কুশীনগর বিমানবন্দর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কুশীনগর বিমানবন্দর
কাসিয়া বিমানবন্দর
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
বিমানবন্দরের ধরনপাবলিক
মালিকভারতীয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ
পরিচালকভারতীয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ
সেবা দেয়কুশীনগর
অবস্থানকাসিয়া, কুশীনগর, উত্তরপ্রদেশ, ভারত
চালু২০১৮ সালের মাঝামাঝি
এএমএসএল উচ্চতা২৬৬ ফুট / ৮১ মি
স্থানাঙ্ক২৬°৪৬′১২″ উত্তর ০৮৩°৫৪′২৯″ পূর্ব / ২৬.৭৭০০০° উত্তর ৮৩.৯০৮০৬° পূর্ব / 26.77000; 83.90806
মানচিত্র
কেএসএন ভারত-এ অবস্থিত
কেএসএন
কেএসএন
ভারতে বিমানবন্দরটির আবস্থান
রানওয়েসমূহ
দিকনির্দেশনা দৈর্ঘ্য পৃষ্ঠতল
ফুট মি
১১/২৯ ৫,৬৮০ ১,৭৩১ আস্ফাল্ট

কুশীনগর বিমানবন্দরটি কুশীনগর জেলার কুশীনগর শহরের প্রস্তাবিত বিমানবন্দর এবং এটি ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের কুশীনগর [১] জেলার গোরখপুরের ৫২ কিলোমিটার পূর্ব দিকে আবস্থিত। বিমানবন্দরটি ৯৭ একর জমির মধ্যে রয়েছে। [২] বিমানবন্দরটির বিমান দাঁড়ানর স্থানের আয়তন ১৪৫ মিটার x 46 মিটার [৩] এবং এটি ছোট বিমান পরিচালনা করে।

বিমানবন্দর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ তীর্থ কেন্দ্রের কাছাকাছি অবস্থিত, যেখানে গৌতম বুদ্ধ তার মৃত্যুর পর পারিনির্বানাঅর্জন করেছে। এই স্থানটি দেখার জন্য আন্তর্জাতিক পর্যটকদেরকে বিমান পরিষেবা প্রদান করার জন্য রাজ্য সরকার (উত্তরপ্রদেশ সরকার) বিমানবন্দরটি বিকাশের পরিকল্পনা করছে। ১৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের জন্য ৫৫০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। [৩]

কেন্দ্রীয় সরকার (ভারত সরকার ) ২০% এর একটি "ভিজিবিলিটি গ্যাপ ফান্ডিং" (ভিজিএফ) দিতে সম্মত হয়েছে। [৪] বিমানবন্দরটি রাজ্য সরকার এবং ভারতের ভারতীয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে নির্মিত হবে (এএআই)। [৫]

প্রাথমিকভাবে পিপিপি মডেলের প্রকল্পটির জন্য খরচ হবে ৩৭৫ কোটি টাকা । রাজ্য সরকার "আইএলএন্ড এফএস অব ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড"কে পিপিপি প্রকল্প পরামর্শদাতা হিসাবে নির্বাচিত করেছে। এই প্রকল্পটি ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সিভিল এভিয়েশন থেকে "নীতিমালা অনুমোদনে" পেয়েছে।

২০১৩ সালে বিমানবন্দরের উন্নয়নের জন্য সরকার সুপরিচিত পরিকাঠামো সংস্থার কাছ থেকে ১৫ টি প্রযুক্তিগত বিড পেয়েছে। [৬]

জানুয়ারী ২০১৪ সালে রাজ্য মন্ত্রিপরিষদ প্রকল্প অনুমোদন এবং আর্থিক বিড নথি অনুমোদন করে। [২] কিন্তু প্রকল্পের খরচ এবং আকারের পরিমাণ কমাতে বিভিন্ন প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, সরকার বেসরকারী কর্মকর্তাদের তার কার্যকারিতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। ২০১৫ সালের মে মাসে, রাজ্য সরকার প্রকল্পটির সাথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য এএআই -এর সমর্থনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। [৫]

কুশীনগরের প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটির জন্য ১৯৯ কোটি টাকার তহবিল ২০১৭ সালের নভেম্বরে উত্তরপ্রদেশ সরকার শ্রী যোগি আদিত্যনাথের নেতৃত্বে মুক্তি পায়। এবং ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে "ইউপি ইনভেস্টমেন্ট সামিট"-এর সময় শ্রী যোগি আদিত্যনাথ ঘোষণা করেছেন যে, কুশীনগর বিমানবন্দরটি ২০১৮ সালের মাঝামাঝি থেকে চালু হবে। সরকার দ্বারা একটি বিশাল উন্নয়ন হবে এই অঞ্চলয়ে যা সরাসরি এবং পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে এই অঞ্চলয়ে।

রানওয়ে[সম্পাদনা]

কুশীনগর বিমানবন্দরের রানওয়েটি আস্ফাল্ট দ্বারা নির্মিত। বিমানবন্দরের রানওয়ে মোট ১,৭৩১ মিটার বা ৫,৬৮০ ফুট দীর্ঘ। বিমানবন্দরটি ছোট এটিআর বিমান পরিচালনা করতে সক্ষম।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Kushinagar airport to be a boon for migrant labourers"। The Times Of India, Shailvee Sharda, TNN Feb 23, 2013, 03.53AM IST। 
  2. "Kushinagar international airport project to get wings"Business Standard। ১৭ জানুয়ারি ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০১৪ 
  3. "Project Information Memorandum" (PDF)। Government of Uttar Pradesh। ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০১৪ 
  4. "Kushinagar international airport to get ready for take-off"Business Standard। জানুয়ারি ৭, ২০১৩। 
  5. "Stuck for 7 years, govt decides to rope in AAI for Kushinagar airport"Indian Express। ১০ মে ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০১৫ 
  6. "15 bids infuse new life into Kushinagar airport project"Hindustan Times। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]