বিষয়বস্তুতে চলুন

ক্যাথারিন জনসন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ক্যাথারিন জনসন
ক্যাথারিন জনসন
১৯৮৩ সালে জনসন
জন্ম
ক্রিওলা ক্যাথারিন কোলম্যান

(১৯১৮-০৮-২৬)২৬ আগস্ট ১৯১৮
মৃত্যু২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০(2020-02-24) (বয়স ১০১)
অন্যান্য নামক্যাথারিন গোব্‌ল
শিক্ষাওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি (বিএস)
পেশামানব কম্পিউটার, কম্পিউটার প্রোগ্রামার, গণিত শিক্ষিকা
নিয়োগকারী
পরিচিতির কারণনাসার মহাকাশ অভিযানের জন্য কক্ষপথ নির্ণয়
দাম্পত্য সঙ্গী
  • জেমস গোব্‌ল (বি. ১৯৩৯; মৃ. ১৯৫৬)
  • জিম জনসন (বি. ১৯৫৯; মৃ. ২০১৯)
সন্তান৩
পুরস্কার
ওয়েবসাইটkatherinejohnson.net

ক্রিওলা ক্যাথারিন জনসন (জন্ম নাম কোলম্যান; ২৬ আগস্ট ১৯১৮ – ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০) ছিলেন একজন মার্কিন মানব কম্পিউটার। নাসার হয়ে কক্ষপথ গাণিতিক বিশ্লেষণ সংক্রান্ত তাঁর হিসাব-নিকাশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মানব-সহ মহাকাশযাত্রা এবং পরবর্তী সফল মিশনগুলির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।[১][২]

নাসা এবং এর পূর্বসূরি ন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি কমিটি ফর অ্যারোনটিকস–এ ৩৩ বছরের কর্মজীবনে তিনি জটিল হাতে-কলমে হিসাব-নিকাশে অসাধারণ দক্ষতা প্রদর্শন করেছিলেন। সেই সঙ্গে মানুষের স্থলে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু করার ক্ষেত্রেও তিনি পথিকৃৎ ছিলেন। নাসা তাঁকে “প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান নারী বিজ্ঞানীদের একজন” হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।[৩]

জনসনের কাজের মধ্যে ছিল কক্ষপথ নির্ণয়, উৎক্ষেপণ সময় নির্বাচন, এবং জরুরি অবস্থায় প্রত্যাবর্তনের পথ নির্ধারণ। এগুলো বিশেষভাবে প্রজেক্ট মারকারি মিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল, যেখানে মহাকাশচারী অ্যালান শেফার্ড (মহাকাশে প্রথম মার্কিন নাগরিক) এবং জন গ্লেন (পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করা প্রথম মার্কিন নাগরিক) অংশ নেন। তিনি অ্যাপোলো লুনার মডিউল এবং কমান্ড মডিউল-এর মিলিত পথও নির্ধারণ করেছিলেন।[৪] তাঁর কাজ স্পেস শাটল কর্মসূচির সূচনা এবং মঙ্গল গ্রহে মানব অভিযান পরিকল্পনার জন্যও অপরিহার্য ছিল।

২০১৫ সালে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাঁকে প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম প্রদান করেন। ২০১৬ সালে নাসার মহাকাশচারী লিল্যান্ড ডি. মেলভিন তাঁর হাতে সিলভার স্নুপি পুরস্কার এবং নাসা গ্রুপ অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন। একই বছরে মুক্তিপ্রাপ্ত হিডেন ফিগারস চলচ্চিত্রে তাঁকে তারাজি পি. হেনসন চরিত্রায়ণ করেন। ২০১৯ সালে মার্কিন কংগ্রেস তাঁকে কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল প্রদান করে।[৫] ২০২১ সালে মৃত্যুর পর তাঁকে ন্যাশনাল উইমেন্স হল অব ফেম-এ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।[৬]

ক্যাথারিন জনসন ২৬ আগস্ট ১৯১৮ সালে হোয়াইট সালফার স্প্রিংস, পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা-মা ছিলেন জোইলেট রবার্টা (লোয়) এবং জোশুয়া ম্যাককিনলি কোলম্যান।[৭] তিনি চার ভাইবোনের মধ্যে কনিষ্ঠ ছিলেন।[৮] তাঁর মা ছিলেন শিক্ষিকা এবং বাবা কাঠুরে, কৃষক ও মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন। তিনি গ্রিনব্রায়ার হোটেল-এও চাকরি করেছিলেন।[৯]

শৈশব থেকেই জনসনের গণিতের প্রতি প্রবল আগ্রহ ও দক্ষতা প্রকাশ পায়। সেই সময় গ্রিনব্রায়ার কাউন্টি, পশ্চিম ভার্জিনিয়া-তে অষ্টম শ্রেণির পর আফ্রিকান-আমেরিকান শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো সরকারি স্কুল ছিল না। তাই তাঁর পরিবার তাঁদের সন্তানদের উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ার জন্য ইনস্টিটিউট, পশ্চিম ভার্জিনিয়াতে পাঠায়। এ স্কুলটি ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট কলেজ ক্যাম্পাসে অবস্থিত ছিল। জনসন মাত্র দশ বছর বয়সে এই বিদ্যালয়ে ভর্তি হন।[১০]

পরিবারটি শিক্ষাবর্ষে ইনস্টিটিউটে থাকত এবং গ্রীষ্মকালে হোয়াইট সালফার স্প্রিংসে ফিরে যেত।[১১]

মাত্র ১৪ বছর বয়সে উচ্চ বিদ্যালয় শেষ করে জনসন এইচবিসিইউ ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট কলেজ-এ ভর্তি হন। তিনি কলেজে গণিতের প্রতিটি কোর্স গ্রহণ করেন। সেখানে কয়েকজন অধ্যাপক তাঁকে বিশেষভাবে দিকনির্দেশ দেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন রসায়নবিদ ও গণিতবিদ অ্যাঞ্জি টার্নার কিং, যিনি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তাঁকে পথ দেখিয়েছিলেন, এবং ডব্লিউ. ডব্লিউ. শিফেলিন ক্লেইটর, যিনি গণিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনকারী তৃতীয় আফ্রিকান-আমেরিকান। ক্লেইটর শুধু জনসনের জন্য নতুন গণিত কোর্স তৈরি করেছিলেন।[১২] তিনি ১৯৩৭ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে গণিত ও ফরাসি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।[১৩]

স্নাতক শেষ করার পর তিনি ম্যারিয়ন, ভার্জিনিয়ায় একটি কৃষ্ণাঙ্গ সরকারি স্কুলে শিক্ষকতার চাকরি গ্রহণ করেন।[১৪]

১৯৩৯ সালে, প্রথম স্বামী জেমস গোবলের সঙ্গে বিবাহের পর তিনি শিক্ষকতার চাকরি ছেড়ে গণিতের স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি হন। তবে প্রথম সেশন শেষ হবার আগেই তিনি পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে পরিবারে মনোনিবেশ করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ছিলেন পশ্চিম ভার্জিনিয়ার মর্গানটাউনে অবস্থিত ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়-এর স্নাতকোত্তর বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান নারী। ডব্লিউভিএসসি-র প্রেসিডেন্ট জন ডব্লিউ. ডেভিস-এর মাধ্যমে তিনি তিনজন আফ্রিকান-আমেরিকান শিক্ষার্থীর একজন হিসেবে নির্বাচিত হন, এবং একমাত্র নারী ছিলেন, যিনি ১৯৩৮ সালের যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের মিসৌরি বনাম কানাডা মামলা-র রায়ের পর গ্র্যাজুয়েট স্কুলে প্রবেশাধিকার পান। এই রায়ে বলা হয়েছিল, কোনো অঙ্গরাজ্য যদি শ্বেতাঙ্গ শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেয়, তবে কৃষ্ণাঙ্গ শিক্ষার্থীদেরও একই সুযোগ দিতে হবে। এ জন্য হয় কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে, নয়তো কৃষ্ণাঙ্গদের পূর্বে শুধু শ্বেতাঙ্গদের জন্য নির্ধারিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে হবে।[৯][১৫]

কর্মজীবন

[সম্পাদনা]
ডেস্কে বসে কাজ করছেন জনসন
১৯৬৬ সালে নাসার স্পেসক্রাফট কন্ট্রোল শাখায় কাজ করছেন জনসন।

তার কন্যারা বড় হয়ে উঠার পর তিনি আবার শিক্ষকতায় ফিরে যান। ১৯৫২ সালে, তার এক আত্মীয় তাকে জানান যে ন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি কমিটি ফর অ্যারোনটিকস (নাকা) তাদের পশ্চিমাঞ্চলীয় কম্পিউটিং শাখায় কর্মী নিচ্ছে। হ্যাম্পটনে অবস্থিত ল্যাংলি মেমোরিয়াল অ্যারোনটিক্যাল ল্যাবরেটরিতে নাকা তাদের গাইডেন্স অ্যান্ড ন্যাভিগেশন বিভাগে কৃষ্ণাঙ্গ এবং শ্বেতাঙ্গ উভয় ধরনের গণিতবিদ নিয়োগ করছিল। জনসন ১৯৫৩ সালের জুন মাসে নাকার চাকরির প্রস্তাব গ্রহণ করেন। চাকরিতে যোগ দিতে গিয়ে জনসন পরিবারকে নিউপোর্ট নিউজে স্থানান্তরিত হতে হয়।[১৬]

ন্যাশনাল ভিশনারি লিডারশিপ প্রজেক্টে সংরক্ষিত এক সাক্ষাৎকার অনুযায়ী:

প্রথমদিকে তিনি একদল নারীর সঙ্গে কাজ করতেন যারা গাণিতিক হিসাব-নিকাশ করত। ক্যাথরিন সেই নারীদের "স্কার্ট পরা কম্পিউটার" বলে উল্লেখ করতেন। তাদের মূল কাজ ছিল বিমানের ব্ল্যাক বক্স থেকে তথ্য সংগ্রহ করা এবং নিখুঁত গাণিতিক বিশ্লেষণ করা। একদিন ক্যাথরিন ও তার এক সহকর্মীকে সাময়িকভাবে পুরুষদের ফ্লাইট গবেষণা দলে সহায়তার জন্য পাঠানো হয়। ক্যাথরিনের বিশ্লেষণাত্মক জ্যামিতির জ্ঞান দ্রুতই পুরুষ বস ও সহকর্মীদের আস্থা অর্জন করে এবং তারা "তাকে আর কম্পিউটার দলে ফেরত পাঠাতে ভুলে যায়"। জাতিগত ও লিঙ্গ বৈষম্য সবসময়ই ছিল, কিন্তু ক্যাথরিন সেগুলো উপেক্ষা করতেন। তিনি আত্মবিশ্বাসী ছিলেন এবং সম্পাদনা বৈঠকগুলোতে অন্তর্ভুক্ত হতে চাইতেন (যেখানে আগে কোনো নারী যেতেন না)। তিনি সরাসরি বলতেন, তিনি কাজ করেছেন এবং তার জায়গা সেখানে।

১৯৫৩ থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত জনসন একজন মানব কম্পিউটার হিসেবে কাজ করেছেন,[১৭] যেখানে তার দায়িত্ব ছিল বিমানের জন্য ঝড় প্রশমনের মতো জটিল হিসাব করা। প্রথমে তিনি ওয়েস্ট এরিয়া কম্পিউটারস অংশে গণিতবিদ ডরোথি ভন-এর অধীনে কাজ করতেন, পরে তাকে ল্যাংলির ফ্লাইট রিসার্চ ডিভিশনের গাইডেন্স অ্যান্ড কন্ট্রোল বিভাগে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে শ্বেতাঙ্গ পুরুষ প্রকৌশলীরা কাজ করতেন।[১৮] ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের বর্ণবৈষম্য আইন এবং প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন-এর সময়ে চালু হওয়া ফেডারেল কর্মক্ষেত্র বিভাজনের কারণে জনসন ও অন্যান্য কৃষ্ণাঙ্গ নারী কর্মীদের আলাদা অফিস, আলাদা খাবার ঘর এবং আলাদা শৌচাগার ব্যবহার করতে হতো। তাদের অফিসকে বলা হতো "কালারড কম্পিউটারস"। ডব্লিউএইচআরও-টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জনসন বলেছিলেন, তিনি নাসায় বিভাজন অনুভব করেননি, কারণ সবার লক্ষ্য ছিল গবেষণা করা। কাজ গুরুত্বপূর্ণ ছিল, আর দুপুরে একসঙ্গে ব্রিজ খেলা। তিনি বলেন: "আমি বিভাজন অনুভব করিনি। জানতাম এটা আছে, কিন্তু আমি সেটা অনুভব করিনি।"[১৯]

১৯৫৮ সালে নাকা ভেঙে গিয়ে নাসা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ডিজিটাল কম্পিউটার চালু হলে কালারড কম্পিউটারস ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে বিভাজন তুলে নেওয়া হয়েছিল,[১৮] বৈষম্যের বিভিন্ন রূপ তখনও বিদ্যমান ছিল। জনসন সেই সময়ের কথা স্মরণ করে বলেছিলেন:

জনসনের নাম সহ প্রথম নাসা রিপোর্ট।[২০]

আমাদের সেই সময়ে নারীদের সাহসী হতে হতো—দৃঢ় হতে হতো—এবং সেটা কতটা দরকার, তা নির্ভর করত কোথায় কাজ করছেন তার ওপর। আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিল। নাসার শুরুর দিকে নারীদের রিপোর্টে নাম দেওয়া হতো না—আমার বিভাগে কোনো নারীর নাম কখনও কোনো রিপোর্টে ছিল না। আমি টেড স্কোপিনস্কির সঙ্গে কাজ করছিলাম, তিনি হিউস্টনে চলে যেতে চাইছিলেন... কিন্তু আমাদের সুপারভাইজার হেনরি পিয়ারসন—যিনি নারীদের পক্ষে ছিলেন না—বারবার তাকে রিপোর্ট শেষ করতে চাপ দিচ্ছিলেন। শেষে টেড বললেন, "ক্যাথরিন রিপোর্ট শেষ করবে, যেহেতু অধিকাংশ কাজ ও-ই করেছে।" এতে পিয়ারসনের আর উপায় ছিল না; আমি রিপোর্ট শেষ করি এবং আমার নাম রিপোর্টে যায়। এটিই ছিল প্রথমবার যখন আমাদের বিভাগে কোনো নারীর নাম রিপোর্টে যুক্ত হয়।[২১]

ব্যক্তিগত জীবন ও মৃত্যু

[সম্পাদনা]

ক্যাথারিন ও জেমস ফ্রান্সিস গোব্‌ল দম্পতির তিন কন্যা ছিল। ১৯৫৩ সাল থেকে পরিবারটি ভার্জিনিয়ার নিউপোর্ট নিউজ শহরে বসবাস করত। ১৯৫৬ সালে জেমসের মস্তিষ্কে অপারেশন অযোগ্য টিউমার ধরা পড়ে এবং তিনি মারা যান।[২২] তিন বছর পর, ক্যাথারিন জেমস এ. "জিম" জনসনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা ও কোরিয়ান যুদ্ধের অভিজ্ঞ সৈনিক ছিলেন। তারা দীর্ঘ ষাট বছর একসাথে ছিলেন, যতদিন না ২০১৯ সালের মার্চে ৯৩ বছর বয়সে জনসন মারা যান।[৭][২৩][২৪]

জনসনের ছয়জন নাতি-নাতনি ও এগারোজন প্রপৌত্র-প্রপৌত্রী ছিল। তিনি ভার্জিনিয়ার হ্যাম্পটন শহরে বসবাস করতেন।[২৫] তিনি তাঁর নাতি-নাতনি ও শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে পড়াশোনায় উৎসাহিত করতেন।[২৬]

তিনি পঞ্চাশ বছর ধরে কারভার মেমোরিয়াল প্রেসবাইটেরিয়ান চার্চের সদস্য ছিলেন এবং সেখানকার কোরাসে গান গাইতেন।[২৭]

২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি নিউপোর্ট নিউজের একটি অবসর নিবাসে ১০১ বছর বয়সে জনসন মারা যান।[৭][২৮] তাঁর মৃত্যুর পর নাসার প্রশাসক জিম ব্রাইডেনস্টাইন তাঁকে "একজন আমেরিকান নায়িকা" হিসেবে অভিহিত করেন এবং বলেন, "বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে তাঁর পথপ্রদর্শক অবদান কখনও বিস্মৃত হবে না।"[২৯]

উত্তরাধিকার ও সম্মাননা

[সম্পাদনা]
জনসন রাষ্ট্রপতির স্বাধীনতা পদক পরে বসে আছেন
২০১৫ সালে জনসনকে রাষ্ট্রপতির স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়।

জনসন ২৬টি বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধের সহ-লেখক ছিলেন।[৩০] মহাকাশ বিজ্ঞান ও কম্পিউটিং-এ একজন অগ্রণী হিসেবে তার সামাজিক প্রভাব বিভিন্ন সম্মাননা এবং বিজ্ঞানের জীবনে অনুসরণযোগ্য উদাহরণ হিসেবে তাকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।[৩০][৩১][৩২][৩৩] ১৯৯৯ সালে তিনি ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট কলেজের সেরা প্রাক্তন ছাত্রী নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা ২৪ নভেম্বর ২০১৫-তে তাকে রাষ্ট্রপতির স্বাধীনতা পদক প্রদান করেন, যেখানে আরও ১৬ জন আমেরিকানকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছিল। তাঁকে আফ্রিকান-আমেরিকান নারীদের মধ্যে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত-এর অগ্রদূত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।[৩৪] সে সময় ওবামা বলেন, "ক্যাথরিন জি. জনসন সমাজের লিঙ্গ ও বর্ণভিত্তিক প্রত্যাশায় সীমাবদ্ধ থাকতে অস্বীকার করেছেন এবং মানবজাতির সীমানা প্রসারিত করেছেন।"[৭] নাসা তার ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, তিনি "প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান নারী বিজ্ঞানীদের একজন হিসেবে নাসায় কাজ শুরু করেছিলেন।"[৩]

 জনসন একটি বেঞ্চে বসে আছেন, পাশে একটি সাইনবোর্ড যাতে ক্যাথরিন জি. জনসন কম্পিউটেশনাল রিসার্চ ফ্যাসিলিটির নাম লেখা আছে।
কম্পিউটেশনাল রিসার্চ ফ্যাসিলিটির সামনে জনসন।

তাঁর সম্মানে নাসার দুটি স্থাপনার নামকরণ করা হয়েছে। ৫ মে ২০১৬-তে, হ্যাম্পটন, ভার্জিনিয়ার ল্যাংলি রিসার্চ সেন্টারে একটি ৪০,০০০ বর্গফুটের নতুন ভবন "ক্যাথরিন জি. জনসন কম্পিউটেশনাল রিসার্চ ফ্যাসিলিটি" নামে উৎসর্গ করা হয়। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭-তে উদ্বোধন করা হয়।[৩৫][৩৬] জনসন নিজে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, যা একইসাথে নভোচারী অ্যালান শেপার্ডের ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণ ও সফল প্রত্যাবর্তনের ৫৫তম বার্ষিকী ছিল—একটি সাফল্য যেখানে জনসনের হিসাব বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল।[৩৭] অনুষ্ঠান চলাকালীন, উপ-পরিচালক লেউইন বলেন, "সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষ শেপার্ডের ফ্লাইট দেখেছিলেন, কিন্তু তখন কেউ জানতেন না যে তাঁকে মহাকাশে নিয়ে যাওয়া এবং নিরাপদে ফেরানোর পেছনের হিসাব করেছিলেন আজকের সম্মানিত অতিথি ক্যাথরিন জনসন।" সেই অনুষ্ঠানে জনসন সিলভার স্নুপী পুরস্কারও লাভ করেন। এই পুরস্কার নাসা সাধারণত তাদের প্রদান করে যারা ফ্লাইট নিরাপত্তা ও মিশনের সাফল্যে অসাধারণ অবদান রাখেন।[৩৮] ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টে অবস্থিত ইনডিপেনডেন্ট ভেরিফিকেশন অ্যান্ড ভ্যালিডেশন ফ্যাসিলিটির নাম পরিবর্তন করে ক্যাথরিন জনসন ইনডিপেনডেন্ট ভেরিফিকেশন অ্যান্ড ভ্যালিডেশন ফ্যাসিলিটি রাখা হয়।[৩৯]

২০১৬ সালে বিবিসি তাকে বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।[৪০] একই বছর একটি ভিডিও বার্তায় নাসা জানায়, "চাঁদে অবতরণের অ্যাপোলো কর্মসূচি এবং স্পেস শাটল কর্মসূচি শুরুতে তার হিসাবগুলো ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমনটা প্রথম মহাকাশযাত্রার ক্ষেত্রেও ছিল।"[১]

বাল্টিমোর, মেরিল্যান্ডে ক্যাথরিন জনসন গ্লোবাল একাডেমির সাইনবোর্ড

বিজ্ঞান লেখিকা মায়া ওয়েইনস্টক ২০১৬ সালে "উইমেন অব নাসা" নামের একটি লেগো প্রোটোটাইপ তৈরি করেন, যেখানে জনসনের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। তবে জনসন নিজের প্রতিকৃতি চূড়ান্ত পণ্যে মুদ্রণ করতে রাজি হননি।[৪১] ১২ মে ২০১৮-তে তিনি কলেজ অব উইলিয়াম অ্যান্ড মেরি থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট লাভ করেন।[৪২] ২০১৮ সালের আগস্টে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি জনসনের সম্মানে একটি এসটিইএম বৃত্তি চালু করে এবং তার পূর্ণদৈর্ঘ্য মূর্তি ক্যাম্পাসে স্থাপন করে।[৪৩] ম্যাটেল ২০১৮ সালে জনসনের অনুকৃতিতে একটি বার্বি পুতুল তৈরি করে, যার সঙ্গে নাসার পরিচয়পত্রও যুক্ত ছিল।[৪৪] ২০১৯ সালে জনসনকে গভর্নমেন্ট এক্সিকিউটিভ-এর প্রথম সরকারি হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।[৪৫]

২০১৯ সালের জুনে জর্জ ম্যাসন বিশ্ববিদ্যালয় তাদের সাই-টেক ক্যাম্পাসের প্রধান ভবনের নামকরণ করে ক্যাথরিন জি. জনসন হল।[৪৬]

২০২০ সালে বেথেল স্কুল ডিস্ট্রিক্ট (ওয়াশিংটন) তাদের সর্বশেষ বিদ্যালয়ের নাম রাখে ক্যাথরিন জি. জনসন এলিমেন্টারি।[৪৭]

২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ বাহিনী জিপিএস ৩ স্পেস ভেহিকল–৮ স্যাটেলাইটের নামকরণ করে "ক্রিওলা ক্যাথরিন জনসন"।[৪৮] এটি ২০২৫ সালের ৩০ মে কক্ষপথে উৎক্ষেপণ করা হয়।[৪৯]

২০২০ সালের ২ নভেম্বর, ফেয়ারফ্যাক্স কাউন্টি পাবলিক স্কুলস—যা ভার্জিনিয়ার সবচেয়ে বড় স্কুল বিভাগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ১২তম বৃহত্তম—এবং সিটি অব ফেয়ারফ্যাক্স, ভার্জিনিয়া ঘোষণা করে যে পরেরটির স্কুল বোর্ড ভোট দিয়ে তাদের মধ্য বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করেছে। বিদ্যালয়টির আগের নাম ছিল কনফেডারেট সৈনিক, কবি ও সঙ্গীতশিল্পী সিডনি লেনিয়ার–এর নামে। বাসিন্দাদের ৮৫ শতাংশের সমর্থনে বিদ্যালয়টির নতুন নামকরণ করা হয় "ক্যাথরিন জনসন মিডল স্কুল (KJMS)"।[৫০]

২০২০ সালের ৬ নভেম্বর তার নামে একটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয় (নুসাতনুসাত ১৫ বা ‘ক্যাথরিন’, কসপার ২০২০-০৭৯জি)। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে নর্থরপ গ্রুম্যান তাদের Cygnus NG-15 মহাকাশযানকে, যা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন–এ সরবরাহ পাঠিয়েছিল, "এসএস ক্যাথরিন জনসন" নামকরণ করে তাঁর সম্মানে।[৫১]

বাল্টিমোর, মেরিল্যান্ডে ক্যাথরিন জনসন গ্লোবাল একাডেমির সাইনবোর্ড

২০২১ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার স্যাক্রামেন্টোতে সান জুয়ান ইউনিফাইড স্কুল ডিস্ট্রিক্ট তাদের নতুন বিদ্যালয়ের নাম রাখে "ক্যাথরিন জনসন মিডল স্কুল"।[৫২] একই বছরে বাল্টিমোর কাউন্টি পাবলিক স্কুলস তাদের তিনটি নতুন বিদ্যালয়ের একটির নামকরণ করে "ক্যাথরিন জনসন গ্লোবাল একাডেমি"।[৫৩]

গণমাধ্যমে উপস্থাপনা

[সম্পাদনা]

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে মুক্তি পায় চলচ্চিত্র হিডেন ফিগারস। এটি মার্গট লি শেটারলি রচিত একই নামের একটি অকল্পিত বই অবলম্বনে নির্মিত, যা সেই বছরই প্রকাশিত হয়েছিল। চলচ্চিত্রটিতে জনসন এবং আরও দুই আফ্রিকান-আমেরিকান নারী গণিতবিদ, মেরি জ্যাকসন ও ডরোথি ভন–এর কর্মজীবন দেখানো হয়েছে, যারা নাসায় কাজ করতেন। ছবিতে জনসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তারাজি পি. হেনসন।

৮৯তম একাডেমি পুরস্কারে হেনসনের সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত হলে জনসন দর্শকদের কাছ থেকে দাঁড়িয়ে অভিবাদন পান।[৫৪]

এক সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্র সম্পর্কে জনসন বলেছিলেন: "ছবিটি খুব ভালোভাবে তৈরি হয়েছে। তিনজন প্রধান নায়িকা আমাদের চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেছেন।"[৫৫]

২০১৬ সালে এনবিসি–এর টাইমলেস ধারাবাহিকের "স্পেস রেস" নামক পর্বে গণিতবিদ জনসনের চরিত্রে অভিনয় করেন নাদিন এলিস।[৫৬]

পুরস্কার

[সম্পাদনা]
একটি চেয়ারে বসে জনসনের হাতে নাসা গ্রুপ অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, পাশে এক পুরুষ ও এক নারী
জনসন একটি নাসা গ্রুপ অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করছেন
  • ১৯৭১, ১৯৮০, ১৯৮৪, ১৯৮৫ ও ১৯৮৬ সালে তিনি নাসা ল্যাংলি রিসার্চ সেন্টারের বিশেষ কৃতিত্ব পুরস্কার পান।[৫৭]
  • ১৯৭৭ সালে লুনার স্পেসক্রাফ্ট অ্যান্ড অপারেশনস টিমকে নাসার গ্রুপ অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়, চাঁদের কক্ষপথে প্রদক্ষিণ এবং মানচিত্রায়ণের জন্য অগ্রণী কাজের জন্য। জনসনও ছিলেন এই দলের অংশ।[৫৮]
  • ১৯৯৮ সালে সানি ফার্মিংডেল কলেজ থেকে তিনি সম্মানসূচক আইনবিদ্যা ডক্টরেট পান।[৫৯] ১৯৯৯ সালে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট কলেজ তাঁকে বর্ষসেরা প্রাক্তন শিক্ষার্থী ঘোষণা করে।[৫৯]
  • ২০০৬ সালে মেরিল্যান্ডের ক্যাপিটল কলেজ তাঁকে সম্মানসূচক বিজ্ঞান ডক্টরেট উপাধি প্রদান করে।[৬০]
  • ২০১০ সালে ভার্জিনিয়ার নরফোকে ওল্ড ডমিনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক বিজ্ঞান ডক্টরেট প্রদান করে।[৬১]
  • ২০১৪ সালে ন্যাশনাল উইমেনস হিস্ট্রি মিউজিয়াম থেকে তিনি “ডি পিজান অনার” পান।[৬২]
  • ২০১৫ সালে তিনি এনসিডব্লিউআইটি টেকনোলজির পথিকৃৎ পুরস্কার পান।[৬৩]
  • একই বছর, ২০১৫ সালে, তাঁকে প্রদান করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম।[৬৪]
  • ২০১৬ সালে নাসা ল্যাংলি রিসার্চ সেন্টারের সিলভার স্নুপি অ্যাওয়ার্ড পান।[৬৫]
  • ২০১৬ সালে অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি অফ দ্য প্যাসিফিক থেকে তাঁকে আর্থার বি.সি. ওয়াকার II অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।[৬৬]
  • ২০১৬ সালে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার মরগানটাউন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রেসিডেন্সিয়াল সম্মানসূচক ডক্টরেট অব হিউম্যান লেটারস পান।[৬৭]
  • ২০১৬ সালের ১ ডিসেম্বর, ভর্জিনিয়ার এয়ার অ্যান্ড স্পেস সেন্টারে ল্যাংলি ওয়েস্ট কম্পিউটিং ইউনিটের নাসা গ্রুপ অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন জনসন। অন্যান্য পুরস্কারপ্রাপ্ত ছিলেন তার সহকর্মীরা ডরোথি ভন এবং মেরি জ্যাকসন।[৬৮]
  • ২০১৭ সালে ডটারস অফ দি আমেরিকান রেভোলিউশন (ডিএএআর) মেডেল অব অনার পান।[৬৯]
  • ২০১৭ সালে স্পেলম্যান কলেজ থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট লাভ করেন।[৭০]
  • ২০১৮ সালের ১২ মে, ভর্জিনিয়ার উইলিয়াম অ্যান্ড মেরি কলেজ থেকে সম্মানসূচক বিজ্ঞান ডক্টরেট পান।[৭১][৭২]
  • ২০১৯ সালের ২৯ এপ্রিল, জোহানেসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর বিজ্ঞান অনুষদ জনসনকে নাসায় তার অগ্রণী ভূমিকার জন্য ফিলোসফিয়াই ডক্টর হোনরিস কাসা উপাধি প্রদান করে।[৭৩][৭৪]
  • ২০১৯ সালের ৮ নভেম্বর, তিনি কংগ্রেসিয়নাল গোল্ড মেডেল পান।[৭৫][৭৬]
  • ২০২১ সালে তিনি ন্যাশনাল উইমেনস হল অফ ফেম-এ অন্তর্ভুক্ত হন।[৬]
  • ২০২৪ সালে তিনি ন্যাশনাল এভিয়েশন হল অফ ফেম-এ অন্তর্ভুক্ত হন।[৭৭]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2
    • Smith, Yvette (২৪ নভেম্বর ২০১৫)। "Katherine Johnson: The Girl Who Loved to Count"। নাসা। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। একজন কম্পিউটার হিসেবে, তিনি অ্যালান শেফার্ডের কক্ষপথ নির্ণয় করেছিলেন, যিনি মহাকাশে প্রথম মার্কিন নাগরিক। এমনকি নাসা ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করার পরেও, জন গ্লেন তাঁর মিশনের আগে নতুন কম্পিউটারের ফলাফলগুলো তিনি নিজে পুনঃপরীক্ষা করবেন কিনা সেই অনুরোধ করেছিলেন – যে মিশনে তিনি পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করা প্রথম মার্কিন মহাকাশচারী হন। তিনি ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত নাসায় কাজ চালিয়ে যান, গণিত ও ইলেকট্রনিক কম্পিউটার দক্ষতাকে একত্রিত করে। তাঁর হিসাব অ্যাপোলো চন্দ্রাভিযান কর্মসূচি এবং স্পেস শাটল কর্মসূচির শুরুর সাফল্যের জন্যও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
  2. ↑ Fox, Margalit (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "ক্যাথারিন জনসন ১০১ বছর বয়সে মারা গেলেন; নাসায় প্রতিবন্ধকতা ভেঙেছিলেন গণিতবিদ"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০২৩।
  3. 1 2 "Hidden Figures To Modern Figures: Students See SLS Rocket at Michoud"। YouTube। Marshall Space Flight Center। ২৪ নভেম্বর ২০১৬। ২০ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২০।
  4. ↑ লরা বি. এজ (২০২০)। অ্যাপোলো ১৩: এক সফল ব্যর্থতা। মিলব্রুক প্রেস। পৃ. ৬৪–৬৫। আইএসবিএন ৯৭৮১৫৪১৫৯৫৭৮১।
  5. ↑ "'হিডেন ফিগারস' দলকে মার্কিন কংগ্রেসে কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল প্রদান"। ১০ ডিসেম্বর ২০১৯।
  6. 1 2 "মিশেল ওবামা ও মিয়া হ্যামকে উইমেন্স হল অব ফেম-এ অন্তর্ভুক্ত"। ৮ মার্চ ২০২১।
  7. 1 2 3 4 Fox, Margalit (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "ক্যাথারিন জনসন ১০১ বছর বয়সে মারা গেলেন; নাসায় প্রতিবন্ধকতা ভেঙেছিলেন গণিতবিদ"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। পৃ. A১। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
  8. ↑ Shetterly, Margot Lee (১ ডিসেম্বর ২০১৬)। "মারকারি মহাকাশচারীরা যাঁকে ছাড়া চলতে পারতেন না সেই নারী"। নটিলাস। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ ডিসেম্বর ২০১৬।
  9. 1 2 Gutman, David (২৬ ডিসেম্বর ২০১৫)। "বছরের শ্রেষ্ঠ পশ্চিম ভার্জিনিয়ান: ক্যাথারিন জি. জনসন"। চার্লসটন গেজেট-মেইল। ২৭ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬।
  10. ↑ Yvette Smith, সম্পাদক (২৪ নভেম্বর ২০১৫)। "ক্যাথারিন জনসন: যে মেয়েটি সংখ্যাকে ভালোবাসত"। নাসা। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০১৭। সংখ্যার প্রতি মুগ্ধ এবং মেধাবী জনসন ১০ বছর বয়সে উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে ভর্তি হন – এমন এক যুগে যা সত্যিই বিস্ময়কর, কারণ সাধারণত আফ্রিকান-আমেরিকানদের জন্য অষ্টম শ্রেণিতেই শিক্ষা থেমে যেত। ক্যাথারিন একাধিক শ্রেণি অতিক্রম করে মাত্র ১৪ বছর বয়সে মাধ্যমিক এবং ১৮ বছর বয়সে কলেজ শেষ করেন।
  11. ↑ "জনসন"। ন্যাশনাল স্পেস গ্রান্ট ফাউন্ডেশন। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
  12. ↑ Shetterly, Margot Lee (৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬)। হিডেন ফিগারস: আমেরিকান স্বপ্ন এবং কালো নারী গণিতবিদদের অজানা কাহিনি। উইলিয়াম মোরো। পৃ. ২৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-০৬-২৩৬৩৬১-৯।
  13. ↑ Gutman, David (১৬ নভেম্বর ২০১৫)। "পশ্চিম ভার্জিনিয়ার সন্তান, নাসার গণিতবিদ প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম পাচ্ছেন"। ডব্লিউভি গেজেট মেইল: চার্লসটন গেজেট মেইল। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬।
  14. ↑ Porter-Nichols, Stephanie (২৪ জানুয়ারি ২০১৭)। "ম্যারিয়নের প্রাক্তন শিক্ষিকা ক্যাথারিন জনসনকে সম্মাননা প্রদান"। SWVA টুডে। ১৪ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০১৭।
  15. ↑ "Missouri ex rel. Gaines v. Canada 305 U.S. 337 (1938)"। Justia US Supreme Court। ১৯৩৮। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬।
  16. ↑ "Katherine Johnson Biography - NASA" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২২ নভেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
  17. ↑ Hodges, Jim (২৬ আগস্ট ২০০৮)। "She Was a Computer When Computers Wore Skirts"। Langley Research Center। NASA। ১৪ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০১৬।
  18. 1 2 Buckley, Cara (৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬)। "On Being a Black Female Math Whiz During the Space Race"। The New York Times। পৃ. C১। আইএসএসএন 0362-4331। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
  19. ↑ "Katherine Johnson Interview: NASA's Human-Computer"। HistoryvsHollywood.com। CTF Media। ২০১৬। ৩ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৭।
  20. ↑ Skopinski, T. H.; Johnson, Katherine G. (১ সেপ্টেম্বর ১৯৬০)। "Determination of Azimuth Angle at Burnout for Placing a Satellite Over a Selected Earth Position"। NASA Technical Note (ইংরেজি ভাষায়)। হ্যাম্পটন, ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র: নাসা ল্যাংলি রিসার্চ সেন্টার – NASA Technical Reports Server (NTRS) এর মাধ্যমে।
  21. ↑ Warren, Wini (১৯৯৯)। Black Women Scientists in the United States (ইংরেজি ভাষায়)। Indiana University Press। পৃ. ১৪৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-২৫৩-৩৩৬০৩-৩।
  22. ↑ Johnson, Katherine; Hylick, Joylette; Moore, Katherine (২৬ মে ২০২১)। "How a Pioneering Mathematician Held Her Family Together in the Wake of Her Husband's Medical Emergency"। Literary Hub। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০২১।
  23. ↑ J. J. O'Connor; E. F. Robertson (ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Katherine Coleman Goble Johnson"। School of Mathematics & Statistics University of St Andrews, UK। ২২ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
  24. ↑ "Obituary: James A. Johnson"। O.H. Smith & Son Funeral Home। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
  25. ↑ Fountain, Nigel (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Katherine Johnson obituary"। দ্য গার্ডিয়ান (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0261-3077। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
  26. ↑ "The Untold History of Women in Science and Technology: Katherine Johnson"। হোয়াইট হাউস। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১৬।
  27. ↑ Brekke, Gregg (১০ জানুয়ারি ২০১৭)। "Real life 'Hidden Figures' mathematician is longtime Presbyterian"। দ্য প্রেসবাইটেরিয়ান আউটলুক। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  28. ↑ "Local hero, NASA mathematician Katherine Johnson dies at 101"। ডব্লিউটিকেআর। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
  29. ↑ Bridenstine, Jim [@JimBridenstine] (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Our @NASA family is sad to learn the news that Katherine Johnson passed away this morning at 101 years old. She was an American hero and her pioneering legacy will never be forgotten. www.nasa.gov/content/katherine-johnson-biography" (টুইট) – টুইটার এর মাধ্যমে।
  30. 1 2 "Human computers: Katherine G. Johnson"। NASA Cultural Resources (CRGIS)। ১৯ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১৫।
  31. ↑ "Black history... Katherine G Johnson (1918 – retired)""। Planet Science। NESTA। ২১ অক্টোবর ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  32. ↑ "Katherine G. Johnson: Physicist, Space Scientist, Mathematician"। ThinkQuest Library। Oracle। ৪ মার্চ ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  33. ↑ Butler-Craig, Naia (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Perspective | For 16-year-old black girl nerds, it's good that Katherine Johnson is no longer hidden"। দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0190-8286। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০২০।
  34. ↑ Ketchum, Sarah J. (১৭ নভেম্বর ২০১৫)। "Peninsula Officials: Regions Disaster-Ready"। ডেইলি প্রেস। নিউপোর্ট নিউজ, ভার্জিনিয়া। পৃ. A১। ১৭ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০১৯ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
  35. ↑ "Katherine G. Johnson Computational Research Facility Ribbon Cutting"। NASA Langley Research Center। ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭। ৩ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ – YouTube এর মাধ্যমে।
  36. ↑ Harriot, Michale (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭)। "NASA Dedicates Building To Hidden Figures Heroine Katherine Johnson"। দ্য রুট। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
  37. ↑ Northon, Karen (২৮ এপ্রিল ২০১৬)। "NASA Dedicates Facility to Mathematician, Presidential Medal Winner"। NASA। M16-046। ৩০ জুলাই ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০১৬।
  38. ↑ Loff, Sarah (২৬ আগস্ট ২০১৬)। "Katherine Johnson at NASA Langley Research Center"। NASA History। নাসা। ২ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০১৭।
  39. ↑ Cook, Gina (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯)। "NASA Honors 'Hidden Figure' Katherine Johnson"। NBC4 Washington (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
  40. ↑ "BBC 100 Women 2016: Who is on the list?"। BBC News। ২১ নভেম্বর ২০১৬। ২৩ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০১৬।
  41. ↑ Brady, Hillary (২৭ আগস্ট ২০১৮)। ""Women of NASA" LEGO Prototype Joins Collection"। স্মিথসোনিয়ান ন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস মিউজিয়াম। ৯ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৮।
  42. ↑ Heymann, Amelia (১২ মে ২০১৮)। "William and Mary commencement sends graduates out on new adventure"। দ্য ভার্জিনিয়া গেজেট। ১৩ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৮।
  43. ↑ "West Virginia State University to Honor Katherine Johnson with Statue, Scholarship"। WVSU। ৩১ মে ২০১৮। ১৩ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০১৮।
  44. ↑ Petrini, Andi (৮ মার্চ ২০১৮)। "Katherine Johnson to be included in Barbie 'Inspiring Women' series"। ডেইলি প্রেস। ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
  45. ↑ Shoop, Tom (১৫ আগস্ট ২০১৯)। "Inaugural Inductees Into Government Hall of Fame Unveiled"। গভর্নমেন্ট এক্সিকিউটিভ। ১৫ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০১৯।
  46. ↑ "Katherine G. Johnson Hall will be a beacon for Mason students"। George Mason University (ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জানুয়ারি ২০২১।
  47. ↑ "Bethel School District names new school after pioneering black NASA mathematician Katherine Johnson"। Q13 FOX (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৪ আগস্ট ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০২০।
  48. ↑ "GPS III SV-08 Core Mate Complete, Space Vehicle Named for NASA Trailblazer"। Los Angeles Air Force Base (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২২ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুন ২০২৫।
  49. ↑ "U. S. Space Force Field Commands successfully launch GPS III, demonstrating expedited launch capabilities"। Space Operations Command। ৩০ মে ২০২৫। ৩ জুন ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুন ২০২৫।
  50. ↑ "City of Fairfax School Board Renames Lanier Middle School to Katherine Johnson Middle School"।
  51. ↑ Slotkin, Jason (২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১)। "Spacecraft Named For 'Hidden Figures' Mathematician Launches From Virginia"। NPR। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
  52. ↑ "Welcome to Catherine Johnson Middle School home of the Astros"। San Juan Unified School District (ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ জুন ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০২১।
  53. ↑ "Ribbon cutting ceremonies held for new schools"। WMAR 2 News Baltimore (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ আগস্ট ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০২৩।
  54. ↑ Maple, Taylor (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)। "Katherine Johnson, the real-life subject of 'Hidden Figures' receives standing ovation at Oscars"। এবিসি নিউজ। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
  55. ↑ Khan, Amina (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)। "Q&A: Our interview with Katherine G. Johnson, the real-life mathematician who inspired 'Hidden Figures'"। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। লস অ্যাঞ্জেলেস। ১ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০১৭।
  56. ↑ Shoemaker, Allison (২৯ নভেম্বর ২০১৬)। "Timeless needs to ditch the formula"। দ্য এ.ভি. ক্লাব। ১ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ ডিসেম্বর ২০১৬।
  57. ↑ "Katherine G. Johnson: Biography"। দ্য হিস্ট্রি মেকার্স। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২। ৮ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  58. ↑ Davis, Marianna W. (১৯৮২)। Contributions of Black Women to America: Civil rights, politics, and government, education, medicine, sciences (ইংরেজি ভাষায়)। Kenday Press। পৃ. ৪৬২। ওসিএলসি 8346862।
  59. 1 2 "Katherine Johnson biography"। আফ্রিকান-আমেরিকান রেজিস্ট্রি। ১ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  60. ↑ "Live, Learn, Pursue Passion – NASA Mathematician preps Class of 2006 to find its mission" (পিডিএফ)। ক্যাপিটল ক্রনিকল। ক্যাপিটল কলেজ। গ্রীষ্ম ২০০৬। ২৪ জুন ২০১০ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
  61. ↑ "MLK Event to Feature 'Hidden Figures' Author Margot Lee Shetterly"। ওল্ড ডমিনিয়ন ইউনিভার্সিটি (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০১৯।
  62. ↑ "National Women's History Museum Presents de Pizan Honors Gala"। dcoutlook.com। ১৯ অক্টোবর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০২৩।
  63. ↑ "Katherine Johnson"। ন্যাশনাল সেন্টার ফর উইমেন অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি। ২০১৫। ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১৬।
  64. ↑ Helsel, Phil (২৪ নভেম্বর ২০১৫)। "Obama honoring Spielberg, Streisand and more with medal of freedom"। AOL। এনবিসি নিউজ। ২৫ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১৫।
  65. ↑ "Katherine Johnson at NASA Langley Research Center"। NASA। ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ৭ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ ডিসেম্বর ২০১৬।
  66. ↑ "Katherine Johnson to receive the ASP's new Arthur B.C. Walker II Award"। অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি অফ দ্য প্যাসিফিক। ২০১৬। ২৮ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ ডিসেম্বর ২০১৬।
  67. ↑ "Katherine G. Johnson Presidential Honorary Doctorate of Humane Letters"। West Virginia University। ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ২ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০১৭।
  68. ↑ Loff, Sarah (২ ডিসেম্বর ২০১৬)। "Hidden Figures Premiere and Award Ceremony"। NASA। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২০।
  69. ↑ "126th Continental Congress Daughters of the American Revolution Convene in Washington, D.C."। ডটারস অফ দি আমেরিকান রেভোলিউশন। ২৬ জুন ২০১৭। ১৮ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০১৯।
  70. ↑ "Honorary Degree Recipients" (পিডিএফ)। স্পেলম্যান কলেজ। ১২ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০১৯।
  71. ↑ "Trailblazing African-American women to be honored at William & Mary Commencement"। উইলিয়াম অ্যান্ড মেরি কলেজ। ২৩ মার্চ ২০১৮। ১১ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০১৯।
  72. ↑ "2018 Honorary Degree: Katherine Johnson"। উইলিয়াম অ্যান্ড মেরি। ১২ মে ২০১৮। ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০১৯ – YouTube এর মাধ্যমে।
  73. ↑ Malinga, Sibahle (২৯ এপ্রিল ২০১৯)। "UJ honors 'human computer' Katherine Johnson"। ITWeb (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২০।
  74. ↑ "UJ honors NASA pioneer and African-American icon Katherine Johnson"। University of Johannesburg (ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ এপ্রিল ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২০।
  75. ↑ "H.R.1396 - Hidden Figures Congressional Gold Medal Act"। Congress.gov। ৮ নভেম্বর ২০১৯। ৯ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১৯।
  76. ↑ "NASA's 'hidden figures' to be awarded Congressional Gold Medals"। collectSPACE। ৮ নভেম্বর ২০১৯। ৯ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
  77. ↑ "Katherine Johnson"। National Aviation Hall of Fame (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।

অতিরিক্ত পাঠ্য

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:ভার্জিনিয়ার ইতিহাসে নারীরা