কোকোরো (খাবার)
কোকোরো একটি স্ন্যাকস খাবার। এটি নাইজেরিয়ার ইউরুবা জনগণ তৈরি করে। এটি ময়দার লেই থেকে প্রস্তুত করা হয় এবং চিনি, গারি (কাসাভা) বা ইয়াম ময়দা মিশিয়ে তেলে ভাজা হয়।[১] সাধারণত এটি নাইজেরিয়ার ওগুন রাজ্যে বিক্রি হয়।
১৯৯১ সালে লেগোসের স্কুলের শিশুদের জন্য বিক্রি হওয়া খাবার নিয়ে একটি গবেষণায়, কোকোরোর নমুনা সংগ্রহ করে মাইক্রোবায়োলজিক্যাল বিশ্লেষণ করা হয়। এতে দশ ধরনের ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে খাদ্য বিষক্রিয়া ও ডায়রিয়ার কারণ হওয়া ব্যাকটেরিয়াও ছিল। গবেষণাটি কোকোরো তৈরির সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার নিয়ন্ত্রণ উন্নত করা এবং শেলফ লাইফ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।[২]
একটি গবেষণায় উন্নত পুষ্টিমানসম্পন্ন সংস্করণ তৈরির চেষ্টা করা হয়। এতে দেখা যায়, ডি-ফ্যাটেড সয়াবিন বা আখরোটের কেক ময়দার সঙ্গে মেশানো যেতে পারে। তবে, মোট ময়দার ১০% এর বেশি হলে স্বাদ ও গঠন গ্রহণযোগ্য থাকত না।[৩]
অন্য একটি গবেষণায় কোকোরো থেকে তৈরি পুষ্টিকর স্ন্যাকস পরীক্ষা করা হয়। এটি এক্সট্রুশন রান্নার মাধ্যমে তৈরি করা হয় এবং এতে ভুট্টা, সয়াবিন ও বিভিন্ন মসলা (যেমন মরিচ, পেঁয়াজ, লবণ, পাম তেল, কলা ও আলু) ব্যবহার করা হয়।[৪]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Snacks: Kokoro II"। Dyfed Lloyd Evans। ৮ জুন ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০০৯।
- ↑ "Letters to the editor: Journal of Tropical Pediatrics 1991 37(5): pages 266-268"। Oxford University Press। ১৫ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০০৯।
- ↑ P. I. Uzor-Peters; N. U. Arisa; C. O. Lawrence; N. S. Osondu; A. Adelaja (সেপ্টেম্বর ২০০৮)। "Effect of partially defatted soybeans or groundnut cake flours on proximate and sensory characteristics of kokoro"। African Journal of Food Science. Vol (2) pp. 098-101। ১৫ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০০৯।
- ↑ Olusola Omueti; I. D. Morton। "Development by extrusion of soyabari snack sticks: a nutritionally improved soya—maize product based on the Nigerian snack (kokoro)"। International Journal of Food Sciences and Nutrition, Volume 47, Issue 1 January 1996 , pages 5 - 13।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য)