত্যাখ্যানের কম দুই বছরের মধ্যে মধ্য এশিয়ায় নির্বাসিত মেসখেতিয়ান তুর্কদের বিরুদ্ধে দাঙ্গা শুরু হয়। সেই দাঙ্গায় কিছু ক্রিমীয় তাতারও লক্ষ্যবস্তু হন যার ফলে ক্রিমীয় তাতারদের ক্রিমিয়ায় ফেরার অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে মনোভাব পরিবর্তিত হয়।[৩৫] অবশেষে ১৯৮৯ সালে দ্বিতীয় একটি কমিশন গঠন করা হয় যার চেয়ারম্যান ছিলেন গেনাদি ইয়ানায়েভ এবং এতে ক্রিমীয় তাতার সদস্যও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এই কমিশন সিদ্ধান্ত নেয় যে নির্বাসন অবৈধ ছিল এবং ক্রিমীয় তাতারদের পূর্ণ ফেরার অধিকার দেওয়া হবে। এর ফলে পূর্ববর্তী সেই সব আইন বাতিল করা হয় যা ক্রিমীয় তাতারদের ক্রিমিয়ায় ফেরা যতটা সম্ভব কঠিন করার জন্য প্রণীত হয়েছিল।[৩৬][৩৭]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Williams 2021, পৃ. 337।
  2. Uehling 2004, পৃ. 259।
  3. Guboglo 1992
  4. Fisher 2014, পৃ. 250-252।
  5. 1 2 Williams 2016, পৃ. 107-108।
  6. Uehling 2004, পৃ. 100।
  7. 1 2 Allworth 1998, পৃ. 225-227।
  8. Stronski 2010, পৃ. 133।
  9. 1 2 Naimark 2002, পৃ. 67-69।
  10. Khayali 2016, পৃ. 28-38।
  11. 1 2 Williams 2016, পৃ. 108।
  12. Buckley, Ruble এবং Hofmann 2008, পৃ. 213।
  13. Williams 2016, পৃ. 108, 136।
  14. Buttino 1993, পৃ. 68।
  15. Basket Three 1977, পৃ. 261।
  16. Report (ইংরেজি ভাষায়)। The Group। ১৯৭০। পৃ. ১৪–২০।
  17. Williams 2001, পৃ. 420।
  18. Allworth 1988, পৃ. 55, 167–169।
  19. Uehling 2004, পৃ. 208।
  20. Allworth 1988, পৃ. 167-169।
  21. Gromenko 2016, পৃ. 283-286।
  22. Yakupova 2009, পৃ. 28-30, 47–48।
  23. Ablyazov 2015
  24. Russia (ইংরেজি ভাষায়)। Chalidze Publication। ১৯৮৩। পৃ. ১২১–১২২।
  25. Биз - къырымлармыз!: Мы - крымцы! 2006, পৃ. 33।
  26. Dagdzhi 2008, পৃ. 175।
  27. Allworth 1998, পৃ. 200।
  28. Allworth 1988, পৃ. 344।
  29. Smith 1996, পৃ. 425-426।
  30. Fouse 2000, পৃ. 340।
  31. Mastny 2019, পৃ. 133।
  32. Country Reports 1989, পৃ. 1230।
  33. Human Rights Watch 1991, পৃ. 38।
  34. Vyatkin 1997, পৃ. 32।
  35. Bekirova 2016
  36. Skutsch 2005, পৃ. 1190।
  37. Arbatov, Lynn-Jones এবং Motley 1997, পৃ. 96-97।

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]