বিষয়বস্তুতে চলুন

কেইগুবাদ মসজিদ

কেইকুবাদ মসজিদ
আজারবাইজানি: Kеyqubаd Məscidi
ফার্সি: مسجد کیقباد
২০০৮ সালের ধ্বংসাবশেষ,
সম্পূর্ণ শঙ্কু-গম্বুজবিশিষ্ট সমাধির পাশে
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিইসলাম (প্রাক্তন)
যাজকীয় বা
সাংগঠনিক অবস্থা
মসজিদ (১৪শ শতক১৯১৮)
অবস্থাপরিত্যক্ত (আংশিক ধ্বংসাবশেষ)
অবস্থান
অবস্থানপুরাতন শহর, বাকু
দেশআজারবাইজান
কেইগুবাদ মসজিদ আজারবাইজান-এ অবস্থিত
কেইগুবাদ মসজিদ
আজারবাইজানের মধ্যে প্রাক্তন মসজিদের অবস্থান
স্থানাঙ্ক৪০°২১′৫৮″ উত্তর ৪৯°৫০′০০″ পূর্ব / ৪০.৩৬৬১৬৭° উত্তর ৪৯.৮৩৩৪৬৯° পূর্ব / 40.366167; 49.833469
স্থাপত্য
ধরনমসজিদ স্থাপত্য
স্থাপত্য শৈলী
প্রতিষ্ঠাতাকেইকুবাদ প্রথম
সম্পূর্ণ হয়১৪শ শতক

কেইকুবাদ মসজিদ (আজারবাইজানি: Kеyqubаd Məscidi; ফার্সি: مسجد کیقباد) একটি ঐতিহাসিক প্রাক্তন মসজিদ, যা বর্তমানে আংশিক ধ্বংসাবশেষ অবস্থায় রয়েছে এবং এটি আজারবাইজানের বাকু শহরের পুরাতন শহরের গালা মোড়ে অবস্থিত। ১৪শ শতাব্দীর এই প্রাক্তন মসজিদটি সেইয়িদ ইয়াহিয়া বাকুভির সমাধির দক্ষিণ পাশে অবস্থিত।

কেইকুবাদ মসজিদটি UNESCO-র বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকাভুক্ত শিরভানশাহদের প্রাসাদ কমপ্লেক্সের একটি অংশ।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

এই ভবনটির সুনির্দিষ্ট ইতিহাস ও কার্যকারিতা বিতর্কিত। ঐতিহাসিকভাবে, কেইকুবাদ মসজিদ একটি মসজিদ-মাদ্রাসা ভবন ছিল যা দরবেশের সমাধির সন্নিকটে অবস্থিত ছিল। আবাসগুলু বাকিখানভ এই মসজিদে বাকুভির শিক্ষা ও উপাসনার কথা লিখেছেন:

শিরভানশাহ কেইকুবাদ প্রথম ১৩১৭–১৩৪৮ সাল পর্যন্ত শাসন করেছিলেন। বিশিষ্ট গবেষক স. আশুরবেইলির মতে, কেইকুবাদ ছিলেন শেখ ইব্রাহিমের দাদা।[]

১৯১৮ সালের ঘটনাক্রমে আর্মেনীয় সেনারা মসজিদটিতে আগুন লাগিয়ে দেয়।[]:১০২

শিরভানশাহ প্রাসাদের নিম্ন চত্বরের দক্ষিণ অংশে কেইকুবাদ মসজিদের কেবল ভিত্তির অবশিষ্টাংশ এবং কিছু খিলানই টিকে আছে।

স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য

[সম্পাদনা]

মসজিদটি একটি আয়তাকার নামাজঘর এবং তার সামনে একটি করিডোর নিয়ে গঠিত। মূল নামাজঘরের কেন্দ্রে ছিল ৪টি স্তম্ভ, যা গম্বুজ ধারণের জন্য নির্মিত হয়েছিল।[]:১২৪ নামাজঘরের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল একটি পোর্টাল এবং একটি ভেস্টিবিউল। নামাজঘরের দক্ষিণ দেয়ালে একটি মিহরাব অবস্থিত ছিল।[]:১০২

সমাধি এবং কেইকুবাদ মসজিদের সঙ্গে মিলিয়ে মধ্য চত্বরটি শিরভানশাহদের প্রাসাদ কমপ্লেক্সে তার ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে একটি মধ্যবর্তী অবস্থান দখল করে রেখেছিল।[]:১০৩

আরো দেখুন

[সম্পাদনা]

গ্যালারি

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Kеyqubаd məscidi"। ১৫ নভেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০১৮
  2. 1 2 3 4 Fətullayev-Fiqarov, Şamil (২০১৩)। Bakının memarlıq ensiklopediyası [বাকুর স্থাপত্য বিশ্বকোষ] (আজারবাইজানী ভাষায়)। বাকু: Şərq-Qərb, আজারবাইজান প্রজাতন্ত্র স্থপতি সমিতি। পৃ. ৫২৮।

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]
  • Dadaşov, S.; Useynov, M. (১৯৫৫)। Bakının memarlıq abidələri। Azərbaycan SSR Elmlər Akademiyası Nəşriyyatı। পৃ. ৪২।
  • Fərhadoğlu, Kamil (২০০৬)। İçərişəhər। Şərq-Qərb nəşriyyatı, AMEA Arxeologiya və Etnoqrafiya İnstitutu। পৃ. ২৫৬।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]

উইকিমিডিয়া কমন্সে কেইগুবাদ মসজিদ সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।