কুষ্মাণ্ডা সরােবর ত্রিবেণী ধাম
| কুষ্মাণ্ডা সরােবর ত্রিবেণী ধাম | |
|---|---|
कुष्माण्डा सराेवर त्रिवेणी धाम | |
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | হিন্দুধর্ম |
| জেলা | মকবানপুর |
| অধীশ্বর | কুষ্মাণ্ডা ভগবতী |
| উৎসবসমূহ | কুষ্মাণ্ডা নবমী, পৌষ সংক্রান্তি, হরিতালিকা তীজ |
| অবস্থান | |
| অবস্থান | হেটৌড়া |
| দেশ | নেপাল |
| স্থানাঙ্ক | ২৭°২৫′১১″ উত্তর ৮৫°০০′৪১″ পূর্ব / ২৭.৪১৯৭৩৩° উত্তর ৮৫.০১১২৭৬° পূর্ব |
| স্থাপত্য | |
| ধরন | পগোডা |
কুষ্মাণ্ডা সরােবর ত্রিবেণী ধাম (নেপালি: कुष्माण्ड सराेवर त्रिवेणी धाम) হলো দেবী কুষ্মাণ্ডা ভগবতীকে উৎসর্গীকৃত একটি পবিত্র হিন্দু তীর্থস্থান। কুষ্মাণ্ডা নামটি তিনটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে - কু যার অর্থ 'সামান্য' বা 'অল্প', উষ্মা যার অর্থ 'উষ্ণতা' বা 'উত্তাপ' এবং অণ্ড যার অর্থ 'মহাজাগতিক ডিম্ব'। তাই তাঁকে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁকে প্রায়শই আট বা দশটি হাত বিশিষ্ট রূপে চিত্রিত করা হয়; তিনি বিভিন্ন অস্ত্র, জপমালা ইত্যাদি ধারণ করেন এবং তিনি সিংহারূঢ়া। তাঁকে দেবী দুর্গার এক আনন্দময় রূপও বলা হয়, যিনি দশহরায় পূজিত নবদুর্গার চতুর্থ রূপ। বিশ্বাস করা হয় যে, কোনো সৃষ্টির অস্তিত্ব থাকার আগে যে চিরন্তন অন্ধকার বিদ্যমান ছিল, তাঁর মৃদুহাস্য সেই অন্ধকারের অবসান ঘটিয়েছিল।[১][২] চালকুমড়ো হলো এই দেবীর সবচেয়ে প্রিয় নৈবেদ্য।[১]
তীর্থস্থানটি মধ্য নেপালের হেটৌড়া উপমহানগরের উপকণ্ঠে অবস্থিত। এই স্থানটি একটি ত্রিবেণী সঙ্গম (তিনটি নদীর মিলনস্থল), যেখানে কর্রা ও কুখ্রেনী নামক দুটি দক্ষিণ তীরবর্তী উপনদী পূর্বী রাপ্তী নদীতে এসে মিলিত হয়েছে।[১] গত এক দশকে এই পবিত্র স্থানটির উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। কুষ্মাণ্ডা সরোবর ত্রিবেণী তীর্থ উন্নয়ন সমিতি স্থানটির উন্নয়ন ও প্রচারের দায়িত্ব পালন করে।[৩] কুষ্মাণ্ডা ভগবতী মন্দির এই তীর্থস্থানের প্রধান পূজাকেন্দ্র। কুষ্মাণ্ড সরোবর হলো মা কুষ্মাণ্ডার উদ্দেশে উৎসর্গীকৃত পবিত্র জলাশয়। নদীতীরগুলি হেটৌড়ার অন্যতম প্রধান হিন্দু অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া-সম্পাদনের স্থান হিসেবে ব্যবহৃত।
কুষ্মাণ্ডা নবমী, মকর সংক্রান্তি ও তীজ উৎসবের সময় এই তীর্থস্থানে বিপুল সংখ্যক তীর্থযাত্রীর সমাগম ঘটে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে, দেবী কুষ্মাণ্ডা এবং অন্যান্য দেবদেবীগণও এই স্থানের পবিত্র জলে স্নান করতে আগমন করেন। ভক্তরা ত্রিবেণীর জলে অবগাহন করে অথবা মন্দির প্রাঙ্গণে নির্মিত একশো আটটি পবিত্র ধারার[৩] নিচে স্নান করে পুণ্যস্নান সম্পন্ন করেন। মকর সংক্রান্তির সময় দশসহস্রাধিক মানুষ এই পবিত্র স্থানে আগমন করেন; তাঁরা ধর্মীয় স্নান সম্পাদন করেন এবং হিন্দু জীবনচক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার, বালকদের উপনয়ন অনুষ্ঠান, ব্যাপক পরিসরে আয়োজন করেন।[৩] তীজ ব্রত পালনকারী নারীরাও ঋষি পঞ্চমীর দিনে এখানে ধর্মীয় স্নান সম্পাদন করে উৎসবের সমাপ্তি ঘটান।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 www.onlinepuja.org। "Onlinepuja org - We offer online Puja at Kushmanda Triveni Dham"। www.onlinepuja.org। ১৬ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০১৫।
- ↑ "The temple of Kushmanda Devi in Trikhandi - Boss Nepal"। ২৫ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০১৫।
- 1 2 3 উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; "auto1" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি