কোল্লাক্কাইল দেবকী আম্মা
কোল্লাক্কাইল দেবকী আম্মা | |
|---|---|
কোল্লাক্কাইল দেবকী আম্মা নারী শক্তি পুরস্কার গ্রহণ করছেন | |
| জন্ম | কোল্লাক্কাইল দেবকী আম্মা আনু. ১৯৩৪ |
| জাতীয়তা | ভারতীয় |
| পেশা | বনকর্মী |
| পরিচিতির কারণ | নারী শক্তি পুরস্কার |
কোল্লাক্কাইল দেবকী আম্মা (জন্ম আনু. ১৯৩৪ ) একজন ভারতীয় মহিলা। একটি গাড়ি দুর্ঘটনার কারণে কৃষিকাজ করতে না পারার পর তিনি বন সৃজন শুরু করেছিলেন। বনটি এখন ৪.৫ একর জুড়ে বিস্তৃত এবং ৩,০০০ এরও বেশি গাছ সেখানে রয়েছে। তিনি তাঁর কাজের জন্য বেশ কয়েকটি পুরস্কার পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে নারী শক্তি পুরস্কার।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]দেবকী আম্মার জন্ম আনু. ১৯৩৪ সালে, কেরালার আলেপ্পি জেলার মুথুকুলমে।[১][২] তাঁর দাদুর কাছ থেকে তিনি উদ্যানপালনে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।[৩] তিনি একজন শিক্ষক গোপালকৃষ্ণ পিল্লাইকে বিয়ে করেন, যিনি শিক্ষকতার সঙ্গে সঙ্গে ধানক্ষেতে ধান চাষের কাজও করতেন।[৩][৪] ১৯৮০ সালে, দেবকী আম্মা একটি গুরুতর গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়েন, যার ফলে তিনি তিন বছর ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন।[১][৩]
অরণ্য
[সম্পাদনা]দুর্ঘটনা থেকে সেরে ওঠার পর, দেবকী আম্মা ধানক্ষেতে কাজ করতে পারছিলেন না, তাই তিনি তাঁর বাড়ির পেছনের বাগানে গাছ লাগানো শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে এই প্রকল্পটি ৪.৫ একর বিস্তৃত বনে পরিণত হয়।[১] সেখানে কৃষ্ণনাল, মেহগনি, আম, মাস্ক, পাইন, স্টার এবং তেঁতুল সহ ৩,০০০ এরও বেশি গাছ রয়েছে।[১][৩] এখানে বিরল উদ্ভিদও রয়েছে এবং এই অরণ্য আমুর ফ্যালকন, ব্লুথ্রোট, কালো ডানাওয়ালা স্টিল্ট, প্যারাডাইস ফ্লাইক্যাচার এবং পান্না ঘুঘুর মতো পাখিদের আকর্ষণ করে।[১][৩][৫] দেবকী আম্মা পঁয়ত্রিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে বনে কাজ করেছেন, বেশিরভাগ সময় নিজেই, গরু, মহিষ এবং বলদ ব্যবহার করে এবং বৃষ্টির জল সংগ্রহ করে বন সৃজন করেছেন।[৫]
পুরস্কার
[সম্পাদনা]দেবকী আম্মাকে আলেপ্পি জেলা কর্তৃক সামাজিক বনায়ন পুরস্কার এবং জ্ঞান ভারতী কর্তৃক ভূমিত্র পুরস্কার প্রদান করা হয়। কেরালা রাজ্য তাঁকে হরি ব্যক্তি পুরস্কার প্রদান করেছে।[৩] জাতীয় পর্যায়ে তিনি ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী বৃক্ষমিত্র পুরস্কার[৬] এবং নারী শক্তি পুরস্কার পেয়েছেন। শেষোক্তটি তাঁকে ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ প্রদান করেন।[৩]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 A, Sam Paul (৪ মে ২০১৯)। "In 4.5 acres, she nurtures a dense forest"। The Hindu (ভারতীয় ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২১।
- ↑ Kesharwani, Sakshi (৫ সেপ্টেম্বর ২০২০)। "Devaki Amma – An unsung hero"। Times of India (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২১।
- 1 2 3 4 5 6 7 Adil, Yashfeen (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯)। "Kollakkayil Devaki Amma: The Woman Who Built A Forest"। Feminism In India। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২১।
- ↑ "The woman who gave birth to a forest"। Kerala Tourism (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২১।
- 1 2 Karelia, Gopi (১৯ মার্চ ২০১৯)। "Working for 40 Years, Kerala's 85-YO Devaki Amma Grew a Forest All By Herself!"। The Better India। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২১।
- ↑ "The woman who gave birth to a forest, Kollakkayil Devaki Amma, Alappuzha, Personal Forest, Attraction, Kerala Tourism"। Kerala Tourism (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০২১।