কোকান্দ জামে মসজিদ
| কোকান্দ জামে মসজিদ | |
|---|---|
Qoʻqon jome masjidi | |
![]() | |
| সাধারণ তথ্যাবলী | |
| অবস্থা | সক্রিয় |
| ধরন | মসজিদ |
| স্থাপত্যশৈলী | ইসলামি |
| অবস্থান | চোরসু স্কয়ার, কোকান্ড |
| শহর | কোকান্ড |
| দেশ | উজবেকিস্তান |
| স্থানাঙ্ক | ৪০°৩১′৫৮″ উত্তর ৭০°৫৬′৫৭″ পূর্ব / ৪০.৫৩২৭° উত্তর ৭০.৯৪৯৩° পূর্ব |
| নির্মাণের বছর | ১৮১৯-১৮২২ |
| সংস্কার | ১৯১৩ |
| অধিভুক্তি | ইসলাম |
| কারিগরি বিবরণ | |
| উপাদান | কাঠ, ইট, গাঞ্চ (প্লাস্টার) |
কোকান্দ জামে মসজিদ (উজবেক: Qoʻqon jome masjidi) হলো উজবেকিস্তানের ফারগানা প্রদেশের কোকান্ড শহরের চোরসু স্কয়ারে অবস্থিত একটি স্থাপত্য নিদর্শন। এটি ১৮১৯-১৮২২ সালে কোকান্ডের শাসক ওমর খানের নির্দেশে নির্মিত হয়েছিল।[১] এই চত্বরটি একটি মসজিদ, একটি মাদ্রাসা, একটি প্রার্থনা কক্ষ, একটি মিনার এবং একটি খানকাহ নিয়ে গঠিত।
বর্তমানে এটি উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বসম্পন্ন বস্তুগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।[২]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]১৮০৫ সালে কোকান্ডের শাসক আলিম খানের নির্দেশে কোকান্ডে একটি কেন্দ্রীয় মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হয়, কিন্তু তা মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৮১৯ সালে কোকান্ড খানাতের পরবর্তী শাসক ওমর খান এই কোকান্ড জামে মসজিদের নির্মাণ কাজ পুনরায় শুরু করেন। নির্মাণ কাজটির নেতৃত্বে ছিলেন উরা-ত্যুবে থেকে আসা একজন বিখ্যাত স্থপতি। তাঁর অধীনে ২০০ নির্মাণ শ্রমিক কাজ করেছিলেন। দুই বছর পর কোকান্ড জামে মসজিদটির নির্মাণ সম্পন্ন হয়।[৩][১]
কোকান্ড জামে মসজিদটির একটি বিশাল আঙিনা রয়েছে। আঙিনার পশ্চিম অংশে একটি বড় বারান্দা (আয়তন ৯৭.৫ x ২৫.৫ মিটার) রয়েছে, যার ছাদ ৯৮টি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এ ছাড়া এখানে একটি খানকাহ রয়েছে। বারান্দার স্তম্ভগুলো শিল্পের এক অনন্য নিদর্শন; এগুলো স্বর্ণের প্রলেপসহ বিভিন্ন রঙে নিপুণভাবে চিত্রিত। খানকাহটি একটি উচ্চ চিত্রিত সিলিং দিয়ে তৈরি। আঙিনার মাঝখানে ২২.৫ মিটার উঁচু একটি মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। পোড়ানো ইটের মসৃণ গাঁথুনি এবং ছয়টি খিলানযুক্ত লণ্ঠন বিশিষ্ট এই পাথরের মিনারের চূড়ায় একটি গম্বুজ রয়েছে। তবে মিনারে অতিরিক্ত কোনো নকশা করা হয়নি। মিনারের শীর্ষে ওঠার জন্য একটি সর্পিল সিঁড়ি রয়েছে।
মসজিদের দেওয়ালে এখনও গাঞ্চ খোদাই সংরক্ষিত আছে, যা ফারগানা উপত্যকার জন্য অনন্য। আঙিনার চারপাশ ঘিরে হুজরা (অধ্যয়ন কক্ষ) ছিল, কারণ এই মসজিদের সাথে একটি মাদ্রাসাও পরিচালিত হতো।
মাদ্রাসাটি ১৯১৮ সাল পর্যন্ত এবং মসজিদটি ১৯৩০ সাল পর্যন্ত চালু ছিল।[১]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 National Encyclopedia of Uzbekistan. Volume 3. Tashkent, 2000
- ↑ O‘ZBEKISTON RESPUBLIKASI VAZIRLAR MAHKAMASINING QARORI ""MODDIY MADANIY MEROSNING KO'CHMAS MULK OBYEKTLARI MILLIY RO'YXATINI TASDIQLASH TO'G'RISIDA""। Lex.uz (উজবেক ভাষায়)। ২৭ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০২০।
- ↑ "Jome Masjidi"। meros.uz (উজবেক ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৩।
